| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভেসপার্
জীবনে হোঁচট খেতে খেতেই এতদূর আসা, ভুলে ভরা এই জীবনটা তাই ঠাসা, এবং এর মাঝেই শিখেছি আমি অনেক কিছু, কিন্তু পরোয়া করিনা কোনো কিছু, কারণ আমি কে সেটা জানতে প্রয়োজন এইসবকিছু।
অনেকেই আমরা যারা ল্যাপটপ ব্যাবহার করি, ব্যাটারীর যত্ন সম্পর্কে কতটুকু জানি ? অনেকেই এই বিষয়টিকে সেইরকম গুরুত্বই দেইনা। বেশিরভাগই সেক্ষেএে ব্যাবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই আজ আপনাদের ব্যাটারীর যত্ন সমন্ধে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাবো। অনেকের মধ্যে এই প্রশ্ন জাগে যে,ব্যাটারী পুরোপুরি চার্জ হওয়ার পর ও কি বিদ্যুৎ সংযোগ রাখা যাবে কিনা ? এটা পুরোপুরি নির্ভর করছে পরিস্থিতির উপর। তারপরেও না রাখাটাই ভালো। কেননা,অধিক সময় ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকার ফলে ল্যাপটপের পাওয়ার সাপ্লাই সিস্টেম বা এডাপ্টার ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। তাই স্বাভাবিক ব্যাবহারে ল্যাপটপের সিপিউ এবং হার্ডডিস্কের তাপমাএা প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ সেলসিয়াস হবে। অনেক সময় এমন হয় যে, কোনো গুরুত্বপূর্ন কাজের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ চলে গেলে আমরা ব্যাটারীর উপর নির্ভর করি এবং অধিক সময় ব্যাবহারের ফলে ব্যাটারীর তাপমাএা কখনো কখনো ৬০০ সেলসিয়াসের উপর চলে যেতে পারে। এক্ষেএে অতিরিক্ত তাপমাএা এড়ানোর জন্য সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। তাই বিদ্যুৎ আসার সাথে সাথেই সংযোগ না দিয়ে পরিস্থিতি বুঝে তারপর সংযোগ স্থাপন করতে হবে। এছাড়া ব্যাবহারের ক্ষেএে যতটুকু সম্ভব গ্রীষ্মকালে সূর্যের আলো পরিহার করা উচিত। কেননা, এই উচ্চতাপ ব্যাটারীর কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
সম্পূর্ণ ব্যাটারী ডিসচার্জ (যতক্ষণ না পর্যন্ত ল্যাপটপ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে) করা এড়িয়ে যাওয়া উচিত। কারণ, এতে ব্যাটারীর উপর অনেক চাপ পড়ে। এমনকি ব্যাটারী নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বিদ্যুৎ সংযোগ চলে যাওয়ার পর সর্বোচ্চ ২০% থেকে ৩০% পর্যন্ত ব্যবহার করা উচিত।
এবার ব্যাটারীর যত্ন নিয়ে একটি ওয়েবপেইজ এর ঠিকানা দেওয়া হলো – http://batterycare.net/en/guide.html - এই সাইটটি মূলত সঠিকভাবে ব্যাটারীর ব্যবহার সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিবে। এখানে ০.৯.১৩.০ ভার্সনের একটি সফটওয়্যার রয়েছে, সম্পূর্ন ফ্রি বিধায় এটি খুব সহজেই ডাউনলোড করা যাবে এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো ব্যাটারী ক্যালিব্রেইশন (নির্ভুল পরিমাপের সঠিক মানদণ্ড) বা সম্পূর্ণ ডিসচার্জ সাইকেল। প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর একটি ক্যালিব্রেইশন পূর্ন করা উচিত। ব্যাটারীর চার্জার মূলত রাসায়নিক শক্তির চাইতে ইলকট্রনিক সার্কিট দ্বারা নির্দেশিত হয় এবং সেখানে নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে। তাই সঠিক নির্দেশনা এবং বিড়ম্বনা এড়াতে ক্যালিব্রেইশনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
![]()
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।আশা করি পোস্টটি কাজে লাগবে।![]()
©somewhere in net ltd.