| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের করিডোরে ট্যুরের ছবি আর মজার মজার ক্যাপশন থেকেই সার্ক ইচ্ছা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছিলো।
আর তাই ফার্স্ট ইয়ার থেকেই ডিপার্টমেন্টের ঘুরুন্চিমনা বন্ধুরা সংকল্পবদ্ধ হয়েছিলাম
অনার্স শেষের পর সার্ক ট্যুর করব।
যাই হোক হাটি হাটি পা পা করে গত বছরের ডিসেম্বরে অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হবার পর বন্ধুরা মিলে আটঘাট মিলে নামনাল ট্যুরের কাজে।
প্রথম প্রথম অনেকেই ট্যুরে যেতে চাচ্ছিল না, সবাই মিলে না যেতে পারলে কি আর ট্যুর মজা হয় তাও আবার সার্ক ট্যুর।
আর তাই প্রথমে কাউন্সেলিং করে ট্যুরিস্ট দল ভারী করার কাজ শুরু হল প্রথম। এরপর শুরু হলো স্পন্সর ম্যানেজ করার কাজ।
কলা ভবনের সামনে দিন-রাত বসে মিটিং, টিএসসিতে,মল চত্বরে, হলের দোকানে বলতে গেলে আমাদের এক রকমের ধ্যান-জ্ঞানই হলে গেলো, যে করেই হোক সার্ক ট্যুর করতে হবে।
তার উপর আবার ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই-বোনদের হাসি তামাশা ( এই রকম :: ও তোরা ট্যুরে যাবি, হা হা হা, আগে ঘুরে আয় তারপর বলিস: একটু বলে রাখা ভালো, আমাদের আগে আমাদের ডিপার্টমেন্টের ৬ টি ব্যাচ ট্যুরে যাবার পায়তারা করলেও শেষ পর্যন্ত যেতে পারেনি। আর এ জন্য অনেকের মনে বদ্ধ ধারণা হয়েছিলো যে, আমরাও বোধ হয় তাদের মত ফেল মারব)
যাই হোক দীর্ঘ তিন মাসের প্রচেষ্টা আর পাসপোর্ট-ভিসার জটিলতার পর অবশেষে ২৫ মার্চ রাতে ভারত যাবার জন্য গ্রীন লাইনের টিকিট কাটা্ হলো, যাত্রী সংখ্যা আমাদের শ্রদ্ধেয় স্যার সহ ২০ জন।
( ও এখানে একটু বলে রাখা ভালো, টাকা পয়সার কথা চিন্তা করে শেষ পর্যন্ত আমরা শুধু ভারত ভ্রমনের সিদ্ধান্ত নিলাম ২০ দিনের জন্য। এখানে আবার ভিসা জটিলতার জন্য আমাদের ৩ বন্ধুকে রেখেই রওনা হতে হলো। আরেক বান্ধবী তো দুই বার দাদাদের দেশে যাবার জন্য ভিসার আবেদন করার পর রিজেক্ট হবার পর মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ায় তাকে ট্যুর প্লান থেকে বাদ দেয়া হলো। বাকী ৩ বন্ধুকে রেখে যাওয়া হলো তৃতীয় বার আবেদন করে যদি ভারতের ভিসা পায় তবে ভারতে গিয়ে তারা আমাদের সাথে মিট করবে)
অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, ২৫ মার্চ রাতে আমরা সবাই কলাবাগানের গ্রীণ লাইনের কাউন্টারে একত্রিত হলাম। রাত পৌনে এগারটার ছাড়লো আমাদের বাস বেনাপোলের উদ্দেশ্যে।
সারা রাত জার্নি করার পর সকাল ১০ টার দিকে আমরা পৌছলাম বেনাপোল বর্ডারে। সেখানে যাবতীয় ফর্মালিটি শেষ করে দুপুর ১ টার দিকে ভারতের ভিতর প্রবেশ করলাম।
এই প্রথম দেশের বাইরের মাটিতে পা রাখলাম। পেছনে ফিরে তাকিয়ে প্রিয় বাংলাদেশ। যাই হোক ভারতের ইমিগ্রেশন দ্রুত শেষ করে পেট্রাপোল থেকে গ্রীণ লাইনে চড়ে বসলাম কলকাতার উদ্দেশ্যে।
গাড়ী চলছে আর বেশ উপভোগ করছি দুপাশের বাড়ি-ঘর সবই বাংলাদেশের মতোই ভাষা এক সংস্কৃতি এক শুধু দেশ আলাদা। বিখ্যাত যশোর রোড দিয়ে গাড়ী এগিয়ে চলছে, হঠাৎ মনে পড়ছে এ্যালেন গীন্সবার্গের 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোডের কথা', যাই হোক চব্বিশ পরগণার একটি হোটেলে দুপুরের খাবার খেয়ে আমরা আবার রওনা হলাম। বিকেল ৫ টার দিকে আমরা পৌছলাম কলকাতার নিউ মার্কেটের গ্রীণ লাইনের কাউন্টারে।
যাক অবশেষে কলকাতা পৌছলাম। এবারে হোটেল খোঁজার পালা। হোটেল পাশেই পেলাম কলীন স্ট্রীটে। হোটেলে পৌছে সবাই যে যার মতো ফ্রেশ হয়ে রাতের খাবার খেতে বের হলাম। ফাকেঁ নিউমার্কেটের আশপাশে একটু ঘুরে দেখলাম।
পরদিন কোথায় কোথায় ঘুরবো এ বিষয়ে কথা বলতে বলতে হঠাৎ করেই স্যার বললেন আগামীকাল তো হলি, কাল ভারতের সব প্রতিষ্ঠান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে। কি আর করা স্যার বললেন কাল তাহলে হোটেলে বসেই কাটাতে হবে।
শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো পরদিন ভোরে বের হয়ে আমরা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল দেখতে যাবে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরদিন সকালে নাস্তা করার পর সবাই মিলে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল দেখার জন্য আমরা সবাই বের হলাম।
দূর থেকে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল..............
![]()
![]()
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের সামনে আমরা.......
![]()
![]()
হোলির রঙ্গে এক ট্যুরিস্ট কাপল...............
![]()
আমাদের স্যার..............................
![]()
কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বাহন............
![]()
আজ এই পর্যন্ত( চলবে)...........
২৬ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৩০
উইশ বলেছেন: থ্যাংকু........
২|
২৬ শে মে, ২০১৩ ভোর ৬:৫৫
মেঘকন্যা বলেছেন: এইটুকু??? পড়তে না পড়তেই শেষ হয়ে গেল...
২৬ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৩২
উইশ বলেছেন: ভাবছিলাম আরো বড় করবো, কিন্তু লিখতে লিখতে ভোর হয়ে যাওয়ায় সংক্ষেপ করতে হলো,,,, আগামী পর্বগুলো একটু বড় করে লিখবো, সংগে থাকুন......
৩|
২৬ শে মে, ২০১৩ সকাল ৭:৪৪
সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আমার ভারত ভ্রমণ (প্রথম পর্ব) ভাল লাগলো । ৩য় ভাল লাগা ।
২৬ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৩
উইশ বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ........ ভাই আপনার প্রোফাইল পিকটা দেখে আমারডাও চেঞ্জ করতে মুন্চায়........
৪|
২৬ শে মে, ২০১৩ সকাল ৭:৫০
দায়িত্ববান নাগরিক বলেছেন: ভালো লাগ্লো লেখাটা। পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করব। তাড়াতাড়ি লিখে ফেলুন। এতজন মিলে একসাথে ঘুরে বেড়ানোর মজাই আলাদা। কোন বছরে 25 মার্চ এ গেছেন?এবছরই নাকি?
২৬ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৪
উইশ বলেছেন: আসলেই অন্য রকম মজা,,,,,,,, ও সরি সাল উল্লেখ করি নাই, হ এবছর ২৫ মার্চ গেছিলাম.......
৫|
২৬ শে মে, ২০১৩ সকাল ৮:০৩
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: ভিক্টোরিয়ার সাথে দেখা হয়েছিলো ১৯৮৭ সালে, তারপর গত বছর কোলকাতায় পা রাখলেও ভিক্টোরিয়াতে যাওয়ার সময় পাইনি । ভ্রমণ কাহিনীতে প্লাস
২৬ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৬
উইশ বলেছেন: আপনিতো তাহলে অনেক আগেই ঘুরে এসেছেন, আমরা শুধু বাগানে ঘুরতে পেরেছিলাম তারপরেও অনেক মজা হইছে,,তয় ঐদিন হোলি থাকায় মিউজিয়ামে ঢুকতে পারিনি....
৬|
২৬ শে মে, ২০১৩ সকাল ৯:০৯
সোহাগ সকাল বলেছেন: পরের পোস্টগুলো আরও বড় করে দেবেন। ভ্রমনকাহিনী পড়তে চরম লাগে।
২৬ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৬
উইশ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে,,,,,,,পরের পোস্টগুলো বড় করতে চেষ্টা করবো......
৭|
২৬ শে মে, ২০১৩ সকাল ১১:২৮
ভুেতরগলি বলেছেন: ভ্রমণ কাহিনী ভালা পাই। পোস্টে ++
২৬ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৭
উইশ বলেছেন: ভুতের গলি.........আপনাকে ধইন্যা...
৮|
২৬ শে মে, ২০১৩ রাত ৮:২৭
হৃদ যমুনার জল বলেছেন: আমি গিয়েছিলাম গত বছর।ভিতরে আসল মজা ভিক্টোরিয়া তে।ভালো লাগলো।
২৬ শে মে, ২০১৩ রাত ৮:৪১
উইশ বলেছেন: ভাই আমাদের কপাল খারাপ,,,আমরা যেদিন ছিলাম ঐদিন হোলি ছিলো তাই ভেতরে ঢুকতে পারিনি,, বাগানে ঘুরেই মজা করতে হইছে....
৯|
২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১:৩৬
মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন: ছবি এতো কম হলে চলবে ??
২৮ শে মে, ২০১৩ রাত ১০:২০
উইশ বলেছেন: সামনে অারো ছবি দিতাছি,,,,,একটু ওয়েট করেন বস............
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে মে, ২০১৩ ভোর ৬:১৬
েবনিটগ বলেছেন: +