নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুখে আছি, সুখে আছি সখা, আপন মনে।

সখা, নয়নে শুধু জানাবে প্রেম, নীরবে দিবে প্রাণ, রচিয়া ললিতমধুর বাণী আড়ালে গাবে গান। গোপনে তুলিয়া কুসুম গাঁথিয়া রেখে যাবে মালাগাছি। এই ব্লগের©শান্তির দেবদূত।

শান্তির দেবদূত

নিজের কথা কি আর বলবো ...... নিজে সুখী মানুষ, পৃথিবীর সবাই সুখী হওক এই কামনা করি...... কয়লার মধ্যে কালো খুঁজি না, হীরা খুঁজে বেড়াই .......

শান্তির দেবদূত › বিস্তারিত পোস্টঃ

( কল্প-গল্প ) --- খাস্তগীরের পাঠশালা - “ভিশন ২০৪০”

০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৯:৩২





এক.

চোখে চোখে তাকিয়ে আছি সমানে সমান; মাঝেমাঝে ভ্রুজোড়া একটু কুঁচকে যাচ্ছে আমার, তীক্ষ্ণ থেকে তীক্ষ্ণতর হচ্ছে দৃষ্টি, কিন্তু তার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই, শুধু পায়ে পা ঘসে যাচ্ছে; দশ সেকেন্ড, বিশ সেকেন্ড, এক মিনিট, দুই মিনিট, পাক্কা তিন মিনিটের টানটান স্নায়ু যুদ্ধের পর রণে ভঙ্গ দিয়ে আমি চিৎকার করে ডাকলাম, “কবুল, এই কবুল! কবুইল্লা! ঐ কবুইল্লা!”। আশ্চর্য ব্যাপার হলো যদিও নাম তার কবুল কিন্তু ‘কবুইল্লা’ না ডাকা পর্যন্ত তার সারা পাওয়া দুষ্কর! আর একটা মানুষের নাম কবুল রাখে কোন আবুলে! অদ্ভুত!



- “জ্বী বস্‌?” হন্তদন্ত হয়ে আসে কবুল যথারীতি।



তোমাকে কতদিন বলেছি আমাকে চা দিবে চিনি ছাড়া?



- বস্‌ কি চা এ চুম্মুক দিছেন? চুম্মুক ছাড়া কেমনে বুঝলেন চিনি দিছি কি দেই নাই? খানিকটা তেজের সাথেই বলে কবুল।



“চিনি ছাড়াই যদি হবে তাহলে কোন গুপ্তধনের আশায় এই মাছি খানা উড়ে এসে জুড়ে বসেছে তুমি কাপ রেখে যাওয়ার সাথেসাথেই? চা খাওয়ার আশায়? এইটা কি তবে চৌ-মাছি? হ্যাঁ?”, ভ্রু নাচিয়ে কিঞ্চিৎ নাটকীয় ভঙ্গীতে জিজ্ঞেস করি তাকে, হারার পাত্র নই আমি।



বেরসিক মোবাইলটা আর বেজে উঠার সময় পেল না, অদ্ভুত ব্যাপার; যখনই জরুরী কাজে থাকি তখনই বেজে উঠে, যখনই বসের সামনে থাকি তখনই বেজে উঠে, যখনই প্রাতঃকাজে আসনে বসা তখনই শুনতে পাই উনি বেজে যাচ্ছেন তো যাচ্ছেনই; এসে নির্ঘাৎ দেখব বস জরুরী কোন কাজে ফোন করেছিল, কল ব্যাক করার পর, প্রথমে যে কথা শুনতে হবে, “তোমাকে তো কাজের সময় কখনোই পাওয়া যায় না! কি ব্যাপার শুনি?” তখন কী আর বলা যায় এই অধম ত্যাগের উল্লাসে মত্ত ছিল!



- “হ্যালো?” অপরিচিত নাম্বার, বেশ আয়েশের সাথেই ধরলাম ফোনটা।



খাস্তগীর আপনার কে হয়?



- অপরিচিত নারী কণ্ঠ, কণ্ঠে যেমন তেজ তেমনি কর্তৃত্ব ঝরে পড়ছে, খানিকটা রোমান্টিকতার ছোঁয়াও পেলাম। কিন্তু খাস্তগীরের শুনে অবচেতন মন আমার রোমান্টিকতার লাগাম টেনে ধরল। “হ্যাঁ, খাস্তগীর আমার বাল্যবন্ধু।”, মনে মনে ভাবছি, “কি ব্যাপার? পাত্র-পাত্রী ঘটিত কোন কেস না তো!” খানিকটা স্বপ্রণোদিত হয়ে বললাম, “ছেলে হিসাবে সে কিন্তু যাকে বলে, একেবারে অসাধারণ”



“জ্বি, ছেলে হিসাবে কেমন সেটা জানার জন্যেই ফোন দিয়েছি”।



- সুরেলা কণ্ঠে কানে যেন মউ বর্ষণ হচ্ছে আমার, তার উপর এমন অর্জুনের মতো লক্ষ্যভেদ! খানিকটা উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে গদগদ হয়ে বললাম, “আমরা খুব ভাল বাল্যবন্ধু, সে আমার পরামর্শ ছাড়া এক পা ও নড়ে না”



জ্বি, সেটাই অনুমান করতে পারছি; আমি ডিবির এ.এস.পি রোকসানা পারভীন বলছি, আপনাকে এক্ষণি আমাদের কার্যালয়ে আসতে হবে।



- কোকিলিয়ার কাকীতে রুপান্তর! কর্কশ পুলিশি স্বরে মউ বর্ষণ মুহূর্তেই রূপ নেয় তীক্ষ্ণ অম্লে; কয়েকটা স্পন্দন ফসকিয়ে যায় বেচারা হার্টের। পরিস্থিতির এমন দৈবৎ পরিবর্তনে হতভম্ব হয়ে কখন যে চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে আমতা আমতা করে, “জ্বী! জ্বী ম্যাডাম! জ্বী ম্যাডাম!! আপনি যেখানে আসতে বলবেন সেখানেই হাজির হয়ে যাবো, ম্যাডাম। না! না!! কোন ফোর্স পাঠাতে হবে না, খামাখা কেন কষ্ট করবেন, আমি নিজেই চলে আসছি, জ্বী, এক্ষণি আসছি, এক্ষণি, জ্বী।” বলে যাচ্ছি সেদিকে আমার কোন খেয়ালই নেই। ফোনটা রেখে দেখি বদমাইশটা চোখে ফেঁড়ে আমাকে দেখছে আর হাসি যেন কেউ ক্লিপ দিয়ে টেনে আটকিয়ে রেখেছে দুই কান অবধি! সার্টের হাতা দিয়ে কপালে জমে উঠা বিন্দু বিন্দু ঘামের ফোঁটা মুছে চেয়ারটায় বসে পড়লাম ধপাস করে। মাথার মধ্যে অসংখ্য সম্ভাবনা ঘুরপাক খাচ্ছে, কিন্তু কোনটার ব্যাপারেই নিশ্চিত হতে পারছিলাম না, হাজার হলেও খাস্তগীর হারামজাদাটা জড়িত বলে কথা! তাই বলে ডিবির খপ্পরে! শালা মরার আর জায়গা পেলি না! মরলে মরবি কিন্তু তার মধ্যে আমাকে জড়ালি কেন? একবার এ থেকে বের হয়ে নেই, তোর চৌদ্দগুষ্টির ধারের কাছেও ঘেঁষবো না; আপন মনে খিস্তিখেউর করতে করতে অফিস থেকে বের হলাম, তার আগে প্রকৃতিকে একটু হালকা করতে ভুলিনি।



দুই.

“হারামখোরের বাচ্চা! আমারে চিনস না, নাহ? এইবার চিন্না রাখ! কত্ত বড় সাহস, আমারে চোখ মারছ? তোর জিব্বা টাইন্না ছিঁড়া ফালামু লগে তোর বাপের কইলজাও”, দশাসই নিতম্ব দুলিয়ে উচ্চস্বরে চিৎকার করতে করতে ঘরে প্রবেশ করে বিশালদেহী এক ললনা! বুকের উপর নেমপ্লেট জ্বলজ্বল করছে, “রোকসানা পারভীন”; আমার কলিজায় কাঁপন ধরে গেল মুহূর্তেই; কার না কার জিহ্বা বেচারা! চোখের দোষের আজ মরতে বসেছে। শব্দ করে চেয়ারটা টেনে বসার আগে টেবিল থেকে নোংরা তোয়ালেটা তুলে হাতের মধ্যে লেগে থাকে রক্ত মুছে নেয়; নিশ্চয়ই থার্ড ডিগ্রী প্রয়োগ হয়েছে কারও উপর। নিজের ঢোঁক গেলার শব্দ নিজের কানে শুনতে পেলাম, পেটও গুড়মুড় করে ডেকে যাচ্ছে; আর আমি নিজেকে প্রবোধ দিচ্ছি, “রিলাক্স ম্যান, রিলাক্স”। জীবনে যত দোয়া শিখেছিলাম একে একে সব পড়া শুরু করলাম, আশ্চর্য সবচেয়ে আবশ্যক দোয়া ‘আয়াতুল কুরসী’টাই মনে করতে পারছি না! ওদিকে পাশে বসে আপন মনে বিড়বিড় করছে খাস্তগীর। হঠাৎ অফিসার রোকসানা ড্রয়ার খুলে ছোট পকেট-আয়না বের করে লিপস্টিক ঠিক করতে লেগে গেল! টর্চার কি লিপের মাধ্যমে করেছে না কী? জিহ্বা ছিড়ে ফেলার কথা বলছিল! আতঙ্ক এবার তুঙ্গে আমার, ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি করছি আপন মনে; হঠাৎ বাঁ হাতে তুড়ি বাজিয়ে তর্জনীর ইশারায় আমাদের কাছে ডাকে ডিবির এ.এস.পি রোকসানা পারভীন।



- “কি মিশনে খাস্তগীরকে বালিকা স্কুল, মহিলা কলেজ ও লেডিস হোস্টেলে হোস্টেলে পাঠানো হয়েছে?”, কোন ভুমিকা না করে সরাসরি এমন প্রশ্ন! তাও রক্ষে প্রথমেই দু’ঘা লাগিয়ে দেয়নি। “উদ্দেশ্য কী, শুনি? কোন নাশকতার বা অপহরণের পরিকল্পনা না তো?”।



এখনো কোন সম্মোধনে আসেনি, ভাব বাচ্যে কথা বলছে, মুখের ভাষায়ও বেশ ভদ্রতা ফিরে এসেছে; লক্ষণ ভালো না খারাপ বুঝতে পারছিনা। গলা হালকা খাকাড়ি দিয়ে বললাম, “খাস্তগীর আমার বাল্যবন্ধু, এর বাইরে আর কোন সম্পর্ক নেই। একটু পাগলামি ভাব আছে ছোট বেলা থেকেই। এ ছাড়া আর কোন সমস্যা নেই।”, গলার স্বর নিজের কানেই কেমন কিম্ভুতকিমাকার লাগছিল!



- কিন্তু ফোনে তো আপনি অন্য রকম কথা বলেছিলেন?



‘আপনি’ সম্মোধন পেয়ে ধরে একটু প্রাণ ফিরে এলো; ফোনে আমি কি ভেবে কি বলতে চেয়েছি সেটা খুলে বললে পরিস্থিতি কি দাঁড়াতে পারে সেটা চিন্তা করে ঐ পথ আর না মাড়িয়ে বললাম, “স্কুল থেকেই অসম্ভব বিজ্ঞানমনষ্ক, সারাক্ষণ বিজ্ঞানের বিভিন্ন থিউরি, সূত্র নিয়ে থাকতে থাকতে মাথার স্ক্রু ঢিলে হয়ে শুধু আলতো করে ঝুলে আছে, যে কোন সময় খসে পড়তে পারে; এমনিতে...”, ওষ্ঠাগ্রে ‘ছেলে’ প্রায় চলে এসেছিল মুহূর্তেই সংশোধন করে বললাম, “এমনিতে মানুষ হিসাবে অসাধারন। কোন স্ক্যান্ডাল নেই, ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই, পাড়া-প্রতিবেশিরাও ভাল জানে”



- হুমম, আমাদের এমনি ধারনা হয়েছিল। বেশ কয়েকদিন ধরে আমাদের ইনফর্মাররা ওনাকে ফলো করে মেয়েদের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও হোস্টেলে সামনে হাতে এই যন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে; টেবিলে উপর রাখা ছোট রেডিও মত দেখতে একটা কিছুকে ইঙ্গিত করে বলেন তিনি, আর এখানে ধরে আনার পর থেকে কোন কথাই বলছেন না, শুধু বিড়বিড় করছে আর গো-গো-গো শব্দ করছেন। শেষে উনার মোবাইল ঘেঁটে আপনার নাম্বার পেয়ে যোগাযোগ করেছি।



“খাস্তগীরের আসলে পুলিশোফোবিয়া আছে।”, অনেক কষ্টে ঠোঁটের কোণে প্রায় চলে আসা হাসিটা আটকিয়ে বলি। কি কান্ডটাই না ঘটেছিল সেদিন, মনে পড়লে এখনো পেটে খিল লেগে যায়।



- ঠিক আছে, আজকের মত মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছি; তবে ভবিষ্যতে চোখে চোখে রাখবেন আপনার এই বন্ধুকে।



ভয়ংকর বিধ্বংসী যন্ত্র সন্দেহে পুলিশ যেটা জব্দ করেছিল, সেটা গুছিয়ে ডিবি কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় তা দূর থেকে রোকসানা পারভীনের দিকে তাক করে খাস্তগীর; একটা লিভার ঘুরিয়ে বাটন চাপ দিতেই টুটুত টুটুত করে বেজে উঠে সেটা মৃদু শব্দ করে, ডিসপ্লেতে ভেসে উঠে “৬ সপ্তাহ”। খাস্তগীর মুচকি হেসে ফিসফিস করে বলে রোকসানা পারভীন মা হতে চলেছে।



এতক্ষণে তার যন্ত্রের কার্যকারীতা সম্বন্ধে কিছুটা ধারনা পেলাম। ভয়ংকর বিধ্বংসী যন্ত্রই বটে! হারামজাদা রিমোট-প্রেগনেন্সি টেস্টার নিয়ে মেয়েদের কলেজে কলেজে ঘুরে বেড়াচ্ছে! কষে লাথ্‌থি মারার অদম্য ইচ্ছাটাকে চাপা দিয়ে কটমট করে তাকিয়ে বললাম, “তোর মতলবটা কি খুলে বল তো”



কিছুটা অবাক হয়ে মুহূর্তক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে থাকে খাস্তগীর, যেন মহা বিরক্ত এমন ভাব করে বলে, “অদ্ভুত তোদের সাধারন জ্ঞান! আশ্চর্য, আমি এই এই যন্ত্র নিয়ে কি করছি এটা এতক্ষণেও বুঝতে পারিস নি, তোদের আসলে ঘাড়ের উপর শুধু এই খুলিটাই আছে, ভিতরটা স্টেডিয়াম। আরে এটা দিয়ে আমি স্টুডেন্ট খুঁজে বেড়াচ্ছি, এটাও এতক্ষণে বুঝতে পারিস নাই!”



এমনভাবে বলল যেন মেয়েদের হলে হলে, স্কুলে কলেজে রিমোট-প্রেগনেন্সি টেস্টার নিয়ে ঘুরে ঘুরে স্টুডেন্ট খুঁজে বেড়ানো খুবই সাধারন ঘটনা, নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার; আশেপাশে অনেকেই এমনি করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমার চোখের তীব্র ক্রোধকে বাঁহাত হাওয়ায় নাড়িয়ে বাউন্ডারির বাইরে ছুড়ে ফেলে বলল, “বুঝেছি, তোকে প্র্যাক্টিক্যালি দেখাতে হবে, না হলে বুঝতে পারবি না। তবে দোস্ত তোকে কথা দিতে হবে আমার এই আইডিয়া প্যাটেন্ট না করা পর্যন্ত মুখ বন্ধ রাখবি”



রাগ হচ্ছিল ভীষণ, দিনটাই মাটি করে দিয়েছে হতচ্ছড়াটা; পিন্ডি চটকাতে চটকাতে নিজের অজান্তেই কখন যে তার ল্যাব হাউজে হাজির হলাম টেরই পাইনি। ঢুকতেই বোটকা একটা গন্ধের বিরাশি সিক্কার ঘুষি এসে লাগল নাকে। ঘরের মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে কাগজের টুকরো, গুঁড়ো খাবার, গামছা, টিনের কৌটা, কাঠের তক্তা, আরও কত কী! তিনটি বিশাল আকৃতির কাঁচের ইনকিউবেটর টাইপের যন্ত্রে ঠাসা ঘরটা। তার ভিতরে শ’খানের মত ইঁদুর খাচ্ছে, দৌড়াচ্ছে, কাঁচের দেয়ালে হাত তুলে অবাক পৃথিবী দেখছে, কয়েকটা আবার ব্যায়াম করছে! চোখ ছানা ভরা হয়ে গেল আমার! হাতের উলটা পিঠ দিয়ে দুই দুইবার চোখ কচলে আবার তাকালাম! ঠিকই দেখছি। ব্যায়াম! বুকডন দিচ্ছে, ছোট আকৃতির ভার উত্তোলন করছে। কয়েকটা আবার ছোট মার্বেল দিয়ে ফুটবলও খেলছে! চোখ তুলে উপরের দিকে তাকালাম, ইনকিউবেটরের মাথায় জ্বলজ্বল করছে, “জিনিয়াস প্রজন্ম”



“কি হচ্ছে এখানে? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না!”, হতবিহ্বলতা কাটিয়ে কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে বললাম।



- এইজন্যেই তুই কেরানী আর আমি বিজ্ঞানী, তুই বুঝতে পারবি না এটাই স্বাভাবিক, বলেই হো হো হো করে হেসে উঠলো।



খোঁচাটা হজম করে জিজ্ঞাসু নয়নে তাকিয়ে থাকি খাস্তগীরের দিকে। জানি ভেতরে তার পারমানবিক চেইন রিএকশন শুরু হয়ে গেছে সব কিছু খুলে বলার জন্য, দেরী হলে পাকা বাঙ্গির মত ফেটে যেতে পারে যে কোন মুহূর্তে।



- আচ্ছা, তার আগে বল তো এটা কিসের যুগ?



কিসের যুগ? উম! টেকনোলজি? না না, দাঁড়া আরও নির্দিষ্ট করে বললে, এটা কম্পিউটারের যুগ? ইন্টারনেটের যুগ?



- আরে ধুর! তোদের দেখছি সাধারন জ্ঞানটা পর্যন্ত নেই! আরে এটা হল কম্পিটিশনের যুগ। আশেপাশে যেখানে তাকাবি দেখবি কম্পিটিশন আর কম্পিটিশন। স্কুলে কম্পিটিশন, মাঠে কম্পিটিশন, চাকুরিতে কম্পিটিশন, মিডিয়াতে কম্পিটিশন, গবেষণায় কম্পিটিশন; শুধু কম্পিটিশন আর কম্পিটিশন। আর এই কম্পিটিশনের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা প্রতিদিন দৌড়াচ্ছি নিজেকে যোগ্য থেকে যোগ্যতর করে গড়ে তোলার জন্য। ঠিক কি না বল? জবাবের অপেক্ষায় না থেকে পুনরায় প্রশ্ন ছুড়ে দেয় আমার দিকে, “আচ্ছা বল তো, তুই কোন ক্লাস থেকে স্কুলে যাওয়া শুরু করেছিস?”



যতটুকু মনে আছে একদিন বাবা পাড়ার স্কুলে নিয়ে গিয়ে ক্লাস থ্রী’তে ভর্তি করিয়ে দেয়।



- বিজয়ের হাসি সারা মুখে ছড়িয়ে পড়ে খাস্তগীরের। আর এখন দেখ তিন চার বছরের ছোট ছোট শিশুরা স্কুলে যাচ্ছে পিঠে বড় বড় ব্যাগ ঝুলিয়ে। তাদের বলা হচ্ছে শিশু-শ্রেণী, তারও আগের শ্রেণীকে বলা হচ্ছে প্লে-গ্রুপ। বাচ্চারা না কী স্কুলে গিয়ে প্লে করবে! আরে প্লে করবে ভাল কথা স্কুলে গিয়ে কেন? স্কুল কি প্লেয়িং এর জায়গা? আসল কথা হচ্ছে কম্পিটিশন, সবই কম্পিটিশনের খেলা। একবার চিন্তার করে দেখ আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন কি আজকালকার বাচ্চাদের মত এত মেধাবী আর এডভান্স ছিলাম?



আমার মাথায় কিছুই ঢুকছে না, ওর কর্মযজ্ঞ দেখে নিউরনে অনুরণন শুরু হয়ে গেছে, “বুঝলাম, কিন্তু তোর পরিকল্পনাটা কি?”



যেন খুব গোপন কথা বলছে এভাবে প্রায় ফিস্‌ফিস্‌ করে বলল, “আমি প্লে-গ্রুপের আগের আরও কয়েকটি ক্লাস উদ্ভাবন করেছি। বাচ্চাদের লার্নিং ক্যাপাসিটি কল্পনাতীত, আমাদের বয়স যত বাড়ে অভিজ্ঞতার ঝাঁপি ভারী হতে থাকে, সেই সাথে কমতে থাকে লার্নিং ক্যাপাসিটি। বলেই সে কাগজ টেনে কি সব আঁকিবুঁকি করতে থাকে, বয়সকে যদি A আর লার্নিং ক্যাপাসিটিকে L ধরি তাহলে সমীকরণটা দাঁড়ায়



A α 1/ L



খুব বুঝতে পেরেছি এমন ভাব নিয়ে মুখটা গম্ভীর করে মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে বিজ্ঞের মত বললাম, “ও তাহলে তুই কিন্ডার-গার্টেন স্কুল দিতে চাচ্ছিস? গুড, ভেরি গুড। সত্যি বলতে কী এই প্রথম তোর কোন পরিকল্পনা আমার পছন্দ হয়েছে। ”



- আশ্চর্য! কাকে কি বোঝাচ্ছি! এত কম ঘিলু নিয়ে চাকুরী করিস কিভাবে? আরে হাদারাম, তোর থেকে তো আমার ঐ ইনকিউবেটরের ইঁদুরগুলো বেশি বুদ্ধিমান! শোন, মেডিক্যাল সাইন্স বলে ১৮ সপ্তাহ পর মায়ের গর্ভে শিশুর শ্রবণশক্তির বিকাশ ঘটে; এই আনুমানিক ৪ মাসের পর থেকে প্রতিমাসকে আমি গর্ভ-১, গর্ভ-২, গর্ভ-৩, গর্ভ-৪, গর্ভ-৫, এভাবে ভাগ করেছি। আর শিশু জন্ম নেয়ার পর থেকে জন্ম-১,জন্ম-২, জন্ম-৩ এভাবে শ্রেণীবিভাগ করেছি। তারপর থেকে আমাদের গতানুগতীক প্লে-গ্রুপ, কেজি ওয়ান, ক্লাস ওয়ান এভাবে চলতে থাকবে। আমি মায়ের গর্ভের শিশুদের জন্য স্কুল খোলার পরিকল্পনা করছি। আমার স্কুলের শিশুরা বাদবাকী শিশুদের চেয়ে কম করে হলেও ১৫ বছর এগিয়ে থাকবে পড়াশুনায়। তুই চিন্তা করতে পারছিস শিক্ষা খাতে আমি কি বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছি? ইউনেসস্কোর নোমা লিটারেসি প্রাইজ, সাইন্স প্রাইজ, ক্যালিংগা প্রাইজ এমন কি নোবেলও পেয়ে যেতে পারি।



খাস্তগীরের চোখ চকচক করে উঠে লালায়িত স্বপ্নে, হঠাৎ হাতের মাঝের দুই আঙ্গুল বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরে কনিষ্ঠা ও তর্জনি তেড়ছা করে কিম্ভুতকিমাকার ভঙ্গিতে কিছুক্ষণ পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে দুই হাত মাথা কাছে নিয়ে এসে। অবাক হয়ে বললাম, “এটা কি জিনিস?”



- “আরে ছবির জন্য প্র্যাকটিস পোজ দিচ্ছি; তুই ইচ্ছা করলে এখনি আমার সাথে একটা ছবি তুলে রাখতে পারিস, তোর ভবিষ্যতের রেফারেন্সের জন্য”, বলেই অদ্ভুত ভাবে হাসল সে।



তোর এই এক্সপেরিমেন্ট তো অনেক সময় লেগে যাবে?



- আরে কি বলিস! অলরেডি সব এক্সপেরিমেন্ট শেষ। বিভিন্ন ধরনের টিচিং মেথড বানিয়ে ফেলেছি। এগুলোকে ক্লাস অনুসারে ভাগ করে ডিজিটাল ফ্রিকোয়েন্সিতে রূপান্তরের কাজ শেষ। এই দেখ, এই ইনকিউবেটরের ইঁদুরগুলো একেবারেই স্বাভাবিক, কোন এক্সপেরিমেন্ট করা হয়নি। এদের নলেজ-গ্রোথ দেখ একদমই সাধারন। আর এই ইনকিউবেটরের ইঁদুরগুলোকে শুধু মাত্র জন্মের পরপরই ডিজিটাল ফ্রিকোয়েন্সিতে টেনিং ক্লাস করানো হয়েছে। সাধারন ইঁদুরের চেয়ে এদের নলেজ-গ্রোথ অনেক বেশি। এর শেষের এই ইনকিউবেটরের ইঁদুরগুলো মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় মা-ইঁদুরকে ক্লাস করানো হয়েছে। আর এদের নলেজ-গ্রোথ কল্পনাতীত! প্রতিটা ইঁদুরই দারুন মেধাবী!



উপরে তাকিয়ে দেখি শেষ ইনকিউবেটরের উপর লাল সাইনবোর্ড জ্বলজ্বল করছে, “জিনিয়াস প্রজন্ম”। আমার গা গুলিয়ে উঠলো। এগিয়ে থাকার প্রতিযোগীতার নামে আমাদের শিশুদের নামিয়ে দিয়েছে ভয়ংকর অমানবিক এক যুদ্ধে। নষ্ট করে দিচ্ছি তাদের শৈশব অসম বোঝা চাপিয়ে দিয়ে, শৈশবের দুরন্তপনা জলাঞ্জলি দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে শিক্ষকদের দ্বারে দ্বারে! আর এই পাগল এখন এক না কয়েকশ ধাপ এগিয়ে নষ্ট করার প্ল্যান করছে সদ্যভুমিষ্ট শিশুর জীবন! নাহ, এতো গর্ভবতী মায়েদেরও নামিয়ে দিচ্ছে এই প্রতিযোগীতায়!



- “দোস্ত, আগামী ২০/২৫ বছরের মধ্যে আমি বাংলাদেশের সব মানুষরে এক্কেবারে ‘জিনিয়াস’ বানায়া ফালামু।”, আনন্দের অতিশয্যে ভাষার খেই হারিয়ে ফেলেছে মনে হল খাস্তগীর।



আমার চোখের ভাসছে গর্ভবতী মায়েরা দলে দলে খাস্তগীরের পাঠশালায় আসছে, আর ঘন্টার পর ঘন্টা ক্লাস-থারাপি নিচ্ছে; উফ, আমি আর চিন্তা করতে পারছি না। খাস্তগীরের কাছ থেকে মোবাইলটা চেয়ে নিয়ে আমার নাম্বারটা ডিলিট করে বললাম, “খবরদার আজকের পর থেকে আমার সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ করার চেষ্টা করবি না।”, বলেই হনহন করে ঘর থেকে বের হয়ে যাই। পেছেনে খাস্তগীর হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে থাকে; হয়ত ভাবছে, “আরে, আমি সারা দেশের মানুষকে জিনিয়াস বানানোর পরিকল্পনা করছি এটা তো খুশি হওয়ার কথা, রাগ করার কি হলো! গভীর কোন ষড়যন্ত্র না তো?”



তিন.

অনেক দিন খাস্তগীরের সাথে কোন যোগাযোগ নেই, মাঝে বেশ কিছুদিন বউকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম বলে পাগলটার কথা ভুলেই ছিলাম। ডাক্তার বলেছিল প্রথম তিনমাস ক্রিটিক্যাল, তারপর আর তেমন দুশ্চিন্তা না করলেও চলবে। অফিস থেকে ছুটি নিয়ে বউকে সাথে করে ডাক্তারের চেম্বারে এসেছি, রুটিন চেকাপে। ওয়েটিং রুমে বসে ঝিমুচ্ছি বউ এর গুতো খেয়ে সম্বিৎ ফিরে পেয়ে বললাম, “কি হয়েছে, শান্তিতে একটু ঝিমুতেও দিবে না!”।



বউ একটা লিফলেট এগিয়ে দিয়ে মুচকি মুচকি আসতে থাকল।



পাঠশালা - “ভিশন ২০৪০”

*আপনি কি চান আপনার অনাগত সন্তান জিনিয়াস হয়ে জন্মাক?

*আপনি কি চান আপনার অনাগত সন্তান হয়ে উঠুক নিউটন,

আইনস্টাইন কিংবা হকিং এর উত্তরসূরী?

*আপনি কি চান আপনার অনাগত সন্তান হয়ে উঠুক বিশ্বের অন্যতম সফল সেলেব্রেটি?

*আপনি কি চান আপনার অনাগত সন্তান হয়ে উঠুক ব্রায়ান লারা, শচীন, ব্র্যাডম্যানের কিংবা মুরালীর আতঙ্ক?

তাহলে আমাকেই খুজঁছেন আপনি।




তারপর নিচে যোগাযোগের ঠিকানা। কোন নাম নেই শুধু একটি ইমেইল এড্রেস আর একটা মোবাইল নাম্বার। লিফলেটের চার দিকে বিভিন্ন যন্ত্রের ছবি, গাণিতিক সমীকরন E=mc2 এটা শুধু চিনতে পারলাম, আর কয়েকজন চুল বড় পাগলাটের বৈজ্ঞানীকের ছবি। তবে আমার বুঝতে আর বাকি থাকলো না যে এটা খাস্তগীরের কাজ। বউকে দেখলাম খুব উত্তেজিত হয়ে বলছে, “এই নাম্বারটা মোবাইলে সেভ করে রাখ, আজই ডাক্তারের কাছ থেকে ফেরার সময় ঐখানে যোগাযোগ করে যাব।”



উপায় না দেখে একে একে বউকে সব কিছু খুলে বলছি, হঠাৎ পিছন থেকে ঘাড়ের উপর দিয়ে উঁকি মেরে বাজখাই গলায় কে যেন বলে উঠল, “কিরে, শালা! খুব দুর্নাম করছিস ভাবীর কাছে আমার!”



চমকে উঠে পিছনে তাকিয়ে বললাম, আরে তুই এখানে?



- আরে আমি তো এখানেই থাকব! আগের বার তো মহিলা স্কুল, কলেজে ঘুরে বেড়িয়েছি সেটা ছিল বিশাল বড় ভুল। আসলে আমার উচিৎ ছিল গাইনি ডাক্তারদের চেম্বারে চেম্বারে ঘুরা!”

হুম বুঝলাম, এখন তোর বেশ বুদ্ধির পাখা গজিয়েছে। পাঠশালাও শুরু করে দিয়েছিস দেখছি?



- আরে নাহ, এখনও খুলতে পারিনি। তবে কিছুদিনের মধ্যেই খুলে ফেলব, এখন আপাতত ছাত্র খুঁব্জে বেড়াচ্ছি।

স্কুলের নাম “পাঠশালার ভিশন ২০৪০” কেন?



- আরে এটা বুঝিস নি? গলাটা একটু নামিয়ে বলল, “আমি ২০৪০ সালে মধ্যে পরবর্তী প্রজন্মকে জিনিয়াসে রুপান্তরিত করব। যদি ৪০ সালের মধ্যে না পারি তাহলে ৮০ সালের মধ্যে হয়ে যাবে, সেইক্ষেত্রে নামও চেঞ্জ করতে হবে না। সবাই বুঝবে সালটা ইংরেজিতে লেখা হয়েছে।”, বলেই চক্রান্তকারীর মত একচোখ টিপে কি বুঝাতে চাইল তা আমার বোধগম্য হয়নি।



যদিও জানি যেকোন সময় সবকিছু বাদ দিয়ে খাস্তগীর আবার নতুন কোন যুগান্তকারী পরিকল্পনা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যাবে, তবু কোন প্রভাবক দিয়ে তার এই ‘ভীষণ’-২০৪০” পরিকল্পনা ভন্ডুল করার লোভ সামলাতে পারলাম না। মৃদু কাশি দিয়ে গলাটা পরিস্কার করে বললাম, “দোস্ত তুই তো এই পাঠশালা শুরুই করতে পারবি না”



- কেন! কেন? কিছুটা অবাক হয়ে চোখ পিটপিট করে তাকায় খাস্তগীর।



প্রথমত, যেহেতু স্কুল খুলবি তাই প্রথমেই তোকে “শিক্ষামন্ত্রণালয়” থেকে অনুমতি নিতে হবে, তারপর যেহেতু সদ্য ভুমিষ্ট শিশুদের নিয়ে স্কুল তাই “নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়” থেকে অনুমতি নিতে হবে, যেহেতু গর্ভবতী মায়েরা স্কুলে ক্লাস করবে তাই “স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়” থেকে অনুমতি নিতে হবে, যেহেতু মানব কল্যাণ জড়িত সেহেতু “সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়” এর অনুমতি নিতে হবে, যেহেতু বিজ্ঞান ও গবেষণা জড়িত তাই “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়” এর অনুমতি নিতে হবে, এভাবে একে একে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়; কম করে হলেও পঞ্চাশ ষাটটা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগবে শুধু মাত্র শুরু করতেই। তারপর কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যদি আদালতে রীট করে বসে তাহলে জেলা কোর্ট, জর্জকোর্ট, হাই কোর্ট, সুপ্রীম কোর্ট, আপিল বিভাগ তারপর আবার রাইট টু আপি, লেফট টু আপিল; দুনিয়ার হেপা। এগুলো পার হতে হতে তোর দুই পা না হোক, এক পা কবরে চলে যাবে নিশ্চিত। আবার যেকোন সময় রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলায়ও ফেঁসে যেতে পারিস। নিদেনপক্ষে আদালত অবমাননার মামলায় যে পড়বি সেটা মাথায় রেখেই কাজে নামা উচিৎ। আর যেকোন সময় সপ্তাহখানেকের জন্য রিমান্ড! আর রোকসানা পারভীনের কথা মনে আছে তো?



- তাহলে কি করতে বলিস? কণ্ঠে কিছুটা উৎকন্ঠা ঝরে পরে তার। মারটা জায়গা মতই পড়েছে। তার পুলিশোফোবিয়া যে এভাবে ম্যাজিকের মত কাজ করবে আমি নিজেও অতোটা আশাবাদী ছিলাম না।



এইসব পাগলামো বাদ দিয়ে সত্যিকারের জনহিতকর কোন কাজে হাত দে, তোরও ভালো লাগবে দেশেরও উপকার হবে।



ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসি উঁকি দিয়েই মিলিয়ে গেল আমাদের খাস্তগীরের। তার এই হাসির সাথে আমি পরিচিত, এ যাত্রায় মনে হয়ে সমগ্র জাতিকে জিনিয়াস হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেই ফেললাম।



--------------------------- সমাপ্ত --------------------



এই সিরিজের পূর্বের গল্পগুলো

(কল্প-গল্প) --- খাস্তগীরের রাসায়নিক ভালবাসা

( কল্পগল্প ) --- খস্তগীরের বিস্ময়কর চিত্রগ্রহন যন্ত্র

( কল্পগল্প ) --- খস্তগীরের স্বাদ সূচক

মন্তব্য ৮৬ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৮৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:৩৯

অপু তানভীর বলেছেন: =p~ =p~ =p~ =p~

যাক গল্প দিলেন শেষ পর্যন্ত !! আসলেই কিন্তু ঢাকা শহরের পোলাপাইন ছোট বেলা থেকেই এমন যুদ্ধে নামে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না !

আমরা কি চমৎকার ভাবে দিন কটিয়েছি !!! আর এরা কেমন করে দিন কাটাচ্ছে !!

এমন কিছু আবিস্কার হলে কিন্তু সত্যিই চমৎকার হত !!

:):):):)

০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:৪৫

শান্তির দেবদূত বলেছেন: :) বাপরে হাসিতে হাসিতে একেবারে উল্টায়া গেলেন :)

আরে বলেন কি ! খাস্তগীর তো আবিস্কার করেই ফেলেছিল, আমিই তো বাগড়া বাধালাম :)

আমরা আসলে অনেক চমৎকার দিন কাটিয়েছি। এখনকার পুলাপাইন তো ফার্মে বাড়ছে :(

২| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:০৬

আদনান শাহ্‌িরয়ার বলেছেন: আপনার হিউমার দুর্দান্ত । প্রথম থেকেই সাসপেন্সটা ধরে রেখেছেন দারুনভাবে । আর সাইন্স ফিকশনের আড়ালে প্রচ্ছন্ন স্যাটায়ার ছিলো সেটা ভাবার বিষয় নিশ্চয়ই । চমৎকার একটা কিছু পড়ার আনন্দবোধ নিয়ে গেলাম আপনার লিখা থেকে । খাস্তগির সাহেবকে বেশি বেশি করে আবিষ্কার করতে বললাম যেনও আপনি বারবার বিপদে পরেন আর এমন লিখা উপহার দিতে পারেন ।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:২২

শান্তির দেবদূত বলেছেন: প্রিয় শাহ্‌রিয়ার ভাই, আপনার আনন্দবোধ হৃদয় ছুঁয়ে গেল। কিছু কমেন্ট বারবার ঘুরেফিরে পড়তে ইচ্ছা করে, তেমনি একটা কমেন্ট করে আমার স্যাটায়ার লেখার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিলেন। অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা আপনার জন্য।

খাস্তগীর সাহেব থেকে কিছুদিন পালিয়ে থাকব। মোবাইল থেকেও ওর নাম্বার ডিলিট করে দিয়েছি। কখন কোন বিপদের ফেলে দেয় ঠিক আছে? তবে তার আবিষ্কার কিন্তু থেমে নেই। লোক মার্ফত শুনতে পেয়েছি ইদানিং নাকি বিড়াল নিয়ে আছে। :)

৩| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৫৩

আদনান শাহ্‌িরয়ার বলেছেন: হাহ! বললেই হলো !!! খাস্তিগির ভাই এর উপরে আমার তুমুল ভরসা হয়ে গেছে । সে ঠিক আপনাকে খুঁজে বের করবে । আমি দোয়া দিলাম সেটা যেনও দ্রুত হয়!

০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৫৮

শান্তির দেবদূত বলেছেন: হা হা হা সে ভরসা (না কী আশংকা?)অবশ্য আমারও আছে। দেখা যাবে দেবদূত ফাইন্ডার যন্ত্র বানিয়ে ফেলেছে আমাকে খুজে বের করার জন্য, কোন মোবাইল টোবাইলের দরকার নেই ;)

৪| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৫৬

মামুন রশিদ বলেছেন: কোকিলিয়ার কাকীতে রুপান্তর! কর্কশ পুলিশি স্বরে মউ বর্ষণ মুহূর্তেই রূপ নেয় তীক্ষ্ণ অম্লে; কয়েকটা স্পন্দন ফসকিয়ে যায় বেচারা হার্টের। পরিস্থিতির এমন দৈবৎ পরিবর্তনে হতভম্ব হয়ে কখন যে চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে আমতা আমতা করে, “জ্বী! জ্বী ম্যাডাম! জ্বী ম্যাডাম!

এই গতি আর টেম্পু ধরে রেখেছেন পুরো গল্পে । সাথে মজাদার বর্ণনা গল্পটিকে নিয়ে গেছে অনেক উপরে ।

ডঃ খাস্তগীরের মহান পরিকল্পনা 'ভিশন-২০৪০ সফল হোক । বাংলাদেশ হয়ে উঠুক জিনিয়াসদের জন্মভূমি ।

খুব খুব ভাল লেগেছে গল্প ।

ভালোলাগা++

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:০৬

শান্তির দেবদূত বলেছেন: প্রিয় মামুন ভাই, আপনাদের ভাল লাগে বলেই তো লিখে আনন্দ পাই। আমি যতটুকু না ভাল লেখি তারচেয়ে আপনাদের স্নেহবৎসল ও বন্ধুত্বপূর্ণ মন্তব্যের আয়োজন ঢের বেশি। সেটাই অবশ্য লেখালেখি চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।

ভিশন-২০৪০ আপাতত স্থগিত, সে আরও গুরুত্বপূর্ণ কি নিয়ে জানি ব্যস্ত আছে ইদানিং, আমার নাম্বার তারকাছে নেই, আমিও ভয়ে যোগাযোগ করিনা, "কে হায় খাল কাটিয়া হাঙ্গর আনিতে চাই;)

৫| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:১০

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: ডঃ খাস্তগীরের মহান পরিকল্পনা 'ভিশন-২০৪০ সফল হোক । বাংলাদেশ হয়ে উঠুক জিনিয়াসদের জন্মভূমি ।
চমৎকার লেগেছে গল্প ।

++++++ (মুখে মুখে )

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:১৮

শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় অভি ভাই। আমারও লালিত স্বপ্ন আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষ হয়ে উঠুক একেজন আইনস্টাইন, হকিং, লারা কিংবা মাইকেল জ্যাকসন।

প্লাস সানন্দের গৃহীত হইল :) পড়ে আনন্দ পেয়েছেন এটাই তো চাওয়া, প্লাস তো বোনাস :) , শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।

৬| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:৫৯

ইরফান আহমেদ বর্ষণ বলেছেন: সকালেই পড়বো....... কমেন্ট করে রাখলাম

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:০৮

শান্তির দেবদূত বলেছেন: কোন সমস্যা নেই, যখন সময় পাবেন তখনই পড়বেন। আপনার চমৎকার কমেন্টের অপেক্ষায় রইলাম। অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা রইল।

৭| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:২১

টুম্পা মনি বলেছেন: :D :D :D

খুব প্রাঞ্জল গল্প। আপনার উপস্থাপনাও অসাধারণ।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:৩০

শান্তির দেবদূত বলেছেন: বাবাহ! একেবারে দন্তবিকশিত হাসি! হাসিমুখ সবসময় উপভোগ্য।

আপনাদের ভাল লাগে, প্রশংসা করেন, তাইতো লিখে যাওয়ার আগ্রহ পাই। পড়ে আনন্দ পেয়েছেন সেটা অনুভব করতে পারছি, কৃতজ্ঞতা জানাই।

অনেক ভালো থাকুন টুম্পা মনি, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।

৮| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৩:৩২

অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: আহা ! কত মাস পরে এসে সেই পুরোনো খাস্তগীর কে পেলাম ... পড়তে পড়তে মনটাই ভাল হয়ে যায় ...

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৩:৪৫

শান্তির দেবদূত বলেছেন: হুমম, ব্যাটা আসলেই মাঝে অনেক দিন ডুব মেরে ছিল :)
এখন নাকি রেগুলার গবেষণা চালিয়ে যাবে বলেছে :)

আপনারা খাস্তগীরকে ভুলেন নাই দেখে আনন্দ লাগছে।

ভালো থাকুন প্রিয় দিগন্ত ভাই। শুভকামনা রইল।

৯| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ ভোর ৪:১৮

অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: খাস্তগীরকে কিভাবে ভুলি বলেন ? ... এখনো খালি চামচ মুখে দিয়ে আইসক্রীমের টেষ্ট পাওয়ার চেষ্টা করি তো শুধু তার বদৌলতে :-B

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৩

শান্তির দেবদূত বলেছেন: হা হা হা, ঐ ঘটনা আমি নিজেই ভুলে গিয়েছিলাম, আপনি বলাতে মনে পড়ল, হা হা হা। খাস্তগীর বেচে থাকুক আপনাদের ভালবাসায় :) । ভাল থাকুন প্রিয় দিগন্ত ভাই, শুভকামনা রইল।

১০| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:০৯

নেক্সাস বলেছেন: অনেক দারুন গল্প। ফিকশন, স্যাটায়ার আর হিউমার মিলিয়ে সুখ পাঠ্য।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৮

শান্তির দেবদূত বলেছেন: আপনাদের ভাল লাগে বলেই লেখার সাহস করতে পারি। যদি ভালো লেগে থাকে আনন্দ পান পড়ে, সেটাই তো পরম পাওয়া। অনেক ভালো থাকুন নেক্সাস ভাই, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।

১১| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:০৪

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:



স্বপ্ন যেন সত্যি হয়, হলে কিন্তু চমৎকার হবে।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫১

শান্তির দেবদূত বলেছেন: হা হা হা, স্বপ্ন যদি সত্যি হয় তাহলে খারাপ হবে না, আমাদের ঘরে ঘরে জিনিয়াস ঘুরে বেড়াবে, আইনস্টাই হকিং হয়ে জন্মাবে ঘরে ঘরে, একেবারে মন্দ না বিষয়টা; কিন্তু বিনিময়ে আমাদের শিশুদের কি অবস্থা হবে সেটা ভেবেই কিছুটা শঙ্কিত :)
অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল প্রিয় লেখক।

১২| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৪২

স্নিগ্ধ শোভন বলেছেন:
দারুণ!!
চমৎকার লাগলো।

++++

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৪

শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক তৃপ্তি লাগছে, আপনারা এমন সুন্দর সুন্দর কমেন্ট করছেন, প্রশংসা করছেন যে বেশ ভাল লাগছে; লেখার কষ্টটা আর কষ্ট মনে হচ্ছে না, বরং আনন্দের পরিমানটাই বেশি মনে হচ্ছে। অনেক ভালো থাকুন, শুভেচ্ছা রইল।

১৩| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১২:১৩

বোধহীন স্বপ্ন বলেছেন: :D :D :D :D :D



প্রিয়তে নিলাম । আগের গল্পগুলোও পড়ে দেখব ।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৭

শান্তির দেবদূত বলেছেন: বাহ! দন্তবিকশিত! এভাবে হাসিতে কাটুক সামনের দিন গুলো।

সম্মানিত বোধ করছি। একতা লেখা পড়ে যদি আমার আরও লেখা পড়ার ইচ্ছা যাবে তাবে লেখাটা স্বার্থক বলে মনে হয়।

অনেক ভালো থাকুন, অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।

১৪| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:২৪

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: হিউমারে পূর্ণ ভাল লাগা কিছু লাইন ।
একটা মানুষের নাম কবুল রাখে কোন আবুলে !

চিনি ছাড়াই যদি হবে তাহলে কোন গুপ্তধনের আশায় এই মাছি খানা উড়ে এসে জুড়ে বসেছে তুমি কাপ রেখে যাওয়ার সাথেসাথেই? চা খাওয়ার আশায়? এইটা কি তবে চৌ-মাছি?


চৌ-মাছি? - আপনিও খাস্তগিরের চেয়ে কম যান না দেখছি !

তখন কী আর বলা যায় এই অধম ত্যাগের উল্লাসে মত্ত ছিল!

হাসি যেন কেউ ক্লিপ দিয়ে টেনে আটকিয়ে রেখেছে দুই কান অবধি!
এর পরে সার্টের - শার্ট হবে । ঠিক করে নেবেন ।

দশাসই নিতম্ব দুলিয়ে উচ্চস্বরে চিৎকার করতে করতে ঘরে প্রবেশ করে বিশালদেহী এক ললনা! -
পুলিশের নিতম্ব কেন রাক্ষসের মত হয় ! হাহাহ !

এইজন্যেই তুই কেরানী আর আমি বিজ্ঞানী

দেরী হলে পাকা বাঙ্গির মত ফেটে যেতে পারে যে কোন মুহূর্তে



হিউমারে , স্যাটায়ারে সামাজিক ব্যঙ্গ , আমরা আমাদের ও সমাজের বেড়াজালে আটকা , খাস্তগিরের মত প্রতিভা আমাদের শক্তিশালি পরাক্রম উর্ণাজালে আটকে যাবে । আপনি খাস্তগির কে আটকে দিয়েছেন
ভালই করেছেন । যেভাবে আছি সেভাবেই থাকিনা !
আপনার কল্পনায় - ভাবনায় মুগ্ধতা থাকল , আপনি লিখায় যদি একদম সারাৎসার নাও থাকে , তবুও আপনার ভাষা ব্যবহার দেখার জন্য আপনার লিখার আছে পাঠক কে আসতে হবে ।
নাম্বার দিতে হচ্ছে শতে ৯৯ !

বেস্ট অফ লাক , পরবর্তী গল্পের অপেক্ষায় ................
ভাল থাকুন প্রিয় দেবদূত ভাই :)
শুভকামনা ।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৮:১৬

শান্তির দেবদূত বলেছেন: প্রিয় মাহমুদ ভাই, প্রথমের অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা, এত খাটুনি করে চমৎকার এক খানা কমেন্ট করেছেন। আপনার ভালো লাগাটা একেবারে হৃদয় দিয়ে অনুভব করছি।

চৌ-মাছি? - আপনিও খাস্তগিরের চেয়ে কম যান না দেখছি ! -- আপনার হিউমারও কিন্তু বেশ! এখানে অনেকক্ষণ হাসলাম, হা হা হা।

আসলে আমরা যেভাবে বড় হয়েছি আর আজকালকার বাচ্চার যেভাবে বড় হচ্ছে এর মধ্যে বিস্তর ফারাক। মায়ায় লাগে বেচারাগুলোকে দেখলে। ক্লাস টু / থ্রী এর একটা ছেলে ৩/৪ টা প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ে! আমি অবাক হয়ে ভাবি এদের জীবনে কি আর বাকি আছে কেড়ে নেওয়া? এমন অনুভুতি থেকে আসলে এই গল্পটি লেখা। আপনি ঠিক জায়গায় কড়া নেড়েছেন। ভাল লাগলো।

ওয়াও ৯৯/১০০!! স্বজনপ্রীতি না তো? ;) সম্মানিত বোধ করছি। আসলে, পাঠক হিসাবে আপনারা অতি বড় হৃদয়ের অধিকারী, ভুল গুলো ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখে সুন্দর প্রশংসা করে আরও লেখার উৎসাহ প্রদান করেন। কৃতজ্ঞতা আবারও।

ভালো থাকুন, এমনভাবে হাসিতে কাটুক সামনের দিনগুলো। শুভেচ্ছাআ ও শুভকামনা রইল।

১৫| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:৩৭

সুমন কর বলেছেন: অসাধারণ বলার স্টাইল এবং গল্প পাঠে মুগ্ধ। পুরো গল্প এক টানে শেষ হয়ে গেল। ভালো লাগল। আর আপনার গল্পে কাহিনী গুলো আমার ভাল লাগছে। মজা ও আনন্দ পাই।

ভালো থাকবেন এবং ভিশন ২০৪০ বা ২০৮০ সফল হোক!!!

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৮:২৩

শান্তির দেবদূত বলেছেন: প্রিয় লেখক, অনেক ধন্যবাদ।

আনন্দ ও মজার উদ্দেশ্যেই লেখা, তাই পাঠকের হিসাবে যখন আপনারা আনন্দই আমার প্রাপ্তি। আপনাকে পাঠে মুগ্ধ করতে পেরে ধন্য।

আসলে সবসময় চেষ্টা থাকে কাহিনীর মধ্যে নতুনত্ব নিয়ে আসা, আপনার এই জিনিসটা ভাল লাগে মানে আমার লেখা স্বার্থক। সম্মানিত বোধ করছি।

ভালো থাকুন, শুভকামনা রইল।

১৬| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:০০

হাসান মাহবুব বলেছেন: অসাধারণ থিম! চতুর হাস্যরস আর কৌশলী সমাপ্তি। খাস্তগীর সিরিজ রক্স! সামুতে আমার সবচেয়ে প্রিয় সিরিজ। আপনি তো অনেকদিন পর এসে সমানে চার-ছক্কা পিটানো শুরু করেছেন ভাইয়া! B-)

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৯:১৩

শান্তির দেবদূত বলেছেন: তোমার মতন তো আর ভাষা কারুকার্য্য করতে পারি না, ইমোশন নিয়া মানুষের কলিজা মুচড়া-মুচড়ি করতে পারি না; পারবোও না তাই চেষ্টা থাকে থিমের নতুনত্ব নিয়ে কাজ করা; :) তোমাকে মুগ্ধ করতে পেরেছি ব্যাস্‌, আর কি চাই!

খাস্তগীর সিরিজ রক্স? বেশ বেশ! ভাগ্য ভালো বলনি, "খাস্তগীর রক্স!"। আমার জীবন কয়লা কয়লা করে ফালাইছে হতচ্ছরাটা ;) কয়েকদিন পালিয়ে থাকবো ওর কাছ থেকে। :)

চার ছক্কা!! হা হা হা। :)

১৭| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৯

অপর্ণা মম্ময় বলেছেন: খাস্তগীর কে দেখতে ইচ্ছে করছে। পরিচয় করিয়ে দিয়েন তো :P

পুলিশফোবিয়া দিয়ে ভয় না দেখাইয়া তারে এইটাও বলতে পারতেন, ব্যাটা আগে তুই বিয়ে কর। জিনিয়াস প্রজন্মের প্রথম স্টুডেন্ট যদি তোর ঘরের হয় ব্যাপারটা আরও ঐতিহাসিক হইব !

খাস্তগীর সিরিজ ভালো লাগে, আগের গুলো এখনো পড়া হয়নি।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৮:৩৭

শান্তির দেবদূত বলেছেন:
হা হা হা , বলন কী!! খাস্তগীরকে দেখতে ইচ্ছা করছে !! মাই গড, পালান পলান জলদি। জান কয়লা কয়লা করে ফেলবে। এই সব পাগল থেক্কে যত দূরে থাকা যায় ;)

আপনার আইডিয়াটা চমৎকার, কিন্তু একটা জিনিস এই গল্পে উল্লেখ করিনি, :) খাস্তগীরের পুলিশোফোবিয়ার সাথে সাথে বউফোবিয়াও আছে যেটার মাত্রা আবার সর্বোচ্চ ;)

পাঠকের ভালো লাগা মানে লেখকের স্বস্থি :) যাক বাবা, পাঠক এই প্রোডাক্টটা খেয়েছে ;) হা হা হা।

ভালো থাকুন প্রিয় সহব্লগার, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।

১৮| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৩১

মোঃ ইসহাক খান বলেছেন: গল্পের গাঁথুনি এবং বলার ভঙ্গী চমৎকার।

শুভেচ্ছা।

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:০১

শান্তির দেবদূত বলেছেন: প্রিয় গল্পকারের কমেন্ট পেয়ে ভাল লাগছে। এইতো, কাজের ফাকে অবসরের টুকটাক কিবোর্ডের ঠুকাঠুকি, আপনাদের ভাল লাগলেই স্বার্থক।

ভাল থাকুন সবসময়, শুভকামনা রইল।

১৯| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৩৬

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: প্রথম থেকেই খাস্তগিরের ভক্ত হয়ে আছি। ভক্তির পরিমান দিন দিন বর্গানুপাতে বাড়ছে!

দারুণ লাগল শান্তির দেবদূত! এই সিরিজ কখনো যেন বন্ধ না হয়।

শুভরাত্রি।

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:০৯

শান্তির দেবদূত বলেছেন: আপনার প্রশংসাপূর্ণ মন্তব্য সবসময় উপভোগ্য।

ভক্তি বৃদ্ধির যে হিসাব দিলেন, হিসাব করতে তো আবার খাস্তগীরকে খবর দিতে হবে :) কিন্তু আমি যে তার থেকে কিছুদিন পালিয়ে থাকতে চাচ্ছি ;) ! বেচারা ভালোই পেইন দিচ্ছে :(

আশা করি সে থামবে না, আমি থেমে গেলেও সে তার আবিষ্কার চালিয়ে যাবেই :) , আর সে আবিষ্কার চালিয়ে গেলে আমারও প্লটের অভাব হবে না :)

ভালো থাকুন প্রিয় লেখক, আপনার নিত্য পদচারনা মুগ্ধ করে। শুভকামনা রইল।

২০| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:১১

অপর্ণা মম্ময় বলেছেন: সুপ্রভাত।

আপনাকে আরেকটা খাস্তগীরের প্লট লেখার সুযোগ দিলাম, লিখে ফেলেন :P

শিরোনাম -- " খাস্তগীরের বৌফোবিয়া "

আশা করি শীঘ্রই ব্লগ পাতায় দেখতে পাবো।

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:৪৮

শান্তির দেবদূত বলেছেন: হা হা হা, প্লটটা চমৎকার, কিন্তু খাস্তগীর তো আমার কথা মত চলে না :( , সে উদ্ভট উদ্ভট আবিষ্কার নিয়ে ব্যস্ত থাকে আমি সেগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরি, এই তো :)

২১| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:২৮

ইলুসন বলেছেন: এক কথায় অসাধারণ। আমি যখন ব্লগিং শুরু করি আপনি তখন ছেড়ে দিয়েছিলেন, তাই আপনার লেখা পড়া হয়নি, ওইদিন একটা পোস্টের লিঙ্ক থেকে আপনার ব্লগের ঠিকানা পেলাম, একটা সাইন্স ফিকশন পড়লাম আর তারপর বুঝলাম এতদিন কি মিস করেছি! ব্লগ থেকে আপনার হারিয়ে যাওয়ার হেতুটা জানতে পারি কি? চালিয়ে যান, আপনার লেখা অনেক ভাল লাগে। সময় করে পুরো ব্লগ পড়ে ফেলব একদিন। :)

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:৩৩

শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক অনে ধন্যবাদ, ইলুসন ভাই। গল্পে পড়ে আনন্দ পেয়েছেন এতেই আমার গল্প লেখার আনন্দ উসুল হয়ে গেছে, ফিরে আসাটা একেবারে বিফল হয়ে যায় নি। :)

আসলে মাঝের ৩ টা বছর ব্লগ থেকে দূরে ছিলাম। তেমন শক্ত কোন কারন আসলে ছিল না। লিখতে ইচ্ছা করত না, এই আর কি। এই গল্পগুলোর আইডিয়া মাথায় ছিল পুরাপুরি, কিন্তু লিখতে বসলেই একটা শব্দও লিখতে পারতাম না :( । যাই হোক এখন লিখতে পারছি এটাই আনন্দের কথা। আর আপনারা তো আছেনই উৎসাহ দেওয়ার জন্য।

ভালো থাকুন, শুভকামনা রইল।

২২| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:২৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: দুর্দান্ত!!! দারুন লিখেছেন! ভাইয়া আপনার লেখাগুলো প্রিন্ট করে নিয়ে যাচ্ছি গ্রামের বাড়ি। ঈদের ছুটি আপনি সহ আরো বেশ কিছু লেখা হবে আমার অন্যতম ঈদ আনন্দ।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৪:১২

শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই। পড়ে আনন্দ পেয়েছেন আমার লেখা স্বার্থক হয়ে গেছে এখানে। আর ঈদের আনন্দের সাথে আমার লেখা পড়ার আনন্দকে জড়িয়ে অনেক বেশি ভালোবাসা দিয়ে দিয়েছেন। :) :)

ঈদ ভালো মতন কাটুক। অগ্রীম ঈদ শুভেচ্ছ।

২৩| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৪:২৪

নক্ষত্রচারী বলেছেন: হা হা !!

খুবই মজা পেলাম । খাস্তগীরের পুলিশফোবিয়া মহিলা পুলিশের ক্ষেত্রে কি না বুঝতে পারছিনা =p~

শুভকামনা । খাস্তগীর সাহেবেরে শুভেচ্ছা জানায়ে দিয়েন ।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৪:২৮

শান্তির দেবদূত বলেছেন:
"মহিলা পুলিশফোবিয়া", হা হা হা; কিছু কথা থাকনা গোপন ;)

পড়ে আনন্দ পেয়েছেন, আর কী চাই! অনেক অনেক ধন্যাবাদ জানবেন। ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছ। ভালো থাকুন প্রিয় নক্ষত্রচারী, শুভকামনা রইল।

২৪| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমি অভিভূত হয়েছি গল্প বলার স্টাইল আর ভাষার কারুকার্য দেখে। 'জিনিয়াস প্রজন্ম' ধারণাটা অসাধারণ।

আমি কোনো এক জায়গায় যাওয়ার আগে গল্পটা পড়তে বসলাম, কিন্তু শেষ না করে ওঠা গেলো না। আপনার গল্পের আকর্ষণ এমনই ভয়াবহ।

তবে, রোকসানা পারভীনের থানায় যাওয়া যতখানি উত্তেজনা ও চমক সৃষ্টি করেছিল, তার কোনো পরিণতি পাই নি। আর গল্পের শেষটা হয়েছে খুব সাদামাটা, যেখানে আমি আরও চমক সৃষ্টিকারী কিছু ভাবছিলাম।

সর্বোপরি, এমন অসাধারণ গল্প, বিশেষ করে অনবদ্য শব্দ গাঁথুনির জন্য বিরাট অভিবাদন আপনার প্রাপ্য।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৫১

শান্তির দেবদূত বলেছেন: কি বলবো! আপনি আসলেই সোনাবীজ, ধুলোবালিছাইটা মিথ্যা। আপনি ঠিকঠিক মত গল্পের সবচেয়ে দূর্বল জায়গাটা খুজে বের করেছেন! ইন ফেক্ট ফিনিসিং টা নিয়ে আমার নিজেরও একটু অতৃপ্তি আছে। আপনি যেমন চমক প্রত্যাশি আমিও তেমন চমক দিতে ভালোবাসি, তবে এই গল্পে এই বস্তুর ঘাটতি আছে আমি স্বীকার করে নিচ্ছি। পরের গল্পগুলোতে এই বিষয়টার উপর বেশি নজর দিতে হবে।

আসলে খাস্তগীরকে থানায় নিয়ে যাওয়ার কারন হলো সে মেয়েদের জায়গাগুলোতে অদ্ভুত দর্শন যন্ত্র নিয়ে সন্দেহজনকভাবে ঘুরাঘুরি করছিল, তাই গোয়েন্দারা তাকে ধরে নিয়ে আসে। আসলে তিনটা কারনে এই ঘটানা নিয়ে আসা হয়েছে,

১)পাঠকের কাছে খাস্তগীরের পুলিশোফোবিয়া তুলে ধরা, যেটা আবার গল্পের শেষে রিভার্সলি ব্যবহার হয়েছে তার কার্যক্রম আটকানোর জন্য।

২) খাস্তগীরের রিমোট-প্রেগনেন্সি টেস্টার সম্মন্ধে ধারনা দেওয়া,

৩)গল্পে প্রবেশের জন্যেও একটা ঘটনার অবতারনা প্রয়োজন, সেটা হলো এই ঘটনা।

আপনার আলোচনা সবসময় আমার ভালো লাগে, এভাবেই শুভাকাঙ্খিত মতো আমার লেখার ভুলগুলো, দূর্বলতাগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিবেন সবসময়, আশা করি।

গল্পের আটকে রাখার ব্যাপারে যেভাবে প্রশংসা করলেন, এটা আপনার মহানুভবতা, ক্ষুদ্র এই ব্লগারের প্রতি।

২৫| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:০৯

লেখোয়াড় বলেছেন:
প্রিয় মানুষ,

গতপরশু রাতে গল্পটি পড়েছিলাম, তখন ভেবেছিলাম খাস্তগীরের সবকটি সিরিজ পড়ে ভালভাবে ধারনা নিয়েই তবে কথা বলবো, কিন্ত তা হলো না, এখনো অন্যগুলো পড়তে পারিনি, কিন্তু আমি আর দেরী করতে পারলাম না।
এভাবে আধো জেনে আধো বুঝে কথা বললে কোথাও মস্তবড় গ্যাপ থেকে যেতে পারে, সেটুকু ক্ষমা করবেন আশাকরি।

আমার এখানে যেটা সবচেয়ে ভাল লেগেছে সেটা হলো চরিত্রগুলোর ভিতরের কথা অর্থাৎ তাদের অন্তরের ক্রিয়া, অনুভূতি প্রকাশ করে দেয়া। আজকাল এরকম দেখা যায় না, এখানে অনেকেই গল্প লেখেন যেন কয়েকটি চারত্রের ক্রিয়াকলাপ বর্ণণা করছেন। এগুলো কিছু দৃশ্যের সৃষ্টি হয় বটে কিন্ত ঠিক সাহিত্য হয়ে ওঠে না। আপনার গল্প বলার পথ তা থেকে পুরোপুরিই মুক্ত।
লেখকের স্বাধীনতাও বজায় রেখেছেন।

জানিনা নিয়মিত লেখেন কিনা, তবে আপনার দরকার আছে গল্প লেখার জন্য। ছোট গল্প মানে বিন্দুর মধ্যে সিন্ধুর গভীরতা, আমি স্পষ্টতই দেখত পাচ্ছি সে সব। গল্পে পাঠকদের জন্য মনোরঞ্জনের একটি বিষয় জরুরী তবে পাশাপাশি স্থায়ীত্বের উপরও গুরুত্ব আরোপ করতেই হবে।

খাস্তগীরকে পুরোপুরিভাবেই কি গোয়েন্দা করবেন?
ফেলুদা, ব্যোমকেশ বা অন্যান্যদের মতো মতো?
আমি খাস্তগীরকে খাস্তবীর বা আস্তবীর হিসেবে দেখতে চাই।

আপাতত একটুকু।
কথা চলতেই থাকবে, সময়ে অসময়ে।
ভাল থাকুন প্রিয় মানুষ।









১০ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:১২

শান্তির দেবদূত বলেছেন:
প্রথমেই সম্মোধনের ব্যাপারে বলি; আপনি যেভাবে "প্রিয় মানুষ" হিসাবে সম্মোধন করলনে, সত্যি এর চেয়ে ভালো সম্মোধন আর কি হতে পারে? আমি আপ্লুত। লেখোয়াড়ের পক্ষেই সম্ভব কেবল দুটি শব্দে বুকের মধ্যে জায়গা করে নেয়া।

খাস্তগীর গল্পগুলো সিরিজ গল্প হলেও প্রতিটিই সয়ংসম্পূর্ণ গল্প। আগের গল্পগুলোর সাথে কোন ধারাবাহিকতা নেই। তাই আপনি যথার্থই ধরতে পেরেছেন গল্পের থিম, কোন গ্যাপ নেই। আর যদি ক্ষদ্রাতিক্ষুদ্র কোন গ্যাপ থেকেও থাকে সেখানেও কোন সমস্যা নেই, আমরা আমরাই তো :)

আপনি যেভাবে বলেছেন যে, চরিত্রগুলোর ভিতরের ক্রিয়া প্রকাশ করে দেওয়া আপনার ভালো লেগেছে, আসলে আমি নিজেও এই ভেবে লিখিনি। এমনিতেই হয়ে গেছে মনে হয়। আপনি বলার পর আমি নিজে আবার পড়ে দেখিছি এবং দেখলাম আপনি কি সূক্ষ্ণভাবেই না পর্যবেক্ষণ করেছেন! গ্রেট!

ঠিক তিন বছর আগে নিয়মিত লেখতাম, নিয়মিত বলতে মাসে ২/৩ টা লেখা পোষ্ট করতাম। তারপর তিনবছর আর লিখতে পারিনি, নানান ঝামেলায়। আবার নিয়মিত লেখালেখি শুরু করেছি এখন। আশা আছে চালিয়ে যাওয়ার। আমার লেখা যেমনই হোক না কেন, আপনার মত মহৎ হৃদয়ের মানুষের কাছ থেকে এমন বল্গাহীন প্রশংসা লেখালেখি আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেয়। আপনার মত কিছু ব্লগারের শর্তহীন, অকৃত্তিম ভালোবাসায় লেখালেখিতে আবার ফিরে আসার কারন। যতদিন এই ভালোবাসা অটুট থাকবে ততদিন লিখেই যাব, ইনশাআল্লাহ।

আসলে মজা করেই খাস্তগীরের চরিত্রটা বানিয়েছিলাম, তেমন বড় কোন পরিকল্পনা ছিল না, আপাতত খাস্তগীর সিরিজ চালিয়ে নিয়ে যাব, কালের কাছে ছেড়ে দেই সে কি টিকে থাকবে না কি হারিয়ে যাবে।

আপনার সাথে ভাব বিনিময় বেশ উপভোগ্য, চলতেই থাকবে আশা করি। ভালো থাকুন, প্রিয় লেখোয়াড়।

২৬| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:১৩

বশর সিদ্দিকী বলেছেন: এতভালো লাগল বলার মত না। এক কথায় অসাধারন।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:১৫

শান্তির দেবদূত বলেছেন: :) :) আপনাদের ভালো লাগে বলেই না লিখে যাচ্ছি, ভালো না লাগলে কি আর লিখতে পারতাম :) :) । তবে পাঠক হিসাবে অনেক মহৎ হৃদয় আপনারা, সেকারনেই আমার এই ক্ষুদ্র লেখাগুলো এত ভালো লাগে।

ভালো থাকুন, প্রিয় সহব্লগার। শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।

২৭| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:৫১

নাজিম-উদ-দৌলা বলেছেন:
ইস! অল্পের জন্য জিনিয়াস হইতে পারলাম না! :P :P
আপনার হিউমার দুর্দান্ত! এমন থিম পাইলেন কই ভাইয়া? ;) সাফি রম্য লিখে পাঠককে মজা দেওয়া সহজ ব্যাপার না! :)
অবশ্য আমার কাছে রাসায়নিক ভালবাসাটা বেশি ভাল লাগছিল। ;) তার আগের গুলা পড়ব পড়ব করে পড়া হচ্ছেনা। আসলে মনে থাকেনা। :(

১০ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:৪৬

শান্তির দেবদূত বলেছেন: আরে বল কী! তুমিতো এমনিতেই জিনিয়াস। বরং জিনিয়াস প্রজন্ম তোমাকেই অনুসরন করবে, যে আমরা নাজিম-উদ-দৌলা হব :) তোমার মত প্রাণবন্ত গল্প লেখা কি চাট্টিখানি কথা!!

থিম তো সব জীবন থেকেই নেয়া :) :)

আমার মতে "রাসায়নিক ভালবাসার" থিমটা এটার চেয়ে বেশি ভালো, তবে ঐখানে ভাষাগত কিছু দূর্বলতা আছে। আসলে অনেক দিন গ্যাপে লেখাতো তাই। ইচ্ছা আছে আর একটু পলিশ করা ঐটাকে।

আরে, ব্যাপার না, আগের পর্বগুলো একসময় পড়লেই হল।

২৮| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৮:০১

মাসুম আহমদ ১৪ বলেছেন: ওয়াও !

অনকমন প্লট, উপস্হাপনা আর হিউমার দারুণ।

খুব এনজয় করছি লেখাটা!

বাকিগুলা মাস্ট পড়মু :)

১১ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৫৪

শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় মাসুম ভাই।
পড়ে আনন্দ পেয়েছেন, এনজয় করেছেন জেনে ভাল লাগল।
এটা পড়ে বাকিগুলো পড়ার আগ্রহ হয়েছে শুনে আরও ভালো লাগছে, এটাই মনে হয় স্বার্থকতা।

অনেক ভাল থাকুন, হাসিতে কাটুক সামনে দিনগুলো। শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।

২৯| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:২১

নিয়েল হিমু বলেছেন: বিশাল ছিরিজ দেখি ।
ভাল লাগলো । বাকি গুলোও পড়ব সময় করে ।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:০২

শান্তির দেবদূত বলেছেন: হা হা হা আসলে এটা বড় কোন সিরিজ না, প্রতিটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছোট গল্প। শুধু চরিত্রগুলো কমন। :) যে কোনটা যে কোন সময় পড়তে পারেন। একটার সাথে আরেকটার তেমন একটা সংযোগ নেই, বুঝতে সমস্যা হওয়ার কথা না।

ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগলো। ভাল থাকুন, ভাল কাটুক সামনের দিনগুলো। ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা রইল।

৩০| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:৪৫

এই সব দিন রাত্রি বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পড়লাম!! অসাধারণ রসবোধ আপনার, বাকি গুলো পড়তে বসব এখন। (কোন এক অজ্ঞ্যাত কারণে আমি লেখায় + দিতে পারছিনা, মন থেকে অনেক গুলা + দিয়ে গেলাম) :)

১২ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:৫২

শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় লেখক। ভালো লাগলো আপনার বিচরন, ভালো লাগা, চমৎকার কমেন্ট। এই লেখাটা পড়ে আমার অন্য লেখাগুলো পড়ার আগ্রহবোধ করছে সেটা আমার জন্য বিরাট পাওয়া।

সামুতে বেশ কিছু দিন ধরেই প্লাস দেওয়া নিয়ে সমস্যা হচ্ছে, কোন বাগটাগ হবে। প্লাস কোন ব্যাপার না। আপনার সুন্দর কোমল মনের প্লাস সানন্দে গৃহীত হইল। এটার মূল্য আমার কাছে অনেক অনেক বেশি সামুর এই ভার্চুয়াল প্লাসের চেয়ে।

শুভেচ্ছা রইল অনেক অনেক।

৩১| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১২:১৬

লেখোয়াড় বলেছেন:
প্রিয়
প্রিয়মানুষ,

পূজার শুভেচ্ছা আর ঈদের আগাম শুভকামনা।
নতুন গল্পটি কি ঈদের আগে না পরে পাচ্ছি?

ভাল থাকুন।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:২৩

শান্তির দেবদূত বলেছেন: প্রিয় লেখোয়াড়, যতবার আপনার সম্মোধনটা দেখি ততবার আবেগ উথলে উঠে, আহা! মানুষকে অতিসহজে আপন করে নেওয়ার সহজাত ক্ষমতা নিয়ে কম মানুষই জন্মায়।

নতুন গল্পটি এখনো লিখছি, লেখা শেষ হতে ২/৩ দিন লাগবে, তারপর রিভিউ, বানান চেক করা সব মিলিয়ে আরও ৪/৫ দিন পরে, ইনশাআল্লাহ ঈদের ছুটির পরপরই না হয় দেই :) । আমার মাত ক্ষুদ্র একজনে লেখার জন্য এমন আকুলতা নিয়ে কেউ অপেক্ষা করছে! ভাবলেই মনে হয় নাওয়া খাওয়া ভুলে এখনি লিখে ফেলি, কিন্তু কি করবো বলেন, অপারগ, জীবনও তো টেনে নিয়ে যেতে হবে তাই না? :) :)

ভালো থাকুন প্রিয় লেখক, পাঠক ও বন্ধু।

আপনাকেও পূজা ও ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

৩২| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৯:০৯

দুঃস্বপ্০০৭ বলেছেন: সত্যি সুন্দর । ভালো লেগেছে পড়ে । আপনাকে অনুসরন করলাম । খাস্তগীর সিরিজ মিস করতে চাই না । আশা করছি সবগুলো পড়ব ।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:১৬

শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ দুঃস্বপ্‌০০৭ ভাই! ভাল লাগল আপনার ভাল লাগা। আপনার প্রোফাইল পিকটা অদ্ভুত! আইডিটাও! দুঃস্বপ্নের জেমসবন্ড, হা হা হা। ভালো থাকুন, ঈদ ও পূজার শুভেচ্ছা রইল।

৩৩| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৯:৪০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন....

আপনি যদি আমারে আপনার ল্যাবে নেবার প্রতিশ্রুতি দেন ;) ঈমানে কইতাছি কাউরে কমুনা -আপনিই যে খাস্তগির ;)
=p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~


সত্যিই অসাধারন! ++++++++

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:২৭

শান্তির দেবদূত বলেছেন: হা হা হা, বলেন কি ! খাস্তগীরের পিছনে তিন তিনটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিটি ঘুরঘুর করছে, আমি মোটেও খাস্তগীর না ;) মারতে চান না কী ভাই :(

বাহ! হাসিতে একাবারে গড়াগড়ি অবস্থা দেখি!! এমনে যে হাসতেছেন মালরে ট্যাক্স দিছেন ?

৩৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৫

অস্পিসাস প্রেইস বলেছেন:
প্রিয় দেবদূত ভাই, আপনার গল্প যত বড়ই হোক এক নিঃশ্বাসে পড়া যায়।

খাস্তগীর সিরিজ রকস!

গল্পের কি ভালো লাগলো তা আর আলাদা বললাম না, তাহলে আপনি আবার কষ্ট করে বড় প্রতিউত্তর দিয়ে ফেলবেন! ভাই আপনার কষ্ট পরের গল্পের জন্য জমা থাকুক!

ও হ্যাঁ! ++++++ :)




১৪ ই অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৪

শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আস্পিসাস প্রেইস ভাই। ভাল লাগলো আপনার চমৎকার কমেন্ট।

কমেন্ট ও রিপ্লাই ব্লগের পোষ্টেরই অংশ, তাই যতটা মায়া বা খাটুনি করে গল্প লেখি ততটাই যত্ন করে কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করি, এটা আমার কাছে মোটেও কষ্টের কিছু না,বরং অনেক আনন্দের। যেমন আপনার এই কমেন্টের রিপ্লাই দিতে গিয়ে ভাল লাগার একটা আবেশ দেহমনজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। :) :)

ভালো থাকুন সবসময় আর ভাল কাটুক সামনের দিনগুলো। ঈদ মোবারক রইল।

৩৫| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৮:০০

খেয়া ঘাট বলেছেন: সবাই সব কিছু বলে ফেলেছেন।

চমৎকার উপস্থাপনা, দারুন হিউমার।
একগুচ্ছ প্লাস। ঈদের শুভেচ্ছা। অনেক শুভকামনা।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৮:০৪

শান্তির দেবদূত বলেছেন: আপনার ভাল লাগাটা অনুভব করতে পারলাম, অনেক অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় লেখক। ভাল লাগে আপনাদের নিত্য আনাগোনা ও উৎসাহ দেয়া; সেটাই লেখা চালিয়ে নেয়ার পাথেয়।

ভাল থাকুন, সামনের দিন গুলো আনন্দে কাটুক। ঈদের শুভেচ্ছা আপনাকেও।

৩৬| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:৪৩

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া খাস্তগীর পর্ব শেষ হলে এইবার দেবদূতের বেবিনামা লিখো একটা। তার মজার সব কান্ডকীর্তি নিয়ে।:)

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৯:৫৪

শান্তির দেবদূত বলেছেন: ভাল কথা মনে করেছেন তো! ঐ সিরিজটার কথা তো বেমালুম ভুলে বসে আছি। :) দেখি আবার শুরু করতে হবে।

৩৭| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ২:০৮

সাবরিনা সিরাজী তিতির বলেছেন: কেউ কেন আপনার লেখার কথা আমাকে বলেনি ! সব্বাইকে মাইনাস ! ইশ ! কি মিস করছি আমি ! অনেকদিন পর এতরাত পর্যন্ত জেগে ব্লগ পড়লাম ভাইয়া । খাস্তগির ভাইয়াকে সালাম দেবেন। উনার সাথে খুব শিগগিরি আবার দেখা হবার আশা করছি ।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ২:৩০

শান্তির দেবদূত বলেছেন: হা হা হা, আমার জন্য সব্বাইকে মাইনাস :( আর মনে হয় ব্লগে টেকা গেলো না, নিশ্চিত এবার ব্লগ গনধোলায় খেতে হবে :(

আপনার স্বতস্ফুর্ত প্রাণখোলা কমেন্টে অনেক অনুপ্রাণিত হলাম। খাস্তগীরের সাথে দেখা হলে আপনার সালাম পৌছে দেব :)

ভাল থাকুন, সামনের দিনগুলো হাসিতে কেটে যাক। শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।

৩৮| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:২৬

সাবরিনা সিরাজী তিতির বলেছেন: আমি সবসময় বলি আমাকে ভালো লেখার খবর দিতে । আপনার লেখার কথা কেন শুনি নাই X(( আপনি আমার সামান্য লেখায় কমেন্ট না করলে আমি হয়তো দারুণ সব লেখা মিস করেই যেতাম । :( থ্যাংকস দেবদূত ভাইয়া । আপনার অন্য সব লেখা পড়া শুরু করলাম । :)

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:৩৫

শান্তির দেবদূত বলেছেন: হা হা হা, তাইতো! কেউ কেন বলেনি! মনে হয় অনেকের কাছে আমি ভাল লেখি না; :) এতে দোষের কিছু নেই :) একেক জনের টেস্ট একেক রকম, ভাল লাগা মন্দ লাগা একেবারেই নিজস্ব ব্যাপার :)

থাক আপু, ভুল করে ফেলেছে; নাদানদের ক্ষমা করে দেন, হা হা হা। :)

একটা লেখা পড়ে বাদ বাকি লেখা পড়ার আগ্রহ হচ্ছে, এতেই আমার লেখা স্বার্থক। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।

অনেক ভাল থাকুন, শুভকামনা।

৩৯| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৫:০৮

শ্যামল জাহির বলেছেন: - আচ্ছা, তার আগে বল তো এটা কিসের যুগ?

টেকনোলজি> কম্পিউটার> ইন্টারনেটের যুগ?

- আরে ধুর! কম্পিটিশনের যুগ।(সত্যিই তাই)


কম্পিটিশনের যুগে মায়ের পেটে শিক্ষার আইডিয়া বাস্তবে রূপ দিতে খাস্তগীররা আবিষ্কারে আগ্রহী হয়ে ওঠবেই। কারণ হিসেবে ধরা যায়- আমাদের নিত্য রুচিবদলের!

আমাদের রুচির উপর নির্ভর করেই খাস্তগীরদের কৃত্তিম আবিষ্কার।

গ্রামের এক বাউল মঞ্চে একটা গান শুনেছিলাম- "আদমরে, ছিলি বাপের মস্তকেতে(মস্তিষ্কে), এলি মায়ের.... গোপন পথে মণিবিন্দু হইয়া"

বাউলের কথা অনুযায়ী, পাঠশালাটা বাবার মস্তিষ্কে হলে কম্পিটিশনে আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকা যাবে মনে হয়! :)

চমৎকার শব্দ গাঁথুনি আর অর্থবোধক হাস্য রসে ভরা খাস্তগীরের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ আমার।
আশা রাখি বাকি গুলোও পড়তে পারবো।
অনুসরণ করলাম।

শুভ কামনা।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৫:২২

শান্তির দেবদূত বলেছেন: শ্রদ্ধেয় শ্যামল জাহির, অবাক হলাম আপনার মন্তব্য পড়ে! এত গভীর মন্তব্য! এই পোষ্টে এটা সেরা নিঃসন্দেহে! আপনার মন্তব্য পড়ে মুগ্ধ!

বাউলের গানের কথাটা তো বেশ!! মাই গড ! কি চমৎকার দর্শণ!
বাউলই তো আসল সাইন্টিস্ট! খাস্তগীর কোন ছার! হা হা হা।

অনেক ভাল লাগল আপনার সুন্দর কমেন্ট পেয়ে। শুভকামনা রইল।

৪০| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:৪১

মহামহোপাধ্যায় বলেছেন: ভালো লাগলো ভাইয়া, অনেক ভালো লাগলো খাস্তগীরের পাঠশালা। প্রায় প্রতিটা লাইনে হেসেছি। হিউমারের ছড়াছড়ি। বিশেষ করে চৌমাছি ব্যাপারটা কল্পনা করে অনেকক্ষণ হাসলাম। ভাষাও অনেক চমৎকার করে ব্যবহার করেছেন।

খাস্তগীর সিরিজ নিয়মিত পেতে অনেক ভালো লাগছে। আশা করি জনাব খাস্তগীর আপনার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন (আপনি না চাইলেও B-) B-) )।

আরো চমৎকার সব কল্প গল্পের অপেক্ষায় রইলাম :)

ভালো থাকুন। শুভ কামনা রইল।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৮:৪৭

শান্তির দেবদূত বলেছেন: প্রিয় মহামহোপাধ্যায়, অনেক অনেক ভাল লাগল আপনার চমৎকার কমেন্ট।

আমি ছাড়লেও খাস্তগীর তো আমাকে ছাড়বে না :( তাই মনে হয়ে সিরিজ চলবে, কি আর করা :)

আপনার উপস্থিতি, সুন্দর কমেন্ট ও উৎসাহ সব সময়ই প্রেরনা যোগায়। অনেক ভাল থাকুন, সামনের দিনগুলো আনন্দে কাটুক, শুভকামনা।

৪১| ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:১৪

ভবঘুরের ঠিকানা বলেছেন: আগের লেখাগুলো পড়া হয়নি- নিজের কাছেই দুঃখ লাগছে। অনেক শুভকামনা রইল লেখালেখিতে।

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:৪২

শান্তির দেবদূত বলেছেন: প্রিয় গল্পকার, এই তো আপনাদের ভাল লাগে বলেই টুকটাক লেখার চেষ্টা করি, আপনারা উৎসাহ দেন, সুন্দর সুন্দর কমেন্ট করে, এটাই তো অনেক পাওয়া।

আপনাকে এখানে পেয়ে ভাল লাগল। আপনার একটা ছোট গল্প পড়েই আমি ভক্ত হয়ে গিয়েছি। আপনি বলছিলেন বেশ কিছু ছোট গল্প পোষ্ট করবেন, সেগুলো পড়ার জন্য অপেক্ষা করছি।

ভাল থাকুন, শুভকামনা রইল।

৪২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:৫৪

মশিকুর বলেছেন:
হাসতেই আছি। খাস্তগীর রক্স। আগের গুলা পড়তে হবে।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:২৭

শান্তির দেবদূত বলেছেন: মানুষকে হাসানো না কি সবচেয়ে কঠিন কাজ, এই কাজটা করতে পেরেছি শুনে বেশ তৃপ্তি পাচ্ছি। অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।

৪৩| ১৭ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ২:৩২

আহসানের ব্লগ বলেছেন: টর্চার কি লিপের মাধ্যমে করেছে না কী? জিহ্বা ছিড়ে ফেলার কথা বলছিল! আতঙ্ক এবার তুঙ্গে আমার, ;)

১৮ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ২:২৯

শান্তির দেবদূত বলেছেন: আপনি গল্পের হিউমারাস কিছু অংশ সুন্দর করে চিহ্নিত করেছেন। অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.