নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জামান বাবু

জামান বাবু › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাওলানা ভাসানী

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

পৃথিবী বুকে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের মানচিত্র অংকনের পিছনে যে কয়জন ব্যক্তির অবদান তাদেরই একজন মজলুম জননেতা লাল মাওলানা খ্যাত মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। আমৃত্যু তিনি সংগ্রাম করে গেছেন বাংলার গরীব দুখী মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে অসংখ্যবার করেছেন কারাবরণ , পায়ের কাছে সম্পদ থাকার পরও কখনো নীতি বিসর্জন দেননি।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯১১ সালে মাওলানা মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে ও সানিধ্যে প্রথম প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।একই বছর কংগ্রেসে যোগদান করেন। এরপরেই ১৯১৭-১৮ সালের দিকে ইতিহাস খ্যাত রেশমি রুমাল আন্দোলনে যোগদান করেন এবং হজ্ব করেন। তিনি ১৯১৯ সালে প্রথম কারাবরণ করেন এবং একই বছর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সাহচর্য লাভ করেন। ১৯২০ সালে দেশবন্ধুর স্বরাজ আন্দোলন ও বেঙ্গল প্যাক্টের সাথে একাত্ব হয়ে রাজনৈতিক কর্মকান্ড শুরু করেন। ১৯২১-১৯২৩ সালে তিনি ব্রিটিশ বিরোধী খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করেন। ১৯২৪ সালে কলকাতা কেন্দ্রিক রাজনীতিকে প্রাধান্য না দিয়ে আসাম ও পূর্ব বাংলার গ্রামে গঞ্জে শহরে বন্দরে কৃষক মজুরদের সুসংগঠিত করার ধারাবাহিক কর্মপ্রয়াস বাস্তবায়নের পর আসামের ভাসান চরে কৃষক প্রজা সম্মেলন আহবান করেন। তিনদিন ব্যাপি এই অনুষ্ঠানেই গরীব দুখী মানুষের কাছ থেকে তিনি 'ভাসানী' উপাধি লাভ করেন। এই সম্মেলন তখন বাংলা-আসামের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে। ১৯২৫-২৭ এ তিনি কৃষক মজুরদের স্বার্থ সংগঠন গড়ে তোলায় এবং জমিদারদের বিরুদ্ধে আন্দোলন তিব্রতর করার প্রচেষ্টা চালান।১৯২৮ সালে কলকাতায় খিলাফত সম্মেলনে যোগদান করেন। ১৯২৯ সালে আবারো তিনি আসামের ভাসানচরে কৃষক প্রজা সম্মেলন করেন এবং এই সম্মেলনে সর্বভারতীয় নেতৃবৃন্দের যোগদান ঘটে। ১৯৩০ সালে রাভী নদীর তীরে অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের সম্মেলনে যোগদান ও গুরুতর মতবিরোধ করেন। ১৯৩১ সালে প্রলয়ঙ্করী বন্যায় আক্রান্তদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে আসাম হতে টাঙ্গাইলে আগমন। খোশনদপুর তথা সন্তোষের ওয়াকফ সম্পত্তির জবর দখলকারী মহারাজার সাথে বিরোধ ও বিবাদ করেন। ১৯৩২ সালে তদান্তীন ময়মনসিংহ জেলা হতে বহিস্কৃত হন। ডিসেম্ভর সিরাজগঞ্জের কাওয়াখোলা ময়দানে তিনদিন ব্যাপী কৃষক- প্রজা সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন। অতঃপর জন্মভূমি পাবনা জেলা হতে বহিস্কৃত হন। ১৯৩৩ এ আসামের ভাসান চরে এবং ১৯৩৪ সনে টাঙ্গাইলের চারাবাড়ীতে কৃষক সম্মেলন করেন। আসাম ও পূর্ব বাংলায় সামন্ত প্রথা, সামন্ত শোষন বিরোধী আন্দোলন জোরদার করেন। উত্তর ভারতের আমরুহাতে অনুষ্ঠিত (১৯৩৫) সর্বভারতীয় বিপ্লবী চিন্তাধারার আলেমদের সম্মেলনে যোগদান করেন এবং আলামা আজাদ সোবহানীর সাহচর্য লাভ করেন। ১৯৩৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেস ত্যাগ করে মুসলিম লীগে যোগদান করেন, আসামের প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতির পদ বরণ এবং আলামা আজাদ সোবহানীর সাথে মিসরে আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে গমন করেন।১৯৩৭ সালে আসামে কুখ্যাত লাইন প্রথা বিরোধী আন্দোলন তীব্রতর করে আসামের মজলুম মানুষের এ জীবনমরণ আন্দোলনে অব্যাহত গতিতে নেতৃত্ব দান করেন এবং আসাম প্রাদেশিক পরিষদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত যা ১৯৪৭ পর্যন্ত বহাল থাকে।
১৯৩৮ সালে আসামের বড়পেটায় এবং মঙ্গলদৈ-এ কৃষক সম্মেলন করেন এবং পূর্ব বাংলার গাইবান্ধায় কৃষক সম্মেলন করেন। ১৯৩৯ সালে জনগণের পার্টিতে পরিণত করতে মুসলিম লীগের কর্মকান্ড জোরদার করেন।১৯৪০ সালে মুসলিম লীগের লাহোর সম্মেলনে প্রাদেশিক সভাপতি (আসাম মুসলিম লীগ) হিসাবে যোগদান এবং লাহোর প্রস্তাবের সাবজেক্ট কমিটির সদস্য হিসাবে পাকিস্তান প্রস্তাব প্রণয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন ও দ্বিতীয় বারের মত হজ্ব সমাপ্ত করেন।১৯৪১ সালে যুগপৎ লাইন প্রথা বিরোধী আন্দোলন এবং স্বাধীনতার লক্ষ্যে পাকিস্তান আন্দোলন পরিচালনা (১৯৪৭ পর্যন্ত) করেন। ১৯৪৪ সালে বড়পেটায় আসাম মুসলিম লীগের সম্মেলন করেন।১৯৪৫ সালে তিনি পূর্ব বাংলায় এবং আসামে ব্যাপক সফর করেন। ১৯৪৬ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনী আন্দোলন শুরু করেন, মে মাসে আসামের বাস্তুহারা অসহায় মানুষের অধিকার আদায় করতে অনশন ধর্মঘট পালন করেন এবং টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ীতে কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন।
১৯৪৭ সালের ৫ মার্চ সমগ্র আসামে আন্দোলনের ডাক, আসাম দিবস পালনের প্রস্তুতিতে সংগ্রামী ঘোষণা, ডুরাং ত্যাগের নির্দেশ অমান্য করায় কারাবরণ এবং ২০ জুন জোরহাট জেলা হতে মুক্তি লাভ করে পূর্ব বাংলায় আগমন ও ঐতিহাসিক আসাম- জীবনের অবসন করেন।১৯৪৮ সালের ১৭ মার্চ পূর্ব বাংলার ব্যবস্থাপক সভায় বাংলা ভাষার পক্ষে সমর্থন করেন এবং পাকিস্তানের প্রথম বিরোধী সাপ্তাহিক ইত্তেফাক প্রকাশ করেন।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির পদ গ্রহণ করেন এবং অক্টোবরের পূর্ব বাংলার খাদ্যাভাব ও মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জনসভা এবং বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দান করে কারাবরণ করেন, পাকিস্তানের বিশেষতঃ পূর্ব বাংলার রাজনীতিতে বিরোধী দলীয় আন্দোলনের পত্তন করেন।১৯৫০-৫১ কারাবাস করেন এবং আওয়ামী মুসলিম লীগ এর সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যাপক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেন।১৯৫২ সালে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় ভাষা সংগ্রাম পরিষদ- এর সভাপতি হিসাবে মহান ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দান করেন এবং ২২ ফেব্রুয়ারি গায়েবানা জানাজায় ইমামতি করেন এরপর আবারো ২৩ ফেব্রুয়ারি কারাবরণ করেন।১৯৫৩ সালে এপ্রিল মাসে কারামুক্তি লাভ করে ডিসেম্বরে একজন প্রধান নেতা হিসাবে যুক্তফ্রন্ট গঠনে ভূমিকা রাখেন।১৯৫৪ সালে ২১ দফা ইশতেহার নিয়ে নির্বাচনে বিপুল জয়লাভ করেন আওয়ামী মুসলিম লীগ। এরপর বিশ্বশান্তি সম্মেলনে যোগদানের জন্য ইউরোপ সফর করে প্রত্যাবর্তনে সরকারি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় তার উপর।১৯৫৫ সালের ২৫ এপ্রিল দেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং ১৫ জুন পূর্ব বাংলার স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে জনসভা করেন, আওয়ামী মুসলিম লীগ দলের আওয়ামী লীগ নামকরণ করেন এরপর নভেম্বরে কাগমারীতে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন।১৯৫৬ সালে প্রস্তাবিত শাসনতন্ত্র বিরোধী আন্দোলন করেন, ভুখা মিছিলে নেতৃত্ব দান ও মিসর আক্রমণ করায় মিত্র শক্তি বিরোধী আন্দোলন এবং ফুলছুরি ঘাটের সম্মেলনে কৃষক সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।১৯৫৭ সালের ৬ হতে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন করেন ঐ সম্মেলনে পশ্চিম পাকিস্তানের উদ্দেশে বিখ্যাত “আসসালামু আলাইকুম” ঘোষণা করেন।মার্চে বিরোধ দেখা দেওয়ায় আওয়ামী লীগ হতে পদত্যাগ করেন একই বছর ২৬ জুলাই ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রতিষ্ঠা করে বগুড়ায় কৃষক সম্মেলন করেন ও খাদ্য- সংস্কট, স্বায়ত্বশাসন ও পররাষ্ট্র নীতির প্রশ্নে অনশন ধর্মঘট পালন করেন।১৯৫৮ সালে সামরিক আইনে অক্টোবরে কারাবরণ করেন ১৯৬২ তে মুক্তিলাভ করেন।১৯৬৩ সালে মহাচীন সফর করেন এবং ডিসেম্বরে আইন অমান্য আন্দোলন ষোঘণা করেন।১৯৬৪ সালে হাভানায় ও টোকিওতে বিশ্বশান্তি সম্মেলনে যোগদান করেন এবং ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি পুনরুজ্জীবিত করেন।১৯৬৫ সালে আইয়ুব- বিরোধী নির্বাচনে মিস ফাতেমা জিন্নাহর পক্ষে অংশ গ্রহণ করেন ও পাক-ভারত যুদ্ধে দেশপ্রেমিকের অনন্য ভূমিকা পালন করেন।১৯৬৬ সালে ন্যাপের পক্ষ হতে বিখ্যাত ১৪ দফা দাবী উত্থাপন করেন।
১৯৬৭ সালে রংপুর সম্মেলনে ন্যাপের বিভক্তি হলে চীন ও মস্কো(রাশিয়া) পন্থী ন্যাপের মধ্য হতে তিনি চীন পন্থী ন্যাপে অবস্থান করেন।১৯৬৮ সালে ১০ দফা “দাবি সপ্তাহ” পালন করেন এবং আইয়ুব শাহীর পতন ঘটানোর লক্ষ্যে ঘেরাও আন্দোলনের ডাক দেন, গভর্নর হাউস ঘেরাও, হরতাল পালন করেন।১৯৬৯ সালে আইয়ুব আহূত গোলটেবিল বৈঠক বর্জন করেন এবং সামরিক শাসন ও আইন উপেক্ষা করে শাহপুরে বিখ্যাত কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন, সার্জেন্ট জহুরুল হক হত্যার প্রতিবাদ করেন, আগরতলা মিথ্যা মামলার প্রত্যাহারের দাবী জানান।১৯৭০ সালে সন্তোষে জানুয়ারিতে ঐতিহাসিক কৃষক সম্মেলন, পাকিস্তানের টোবাটেক সিং-এ মার্চে কৃষক সম্মেলন, পাঁচবিবির মহিপুরে এপ্রিলে কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন। জুন মাসে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন করেন। ৮ সেপ্টেম্বর সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-এর পত্তন ঘোষণা করেন। নভেম্বরে জলোচ্ছ্বাস-বিধ্বস্ত এলাকায় ব্যাপক সফর করে ২৩ নভেম্বর পল্টনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন। ৪ ডিসেম্বর পল্টনের জনসভায় স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান ঘোষণা দেন। সেদিন তাঁর বিখ্যাত উক্তি : লাকুম দ্বীনুকুম ওয়াল ইয়া দ্বীন। সকল প্রকার নির্বাচন বর্জন করেন।
১৯৭১ সালের ৭ জানুয়ারিতে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য ৫ দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন। ৯ জানুয়ারি সন্তোষ দরবার হলে স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে সর্বদলীয় সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি সন্তোষ দরবার হলে পূর্ব পাকিস্তান শিক্ষা ও কৃষ্টি সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন। এক দফা দাবী তথা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনমত সৃষ্টি করতে দেশ ব্যাপী ব্যাপক সফর করে,৯ মার্চ পল্টনের জনসভায় স্বাধীনতার দাবীতে আপোষহীন থাকার আহ্বান করেন। ১২ মার্চ ময়মনসিংহে কৃষক সম্মেলন করেন। ৪ এপ্রিল এবং ৬ এপ্রিল পাক-বাহিনীর মোকাবিলা করেন। ১৬ এপ্রিল রৌমারীর সীমান্ত পথে ভারতে প্রবেশ করে স্বাধীনতা আদায়ের সংগ্রামে ভারতে অবস্থান করেন। ভারতে তিনি গৃহবন্দীত্ব নজরবন্দি জীবনযাপন করেন।১৯৭২ সালে ২২ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্তোষে রাজনৈতিক সমাবেশ করেন। আলোড়ন সৃষ্টিকারী সাপ্তাহিক হক-কথা প্রকাশ করেন। ৯ এপ্রিল ঢাকার পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জনসভা করেন। ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দেন। দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সূত্রপাত করেন। ডিসেম্বরে নিখিল বাংলা জোয়ান-কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন।১৯৭৩ সালে খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ও অন্যান্য ইস্যুতে ভুখা মিছিল পরিচালনা ও অনশন ধর্মঘট করেন। আইন অমান্য আন্দোলন করেন। ১২ ডিসেম্বর সন্তোষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা সম্মেলনে অনুষ্ঠান করেন।১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী ভুখা মিছিলের ডাক দেন, দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে আন্দোলন করেন। সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেন। ৭ এপ্রিল সন্তোষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা সম্মেলন করেন। ৮ এপ্রিল হুকুমতে রাব্বানিয়া সমিতির প্রতিষ্ঠা ও সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন। ১৪ এপ্রিল পল্টনে জনসভা করেন। ২৯ জুন ঢাকায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিলে নেতৃত্ব দান করেন। ৩০ জুন হতে সন্তোষে গৃহবন্দি জীবন ধারন করেন।১৯৭৫ সালে সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজে আত্মনিয়োগ করেন। ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবকে সমর্থন দান করেন।৭ ডিসেম্বর সন্তোষে চাষী সম্মেলন অনুষ্ঠান করেন।

আজ ১২ ডিসেম্বর, ১৮৮০ খ্রীস্টাব্দের এই দিনে সিরাজগঞ্জ শহরের অদুরে ধানগড়া গ্রামে এই মহান নেতার জন্ম। ১৩৮ তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এই মহান নেতাকে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.