নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমিতো এমনই ।

আকাশ_পাগলা

আমি রিজভান হাসান। ডাক নাম আকাশ আর ব্লগ নিক আকাশ_পাগলা নিয়ে চলছি বেশ কিছু বছর। আমার স্থায়ী ঠিকানা হল http://wings.rizvanhasan.com । আমন্ত্রণ রইল। সারাটাদিন অনেক কারণে বাধ্য হয়ে আর্টিফিশিয়াল সুশীল ভড়ং ধরে রাখতে হয়। ব্লগে আসি তাই হাঁফ ছাড়তে। এভাবেই তাই ব্লগটা এখন নেশা। দরকার হলে উচিৎ কথা বলে আজীবনের জন্য ব্যন হয়ে যাবো, কিন্তু কখনও সুশীল ভাব নিতে চাই না। বাস্তবে যেই দোষে মানুষকে বলি, "সবারই নৈতিক ব্যাপারগুলো খেয়াল রাখা উচিত।" ব্লগে এসে সেই ব্যক্তিকে সেই দোষেই বলতে চাই, "আইজকা তোরে খাইছি। তুই কত বড় হ্যাডম আইজকা দেখুম!" এমনটা ভাবার কারণ নাই যে, মনিটরের ভিতরেই শুধু গলাবাজী করি। সবখানেই আমি প্রতিবাদী চরিত্রগুলোর প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। কিন্তু আমরা আসলে স্বপ্নে না সমাজে বাস করি, তাই সবখানে আর পেরে উঠি না। আমার শাস্তি যে অনেকের কষ্ট। কিন্তু যখনই সুযোগ পাই ফুঁসে উঠি, ফুঁসে উঠতে চাই। একদিন ঠিক দাঁড়িয়ে যাবো সবার মাথার উপর, তখন আর কেউ আটকাতে পারবে না। (আমার অনুমতি ছাড়া আমার কোন পোস্ট বা পোস্টের অংশবিশেষ অন্য কোথাও ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)

আকাশ_পাগলা › বিস্তারিত পোস্টঃ

নতুন বাংলা চলচ্চিত্র প্রজাপতি এর রিভিউ আর একটা চ্যালেঞ্জ আর………B-)B-)B-)

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৯

ব্যাপারটা এমন না যে সিনেপ্লেক্সে গেলাম। প্রজাপতি চলছিল, দেখে এলাম। বরং মোটামুটি আয়োজন করে প্রজাপতি দেখতেই স্টার সিনেপ্লেক্সে যাওয়া। আমার অবস্থা এমন ছিল যে এই মুভি ওখানে যেয়ে দেখতেই হবে (এখন জিজ্ঞাসা করবেন না যে ঘটনা কী !! সেটা অন্য পোস্টে!)। শুরু থেকেই নাটকের অভিনেতাদের সিনেমা দেখার ব্যাপারটা আমাকে সেভাবে আকর্ষণ করেনি। পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে জানি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এগুলো নাটককে ছাপিয়ে যেতে পারে না। তবে, যেতে যখন হলই সেটা নিয়ে ব্লগেও যে লিখবো সেটা তখনই আমার আরেকটা প্রাইম টার্গেট হয়ে দাঁড়ায়।







[***** মুভির কাহিনী এই রিভিউতে কতটুকু বলব আর সেটুকু শুনে পরে এই মুভিটা দেখে আপনি দেখে মজা পাবেন কী না, সেটা আগেই চিন্তা করার দরকার নেই। কাহিনী না আপনার রুচি আর মুডের উপর নির্ভর করে প্রজাপতি আপনার কতটুকু ভাল লাগবে।]



শুরুই হয় মোশাররফ করিম তথা তারেককে দিয়ে। একটা মাতাল/আধাপাগল/সাইকো ক্যারাক্টার। একাই থাকে। বিশাল বাসায় শুধু সে আর তার কাজিন বাবর। এই বাবর মোটামুটি ফানি ক্যারাক্টার। মোশাররফ বাবরকে ওড়না মাথায় নাচতে বলে। ৫০০ টাকার নোট ৫০০টা ফটোকপি করতে বলে। এমনি থাপ্পড় টাপ্পড় মারে। ২জন প্রায় মধ্যবয়স্ক পুরুষের বসে বসে কথপোকথন আর এক্টিভিটিজ আমাকে খুব বেশি হাসাতে পারেনি। তবে হলের অনেক দর্শকই বেশ হেসেছে। কিছু কিছু এমনিতেও জায়গাতে হাসি পায়।



এখন কথা হচ্ছে মোশাররফ করিম এমন করে ক্যানো? সে কী অসুস্থ নাকি মাতাল নাকি সম্প্রতি ছ্যাকা খেল? তার অভিনয়ে সেটা পরিষ্কার হয়নি।



পরবর্তীতে জাহিদ হাসান তথা তানভীর সাহেবের আগমন। জাহিদ হাসান বিশাল জুয়াড়ি কিন্তু সে কখনও জেতে না। তারপরও খেলতে থাকে সে। টাকা না থাকলে পাতা হাতে সাজিয়ে জুয়ায় বসে পড়ে এমনই তার নেশা। তার টেবিলে সাধারণত ৩-৪টা চরিত্রের দেখা পাই। পিছনে ব্যাকগ্রাউন্ডে একটা গান চলতে থাকে। গানটা ভাল লেগেছে আমার, “টাকা শাকালাকা” টাইপের, কিন্তু শুনতে ভাল লাগে। এরা ড্রিংক্স করে আর তাস দিয়ে জুয়া খেলে। আপনি যদি তাস খেলা নাও পারেন জুয়াকে ঘিরে গড়ে ওঠা মুভিটা বুঝতে আপনার কোন সমস্যাই হবে না। কারণ যারা খেলছিলেন,সম্ভবত উনারাও ব্যাপারটা খুব একটা বোঝেন না। অন্তত জাহিদ হাসানের অভিনয়ে সেটা পরিষ্কার।



তার সুন্দরী স্ত্রী মৌসুমি সংসারের দায়ভার একাই বহন করে। সে অফিসে চাকরী করে । জাহিদ হাসানকে টাকা দিতে দিতে সে টায়ার্ড। আত্মীয় স্বজনের থেকে টাকা ধার করে এনে সে ব্যাবসার টাকা এনে দিয়েছে কয়েকবার। কিন্তু জাহিদ হাসান সব জুয়ায় উড়িয়ে দিয়েছে। এদের মধ্যে মিষ্টি একটা রোমান্টিক সম্পর্ক। দেখতে ভালই লাগে, তবে বাইরে থেকে এসে এরা হাতমুখ না ধুয়েই খেতে বসে, ঘুমাতে যায়। এটা একটা সমস্যা বটে। এদের আরও স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া উচিত। জাহিদ হাসানের খাওয়া দাওয়া নিয়ে মৌসুমি যতটা চিন্তিত, কয়েকবার বাইরে থেকে এসে হাতমুখ না ধুয়ে জুতা খুলে শুয়ে পড়ার ব্যাপারে ততটা চিন্তিত নয়।



এদের বাড়িওয়ালা আবার মৌসুমির সাথে একটা সুযোগ খুঁজে। আড় চোখে তাকায়, এঙ্গেলে কথা বলে। ডায়লগ গুলা যেমন সুন্দর, লোকটার অভিনয়ও মারাত্মক। সাথে মৌসুমিও ভালই চালিয়ে নিলো। কাহিনীর বেশ কিছুক্ষণ পর পর এই বাড়িওয়ালার আগমন। ভাড়ামি না করেই দর্শক হাসিয়ে চলে যান উনি। গুড।



যাই হোক, জাহিদ হাসান খুব রোমান্টিক কিছু কথা বলেও মৌসুমি থেকে টাকা ম্যানেজ করতে পারে না। রেললাইনের পাশে বসে পাতা সাজিয়ে একা একা জুয়া খেলতে বসে। কিছু পাতা হাতে নিয়ে শাফল করে। তাকায়, চুমু দেয় পাতায়। এরপর আবার শাফল করে। এরপর এঙ্গেলে তাকায়। এরপর আবার শাফল করে। আমার পয়েন্টটা ধরতে পেরেছেন? অনেক আগে বাংলা ছবির নায়ক কাজী মারুফের প্রথম মুভির ট্রেইলার দেখেছিলাম এটিএন বাংলায়। সেখানে এক পর্যায়ে একটা গানের মাঝে রেল লাইনের উপর কাজী মারুফ দাঁড়িয়ে। সুন্দরী নায়িকা তার চারপাশে ঘুরে ঘুরে নাচছে। আর সে একটা টকটকে লাল গিটার হাতে নিয়ে মেটাল গায়কদের মত স্ট্রিং ছিড়ে ফেলছে। আর দু হাতের পজিশন গিটারের মেইন বডিতে ডানদিকে। আর গানটা চলছিল খুবই স্লো একটা রোমান্টিক গান।



কী আজব লাগে না? শটের পিছে এদের কোন মায়া নেই, তাই একটা জিনিস হাতে নেয়ার আগে মিনিমাম খোঁজটুকুও নেয় না। শুধু বাংলা ছবি বলেই কী না, রেল লাইনের পাশে এসে সব নায়কেরা এমনই করে থাকেন।



আসল ঘটনায় ফেরত আসি। মোশাররফ করিম জাহিদ হাসানকে খুঁজে বের করে। খুবই সস্তা কিছু ডায়লগ বিনিময় হয়। জাহিদ হাসান তখন উনাকে ধন্যবাদ দেয় কারণ মোশাররফ করিম এখন থেকে জুয়ার টেবিলে তাকে টাকা ধার দিবে।



এরা তখন জুয়া খেলতে যায়। মোশাররফ করিম বলে সে জুয়া খেলতে পারে না। কিন্তু তার কথা ঐ টেবিলের কেউ বিশ্বাস করেনা। জনৈক জুয়াড়ি বলেন যে, উনি তার চোখমুখ দেখেই বুঝেছেন যে উনি বিশাল খেলোয়াড়। স্বাভাবিক ভাবেই, দর্শকের মনে একটা ধারণা চলে আসে যে একটা পর্যায়ে মোশাররফ করিম জুয়া খেলবেই। আর সবাইকে হারাবে। কিন্তু সেটা জাহিদ হাসানের পক্ষে নাকি বিপক্ষে? এতক্ষণে হালকা একটা সাসপেন্স। আর যদি আপনার মনে এই ডায়লগের পর এই কথা মনে না আসে, তাহলে আপনার সাসপেন্স আরও পরে আসবে। ওই ব্যাটা বাড়িওয়ালার একটা সিন আছে তারপর।



যাই হোক, জাহিদ হাসান খেলতে থাকে আর হারতে থাকে। এভাবে চলতে থাকে। এক পর্যায়ে মৌসুমির সাথে তার একটা গানও হয়ে যায়। সুন্দর গান। চিত্রায়ণ সুন্দর। গানটা দেখে ভাল লাগে। আগের বাংলা ছবির অভ্যাস অনুযায়ী মৌসুমি মাঠের মধ্যে এক দিক থেকে আরেক দিকে অকারণে একটা দৌড় দেয়। নাটকের অভ্যাস অনুযায়ী জাহিদ হাসান যতটুকু সম্ভব না নড়ে থাকার চেষ্টা করেছেন। দেখতে খুব একটা খারাপ লাগে নাই যদিও। ত, মৌসুমিকে কথা দিয়ে জাহিদ হাসান জুয়া খেলা বন্ধ করে দেন। কিন্তু মোশাররফ করিমের সাথে দেখা করেন আবার এবং আবারও জুয়া খেলতে যান। এবার দেখি তার হাতে তিনটা তাস। তার মাঝে ৩টাই কুইন। এর আগে কোন তাস চালাচালি চোখে পড়ল না। মাঝে দিয়ে জুয়া খেলার যা সিন, তা খুবই দুর্বল। ক্যামেরা এদিক থেকে ওদিক রোল করেছে বটে কিছু জুয়ার ভাবটা ফোটে নি। তবে পিছনের সাউন্ডের কাজ ভাল ছিল।





এখন জাহিদ হাসান মোশাররফ করিমের থেকে টাকা চান। কিন্তু এবার উনি ধার দিবেন না। অবশেষে জাহিদ হাসান তাকে বুঝায়, “প্লিজ টাকা দেন। আমার খুব ভালো কার্ড উঠেছে।“ কিন্তু মোশাররফ করিম বলেন যে, জুয়ায় কেউ নিশ্চিত বলতে পারে না যে সে জিতবে। এরপরও কথা কাটাকাটি চলতে থাকে। আর এক পর্যায়ে অমিতাভ যখন মারপিটের অভিনয় করত সেই আমলের হিন্দী ছবির মত জাহিদ হাসান রাজী হয়ে যায় যে জুয়া হারলে সে তার বউকেও দিয়ে দিবে।



এখানে আমি অভিনেতাদের দোষ দেখি না। কিন্তু কাহিনীর প্রেজেন্টেশনটাই ছিল এমন যে আমার ৮ বছরের ভাতিজাও বুঝতে পারবে যে জাহিদ হাসান অবশ্যই বাজীতে হারছে। আপনি যদি সেটা বুঝতে না পারেন, তাহলে আপনার সাসপেন্স শুরু হল।





যেমনটা হল, জাহিদ হাসান হেরে গেলো। আপনার খারাপ লাগতে থাকবে লোকটার জন্য। বাসায় সে আর মোশাররফ করিম ফেরত আসল। জানা গেল, মৌসুমি আর মোশাররফ করিম আগে খুব ভালো বন্ধু ছিল। কিন্তু মোশাররফ করিম তার সাথে প্রেম করতে চাইলেও মৌসুমি গুরুত্ব দেয় না। এখন চুক্তি অনুযায়ী জাহিদ হাসানের স্ত্রী তার। ত মৌসুমি রেগে যায় অনেক আর দাবী করে সে জাহিদ হাসানের সাথে থাকবে না, কারণ এ জুয়ার টেবিলে বৌকে বেঁচে দিয়েছে। ভাল কথা । এমন ত হতেই পারে। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, মৌসুমি মোশাররফ করিমের বাসায় চলে যায়। আচ্ছা, স্ত্রী কি কোন একটা ব্যাটার বাপের সম্পত্তি? এটা কী কোন বস্তু যে একজন আরেকজনকে দিয়ে দিতে পারে? ব্যাপারটা এমন হল যে, আমি নাইজেরিয়ার এক লোকের সাথে খেললাম, খেলতে খেলতে বলে দিলাম যা আমার চাচার বাড়ি গাড়ি সব তোর। এখন এই কথা জানলে আমার চাচা আমার উপর খেপবে ঠিক, তাই বলে ওই ব্যাটাকে বাড়ি গাড়ি দিয়ে দিবে নাকি? মৌসুমি নামক বস্তু এখন তাহলে মোশাররফ করিমের সম্পত্তি? আর সেটা মেনে সে ওর বাসায় চলে গেল?



এখন বিরতি।



এটুকু পরে মনে হতে পারে কাহিনীতে বোধহয় টুইস্ট আসবে। কিন্তু না, বাংলাদেশে ২০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপণে টুইস্ট দেয়া যায় কিন্তু ২ ঘণ্টার মুভিতে নয়। মৌসুমি না খেয়ে থাকে আর জাহিদ হাসান গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে। মোশাররফ করিম নিজের প্রতিবিম্বের সাথে কথা বলতে থাকে। আর রোমান্টিক গান হয়। গানটা হল ডুব। গানটা খুবই সুন্দর। চিত্রায়ণ এমন আহামরি কিছু না। এরমধ্যে টুকটাক ফ্লাশব্যাক চলে। একই ঘটনা একই চিত্রায়ণে একই কথা বার বার ঘুরে ফিরে ফ্লাশব্যাক হয়। মোশাররফ করিম মুখে মুখে বলে যে এক ছেলে মৌসুমির সাথে কথা বলছে তাই তাকে পিটাইছে। এখন মৌসুমিরও ত দোষ তাহলে, এই জন্য সে এই ছেলেকে ডাবল পিটাইছে; মৌসুমিরটা ওর উপর দিয়ে গেল। মৌসুমি মোশাররফ করিমের সাথে গাড়িতে করে এখানে সেখানে ঘুরতে যায়, দূরে দূরে যায়। ছোটবেলা মোশাররফ তাকে পানি থেকেও বাঁচাইছে। তাই তারা একসাথে খায় দায়, ঘুরে ফিরে, বেড়াইতে যায় রোমান্টিক পোজে দাঁড়িয়েও থাকে কিন্তু তারা প্রেম করে না। কারণ? মোশাররফ করিম নাকি সাইকো। প্রথমে মনে হচ্ছিল কাহিনীকার বুঝাচ্ছেন যে, মৌসুমিকে হারিয়ে মোশাররফ করিম আধাপাগল। পরে বুঝলাম সে আগে থেকেই আধাপাগল। সাইকোর সাথে দূরে দূরে ঘুরতে পারো, এতদিন একসাথে চলতে পারো আর বিয়ে করতে গেলে তখন গায়ে লাগে ! সে মৌসুমিকে ডাকে, তখন মৌসুমি খুব ভাব নিয়ে বলে, “কী রে ডেকেছিস ক্যানো?” মোশাররফ করিম বলে যে ওকে বিয়ে করবে। তখন দেখা গেল মৌসুমি হালকা ইমোশোনাল হয়ে গেল আর বলল গতকালই ওর এঙ্গেজমেন্ট হয়েছে। আর হাতে তার আংটি। আমি বুঝলাম না, তাকে পাত্র দেখতে আসছে সেটা ও আগে জানালোনা কাউকে? এতদিন এক ছেলের সাথে ঘুরে এখন বিয়ে ঠিক হল বলে চলে গেল?







আসল কথায় আসি। বাবর মৌসুমিকে কনভিন্স করে যে আসলে মোশাররফ করিম আধাপাগল ওর জন্যেই (ওয়েইট, ছ্যাকা খাওয়ার আগেই ত মৌসুমি ওকে তাই-ই ভাবত)। তখন ছাদে এসে মৌসুমি কানতে থাকা মোশাররফ করিমের মাথায় ঘাড়ে হাত বুলিয়ে দেয়। হিন্দী ছবি নয় বলে ব্যাপারটা এখানেই শেষ হয়। নইলে ত গেছিলো মৌসুমি আগের ফর্মে ফিরে। যাই হোক, ওদিকে মোশাররফ করিম গেটের বাইরে আসলে জাহিদ হাসান তাকে শতভাগ নিশ্চয়তা দেয় যে মৌসুমি তাকে ছাড়া বাঁচবে না। মোশাররফ করিম তখন মৌসুমিকে চয়েস করতে বলে। মৌসুমি কানতে কানতে নিচে আসলেও জাহিদ হাসানকে দেখে মতামত চেঞ্জ করে। আর বলে যে সে ওর সাথে থাকবে না, কারণ ও ওকে বেঁচে দিছিলো।







এরপর জাহিদ হাসান ঘরে হঠাত কী যেন দেখে। বিশ্বাস করেন আর নাই-ই করেন, আপনি নিজেই বুঝে যাবেন যে ও মৌসুমির গহনা গাঁটি পাবে। এটা নিয়ে আগেও কথা হয়েছিল। তাই-ই হল। ও এগুলা বেঁচে ধার শোধ করল আর জানতে পারল মৌসুমি বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে আগেই। মোশাররফ করিম এখন অনেক মন মরা হয়ে গেছে। জাহিদ হাসানও। আর মৌসুমি ওদিকে গ্রামে বাচ্চাদের শিক্ষকতা করে। সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস আর অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ এই কথাটা ততক্ষণ রিপিট করবে যতক্ষণ না আপনি ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে কেঁদে দিতে চাবেন। কাহিনীতে ছিল যে বাচ্চাদের পড়াইতেছে, সেটার চিত্রায়ণে যেয়ে উনারা আর কথা পায় নাই। তাই একই কথার রিপিট।



শ্যষ হইয়াও হইল না শ্যাষ। মুভি শ্যাষ বটে কিছু রিভিউ না। আসল কথাই বাকি। বাংলা ছবির রীতি অনুযায়ী মোশাররফ করিম সুইসাইড করে নাই।



মুভি মেকিং নিয়ে কথাঃ



**** ঐ বাড়িওয়ালার কী হইল? কিছু না, কাহিনীকার তার কথা ভুলে গেছে।



**** সব মিলিয়ে কয়টা ক্যারাক্টার দেখছেন? ৫-৬ টা মানুষ দিয়ে পুরা মুভি। এমনকি সাইডের ক্যারাক্টারও তেমন নাই।



**** বিয়ে বাড়িতে যখন রেকর্ডিং হয়, তখন কী কেউ ক্যামেরা তিনতলায় নিয়ে নিচের দিকের ভিউ রেকর্ড করে? করে না। বিয়ে বাড়ির রেকর্ডে দেখবেন শুধু ক্লোজ শট ছাড়া কিছু নেই। এই মুভির ক্যামেরাম্যানও সেই কোয়ালিটির লোক। লং শট বলতে গেলে নেই আর ক্রেইন শট ২টাও ছিল কী না সেটা একটা প্রশ্ন। মহাস্থান গড়ে ঘুরতে গেছে মৌসুমি আর মোশাররফ ফ্লাশব্যাকে।সেখানেও আশেপাশের একটা দৃশ্য দেখায় নাই। সব ক্লোজ শট।



****মৌসুমি সুন্দর সুন্দর ড্রেস পড়ছে। খুব সুন্দর লাগছে। ছেলে দুটা নাটকে অভিনয় করে বলে এদের এমন আহামরি কিছু পড়ায় নাই। জাহিদ হাসানকে গানের মাঝে একটু পোছপাছ করাতে যেয়েও করায় নাই অথবা ওকে তেমন স্টাইলিশ লাগে নাই।



**** গানগুলা ভালো।



**** কাহিনীর প্রেজেন্টেশন খুব ফালতু। বাংলা ছবি ভাবটা রেখেই দিছে। আর শ্যাষে এটা কী হল? ভাব নিলো। তাও ভালো যে, রীতি অনুযায়ী মোশাররফ করিম সুইসাইড করে নাই।



*****পুরা মুভিতে একটাও সিরিয়াস এক্টিং নাই। প্যানপ্যানি টাইপের কান্না দিয়ে ভরা, হাউমাউ টাইপ কিছু নাই।মিনিমিনে চিল্লানো আছে,এর বেশি কিছু নাই।



*****বিবাহিত নায়ক নায়িকাকে দেখে মনে হয়না এরা বিবাহিত। পুরা মুভিতে নায়ক নায়িকা কেউ কাউকে একবারও জড়িয়ে ধরে নাই। বিজ্ঞাপণ গুলাও এরচেয়ে এনজয়েবল। বিটিভির নাটকের নায়ক নায়িকার মত লাগে। মৌসুমির অতীত রেকর্ড (পুরানো বাংলাছবিতে উনার ড্যান্স, ড্রেস) অনুযায়ী এখানে তার ক্যারাক্টারকে আরও সুযোগ দেয়া যেত।



*****বিরতির পরের অংশের কাহিনী দেখাতে সর্বোচ্চ ১০ মিনিটের বেশি লাগার কথা না। অকারণ হাঁটাহাটি কান্নাকাটি দেখিয়ে টাইম পাস করছে।







অভিনয় নিয়েও কিছু বলিঃ



**** জাহিদ হাসানের অভিনয় ভাল। কিন্তু কিই(চাবির ইংলিশ) পয়েন্টটা মিসিং। সেটা হল জুয়া খেলার অভিনয়। অন্যান্য অংশ ভাল হলেও এই অংশের বিশ্রী অভিনয়ের জন্য তাকে ক্ষমা করা যায় না।



**** মোশাররফ করিম অনেকগুলা হাসির ডায়লগ দেয়। পুরা মুভিতে ডায়লগ মোটামুটি চলে। তবে মোশাররফ করিম প্রথম দিকে খুব দুর্বল অভিনয় করেছে। উনার ব্যাপারে এধরণের কথা বলতে গেলে অনেক চিন্তা করতে বলা লাগে। আমি চিন্তা করেই বলছি। তবে কিছু কিছু জায়গা ভালো। অল্প।



**** মৌসুমির কারণেই এটা সিনেমা। নইলে এটা টেলিফিল্মের যোগ্যও না।



পোস্ট ত শেষ, এখন ভাবছেন আমার চ্যালেঞ্জটা কী?



চ্যালেঞ্জ হল ক্যামেরা দিলে আমি এইরকম মুভি ১ সপ্তাহে বানিয়ে দিতে পারি। তাও শিওর না যে এত টুইস্ট ছাড়া মুভি করতে পারবো কীনা।



আর ? আরো ত কিছু একটার কথা ছিল টাইটেলে। তাই না? আসলে, সেটা কিছুনা। মুভি সাসপেন্স দিতে পারে নাই। মনে করেন এই পোস্টও চেষ্টা করছিল কিন্তু পারলো না ।





ফেসবুকে আমার ব্লগের পেইজ দেখতে লাইনটার উপরেই ক্লিক মারেন। ভাল্লাগলে ক্লিক মারেন।



আর এই লেখা আমার ব্যক্তিগত ব্লগেও প্রকাশিত।

http://wings.rizvanhasan.com/archives/479





মন্তব্য ৬৬ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৬৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৩

মেঘনা পাড়ের ছেলে বলেছেন: গতকালই এ মুভিটা দেখেছিলাম স্টারসিনেতে। বিরতীর পরের অংশ ১০ মিনিটেই শেষ করা যেতো - আপনার একথার সাথে একমত। মৌসুমীর কারনেই এটি সিনেমা- একমত এই কথার সাথেও। ;)

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৮

আকাশ_পাগলা বলেছেন: বিরতির মধ্যে পপকর্ন আনছিলাম।
ঐটাই খাইছি বসে বসে।

উফফ, এই মুভি দেখা আর না ঘুমিয়ে জেগে থাকাটা বিশাল এক পেইন।

২| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৩

রিফাত হোসেন বলেছেন: **** সব মিলিয়ে কয়টা ক্যারাক্টার দেখছেন? ৫-৬ টা মানুষ দিয়ে পুরা মুভি। এমনকি সাইডের ক্যারাক্টারও তেমন নাই।

**** বিয়ে বাড়িয়ে যখন রেকর্ডিং হয়, তখন কী কেউ ক্যামেরা তিনতলায় নিয়ে নিচের দিকের ভিউ রেকর্ড করে? বিয়ে বাড়ির রেকর্ডে শুধু ক্লোজ শট ছাড়া কিছু নেই। এই মুভির ক্যামেরাম্যানও সেই কোয়ালিটির লোক। লং শট বলতে গেলে নেই আর ক্রেইন শট ২টাও ছিল কী না সেটা একটা প্রশ্ন। মহাস্থান গড়ে ঘুরতে গেছে মৌসুমি আর মোশাররফ ফ্লাশব্যাকে।সেখানেও একটা দৃশ্য দেখায় নাই। সব ক্লোজ শট।



এটিও একটি স্টাইল ;)

২০ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০০

আকাশ_পাগলা বলেছেন: হা হা হা হা
তা বটে।

মুভির ক্যামেরা ম্যানকে আমার ভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়াতে ইচ্ছা করে। শুনেছি এতে নাকি বুদ্ধি বাড়ে !! মাথা ঠিক থাকে ।

৩| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৪

রিফাত হোসেন বলেছেন: দুইজন মানুষ নিয়ে সিনেমা শট শুট ছাড়াই শেষ কইরা ফালায় আর আপনি আসছেন............. হেহেহ:)

তবে + রিভিউ ।

৪| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৭

রাজসোহান বলেছেন: পোস্ট পড়তে পড়তে টায়ার্ড :-<

২০ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৩

আকাশ_পাগলা বলেছেন: আর মুভি দেখে আমার কী অবস্থা হইছে ভাবেন !!

৫| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৯

তন্ময় আকন্দ বলেছেন: হুবহু এই কাহিনীর একটা নাটক হইছিলো না!!! মৌসুমী ছিলো, এবং নাটকে তার জামাই ছিলো মোশাররফ! যতটুকু মনে পড়ে, নাটকের নাম ছিলো "জুয়া" !!!

২১ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:০০

আকাশ_পাগলা বলেছেন: হুমমম, শুনলাম। আরও অনেকেই সেটা বললেন।

কমেন্টের জন্য থ্যাঙ্কস।

৬| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫০

উন্মাদ অভিক বলেছেন: চ্যালেঞ্জ হল ক্যামেরা দিলে আমি এইরকম মুভি ১ সপ্তাহে বানিয়ে দিতে পারি।[/sb

ভাই মুভি বানানো মুখের কথা না! একটা মুভি এডিট করতেই ন্যূনতম ১৫-২০ দিন লাগে! আর কাস্ট এর ঝামেলা তো বাদই দিলাম

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৮

আকাশ_পাগলা বলেছেন: আমি সবই করব।
সেই জন্যেই ত এটা চ্যালেঞ্জ।
আপনি শুধু ক্যামেরা দেন ভাল দেখে একটা।

লাগলে কিছু টাকা পয়সা দিয়েন। আমাকে না, মানে যারা কাজ টাজ করবে। ওদের।

আমি এই মুভি আপনাকে বানিয়ে দেখাতে পারব।

৭| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫১

মোস্তাফিক বলেছেন: ঠিক এই কাহিনী নিয়েতো একটা নাটক আছে। সেখানে মৌসুমি, করিম আর মাহফুজ ছিল। নাটকের নাম জুয়া । তাহলে বলা যায় যে নাটকে কিছু গান লাগিয়ে সিনেমা করে ফেলছে।।।।।।।

২১ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:০১

আকাশ_পাগলা বলেছেন: হুমমম, শুনলাম। আরও অনেকেই সেটা বললেন।

কমেন্টের জন্য থ্যাঙ্কস।

৮| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৪

ব্লগার ইমরান বলেছেন: পুরাই উড়াধুরা লাগলো আপনার লেখা।
আচ্ছা , জুয়া নিয়ে এই কাহিনীতো আরেকটি নাটকে দেখেছি । কাহিনীর মূল সিন একই একটু হেরফের আরকি । ঐটাতে ছিলো মাহফুয,মোশাররফ আর মৌসুমী। মোশাররফ ছিলো জুয়াখোর। ও টা অনেক জোশ লাগছিলো । বিশেষ করে মাহফুযের অভিনয়।

কাহিনীর স্ক্রিপ্টার মনে হয় এক লোকই X(( X(( X(( X((

২১ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:০২

আকাশ_পাগলা বলেছেন: হুমমম, শুনলাম। আরও অনেকেই সেটা বললেন।

কমেন্টের জন্য থ্যাঙ্কস।

৯| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৫

তন্ময় আকন্দ বলেছেন: ভাই রে, ঠিক -ই বলছিলাম আগের কমেন্টে। এই সেই নাটকের স্ক্রিনশট।
Click This Link)

১০| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৭

শাওন৮৯০ বলেছেন: এই গল্প নিয়ে মোসারফ করিমের একটি নাটক দেখেছিলাম। নাটকটির নাম জুয়া। দেখলে হয়ত কেউ আর মুভি টি দেখবে না।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৬

আকাশ_পাগলা বলেছেন: তাই নাকি?

আচ্ছা আপনি কী সেই কোরিয়ান শাওন?
কেমন আছেন ভাই?

নাকি হল ভুল হল আমার !!

১১| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০১

এস বাসার বলেছেন: পাগলা, পড়লাম। একটা নাটক দেখেছিলাম.... মৌসুমি-মোশাররফ-মাহফুজ। সেই কাহিনীটাই টেনে টুনে একটু লম্বা করা হয়েছে এই যা।

পোস্টের সাসপেন্সটা এমন হতে পারতো........

পাগলা আসলে ছবিটা দেখে নাই! গার্লফ্রেন্ড দেখে পাগলাকে নতুন একখান ছবি বানাতে বলেছে, এটলিস্ট এটার চেয়ে কিছুটা হলেও ভালো হবে :-/ :-/ :-/

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৯

আকাশ_পাগলা বলেছেন: হা হা হা হা
ঠিকই বলছেন, দারুণ সাসপেন্স হত।

আপনাকে দেখে ভাল লাগলো।
কেমন আছেন?

১২| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৩

রাজামশাই বলেছেন: হুম

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৪

আকাশ_পাগলা বলেছেন: হুঁ।
আগে ভাগে কত কিছু জানায়া দিলাম !!

১৩| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৬

টুকিঝা বলেছেন: দেখতে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু!!!

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪২

আকাশ_পাগলা বলেছেন: আপনার যদি রাতে ঘুম কম থাকে, তাহলে দেখে আসতে পারেন।
দেখার পরে, রাতের বেলা এই মুভির কাহিনীর কথা মনে করবেন।

এরপর শুধু ঘুম আর ঘুম।

১৪| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১০

কাউসার রুশো বলেছেন: আমি শিওর আপনি চ্যালেঞ্জ নিলে জয়ী হবেন নিশ্চিত
+++ :)
প্রকাশিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্র বিষয়ক ই-বুক 'এক মুঠো চলচ্ছবির' দ্বিতীয় সংখ্যা । লেখা আহবান

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০১

আকাশ_পাগলা বলেছেন: +++++
আপনাকে বিশাল থ্যাংক্স ভাই।

চলচ্ছবির জন্য লেখা আহবান ? এই পোস্টের লেখা দিলে মানুষ আমাকে পিটায়া দিবে !! কেইস টেইসও হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা।

১৫| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪২

ফয়সাল তূর্য বলেছেন: এইডা একডা কাহিনী হৈল! :-< :-< :-< |-) |-) |-)

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪১

আকাশ_পাগলা বলেছেন: আপনি আর আমি মিলে এই মুভি বানাতে ১ সপ্তাহ লাগবে ভাই।
আমি পরিচালক আপনি প্রযোজক।
টাকা আপনার :!> :P :P আর দিক নির্দেশনা আমার :)

১৬| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৯

ওবায়েদুল আকবর বলেছেন: রনি কইছিল ওর ছবিতে ভোম্বের নায়িকা দিয়া আইটেম নাচাইব।

আমি ঐ ছবিটার লিগা বয়া রইছি। হলে গিয়া ঐ ছবি দেইখা আপনার ল্যাহান একখান রিভ্যু লিখমু।

পুস্টে কস্ট করনের লিগা ++++++

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৫

আকাশ_পাগলা বলেছেন: আপনাকে থ্যাংক্স ভাই।
রনি ক্যাঠা?? B:-) B:-)


ছবিতে যে মাখামাখি করা লাগবেই তা না, কিছু ছবিতে নায়িকা হল মৌসুমি। তার ত রেকর্ড আছেই। বিবাহিত দম্পতি রোমান্টিক সিন করে, একবার জড়িয়েও ধরল না।

ধূর জমে নাকি !! এমনে জমে না।

১৭| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০২

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: কাহিনী আগেই জানতাম। এই কারনেই সেদিন সিনেপ্লেক্সে যেয়েও এই ঘোড়ার ডিমের প্রজাপতি না দেখে পাইরেটস অফ ক্যারাবিয়ান-৪ , দ্বিতীয়বারের মত দেখে আসছি! এরকম বস্তাপচা, ফাউল সিনেমা শুধু বাংলাদেশেই বোধহয় বানানো সম্ভব! আরেকটা কথা বলি,যেই সিনেমার নাম "প্রজাপতি" তা দেখার কোন ইচ্ছেই আমার হয় না। নাম শুনেই কেমন যেন যেন মিনিমিনে বস্তাপচা আবেগের প্যানপ্যানানি মনে হয়!


রিভিউ চমৎকার হইছে! অনেকেই এখন আর টাকা খরচ করে এই বস্তাপচা মুভি দেখার আগে ভেবে নেবেন!

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৭

আকাশ_পাগলা বলেছেন: ভাইরে টাকা বাচানোটাই মনের গভীরে চিন্তা ছিল।
কিন্তু এখন মানুষ যেই বড়লোক, ডাইরেক্ট বললে মানুষ কী না কী ভাবে।

যাদের বুঝার তারা বুঝে নিছেন।
এই পরিচালক প্রযোজকের মুভি দেখে টাকা ঢালার চেয়ে সেই টাকা সত্যি সত্যি জুয়া খেলে উড়ানোটা খারাপ না।

১৮| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৩

চখরটড়াজ বলেছেন: amader culture dine dine aro deulia hoitese. Erokom chobi korar cheye kharap chobi i valo. Ottonto boring...kahini bihin......faltu chobi.

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫৪

আকাশ_পাগলা বলেছেন: আমি ত মনে করি ২০ সেকেন্ডের এডে এর চেয়ে বেশি কাহিনী থাকে।

১৯| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৭

চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন: দেখি, মুভিটা দেখা হয় কিনা।

তবে এই মুভির গানগুলো প্রায় ১ বছর আগে শুনেছি। ভালো লেগেছে গানগুলো। বিশেষ করে "ডুব" এবং "ছোট গল্প" এই গান ২টি বেশ ভালো লেগেছে।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২২

আকাশ_পাগলা বলেছেন: ডুব গানটা আর ছোট গল্পের লিরিকটা আমারও খুব ভাল্লাগছে।
ডুবের চিত্রায়ণ দুঃখজনক। অনেক সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা যেত।

ডুব শব্দটা শুনলেই একটা পানি পানি ভাব আসে। এর চিত্রায়ণে বৃষ্টি, সমুদ্র এমনকি নদীও দেখলাম না। আরে আজব ত !! নাকি আমি ঘুমিয়ে গেছিলাম !! পরিচালকের কী এত বড় ভুল হবার কথা?

২০| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১০

রাইসুল জুহালা বলেছেন: আসাদুজ্জামান নুর, ডলি আনোয়ার (ইব্রাহীম), হুমায়ুন ফরিদী এবং আফজাল হোসেন অভিনীত বকুলপুর কতদূর নাটকটা দেখেছেন কেউ? :(

রিভিউ ভাল লেগেছে আকাশ_পাগলা।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৮

আকাশ_পাগলা বলেছেন: নামটা কার কাছে যেন একবার শুনেছিলাম। আমি আসলে টেলিভিশনের সামনে তেমন একটা যাই না। দেখা হয়নি তাই।


কমেন্টের জন্যে থ্যাঙ্কস :) :)

২১| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৫

চায়না০০৭ বলেছেন: ভাই আজ বলাকায় দেখলাম ৪ জনে আমার ৬০০ টাকা পুরা পানিতে ।

মোস্তফা কামাল রাজ যে কি বানাইছে আমার মনে হয়ে ইনি নিজে ও জানে না । আগের উনার কাজ দেখচি কিন্তু মিলাতে পারছি না ।

অসংগতি আর অসংগতি ভরা।

আমার মনে হয় নির্মাতা রা মনে হয় আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের মতো হয়ে যচ্ছে ...........

পোস্ট +

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৩

আকাশ_পাগলা বলেছেন: আমি এর আগে উনার কিছু দেখি নাই।
আমার এটাই শুরু আর এটাই শেষ।


আগে যদি ভাল কাজ করে থাকে, তাহলে এখন এই অবস্থা হল কেন?
ভাণ্ডার শেষ মনে হচ্ছে।

২২| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৬

মারুফ মেহেদী বলেছেন: বাংলায় এখন আর সিনেমা হয়না । নাটকের কাহিনীরে পরিচালক আর প্রযোজক দুই দিক থেকে টাইনা সিনেমা বানাই ফেলায় ।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩০

আকাশ_পাগলা বলেছেন: চিত্রনাট্য যে বানাইছে আমার ত মনে হয় ও ব্যাটাকে সবার আগে শাস্তি দেয়া উচিত (ঐ টাইপের শাস্তি)।

পরিচালক আর প্রযোজককে আমার খুব কলা খাওয়াতে মঞ্চায়। ওরা একটা একট করে খাবে, আর আমি পাশে থেকে দেখব। টিকিটের সিস্টেম থাকবে, মানুষ টিকিট কাটবে আর এদের দেখে যাবে।

২৩| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বাংলাদেশে তাহলে ভালো ছবি হয় না? আপনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন যে, বাংলাদেশী নন?

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৮

আকাশ_পাগলা বলেছেন: না রে ভাই, আমি এলিয়েন।
আর কিছু?

২৪| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৪

ওবায়েদুল আকবর বলেছেন: রনি ক্যাঠা??[/sb

:|

ইতা কি কন? রাজের ছবি দেখলেন আর ওগো ভাই ব্রেদার গো খবর লইলেননা এইটা ঠিক। রনি হইল রেদোয়ান রনি। নায়িক নায়িকা মনে হয় এইগুলারেই নিছে।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৬

আকাশ_পাগলা বলেছেন: ভাই, হাইসেন না। রাজের নামই আমি কয়দিন আগে শুনছি।
আমার এত্তগুলা ফেসবুক ফ্রেন্ডের মিউচুয়াল সে। ত একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম যে এইটা ব্যক্তি আমাদের স্কুল কলেজের কীনা !!
ত ও ব্যাটা জানালো এ একটা নায়ক।

পরে জানলাম ও ব্যাটাও জানত না। রাজ পরিচালক !!

২৫| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৫

চতুষ্কোণ বলেছেন: এই রকমের একটা নাটক বা টেলিফিল্ম কোন এক চ্যানেলে দেখাইছিল। সেইখানে জুয়া খেলতে গিয়ে বউ হারাইছিল সম্ভবত মোশারফ করিম। নায়িকা মৌসুমিই ছিল যতদূর মনে পড়ে। নাকি এই সিনেমাটাই দেখাইছিল কে জানে! সব আউলায়া গেছে B:-)

১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৫

আকাশ_পাগলা বলেছেন: ভাইরে উপরের অনেক মানুষই এমন কনফিউশনে পড়ে গেছে।
ওইটা আরেকটা নাটক ছিল।
ওখান থেকে কপি পেস্ট মনে হচ্ছে। ওখানে কী মাহফুজ ছিল?

২৬| ২০ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:০১

মাহবু১৫৪ বলেছেন: রিভিউতে প্লাস ।


সিনেমার কাহিনি শুনে আমার মনে হচ্ছিল একটা খাপ ছাড়া ছবি করা হয়েছে। যেখানে প্রানবন্ত কোন কিছু নেই।


২০ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪৯

আকাশ_পাগলা বলেছেন: থ্যাংকু ভাই।

২৭| ২০ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৪

জেরী বলেছেন: তবে প্রজাপতি সিনেমার গান গুলি সুন্দর। সিনেমা দেখা হবেনা কারণ অত ধের্য নাই,তাই রিভিউ পড়ে সিনেমা দেখার সমান মনে হলো

২০ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫০

আকাশ_পাগলা বলেছেন: গান গুলা শুনতে সুন্দর।
একটার চিত্রায়ণও ভাল।

তবে ডুবের চিত্রায়ণ আমাকে হতাশ করেছে।

ডুব শব্দটা শুনলেই একটা পানি পানি ভাব আসে। এর চিত্রায়ণে বৃষ্টি, সমুদ্র এমনকি নদীও দেখলাম না। আরে আজব ত !! নাকি আমি ঘুমিয়ে গেছিলাম !! পরিচালকের কী এত বড় ভুল হবার কথা?

২৮| ২০ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৬

শিশিরের বিন্দু বলেছেন: পুরা মুভির দফা রফা করে ফেলেছেন দেখছি। আমি ভাবছিলাম দেখবো কিন্তু এখন তো দেখি :(


যাই হোক মসাররফ করিমের অভিনয় ভালো লাগে আমার। তবুও না দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। এখন মনে হচ্ছে এর চেয়ে তিন ঘণ্টা চুপ করে বসে থাকাই ভালো।

২০ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫১

আকাশ_পাগলা বলেছেন: বাংলালিংকের নাচ গানঅলা বিজ্ঞাপণই মনে হয় এই মুভির চেয়ে ভালো।


এই মুভির সাথে শুধু একটা জিনিসেরই তুলনা হয়।
হুইল সাবানের বিজ্ঞাপণ গুলা।

২৯| ২০ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৪

ব্রাত্য বালক বলেছেন: আপনি বিখ্যাত মুভি রিভিউয়ার, আপনি আগে লিখে ফেলায় আমার এত কষ্ট করে লেখা এই রিভিউটা অনেকেই আর দেখে নাই :( :( :(

২০ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:০২

আকাশ_পাগলা বলেছেন: আমি বিখ্যাত রিভিউয়ার ??
বলেন কী !! খুব একটা রিভিউ আমি দেই না বস।


আপনার লেখা পড়লাম। খুব ভাল লাগল।
যদিও কিছু কিছু দিকে ঠিক মত মিলে নাই।

আর মৌসুমীর চাকরী?? সে এক বিশাল জিনিস। এই জিনিসটা অনেক বার মনে ছিল,তবু নিজের রিভিউতে লিখতে খেয়াল নাই।

৩০| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৪৯

নকীবুল বারী বলেছেন: পুরা মুভিতে নায়ক নায়িকা কেউ কাউকে একবারও জড়িয়ে ধরে নাই।

জাহিদ হাসানের মনে হয় লজ্জা লাগতেছিলো.... :-B

২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০২

আকাশ_পাগলা বলেছেন: ওমর সানী নাকি প্রযোজক ছিল !!
ও ব্যাটার সামনে জাহিদ হাসান জড়িয়ে ধরে চুক্তি হারাবে নাকি?

এই ইতস্তত ভাবটা কিন্তু আসলেই অনেক সময় দেখা গেছে। কেন যেন কেউ কারও খুব বেশি কাছে আসে না।

৩১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০৬

বড় ভাই ৯৫ বলেছেন:

আগে এই রিভিউ পড়লে আমার টাকা টা বেচে যেত :( :(

২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:১৭

আকাশ_পাগলা বলেছেন: হা হা হা হা

যাক, এতদিনে মানুষ ব্লগের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারল।

৩২| ১৪ ই জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৪৯

খারাপ কপাল বলেছেন: আসলে মুভি রিভিউ লিখার সময় এর কাহিনী না বলাটাই বেটার। এতে দর্শক দেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। বিশেষ করে বাংলা চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে এই কাজ টা না করাই ভাল। কারণ এম্নিতেই বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শক কম। এর মধ্যে কাহিনী বলে দিলে যারা দেখত তারাও দেখতে চাইবে না।

১৭ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১০:২৯

আকাশ_পাগলা বলেছেন: ঠিকই বলছেন।
পরিচালকের টাকা উঠিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমার ঘাড়েই পড়ছে, তাই না?

সহব্লগারদের উপকার করা উচিত। ফাও ফাও টাকা নষ্ট না করে, ভাল মুভি দেখতে উদ্বুদ্ব করা উচিত।
দুএকটা আন্দাজে ছবি দেখতে গেলে, পরে ভাল ছবি আসলেও আর দেখতে যাবে না।

৩৩| ১৪ ই জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৫৬

তামিম ইবনে আমান বলেছেন: মোস্তাফিক বলেছেন: ঠিক এই কাহিনী নিয়েতো একটা নাটক আছে। সেখানে মৌসুমি, করিম আর মাহফুজ ছিল। নাটকের নাম জুয়া । তাহলে বলা যায় যে নাটকে কিছু গান লাগিয়ে সিনেমা করে ফেলছে।।।।।।।

১৭ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১০:৪৮

আকাশ_পাগলা বলেছেন: হ ভাই, সেইটাই।

৩৪| ১৭ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১১:৩৮

আরজু পনি বলেছেন:

আহা সুইট মৌসুমিকে দেখে বেশ ভালো লাগলো :)

১৮ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১০:৪৪

আকাশ_পাগলা বলেছেন: হমমম, শুধু ওর জন্যেই এটা নাটক না হয়ে মুভি !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.