| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দ্বীন প্রতিষ্ঠার পথ ও পদ্ধতি, কিছু বিক্ষিপ্ত ভাবনা-৮
গ. যেভাবে সেক্যুলাররা প্রতারণা করে
.
নিয়ন্ত্রণের জায়গা থেকে বিভিন্ন শিরোনামে শিক্ষা-সচেতনতার অভাব ও সরলতার সুযোগে সেক্যুলার শ্রেণি প্রতারিত করে গণমুসলিমদের এই বৃহৎ শক্তিকে সেক্যুলারিজমের পক্ষে ব্যবহার করে ধর্মের বিরুদ্ধে প্রদর্শন করে। ধর্মপ্রাণ সরল মুসলিমদের তারা বুঝায় ধর্ম পবিত্র বিষয়, ধর্মকে রাজনীতিতে এনে কলুষিত করা ঠিক নয়। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ফলে যে মুসল্লি নবীর ইজ্জত রক্ষায় প্রাণ দিতে অকুণ্ঠ হয়, সেই আবার ‘আমরা শরীয়াহ আইনে বিশ্বাসী নই’ বলে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয়া মুসলিম নামধারী মুরতাদ নেতার পেছনে ধর্মনিরপেক্ষতার শ্লোগান ধরে রাজপথ প্রকম্পিত করে। নবীর দুশমনদের ক্ষমতায়নের ভোটযুদ্ধে রাতদিন একাকার করে সব উজাড় করে দেয়। সে জানে না, আমার এই নেতাই সেই শাতিমে রাসূলের পৃষ্ঠপোষক, যার বিচারের দাবিতে কিছুক্ষণ আগে আমার এবং আমার সন্তানের রক্ত ঝরিয়েছি।
.
লাখো ধর্মপ্রাণ ইসলামীদের প্রোগ্রাম কখনো বা মিডিয়াতে স্থান পায় না, পেলেও শিরোনাম হয় ‘কিছু উগ্র মুসল্লির তাণ্ডব’। ৭০ টি রাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে জয়ের মুকুট ছিনিয়ে আনা রাষ্ট্রীয় সুবিধাবঞ্চিত অজপাড়া গাঁয়ের ছোট্ট শিশুটির জায়গা হয় না খবরের পাতায়, হলেও কষ্ট করে খুঁজে বের করতে হয় ভেতরের কোনো দু’ইঞ্চি কলাম থেকে।
.
পক্ষান্তরে দশ বিশটা সেক্যুলার যখন একটা ব্যানার নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়ায়, সকল পত্রিকার প্রথম পাতায় রঙ্গিন শিরোনাম হয় ‘সকল শ্রেণি পেশার মানুষ উ*গ্র*বাদীদের তাণ্ডব থেকে মুক্তি চায়’। দেশের কোটি কোটি টাকা নষ্ট করে, স্বতন্ত্র একটি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বছরের পর বছর প্রশিক্ষণ নিয়ে যখন দশটি ছেলে বা মেয়ে একটি দুর্বলতম দেশের সঙ্গেও সামান্য চার-ছক্কায় কালেভদ্রে জিতে আসতে পারে, একযোগে সরকারি বেসরকারি মিডিয়া কভারেজ, প্রটোকল, পুরস্কার, সংবর্ধনা ইত্যাদিতে হৈ হুল্লুড় কাণ্ড ঘটে যায়। দর্শকরা মনে করতে থাকে, এটাই বাংলাদেশ, এটাই সফলতা, এটাই আমাদের পরিচয়। চুলচেরা বিশ্লেষণ ও বাস্তবতা উপলব্ধির সক্ষমতা ক’জনেরই বা আছে!
©somewhere in net ltd.