নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি

আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি

ইসলামিক স্কলার।

আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি › বিস্তারিত পোস্টঃ

দ্বীন প্রতিষ্ঠার পথ ও পদ্ধতি, কিছু বিক্ষিপ্ত ভাবনা-১৫ যে বিন্দুতে ইসলামপন্থীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারেন।

২৬ শে জুন, ২০২৫ রাত ৯:৩৬

দ্বীন প্রতিষ্ঠার পথ ও পদ্ধতি, কিছু বিক্ষিপ্ত ভাবনা-১৫
যে বিন্দুতে ইসলামপন্থীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারেন।
.
এমন অসংখ্য কাজ বাংলাদেশেও আছে, যেগুলোতে ইসলামপন্থীদের মাঝে কোনো মতভেদ নেই। সেসব বিন্দুতে অন্তত তারা সবাই এক ব্যানারে কাজ করতে পারেন এক সুরে কথা বলতে পারেন।
যেমন শরী@য়াহর শাসন ও খেলা@ফত প্রতিষ্ঠা, কুরআন সুন্নাহ বিরোধী আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া, সকল সেক্যুলার ও নাস্তিকের ইসলামবিদ্বেষী কার্যক্রম প্রতিহত করা, আলেম উলামা ও দ্বীনদার শ্রেণির প্রতি রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা, মুসলিম পারিবারিক আইন সংশোধনের আওয়াজ তোলা, ব্লাসফেমি আইনের দাবি তোলা, সুদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে কাজ করা, নতজানু ভারতনীতির বিরুদ্ধে কথা বলা, গোস্তাখে রাসূল ও ধর্মীয় বিষয়ে কটুক্তিকারীদের শাস্তির বিধানসহ এমন অসংখ্য ইস্যু আছে, যেগুলোতে ইসলামপন্থীরা এক প্ল্যাটফর্ম কিংবা ভিন্ন প্ল্যাটফর্মে থেকে, এক ব্যানারে কিংবা আলাদা ব্যানারে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারেন।
.
এই অভিন্ন ও সমন্বিত কাজের শক্তি হতে পারে সকল রাজনৈতিক দল থেকেও অধিক শক্তিশালী। যেখানে তারা ঐক্যবদ্ধ হলে শত্রু তাদের মূল্য দিতে বাধ্য। গণতান্ত্রিক রাজনীতির অংশ হয়ে সরকারের উপর তারা যতটুকু প্রভাব বিস্তার করতে পারছে, তার চেয়েও আরো অনেক অনেক বেশি প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব গণতান্ত্রিক রাজনীতির বাইরে থেকেও।
.
যার সামান্য ঝলক আমরা ২০১৩ সালে শাপলা চত্ত্বরে দেখেছি; যদিও হেফাজতকে আমরা নীতিমালার আলোকে কোনো সংগঠিত সংগঠন বলতে পারি না; সর্বোচ্চ মুসলিমদের একটি জামাআত বলা যায় শুধু। কিন্তু হৃদয়কে ছুঁয়ে যাওয়ার মতো ইস্যু হওয়ায় সকল মুসলিম তাদের ডাকে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, বাংলাদেশের ইতিহাসে তারা গণজাগরণের সর্বোচ্চ শক্তি প্রদর্শন করতে পেরেছিল, যা শত্রুও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে।
.
বলা বাহুল্য হেফাজতের এই শক্তি মুহূর্তেই দূর্বল হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ এটাই যে, এমন কাজের পেছনে যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং উসূলি ও সংগঠনিক শক্তির প্রয়োজন ছিল তা হেফাজতের ছিল না। নেতৃত্ব থেকে কর্মী, কারোই তা ধরে রাখার শক্তি ও যোগ্যতা কোনোটাই ছিল না। হঠাৎ করা কাজের অবশ্যম্ভাবী ফল এটাই হবার ছিল যে, এটা দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই হয় না, এভাবে শক্তিকে কাজে লাগানো যায় না। শত্রু নানান প্রক্রিয়ায় তা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। হয়েছেও তাই।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.