নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পণ্ডিত মশাই

নিজেকে জানো। Know thyself.

পণ্ডিত মশাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছবি ব্লগ ১: চলুন ঘুরে আসি চীনের মহাপ্রাচীর (বাদালিং অংশ)থেকে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:২৯

চীনের মহাপ্রাচীর (The Great Wall of China) পাথর ও মাটি দিয়ে তৈরি দীর্ঘ প্রাচীর সারি। এগুলি খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক থেকে খ্রিস্টীয় ১৬শ শতক পর্যন্ত চীনের উত্তর সীমান্ত রক্ষা করার জন্য তৈরি ও রক্ষাণাবেক্ষণ করা হয়।

চীনের মহাপ্রাচীর মানুষের হাতে তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য। এই প্রাচীর প্রায় ৫ থেকে ৮ মিটার উচু এবং ৬৫৩২ কিলোমিটার লম্বা। এটি শুরু হয়েছে সাংহাই পাস এবং শেষ হয়েছে লোপনুর নামক স্থানে।

এর মূল অংশের নির্মাণ শুরু হয়েছিল প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ২০৮ সালের দিকে। নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন চৈনিক বা চাইনিজরা কিং সাম্রাজ্যের সময়। চীনের প্রথম সম্রাট কিং সি হুয়াং (Qin Shi Huang) এটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন এবং শত্রুর হাত থেকে নিজের সম্রাজ্যকে রক্ষার জন্য দীর্ঘ করে নির্মাণ করেছিলেন। এটি চীনের প্রকৃতিক বাঁধাগুলো ছাড়া অন্যান্য অঞ্চল পাহাড়া দেওয়ার কাজে এবং উত্তর চীনের উপজাতি সুইং নু বিরুদ্ধে এটি প্রথম স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল।

হান, সুই, নরদান এবং জিং সাম্রাজ্যের সময়ের ইতিহাসেও যে কারণে তারা এটি তৈরি করেছিলেন ঠিক একই কারণে চীনের প্রাচীরের পরিবর্ধন, পরিবর্তন, সম্প্রসারণ, পুনঃনির্মাণের উল্লেখ আছে।

বেইজিংয়ের উত্তরে এবং পর্যটন কেন্দ্রের কিছু অংশ সংরক্ষণ এমনকি পূণঃনির্মান করা হলেও দেয়ালের বেশ কিছু অংশ ধ্বংশের সম্মুখীন। ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো গ্রাম্য খেলার মাঠ এবং বাড়ি ও রাস্তা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পাথরের উংস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দেয়ালের কিছু অংশ নাশকতার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেয়াল পূণঃনির্মাণের জন্য কিছু অংশ ধ্বঃশ করা হয়েছে। কোন পূর্ণাঙ্গ জরিপ না করার জন্য এটা জানা সম্ভব নয় যে কতটুকু স্থান রক্ষা পেয়েছে। উন্নত পর্যটন এলাকার নিকটে মেরামতকৃত অংশ পর্যটন পণ্যের বিক্রয়স্থল হয়ে উঠেছে।

দেয়ালটিতে নিয়মিত বিরতিতে পর্যবেক্ষণ চৌকি আছে, যা অস্ত্র সংরক্ষণ, সেনাবাহিনীর আবাসন এবং স্মোক সংকেত প্রদানে কাজে লাগত। সেনাঘাটি এবং প্রশাসনিক কেন্দ্রসমূহ দীর্ঘ বিরতিতে অবস্থিত।

গ্রেট ওয়ালের সীমানার মধ্যে সেনা ইউনিটগুলোর যোগাযোগ যেমন: দলকে শক্তিশালী করা এবং শত্রুদের আন্দোলন সম্পর্কে সাবধান থাকা ছিল উল্লেখযোগ্য। দেখার সুবিধার জন্য পাহাড়সহ অন্যান্য উচুস্থানে সংকেত টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছিল। তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট



মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৪

বোকামন বলেছেন: ধন্যবাদ

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৫

পণ্ডিত মশাই বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, ব্লগে আসার জন্য।

২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪৩

এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা বলেছেন:
আমি যেতে চাই।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৭

পণ্ডিত মশাই বলেছেন: প্ল্যান করে ফেলুন। অনন্ত জলিলের "মোস্ট ওয়েলকাম"!

যদিও ওয়েলকাম জানানোর আমি কেউ নই।

৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪৪

জেমস বন্ড বলেছেন: :D :D সেরাম তয় উঠতে কস্ট হইছে :P :P

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৫২

পণ্ডিত মশাই বলেছেন: কষ্ট হইছে B:-)
আপনি কি পাহাড় বাইয়া বাইয়া উঠছিলেন নাকি? B:-)
মানে নিচ থেকে প্রাচীর পর্যন্ত ! :D :D :D

৪| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫৫

আমি গাঙচিল বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++++

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫৯

পণ্ডিত মশাই বলেছেন: ভাই প্লাস দিলেন নাকি কাটা তারের বেড়া। :P :P :P :P :P

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.