নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এডভোকেট আশফাক

এডভোকেট আশফাক › বিস্তারিত পোস্টঃ

_________প্রসঙ্গ: বি.ইজতেমা ও হুজুগে বাঙালি

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:২১



সুস্থ্য-মানুষ মাত্রই চেতনায় একটি স্পষ্ট মানচিত্র ও রোডম্যাপ নিয়ে পথে নামে। পাগলের সেটি থাকে না বলেই সে পাগল। চলার পথ দেখেই বুঝা যায় সে মানুষের গন্তব্যটি কোন মুখি। নাস্তিক ও আস্তিক, অমুসিলম ও মু’মিন, সেক্যুলারিস্ট ও ইসলামিস্টদের পথ চলা তাই একই পথে হয় না। তাছাড়া নিজ মনে যে শহরে যাওয়ার ভাবনা নেই,সে শহরের রাস্তা নিয়ে কেউ ভাবে না। কিন্তু তাবলীগ জামাত তো জান্নাতে যাওয়ার কথা বলে। ফলে সেখানে পৌছার রাস্তা নিয়ে চিন্তাভাবনাটিও তাদের কাছে গুরুত্ব পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তাদের অনুসৃত সে পথে সিরাতুল মোস্তাকীমের পরিচিত আলামতগুলো কোথায়? তাবলীগ জামাতের কর্মসূচীতে আছে গাশত, আছে চিল্লাহ, আছে ফাজায়েলে আমল থেকে পাঠ,আছে এজতেমা। আছে তাবলীগের নামে বিদেশ গমন।

প্রশ্নহলো ___নবীজী (সাঃ)র ইসলামের কি এসব ছিল?

___তিনি কোথায় গাশত বা চিল্লাহতে বেরিয়েছিলেন?

___বেরুলে হাদীসে তার উদাহরণ কই? কোথায় তিনি দোয়ার এজতেমা বসিয়েছেন?



নিজ দেশে কাফের শক্তির নির্মূল এবং ইসলামের পূর্ণ-বিজয়ের পূর্বে নবীজী (সাঃ) কখনই বিদেশে ইসলামের প্রচারে লোক পাঠাননি। অন্য দেশে যখন গিয়েছেন তখন গেছেন সেনাবাহিনী নিয়ে। লক্ষ্য ছিল,সে দেশে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী শক্তির নির্মূল এবং সত্যের পথ থেকে সকল প্রকার বাধা সরিয়ে দেয়া। সেটি নবুয়ত লাভের ১৮ বছর পর। অমুসলিম দেশে যাওয়ার আগে যেটি গুরুত্ব পেয়েছিল সেটি মুসলিম দেশে পরিপূর্ণ ইসলামী কানুনের বাস্তবায়ন। এরপরই তিনি বিদেশের দিকে নজর দিয়েছেন। কিন্তু তাবলীগ নেতাগণ নবীজী (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামের সে নীতি থেকে কোন শিক্ষাই গ্রহণ করেনি। নিজ দেশের জনগণ দুর্বৃত্তি তথা নানারূপ পাপাচারে যখন বিশ্বরেকর্ড গড়ছে,তখন দেশের তাবলীগীগণ লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ইউরোপ ও আমেরিকায় বিশাল বিশাল জামাত নিয়ে যাচ্ছেন।

যে বাতি তার নিজ ঘরে অন্ধকার সরাতে পারিনি,সেটি কি হাজার হাজার মাইল দূরের অন্য এক মহাদেশে বা দেশে আলো দিতে পারে?

বিদেশীদের কাছে এটি কি বিদ্রুপ ও হাসির খোরাক রূপে গণ্য হয় না?

নিজ দেশের মানুষের ধর্ম,ভাষা,সংস্কৃতি,দর্শন ও চারিত্রিক রোগের সাথে যেরূপ পরিচিতি,সেটি কি বিদেশীদের সাথে থাকে?

ফলে নিজ দেশে দাওয়াতের সামর্থ কি অধিক থাকা স্বাভাবিক নয়?

দূরের দেশে গিয়ে কি সেটি সম্ভব?

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +২/-৩

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:২৫

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: সব মিথ্যা ফাকিবাজি রাজনীতি
একমাত্র কোরআন হাদিস এর অনুসরন সত্য
এবং শিক্ষা মসজিদেই যথেষ্ট ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৯

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: ইসলামের একটা অংশ আমরা, কিন্তু তাবলাগওয়ালাদের কারনে আমরা ইসলামকে আমাদের জীবনের একটা অংশ মনে করে পকেটে পুরেছি।

২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:২৮

বাদশা নামদার বলেছেন: ভাই আপনি ঘরে বসে বসে আংগুল চুষতেছেন কেন ?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩০

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: ব্রো..সুন্দর ভাষায় কথা বলুন।
আমার লেখাতে কোন উগ্রতার গন্ধ পেলে সেটা বাদ দিতে চেষ্টা করবো।
আপনাকে ধন্যবাদ

৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৮

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: বাদশা নামদার@ ভাষার কারনেই শুধু কমেন্ট মুছলাম। সরি!
আপনি আমার পোস্টে প্রাসঙ্গিক কথা বলবেন, সাথে আছি, সমালোচনা করলেও।

৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪০

শাহরিয়ার মামুন১ বলেছেন: তাবলিগ এর ভ্রান্ত আকিদা নিয়ে কথা বললেই রাজারবাগী,
এইরাম সস্তা ডায়লগ এখন আর পাবলিগ খায়না
#শাকিল

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৪

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: এই জন্যই বলি হুজুগে বাঙালি।

৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪১

ভেজাল* বলেছেন: আমাদের রাসুল (সঃ) বলেছেন জিয়ারতের উদ্দেশ্যে শুধু ৩ টি মসজিদে( মসজিদুল হারাম, মসজিদ-এ-নববী, আল আকসা) যাওয়ার জন্য। আর কোন মসজিদ, মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে গেলে সেটা হবে বিদআ’ত বা নব আবিস্কৃত। তবলীগীরা সারা বিশ্ব থেকে তুরাগ নদী জিয়ারেতের উদ্দেশ্যেই আসছে। আর এভাবে নামাজ, বয়ান, মোনাজাত করে এরা একটা নব আবিষ্কৃত পদ্ধতি চালু করেছে। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যপার হলো গরীব কিংবা শর্টকাট মুসলিমরা হজ্জ্বের বিকল্প বা অধিক সওয়াবের আশা করছে। ওখানের পাক পবিত্রতা কতটুকু ঠিক রাখা যায় তাতেও অনেক সন্দেহ থেকে যায়।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৭

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: সুন্দর বলেছেন।
মানুষের অধিক গ্রহনযোগ্যতা পেতে ইসলামকে বিকৃত করার মত কাজের উদ্ভাবনের ব্যপারটিও লক্ষ্যণীয় ও সত্যিকার মুসলিম তৈরির ক্ষেত্রে হুমকির কারন।

৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৬

মরণের আগে বলেছেন: নিজ দেশে কাফের শক্তির নির্মূল এবং ইসলামের পূর্ণ-বিজয়ের পূর্বে নবীজী (সাঃ) কখনই বিদেশে ইসলামের প্রচারে লোক পাঠাননি

আপনার অজ্ঞতা বলব নাকি আপনি অস্বীকার করছেন বলব ?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০১

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: সুন্দর একটা বিষয় ধরেছেন। আপনাকে ধন্যবাদ।
হুম তিনি পাঠিয়েছেন। তবে সেটা দূত বিষয়ক। তাবলীগ করার মত আম বা ব্যাপক কোন বিষয় নিয়ে নয়। কোন সুনির্দিষ্ট এলাকায় নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের কাজের মাঝেই সেটা সীমাবদ্ধ ছিলো।
আশা করি আমি যেটা বুঝতে চেয়েছি সেটা বুঝেছেন।

৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৭

লিউনেল মেসি বলেছেন: তা আপনি কি কি করছেন ইসলামের জন্য, গনতন্ত্রকে হালাল বানিয়ে হরতাল দিচ্ছেন আরকি?

আমি বাহিরের দেশের মুসলমানদের দেখেছি যে, তাবলীগকে তারা যতষ্ট সম্মান করে কিন্তু আমাদের দেশে আপনাদের মত কিছু লোক আছে যারা ্গলের তিন নম্বর বাচ্চার মত কিছু না বুঝেই লাফালাফি করেন।

মদিনা থেকেও জামাত বের হচ্ছে, তাদেরকেও গালী দেন।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৪

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: আপনি আমার লেখাতে কোন গালি দেখাতে পারলে আমি সেটা মুছে দিবো।
/
আমিও বাহিরের দেশে দেখেছি তাবলীগকে মানুষ গুরুত্ব দেয়। কিন্তু আপনি কুরআন হাদীসের দৃষ্টিভঙ্গিকে গুরুত্ব না দিয়ে কি প্রমাণ করতে চান?

৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৯

লিউনেল মেসি বলেছেন: দাওয়াত পাওয়ার প্রথম হক্কদার মুসলমান। আজকে একজন মুসলমানের চেহারা দেখলে বুঝা যায় না সে যে, মুসলমান না হিন্দু। সেখানে আপনি কাফিরদের কিভাবে দাওয়াত দিবেন।

আর তাবলীগ যে বিধর্মিদের দাওয়াত দেয় না তা আপনি জানেন। আমি নিজ চোখেই তাবলীগের মাধ্যমে ইসলাম গ্রহন করতে দেখেছি।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৬

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: আমি নিজ চোখে রাজাকার সাইদীর হাতে অনেক হিন্দুকে মুসলমান হতে দেখেছি। আবার দেওয়ানবাগীর মাহফিলেও দেখেছি। তাই বলে কি তারা হক্ব হয়ে গেলো।
আপনার দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চয়ই কুরআন হাদীসের দিকে যাওয়া উচিত।

৯| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৫

গ্রাম্যবালিকা বলেছেন: যেখানে ইসলামের জন্য কিছুই হচ্ছে না সেখানে কিছু লোক একত্র হয়ে যদি ইসলামের কথা বলে, নামায কালাম পড়ে , তবে মন্দ কিছু দেখি না।

তবে, ইজতেমার সময় কিছু ভ্রান্ত কথা শুনে মন খারাপ হয়, টিভিতে দেখলাম, এক বৃদ্ধ বলছেন, এইটা ২য় হজ্জ, যারা গরীব তাদের জন্য এইটাই হজ্জ!! :-* ইসলাম পালনের কথা বলে যদি ইসলামের মুলনীতি চেঞ্জ করতে চায় তাহলে তো তার সাপোর্ট করা যায় না।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৮

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: হুম! সুন্দর লিখেছেন, ধন্যবাদ।
আমিও চাই বিন্দু থেকে বিন্দু হলেও প্রত্যেকে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ইসলামের কাজ করুক।
তবে এটাও দেখতে হবে একবালতি দুধে এক ফোটা মুত্র সম্পূর্ণ দুধকেই হারাম করে দেয়। ইসলামের জন্য এটাই ক্ষতিকর

১০| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:১০

থার্ড-আই-নেটওয়ার্ক বলেছেন: আ্যাহানে ও দেহি চরম ভেজাল । ক্যাচালবাজ আর গাঁজাখুর ছাগুদের খোয়াড়ে পরিনত হচ্ছে সামু

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২১

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: হুম গালিগালাজই এখন ব্লগারদের বুলি

১১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:১৬

জাহিদ ২০১০ বলেছেন: আচ্ছা হুযুর (সাঃ) এর সময়ে মাদ্রাসা ছিল????

কোন কিতাব ছিল কোরআন ব্যতীত যদি পারেন তাহলে ইজতেমার মত একটা মুসলিম সম্মেলন করে দেখান দেখি

@গ্রাম্যবালিকা- কিছু কিছু লোক আছে যারা অজ্ঞতার এসব কথা বলে

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২৩

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: সুন্দর যুক্তি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না হলে এখন দেখতেন জামাত-শিবির এখন আরো বড় সম্মেলন করে দেখাইয়া দিতো। তাইলে তো জামাতশিবিরও আপনার দৃষ্টিতে সবচাইতে বড় ইসলামিস্ট!!!

১২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২২

নদীর তীরে বলেছেন: ইজতেমা আসলেই শীত বাড়ে কেন ?

১৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২৭

জাহিদ ২০১০ বলেছেন: আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়া জা শি কথা কেন ঠুকান????????

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৫

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: আপনি কি জানেন, ছাহাবীগন যুদ্ধবন্দীদের কি চুক্তিতে মুক্তি দিতেন?
সেটা ছিলো অক্ষরজ্ঞান শিক্ষার মাধ্যমে।
আপনি কি কোথাও দেখাতে পারবেন নবীজীর সময় মাদরাসার মত জ্ঞান চর্চা হতো না?

১৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪২

সোনালী প্রান্তর বলেছেন: View this link

১৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪২

পরের তরে বলেছেন: এডভোকেট আশফাক আমার সালাম নিবেন। আপনার লিখাটি পড়লাম। আমার কিছু কথা তুলে ধরলাম:
১) খা্ওয়া দা্ওয়া এটা তাবলীগের কোন অংশ নয়। তাবলীগ অন্যান্য দরবার শরীফের মত নয় যে সবাই কে খা্ওয়ায় দরবার শরীফ থেকে, তাহলে হয়ত আপনি বলতে পারতেন যে তাবলীগ জামাতের কর্মসুচীতে গোস্ত থাকে। তাবলীগ জামাতে সবাই নিজের খাবার টাকা নিজে ই দেয়। হয়ত মাছ, এবং অন্যান্য তরকারী কাটাকাটি করা কষ্ট বিধায় গোস্ত খাবার পরিমান টা বেশী হতে পারে। কাজেই আপনার প্রথম মন্ত্যবের সাথে একমত হতে পারলাম না। আপনি নিজে তাবলীগ জামাতে যেয়ে দেখতে পারেন।

২) আপনি কখনো ইজতেমায় গেছেন কি না তা জানি না, তবে আপনি যদি কখনো ইজতেমায় যান দেখবেন দোয়ার কোন বালাই নাই। শেষ দিন শেষ বলে একটা দোয়া করা হয়। কিন্তু মিডিয়ার তৈরী । তাবলীগে আখেরী মুনাজাত বলে কিছু নেই।

৩) ফাজায়েলে আমলে আসলে সমস্ত সহী হাদীস ( যেমন: বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ,) এই কিতাব গুলো থেকে প্রত্যেকটা বিষয়ের উপর হাদিস গুলোকে একত্রে করা। আপনি ফাজায়েলে আমলের হাদীস গুলো কোন কিতাব থেকে নেওয়া তা পৃষ্টার নিচে পাবেন।

৪) কখনো শুনেছেন তাবলীগের নামে বিদেশে কেউ গেছে টাকা কামানোর জন্য। তাহলে কেন বলবেন তাবলীগের নামে বিদেশ গমন। যেই দেশের লোক টাকার জন্য কক্সবাজার যেতেই দিধা করে সে টাকা খরচ করে বিদেশ যাবে তা্ও তাবলীগের নাম করে ?? টাকাটা তো নিজের যায়।

৫) আল্লার রসুল (সা:) মক্কা নিজের জন্মভুমি ছেড়ে কেন মদিনায় গিয়েছেলেন? তখন তো মক্কায় অন্ধকার ছিল। ওখানেই তো আলো জালাতে পারতেন প্রথমে।

আশা করি কারো শোনা কথার তোয়াক্কা না করে নিজে তাবলীগ জামাতে যেয়ে আমার কথা গুলো পরীক্ষা করবেন। আল্লাহ তায়ালা আপনাকে আমাকে সহ সকল কে বুঝার তৌফীক দান করুন।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৫

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: আপনার এত বড় মন্তব্যের জবাব অল্প কথায় বলতে চাই।
আমি নিজে বেশ কয়েকবার তাবলীগের সাথে সময় কাটিয়েছি। তবে সেটা শুধুই জানার জন্য, ভক্ত হিসেবে নয়।
অতএব আমি তাদের বিষয়ে ভালোই জানি। প্রত্যেকে নিজের দল বা মতের বিষয়ে যেরকম যুক্তি পেশ করে আপনার যুক্তিগুলা এরচেয়ে ব্যতিক্রম নয়।
আপনি কি জানেন, বিশ্বব্যাপী এনজিওগুলো কি করে? তাদের চেয়ে উত্তম কিছু আমি তাবলীগকে আমি মনে করি না। এনজিওদের মতই তাবলীগওয়ালারা ইসলামের একটা ক্ষুদ্র অংশ নিয়ে কাজ করে।
কিন্তু এটা সম্পুর্ণ ইসলামের কতটুকু? এটাই আমার প্রশ্ন?!

ইসলামের একটা অংশ পালন করে সেটাকে সর্ম্পণ ইসলাম বলে প্রচার করার কারনেই তাবলীগকে অপছন্দ করার আমার প্রথম কারন।
ইসলাম হলো একটা সার্বিক বিষয় কিন্তু ইসলামকে ফাজায়েলে আমলের মধ্যে সীমাবদ্ধ করারই বিরুদ্ধে আমি।

১৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৬

আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: tablig means dawat. Akhane tablig walara manushke islamer dikei call kore. Rasul sm sudhu kafer na muslim der kacheo dawater uddesshe jamat pathichilen. Ar fajael amal. Muntakhab hadith ,fajael sadakat e ja kichu pora hoy agulo to hadis ar quaraner bani. aita ki islam birodhi? .ar europe,america te ki masti kortei jabe? tader dawat,hedayat lagbe na?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৮

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: ব্যাগবস্তা নিয়ে মসজিদে মসজিদে ঘুরে বেড়ানোর নাম ইসলাম নয়। ইসলাম অনেক বড় একটা বিষয়।
তবু আপনি বলবেন, এটাই বা কয়জনে করে?
হ্যাঁ শুধু আপনার এই প্রশ্নেই আমি একমত। তবে শুধু তাবলীগ করে জীবন কাটানো, এটাকেই ইসলাম মনে করার বিরোধী আমি।

১৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৫

লক্ষ্যহীন বলেছেন: আপনি একবালতি দুধের সাথে ইসলাম কে কোনভাবেই তুলনা করতে পারবেন না, ইসলাম এত ঠুনকো নয় যে একবিন্দু মূত্রের মত দুই একটা ভন্ডের কারনে ইসলাম ধ্বংস হয় যাবে। জানিনা আপনি কে এবং কতটা নামাজী, অন্য কোন নামাজী লোককে সমালোচনা করার আগে নিজের দিকে তাকান। আপনার মত বাঙ্গালীরা পারে শুধু মানুষের সমালোচনাই করতে। বিভিন্ন দেশে দেশে ঘুরে দেখেছি, কোথাও আমি তাবলিগের কাউকে দেখিনি যে তারা সেখানে ভ্রমন করতে গিয়েছে। অনেক ইঊরোপিয়ান বন্ধুদের দেখেছি তাব্লিগানদের কথা শোনার জন্য বসে থাকতে, সেখানে আমরাই তাদেরকে পাত্তা দেইনি। কই আমিতো মুসলমান, আমিতো এই কাজটা করতে পারতাম, ইস্লামের দাওয়াত ওদেরকে দিতে পারতাম। তারা অন্যের টাকায় নয়, নিজের টাকা, মূল্যবান সময় খরচ করে মানুষের কাছে দ্বিনের কথা পৌছে দিচ্ছে। আমি নিজে তাবলিগ করিনা, কিন্তু খুব কাছের কিছু বন্ধুদের দেখেছি করতে, সেই স্টুডেন্ট লাইফ থেকে। কই আমার চোখে তো খারাপ কিছুই পড়েনি, ওরা দ্বীনের পথে যা করছে তার কানা কড়িও আমি করতে পারিনা। কিছু বেয়াদব, বেহায়া সমালচনাকারী আছে যারা মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সমালোচনা করে যাবে, সেটা ভাল হোক আর মন্দ হোক। এই সব হিটাকাংখি পোষ্ট দেওয়া ছাড়ুন। ক্যাচাল মুক্ত সামুর পরিবেশ বজায় রাখুন।

পোষ্টে মাইনাস X( X( X( X( X(

১৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৩

সোনালী প্রান্তর বলেছেন: তাবলিগ-ওয়ালারা নামায সংক্রান্ত নিন্মের প্রশ্নের উত্তর দিবেন কি ?

১৯| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১১

পুরান ঢাকাইয়া বলেছেন: ইসলামের একটা অংশ পালন করে সেটাকে সর্ম্পণ ইসলাম বলে প্রচার করার কারনেই তাবলীগকে অপছন্দ করার আমার প্রথম কারন।
ইসলাম হলো একটা সার্বিক বিষয় কিন্তু ইসলামকে ফাজায়েলে আমলের মধ্যে সীমাবদ্ধ করারই বিরুদ্ধে আমি।

মূলকথা।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০২

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

২০| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৯

Engr. Atiqur Rahman বলেছেন: পুরান ঢাকাইয়া বলেছেন: ইসলামের একটা অংশ পালন করে সেটাকে সর্ম্পণ ইসলাম বলে প্রচার করার কারনেই তাবলীগকে অপছন্দ করার আমার প্রথম কারন।
ইসলাম হলো একটা সার্বিক বিষয় কিন্তু ইসলামকে ফাজায়েলে আমলের মধ্যে সীমাবদ্ধ করারই বিরুদ্ধে আমি।

মূলকথা
---------------------------------------------------------------------------------------
পুরা পৃথিবীতে পূর্ণ একটা ইসলামী দলের নাম বলেন যারা নাকি ইসলামের সার্বিক বিষয় নিয়ে চলে। স্পষ্ট উত্তর দিয়েন।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১১

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: আমি এবং আপনি....কোন দল নয়

২১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩০

Engr. Atiqur Rahman বলেছেন: ব্লগে লাদানোর পাশাপাশি নিজের পকেটের কিছু টাকা খরছ করে লিফলেট ছাপায়ে এস্তেমায় বিলি করুন অথবা গ্রামে গ্রামে গিয়ে লোকদিগকে বুঝান, " আপনারা তো জাহান্নামের দিকে জাছহেন" তাহলে বুঝা যাবে আপনার ঈমানের কতো জোর।

হুদাই না চিল্লায়া কামের কাম করেন, অনেক নেকি হবে।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০২

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: সহযোগিতা করবেন?

২২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৪৩

আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: এডভোকেট আশফাক,আপনি মানেন আর নাই মানেন তাবলিগ এর মেহনত দ্ধারা ইসলামের অনেক বড় খেদমত হচ্ছে । রাসূল সাঃ জীবনভর যেই জনত্‍ এত কষ্ট , নির্যাতন ভোগ করেছেন তা শুধুমাত্র মানুষকে ইসলামের দিকে দাওয়াত দেবার জনত্‍, আর আপনি বলছেন তারা ইসলামের ক্ষুদ্র অংশ নিয়ে কাজ করে ? পুরা অযৌক্তিক একটা কথা ।আর তাবলিগ দ্ধিতীয় হজ এটা Illeterate লোকের কথা । তাবলিগ এর বড়রা কখনোই এ কথা বলেন নি ।এই ইজতেমা মূলত বাংলাদেশের ইজতেমা । ভারত , পাকিস্তান ,শীলংকা এমনকি ইউরোপের নরওয়ে তেও ইজতেমা হয় । আর তবলিগের মেহনত মসজিদ কেন্দিক কারণ রাসূল সাঃ এর যুগে সব কার্যক্রম ছিল মসজিদ ভিত্তিক। মুসলমান রা যেই দিন থেকে মসজিদ থেকে দূরে সরে গিয়েছে,সেই থেকে আমাদের অধঃপতন শুরু হয়েছে । তাই মুসলমানদের সমপর্ক তৈরি করতেহবে মসজিদ এর সাথে । আর ইউরোপ আমেরিকায় কি ইসলাম এর আলো প্রজজলিত করার দরকার নেই ? OFCOURSE দরকার । তাই তাবলিগ জামাত ও সেখানে যাওয়া জরুরী ।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪১

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: আপনার কথার সাথে আমি একমত, তবে প্রচলিত ছয়উচুলী তাবলীগ ওয়ালাদের ব্যপারেই আমার দ্বিমত। কারন তারা ইসলামের বিশালত্বকে অস্বীকার করে বা বেমালুম চেপে রেখে ওই মসজিদে মসজিদে চিল্লা দেয়াকেই ইসলাম বলতে চায়। তাদের এই অপূর্ণতাকেই আমি সবার সামনে তুলে ধরতে চাই। তাদের বিরোধিতা করা নয়।

২৩| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:০২

সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: ইসলামের বিশালত্বকে অস্বীকার করে বা বেমালুম চেপে রেখে ওই মসজিদে মসজিদে চিল্লা দেয়াকেই ইসলাম বলতে চায়।

এক মত পোষন করছি ।

২৪| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৪৫

আবদে খায়ের বলেছেন: Advocate manush eto bolod hoy kemne bujhlam na...

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:০৪

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: আপনি কয়টি চিল্লা দিতে পেরেছেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.