নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এডভোকেট আশফাক

এডভোকেট আশফাক › বিস্তারিত পোস্টঃ

“সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?”

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৪

“মুক্তমনা” নাস্তিকরা, “ডি-জুস”-কালচারে-বড়-হওয়া নিজের দ্বীন-সম্বন্ধে-একেবারে-অজ্ঞ কোন কিশোর বা তরুণকে যে ক’টি প্রশ্ন করে ভড়কে দেয়, তার একটি হচ্ছে: “সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?” অথচ, একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে, এই প্রশ্নটা সেই গ্রাম্য “শঠ-পন্ডিতের” সাথে “সত্যিকার পন্ডিতের” বিতর্কের প্রসিদ্ধ গল্পের মত – যেখানে “শঠ-পন্ডিত” তার প্রতিদ্বন্দিকে জিজ্ঞেস করেছিল: I don’t know – মানে কি?

চলুন দেখি “সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?” এই প্রশ্নের একটা সরল উত্তর ভেবে দেখা যাক:



স্রষ্টা এমন সত্তা যিনি সৃষ্ট নন, তিনি অস্তিত্বে আসনে নি বরং সর্বদা অস্তত্বিশীল এবং তিনি সৃষ্টিজগতের স্থান-কাল কাঠামোর অংশ নন ৷ আর এজন্যই তিনি অসৃষ্ট বা অবস্তু, ফলে তাঁর সৃষ্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই ৷ এজন্য স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করেছেন, এই প্রশ্নটিই অবান্তর ৷ যেমন একটি ছবি কে এঁকেছে, এর উত্তরে একজন চিত্রশিল্পীর অস্তিত্ব থাকা আবশ্যক, কিন্তু “চিত্রশিল্পীকে কে এঁকেছে?” এই প্রশ্নটি অবান্তর কেননা চিত্রশিল্পীর ক্ষেত্রে “আঁকা” নামক ক্রিয়াটি প্রযোজ্য নয় ৷ তাই চিত্রশিল্পীর অংকিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, অন্য কথায় “অংকিত নয়” এমন একজন অংকনকারী থাকা সম্ভব ৷ একইভাবে “সৃষ্ট নন”, এমন একজন স্রষ্টা থাকা সম্ভব, তাই বার্ট্রান্ড রাসেলের “হু ক্রিয়েটেড গড মাম?” এই প্রশ্ন করা অযৌক্তিক, অবান্তর, বোকামী ৷ আরেকটা উদাহরণ দেয়া যাক ৷ ধরা যাক আপনি অনেক দীর্ঘ একটি তাসের সারির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, আপনি দেখছেন একটি একটি করে তাস পড়ে যাচেছ এবং পড়ে যাওয়ার সময় সে পরের তাসটিকে ধাক্কা দিচ্ছে, ফলে পরের তাসটিও পড়ে যাচেছ, এভাবে একটি তাসের পতনের কারণ হচ্ছে তার পূর্বের তাসটি, তার পতনের কারণ তার পূর্বের তাসটি, তার পতনের কারণ তার পূর্বের তাসটি, এভাবে যেতে থাকলে একটি তাসে গিয়ে আপনাকে থামতেই হবে যেটি প্রথম তাস ৷ এখন যদি প্রশ্ন করা হয় যে, প্রথম তাসের পতনের কারণ কি? উত্তরে বলা যাবে না যে সেটিও একটি তাস, ফলে বুঝতে হবে যে প্রথম তাসের পতনের কারণ এমন কিছু যে নিজে তাস নয় ৷ হয়ত সে একজন মানুষ যে প্রথম তাসটিকে টোকা দিয়েছে ৷ এই মানুষটি যেহেতু তাস নয়, সেজন্য তাসের ক্ষেত্রে যে বৈশিষ্ট্যসূচক প্রশ্ন করা যাবে, এই মানুষের ক্ষেত্রে তা করা যাবে না ৷ যেমন তাসের ক্ষেত্রে প্রশ্ন করা যায় যে “তাসটি কি হরতন না ইস্কাপন?”, কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এই প্রশ্নটি অবান্তর ৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও তাসের পতনের পেছনে আদি কারণ হিসেবে মানুষ থাকার বিষয়টি বাস্তব ৷ ঠিক তেমনি স্রষ্টা যেহেতু সৃষ্টি নন কিংবা ফল নন, সেহেতু “তাঁর স্রষ্টা কে?” বা “কারণ কি?” এই প্রশ্নগুলি তাঁর বেলায় প্রযোজ্য নয় – কিন্তু তাঁর থাকার বিষয়টি বাস্তব ৷ এখানে আপাতদৃষ্টিতে একটি প্রশ্ন আসতে পারে যে, যদি স্রষ্টাকে অস্তিত্বে আনার প্রয়োজন নেই বলে ধরে নেই, তবে খোদ মহাবিশ্বের ক্ষেত্রেই একথা ধরে নেই না কেন ? এর কারণ এই যে, মহাবিশ্ব কোন “জ্ঞানসম্পন্ন সত্তা” নয় যে নিজেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, পরিচালনা করতে পারে। বরং মহাবিশ্বের সকল ব্যবস্থা ও সকল অংশ ইংগিত করছে যে, তা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত। এজন্য কোন স্রষ্টা ব্যতীত মহাবিশ্বের স্বয়ংসর্ম্পূণ অস্তিত্বের ধারণা সর্ম্পূণ যুক্তি বিরোধী, তাই এক্ষেত্রে একমাত্র যৌক্তিক সম্ভাবনা হচ্ছে এই যে, এর একজন জ্ঞানী স্রষ্টা ও নিয়ন্ত্রণকারী থাকতে হবে যিনি নিজে সৃষ্ট নন।



--------------

সৌজন্যে ব্লগার ত্রিভুজ

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৮

সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: ভালো লাগলো

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৩

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: ধন্যবাদ

২| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৩

জিএম শুভ বলেছেন: nice :)

৩| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৮

মূসা আলকাজেম বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট। +++

আমি এর সাথে কিছু যোগ করে দিচ্ছি, বিভিন্ন জায়গা থেকে
আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ১০ নভেম্বর ২০১১, ০২:৩৯
আপনার আরেকটা প্রশ্ন আছে। সৃষ্টি কর্তা কে সৃষ্টি করলো কে?
প্রশ্ন হওয়ার যোগ্যতা বলতে একটা কথা আছে। ধরুন আপনি একটা বই বাধিয়েছেন। যে লোকটা বইটা বাধিয়েছেন তার নাম ধরুন মুরশেদ। এখন আপনাকে একজন প্রশ্ন করল বইটা বাধিয়েছে কে? আপনার উত্তর হবে নিশ্চই মুরশেদ। এখন আবার যদি লোকটা প্রশ্ন করে মুরশেদ কে বাধিয়েছে কে? আপনার কাছে কি কোন উত্তর আছে? নিশ্চই না। কারন কি ? কারন প্রশ্নটা ঠিক হয় নি। মুরশেদ এর ক্ষেত্রে বাধানোর প্রশ্ন টা আসে না। আসে কি। মুরশেদ কে সৃষ্টি করেছে কে? এবার উত্তর টা কি হবে। নিশ্চয়ই সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ তা'আলা। এখন যদি প্রশ্ন করেন সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছে? তখন প্রশ্নটা কি "মুরশেদ কে বাধিয়েছে?" এ রকম হয়ে গেল না? অর্থাৎ দেখতে হবে প্রশ্ন হওয়ার যোগ্যতা আছে কি না । অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তার ক্ষেত্রে এই প্রশ্ন টা প্রযোজ্য নয়। আর যে প্রশ্নটাই ভুল তার তো আর উত্তর পাওয়া যাওয়া সম্ভব না।


এরপর এই লিংকের ৪নং কমেন্ট থেকে।

এরপর একটা প্রশ্ন এসেছে যে, স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো? তিনি কোথা থেকে আসলেন? এই প্রশ্নের জবাব তিন ভাগে দিচ্ছি। একটু মনোযোগ দিন প্লীজ।

১- প্রথম কথা হলো, এটা একটা বাড়তি প্রশ্ন। স্রষ্টার অস্তিত্বতো আগে দেখানো যুক্তির আলোকেই প্রমাণিত হয়ে গেছে। তার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়ে যাবার পর তার সম্পর্কে বাড়তি অনেক কিছুই জানার থাকতে পারে। যেমন তারও কোন স্রষ্টা আছে কিনা? তিনি ঘুমান কিনা? তিনি কি খাবার খান কিনা? ইত্যাদি । কিন্তু এসব বাড়তি কোন প্রশ্নের উত্তর যদি আমরা না পাই, তার মানে কিন্তু এই না যে, তিনি নাই। তার অস্তিত্বতো আগের যুক্তির আলোকেই প্রমাণিত হয়ে গেছে। সেই যুক্তি খণ্ডন না করলে তার অস্তিত্ব অপ্রমাণিত হবেনা। এইসব বাড়তি প্রশ্নের উত্তর জানতে পারলে ভালো, না জানলেও কোন ক্ষতি নেই; তার অস্তিত্ব প্রমাণিতই থাকবে।

২- দ্বিতীয় কথা হলো, স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো, এই প্রশ্নের মাঝে একটা ফাঁক আছে।সেটা হলো প্রশ্নকারী বিনা প্রমাণে আগেই ধরে নিয়েছে যে, স্রষ্টাকে সৃষ্টি করা হয়েছে; তিনি একসময় ছিলেননা। যেমন নাকি আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন যে, স্রষ্টা কি খান? এর মানে হলো, আপনি আগেই বিনা প্রমাণে ধরে নিয়েছেন যে স্রষ্টার খেতে হয়। আবার আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন যে, স্রষ্টার সন্তান কয়জন? এর মানে হলো, আপনি আগেই বিনা প্রমাণে ধরে নিয়েছেন যে, স্রষ্টার সন্তান আছে। অথচ এরকম বিনা প্রমাণে কিছু ধরে নিয়ে, তার উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন করা একেবারেই অযৌক্তিক। যেমন নাকি কেউ পরীক্ষাই দেয়নি, অথচ আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করছেন পরীক্ষাতে কত পেয়েছো।

তাই স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণিত হবার পর, তাকে কে সৃষ্টি করলো এই প্রশ্ন করার আগে আপনাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, তিনি একসময় ছিলেন না, তাকে পরে সৃষ্টি করা হয়েছে। এটা প্রমাণ না করে তাকে কে সৃষ্টি করলো, এই প্রশ্ন করা একেবারেই অযৌক্তিক। যেমন নাকি আমরা আগে প্রমাণ করেছি যে, এই মহাবিশ্ব একসময় ছিলোনা, পরে অস্তিত্বে এসেছে।

৩- তৃতীয় কথা হলো, নাস্তিকরা যেহেতু এটা কখনোই প্রমাণ করতে পারবে না এবং সম্ভবও নয় যে, স্রষ্টার শুরু আছে ; তাই পোষ্টদাতা নিজেই আগে বেড়ে উল্টো প্রমাণ করেছেন যে, স্রষ্টার কোন সৃষ্টিকর্তা থাকা সম্ভব নয়। কেননা স্রষ্টারও যদি কোন সৃষ্টিকর্তা থাকে তাহলেতো সেই সৃষ্টিকর্তারও আরেকজন স্রষ্টা লাগবে। আবার তারও আরেকজন লাগবে। এভাবে চলতেই থাকবে পিছনের দিকে অসীম ধারা। অথচ এটা অসম্ভব, বর্তমানে বিদ্যমান এমন কোন কিছুর পিছনের দিকে কোন অসীম ধারা থাকতে পারেনা। তাহলেতো বর্তমানে বিদ্যমান বস্তুটির অস্তিত্বে আসার পালা বা সুযোগই কখনো আসতোনা। যেমন ধরেন এই মহাবিশ্ব হলো X, তার স্রষ্টা হলো A, আবার A এর স্রষ্টা হলো B, আবার B এর স্রষ্টা হলো C এভাবে অসীম ধারা চলা অসম্ভব। অবশ্যই এক জায়গায় থামতে হবে, যার কোন স্রষ্টা নেই, যার কোন শুরু নেই। এটা বুঝার জন্য কিছু উপমা দিচ্ছি । মনযোগ দিয়ে পড়ুন। ধরুন, আপনি বাসে উঠার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, আপনার সামনে যদি ৫০০জন থাকে, তাহলে আপনি ৫০০জনের পরে বাসে উঠার চান্স পাবেন। যদি আপনার সামনে ১০০০ জন থাকে তাহলে আপনি ১০০০জনের পরে বাসে উঠতে পারবেন। কিন্তু যদি আপনার সামনে অসীম সংখ্যক লোকের লাইন থাকে , তাহলে কি আপনার বাসে উঠার পালা কখনো আসবে? না, কখনো আসবে না। কেননা , অসীম সংখ্যক লোকেরও বাসে উঠা শেষ হবেনা, আর আপনারও বাসে উঠার পালা কখনোই আসবেনা। এবার উল্টাভাবে চিন্তা করুন। ধরুন, একটা লোক তার সামনের লোকদের বাসে উঠার পরে সে বাসে উঠেছে। এখন এই লোকটা কত জনের পর উঠেছে? যত জনের পরেই উঠুকনা কেন, সেটার অবশ্যই একটা সীমা আছে। একথা বলা যাবেনা যে, সে অসীম সংখ্যক লোকের পর বাসে উঠেছে। কেননা তার সামনে যদি অসীম সংখ্যক লোকই থাকতো, তাহলেতো সেই অসীম সংখ্যক লোকেরও কোনদিন বাসে উঠা শেষ হতোনা, আর তারও কোনদিন বাসে উঠার পালা আসতনা। কিন্তু যেহেতু তার পালা এসেই গেছে, বাসে যেহেতু সে উঠেই গেছে; এটাই অকাট্য প্রমাণ যে সে সসীম ও নির্দিষ্টসংখ্যক কিছু লোকের পর বাসে উঠেছে। ঠিক তেমনি এই মহাবিশ্ব যেহেতু অস্তিত্বে এসেই গেছে, এটাই অকাট্য প্রমাণ যে এই মহাবিশ্বের অস্তিত্বের পিছনে কারণের কোন অসীম লাইন নেই । বরং শুরুতে এমন একজন স্রষ্টা আছেন যার পিছনে আর কোন স্রষ্টা নেই। সহজ করে বুঝাতে চেষ্টা করলাম, কিন্তু পারলামনা মনে হয়। যাক আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে বুঝার তওফিক দান করুন । আমীন

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১২

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার কমেন্টটি, ধন্যবাদ

৪| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৯

যাযাবরমন বলেছেন: kub soja Uttar: সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টিকর্তা nijeI সৃষ্টি করেছেন, jekarne Take সৃষ্টিকর্তা bla hoy.
জামায়াত নিষিদ্ধ হোক Click This Link

৫| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১০

যাযাবরমন বলেছেন: বাংলায় ১টা শব্দ আছে স্বয়ম্ভু, অর্থ যে নেজেই নিজেকে সৃস্টি করেছে।

৬| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১১

যাযাবরমন বলেছেন: Click This Link

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৩

এডভোকেট আশফাক বলেছেন: হুম পড়লাম, সুন্দর পোস্ট

৭| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৭

ম. ন. আলম ফরিদ বলেছেন: যাযাবরমন - যা জানেন না তা নিয়ে কেন কথা বলেন।

৮| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০০

যাযাবরমন বলেছেন: ম. ন. আলম ফরিদ বলেছেন: যাযাবরমন - যা জানেন না তা নিয়ে কেন কথা বলেন। আমি আসলেই জানি না, অন্যদের কাছ থেকে জানতেই লিখি।

তা আপনি জানেন তো যে আপনি জানেন বা আমি জানিনা?

৯| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৫৫

উড়োজাহাজ বলেছেন: আরো জানতে পড়ুন এখানে

১০| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৩৪

বহুরুপি জীবন বলেছেন: এসব যুক্তি হয়তো অবিশ্বাসী দের জন্য দরকার।


কিন্তু বিশ্বাসী দের জন্য দরকার নেই কারন সবাই জানেন কোরানে একটি সুরাতে এই প্রশ্নের জবাব দেওয়া আছে।

" বলুন , তিনি আল্লাহ , এক । আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন । তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি । এবং তার সমতুল্য কেউ নেই ।
( ১১২-১;২;৩;৪- সুরা এখলাস )

১১| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৫৮

যাযাবরমন বলেছেন: জনাব বহুরুপি জীবন যুক্তি বিশ্বাসীদের জন্য দরকার।
যেমন সূরা বাকারার ২৬০:
আর স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম বলল, হে আমার পালনকর্তা আমাকে দেখাও, কেমন করে তুমি মৃতকে জীবিত করবে। বললেন; তুমি কি বিশ্বাস কর না? বলল, অবশ্যই বিশ্বাস করি, কিন্তু দেখতে এজন্যে চাইছি যাতে অন্তরে প্রশান্তি লাভ করতে পারি। বললেন, তাহলে চারটি পাখী ধরে নাও। পরে সেগুলোকে নিজের পোষ মানিয়ে নাও, অতঃপর সেগুলোর দেহের একেকটি অংশ বিভিন্ন পাহাড়ের উপর রেখে দাও। তারপর সেগুলোকে ডাক; তোমার নিকট দৌড়ে চলে আসবে। আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী, অতি জ্ঞান সম্পন্ন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.