| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শাহবাগের আন্দোলন আমারই অস্তিত্তের প্রতিচ্ছবি। ৪২ বছরের যে দায় প্রতিটি প্রজন্মই বেদনা হিসাবে বহন করেছে এতকাল। সেই দায় ঘোচাতে আজ আমি আমার প্রজন্মের পক্ষে গর্বিত। কারণ যে দায় বহুকাল ধরে ভোটের রাজনিতির মারপ্যাচে গড়াগরি খেয়েছে আজ তা আমাদের প্রতিবাদের খোরাক। মূল ধারার রাজনৌতিক দল গুলো যখন জনসাধারনের দাবী পূরণে ব্যার্থ, প্রজন্ম শাহবাগ সে দায় নিয়েছে নিজ কাধে। নিজের জীবন বাজি রেখে কিছু ব্লগার আমাদের হয়ে যে যুদ্ধ অনেক শুরু করেছেন আজ তা সার্বজনিন উন্মুক্ত মঞ্চে। আভিনন্দন আপনাদেরকে যারা এই মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছেন। যা আজ সারা পৃথিবী জুড়ে বাংঙালীদের মধ্যে জাগ্রত করেছে দেশপ্রেম।
ভাষার মাসে বোধজাগ্রত হতে মাস ব্যাপি বই মেলাই ছিল আমাদের একমাত্র বিচরণ ক্ষেত্র। ১৯১৩ তে এসে সেই অনুভুতিতে যোগ হলো ৪২ বছরের কলঙ্কের দাগ মোছানোর আন্দোলন। এই দেশে নানা বেশে বহুকাল শাষন শোষন চলেছে অপরের যা ১৯৭১ এসে বিশ্বের মানচিত্রে নিজের জায়গা করে নেবার মধ্যদিয়ে শেষ হয়ে যাবার কথা। কিন্তু হয়নি। যার ফলাফল আজকের শাহবাগ; আমাদের বর্তমান বিবরণ ক্ষেত্র। এখানে জন্ম নেয় নতুন শ্লোগান আর সেই সাথে রাহু মুক্ত হয় পুরনো শ্লোগান। মুক্ত হওয়া শ্লোগান জয় বাংলা আর যুক্তের খাতায় আসে তুই রাজাকার, পক্ষ নিলে রক্ষা নাই, তুমি কে আমি কে- বাংঙালী বাংঙালী, ক তে কাদের মোল্লা ইত্যাদি।
অর্জন আর বর্জনের খাতায় যোগ হতে থাকে নানা বিতর্ক । দ্রোহের আগুনে জ্বলতে থাকে ভালো না লাগা সব কর্মকান্ড। অন্যদিকে আবেগ অনুভুতিতে ভালোলাগার পরশ ছোয় এমন ঘটনাও কম নয়। শাহবাগ চত্তরে ডাক পেতেই মানুষ আসে নিজ নিজ ইচ্ছায় দলে দলে । এ যেন দির্ঘদিন চাপা ক্ষোভ আর অনুভুতি প্রকাশের মুক্ত মঞ্চ। কেউ যেন হরাতে চায় না এই সুবর্ন সুযোগ। তাই দলে দলে মানুষ আসে বানের লাহান। কি লাভ তাদের ? এটা তো নতুন কোন সরকার গঠনের ডাক এখানে দেয়া হচ্ছে না, যাতে অবদান রাখতে পাড়লে ভবিষ্যৎএ ঠিকাদারী বা লোভনিয় চাকুরীর জন্য নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে কি ?
আমাদেরই সামনে মূল্যবোধের মঞ্চ দখল হয় সরকারী দলের ছাত্র সংগঠনের হাতে। ভালো না লাগা কষ্টকর এই অনুভুতি আমায় কাদায় কিন্তু আমাকে ফেরাতে পারে না আমার অভিষ্ট লক্ষ অর্জনের দাবী থেকে। আমি আশাবাদী হয়ে শাহবাগ মূখী হই প্রতিদিন। ৪২ বছর যে রাজনৈতিক দল মুক্তিযুদ্বের পক্ষের বলে দাবী করছে আজ সেই দলই অস্থির হয়ে উঠে সাধারণ মানুষের মূল্যবোধ নিয়ন্ত্রনে। আপাকে দেখাতে মঞ্চে অবস্থান নেয় বিশাল বাহিনি নিয়ে। কি আর করার শক্তির কাছে পরাজিত হয় সাধারণ মানুষ। নেতাদের জায়গা দিতে নিজের জায়গা ছাড়তে বাধ্য হয় লাকির মত শ্লোগান কন্যাদের । বৃহত্তর স্বার্থে জলাজ্জলি দিতে হয় ক্ষুদ্র স্বার্থ।
পাশাপাশি সর্ববৃহৎ বিরোধী দল পল্টনে সভা ডাকে। মাথায় লাল ফিতা বেধে বহু তরুন যোগ দেয় এই সভায়। এদের সামনে বসিয়ে নেতারা শাহাবাগের তরুনদের বুদ্ধি দেয় আর কি কি অভাব আছে এই আন্দোলনে। কিভাবে চললে ভালো হয় ইত্যাদি। আর পাশে থাকে যাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সেই তারা, জামাত শিবির রাজাকার। রিরোধী দলে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা একদমই কম নয়। নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কিছুই করার থাকে না বিএনপির এই সব মুক্তিযোদ্ধাদের। সবই রাজনিতি। আর নেতারা কি জানে মাথায় লাল ফিতা খুলে কত কর্মী এসে শাহবাগে তরুণের ভীরে মিশে যায় ? মাথায় বাধে বাংলাদেশের পতাকা।
দাবী একটাই রাজাকারের ফাশি চাই।
সেই সাথে "পক্ষ নিলে রক্ষা নাই"
কিন্তু আসলে এই দুই দলে নিরপেক্ষ কারা ? কেউ ই কি দায়ভার মুক্ত ?
একদল জামাতকে রাজনিতির হতিয়ার হিসাবে ব্যাবহার করছে সু-দির্ঘকাল । কারণ নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ দাবী করতে বিপক্ষ তো থাকা চাই কাউকে না কাউকে । আবার আরেক দল আশায় আছে এই ভোট ব্যাংক সরকার কতৃক নিশিদ্ধ হলে তাদের ঘরেই তো যাবে, দল না হয় নিশিদ্ধ হবে, ভোটার আইডি তো আর বাতিল হবে না বা আইডিতে তো লেখা থাকবে না কে রাজাকার।
দুই দলই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তির দাবিদার।
সে যাই হোক আমরা প্রজন্ম চত্তর বিতর্কের বাইরে থাকতে চাই। আমরা বিচার চাই, আমরা নিরপেক্ষ নই। আমরা মূল্য বোধের পক্ষে। দেশ প্রেমের পক্ষে। আমার দেশ বাংলাদেশ। আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। এই দেশের জন্য যা কিছু ক্ষতিকর সবকিছুই আমরা বর্জন করতে চাই। সেই অভিষ্টে আমরা চলছি..
আমাদের অর্জন - হরতাল বর্জন। এদেশে আর কোন হরতাল চাই না। কোন দলেরই না। আমারই দেশের ক্ষতি হয় এমন কোন রাজনৈতিক হটকারী সিদ্ধান্ত আমি মানি না মানবো না। প্রতিটি নির্বাচিত সরকার ব্যালট যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও। সরাসরি রাজনিতির বাইরে আমরা মানুষ। আমাদেরও আছে মত প্রকাশের স্বাধিনতা। আমরা সংখ্যায় একদম কম না।
এই যাত্রা এখানেই শুরু । এ পথ অনেক দূর যাবে। যে পথিক হাটবে বহুদূর, সে সহযাত্রী আমাদের। সুন্দর একটা বাংলাদেশ আমাদের গন্তব্য। এক আত্তা এক প্রান , সবারই এক শ্লোগান। হাল ছেড় না বন্ধু বরং কন্ঠ ছাড়ো জোরে...
শাহবাগের আজকের ঘোষনা : ভাষার ইতিহাস জানতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২১ ফেব্রূয়ারীর মধ্যেই শহীদ মিনার নির্মান। এই ৫২ ই আমাদের স্বাধীনতার ভীত রচনা করে দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসেছে ৭১, পেয়েছি মানচিত্র।
প্রজন্ম শাহবাগ, আমরা ঠিক পথে আছি তো....?
শাহবাগের আন্দোলন আমারই অস্তিত্তের প্রতিচ্ছবি। ৪২ বছরের যে দায় প্রতিটি প্রজন্মই বেদনা হিসাবে বহন করেছে এতকাল। সেই দায় ঘোচাতে আমি আমার প্রজন্মের পক্ষে গর্বিত। কারণ যে দায় বহুকাল ধরে ভোটের রাজনীতির মারপ্যাচে গড়াগড়ি খেয়েছে আজ তা আমাদের প্রতিবাদের খোরাক। মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো যখন জনসাধারনের দাবী পূরণে ব্যার্থ, প্রজন্ম শাহবাগ সে দায় নিয়েছে নিজ কাঁধে। নিজের জীবন বাজি রেখে কিছু ব্লগার অনেক আগে আমাদের হয়ে যে যুদ্ধ শুরু করেছেন আজ তা সার্বজনীন উন্মুক্ত মঞ্চে। অভিনন্দন আপনাদেরকে যারা এই মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছেন; যা আজ সারা পৃথিবী জুড়ে বাংঙালীদের মধ্যে জাগ্রত করেছে দেশপ্রেম।
ভাষার মাসে বোধজাগ্রত করতে মাস ব্যাপি বই মেলাই ছিল আমাদের একমাত্র বিচরণ ক্ষেত্র। ১৯১৩ তে এসে সেই অনুভুতিতে যোগ হলো ৪২ বছরের কলঙ্কের দাগ মোছানোর আন্দোলন। এই দেশে নানা বেশে বহুকাল শাষন শোষন চলেছে অপরের যা ১৯৭১ এসে বিশ্বের মানচিত্রে নিজের জায়গা করে নেবার মধ্যদিয়ে শেষ হয়ে যাবার কথা। কিন্তু হয়নি। যার ফলাফল আজকের শাহবাগ; আমাদের বর্তমান বিবরণ ক্ষেত্র। এখানে জন্ম নেয় নতুন শ্লোগান আর সেই সাথে রাহু মুক্ত হয় পুরনো শ্লোগান। মুক্ত হওয়া শ্লোগান জয় বাংলা আর যুক্তের খাতায় আসে তুই রাজাকার, পক্ষ নিলে রক্ষা নাই, তুমি কে আমি কে- বাঙালী বাঙালী, ক তে কাদের মোল্লা ইত্যাদি।
অর্জন আর বর্জনের খাতায় যোগ হতে থাকে নানা বিতর্ক । দ্রোহের আগুনে জ্বলতে থাকে ভালো না লাগা সব কর্মকান্ড। অন্যদিকে আবেগ অনুভুতিতে ভালোলাগার পরশ ছোঁয় এমন ঘটনাও কম নয়। শাহবাগ চত্তরে ডাক পেতেই মানুষ আসে নিজ নিজ ইচ্ছায় দলে দলে । এ যেন দীর্ঘদিন চাপা ক্ষোভ আর অনুভুতি প্রকাশের মুক্ত মঞ্চ। কেউ যেন হরাতে চায় না এই সুবর্ণ সুযোগ। তাই দলে দলে মানুষ আসে বানের লাহান। কি লাভ তাদের ? নতুন কোন সরকার গঠনের ডাক এখানে দেয়া হচ্ছে না, যাতে অবদান রাখতে পাড়লে ভবিষ্যৎএ ঠিকাদারী বা লোভনিয় চাকুরীর জন্য নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে কি ?
আমাদেরই সামনে মূল্যবোধের মঞ্চ দখল হয় সরকারী দলের ছাত্র সংগঠনের হাতে। ভালো না লাগা কষ্টকর এই অনুভুতি আমায় কাঁদায় কিন্তু আমাকে ফেরাতে পারে না আমার অভিষ্ট লক্ষ অর্জনের দাবী থেকে। আমি আশাবাদী হয়ে শাহবাগমুখী হই প্রতিদিন। ৪২ বছর যে রাজনৈতিক দল মুক্তিযুদ্বের পক্ষের বলে দাবী করছে আজ সেই দলই অস্থির হয়ে উঠে সাধারণ মানুষের মূল্যবোধ নিয়ন্ত্রণে। আপাকে দেখাতে মঞ্চে অবস্থান নেয় বিশাল বাহিনি নিয়ে। কি আর করার শক্তির কাছে পরাজিত হয় সাধারণ মানুষ। নেতাদের জায়গা দিতে নিজের জায়গা ছাড়তে বাধ্য হয় লাকির মত স্লোগান কন্যাদের । বৃহত্তর স্বার্থে জলাঞ্জলি দিতে হয় ক্ষুদ্র স্বার্থ।
পাশাপাশি সর্ববৃহৎ বিরোধী দল পল্টনে সভা ডাকে। মাথায় লাল ফিতা বেঁধে বহু তরুণ যোগ দেয় এই সভায়। এদের সামনে বসিয়ে নেতারা শাহাবাগের তরুনদের বুদ্ধি দেয় আর কি কি অভাব আছে এই আন্দোলনে। কিভাবে চললে ভালো হয় ইত্যাদি। আর পাশে থাকে যাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সেই তারা, জামাত শিবির রাজাকার। প্রধান এই বিরোধী দলে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা একদমই কম নয়। নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কিছুই করার থাকে না বিএনপির এই সব মুক্তিযোদ্ধাদের। সবই রাজনীতি। কিন্তু নেতারা কি জানে না, মাথার লাল ফিতা খুলে কত কর্মী এসে শাহবাগে তরুণের ভীড়ে মিশে যায় ? মাথায় বাঁধে বাংলাদেশের পতাকা।
দাবী একটাই রাজাকারের ফাঁসি চাই।
সেই সাথে "পক্ষ নিলে রক্ষা নাই"
কিন্তু আসলে এই দুই দলে নিরপেক্ষ কারা ? কেউ ই কি দায়ভার মুক্ত ?
একদল জামাতকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসাবে ব্যাবহার করছে সু-দীর্ঘকাল । কারণ নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে দাবী করতে বিপক্ষেও তো থাকা চাই কাউকে না কাউকে । আবার আরেক দল আশায় আছে এই ভোট ব্যাংক সরকার কতৃক নিষিদ্ধ হলে তাদের ঘরেই তো যাবে, দল না হয় নিষিদ্ধ হবে, ভোটার আইডি তো আর বাতিল হবে না বা আইডিতে তো লেখা থাকবে না কে রাজাকার।
দুই দলই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তির দাবিদার।
সে যাই হোক আমরা প্রজন্ম চত্বর বিতর্কের বাইরে থাকতে চাই। আমরা সর্বোচ্চ বিচার চাই, আমরা নিরপেক্ষ নই। আমরা মূল্য বোধের পক্ষে। দেশ প্রেমের পক্ষে। আমার দেশ বাংলাদেশ। আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। এই দেশের জন্য যা কিছু ক্ষতিকর সবকিছুই আমরা বর্জন করতে চাই। সেই অভিষ্টেই আমরা চলছি..
আমাদের অর্জন - হরতাল বর্জন। এদেশে আর কোন হরতাল চাই না। কোন দলেরই না। আমারই দেশের ক্ষতি হয় এমন কোন রাজনৈতিক হটকারী সিদ্ধান্ত আমি মানি না মানবো না। প্রতিটি নির্বাচিত সরকার ব্যালট যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও। সরাসরি রাজনীতির বাইরে আমরা মানুষ। আমাদেরও আছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা। আমরা সংখ্যায় একদম কম না। প্রজন্ম শাহবাগ সহ সারাদেশ অন্তত তাই জানান দেয়।
এই যাত্রা এখানেই শুরু । এ পথ অনেক দূর যাবে। যে পথিক হাটবে বহুদূর, সে সহযাত্রী আমাদের। সুন্দর একটা বাংলাদেশ আমাদের গন্তব্য। এক আত্মা এক প্রাণ , সবারই এক স্লোগান।
হাল ছেড় না বন্ধু বরং কন্ঠ ছাড়ো জোরে...
শাহবাগের আজকের ঘোষণা : ভাষার ইতিহাস জানতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২১ ফেব্রূয়ারীর মধ্যেই শহীদ মিনার নির্মাণ। এই ৫২ ই আমাদের স্বাধীনতার ভীত রচনা করে দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসেছে ৭১, পেয়েছি মানচিত্র।
প্রজন্ম শাহবাগ, আমরা ঠিক পথে আছি তো....?
©somewhere in net ltd.