| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ছোট্টবেলার ছোটকথা
অতি ছোট বেলায় রোজা আসত অতি শীত কালে। ছোট ছোট দিন বলে তখনকার বড়রা এখনকার বড়দের চেয়ে বড় আরামে আনন্দে সিয়াম পালন করতো। আর তখনকার ছোটরাও এখনকার ছোটদের চেয়ে বেশি বেশি আনন্দ করতো। ছোটদের সব আনন্দ ছিলো ঈদে। আর তার আগে তারাবীতে।
জগতের যত শয়তানী, হি: হি: হা: হা: সব সারা দিন ধরে জমিয়ে রাখতাম আমরা তারাবীর সময়ে পিছনের কাতারে জমিয়ে করার জন্যে। নিয়ত বাঁধার সাথে সাথেই মি.বিনের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের মত হাসির রোল উঠত পেছনের কাতার থেকে। আবার সালাম ফিরানোর সাথে সাথে শ্মসান নিরবতা। কিছু অতি বিটলা পোলাপাইন ঠান্ডার মধ্যে পানি ধরে ওজুটাও করতো না। বলে- ‘যাইতো করমু শয়তানি, খামাখা শীতের মধ্যে পানি ধরি ঠান্ডা লাগানোর কি দরকার!’ তাই বেশির ভাগ দিনই দু-এক রাকাত পরই সব গুলাকে বকাঝকা করি বের করি দেয়া হতো। আর আনন্দের সাথে সবাই বেরিয়েও আসতাম।
বড়দেরও থেকেও কেউ কেউ বেরিয়ে আসতো। ইফতারে ভাজা-পোড়া খেয়ে অতক্ষণ অযু ধরে রাখা তাদের জন্যেও কঠিন ছিলো। তাই নামাজের মাঝখানেই মাঝে মাঝে এদিক ওদিক থেকে ভুট-ভাট কিছু আওয়াজ আসতো, সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তো পেছনের সারির চাপা হাসির রোল। সালামের পর সবাই আঁকা বাঁকা চোখে অপেক্ষা করে- দেখিতো কে বের হয় নতুন করি অযু করতে। সে’ই বের হবে যে আকামটা করছে। দেখা যায় কখনো কোন চাচা, না হয় ভাইজান উঠি দাঁড়াচ্ছেন আর বলে উঠলেন- ‘এরোই পোলাপাইন, তোরা খালি শয়তানি করতেছস্, না? খাড়া তোদেরলাই লঠি লই আইতাছি।’ বলেই ভদ্র লোক বেরিয়ে পড়েন আর একটু পরই পাশের পুকুরে কারো অযু বানানোর শব্দ আসতো।
বছর ঘুরে ঘুরে আবার শীতে রোজা আসতে আসতে তো বোধ হয় আমার পোলাপাইন বড় হই যাবে!
২|
২৩ শে জুলাই, ২০১৪ রাত ১২:০২
আফনান আব্দুল্লাহ্ বলেছেন: Thanks @Opurno
৩|
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৪
ইসলামী চিন্তা বলেছেন: ধন্যবাদ।
৪|
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৮
নূর-ই-হাফসা বলেছেন: ভালো লাগলো
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৬
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: ++++