নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শেরপা

দেখতে চাই ধরনী

মুনতাসির

আমি পাহাড়ে চড়ি,সাগরে ডুবি, পৃথিবী আমার প্রেম

মুনতাসির › বিস্তারিত পোস্টঃ

গাঁজা বৃতান্ত

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৪

গাজা নিয়ে আমাদের মধ্যে বিশেষ অনুভূতির নাম হলো—এরা গাজাখোর। ব্যাপারটা এমন যেন বিশেষ কোনো শ্রেণি। না, আমি গাজা নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছি না। কিন্তু গাজা নিয়ে আমাদের দেশে যেভাবে আলোচনা, জেল-জরিমানা হয়—সেটা নিছক বাড়াবাড়ি।

গত কয়েকদিন আগের কিছু সংবাদের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন আসে—আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই উচ্চপদস্থ সদস্যদের ঘণ্টাপ্রতি শ্রমের মূল্য কত? আমি নিশ্চিত, সেটা বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির কর্মজীবীদের সমান হবে। যদি তাই হয়ে থাকে, তবে তারা তাদের কর্মক্ষেত্রের দেয়ালের ঠিক বাইরের একটি জায়গায় এমন ঘটা করে অভিযান চালালেন কেন? চালাতেই পারেন। গাজা সেবন আওয়ামী লীগের মতোই নিষিদ্ধ। তাই সেবন করা যাবে না। কিন্তু তা ধরার জন্য দেশের সম্পদের কত অংশ ব্যবহৃত হবে, তার খতিয়ান কে নেবে বা দেবে?

এ দেশে ঘুষ, চাঁদা লিগ্যাল; শারীরিক প্রেম অসামাজিক; চুমু খাওয়া হারাম; গাজা খাওয়া বেআইনি—কিন্তু রাস্তায় হাগামুতা লিগ্যাল। জনসম্মুখে সিগারেট খাওয়াও তো দণ্ডনীয় অপরাধ, কিন্তু ধরছে কেউ?

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আজিজ সুপার মার্কেটের এক আড্ডায় যাওয়া হতো। সেখানে প্রথিতযশা অনেকেই আসতেন। আমার আম্মা যেদিন জানতে পারলেন যে আমি আজিজে যাই—সেকি বিলাপ! আমি গাজাখোর হয়ে গেছি। ওই মার্কেটে যারা যায়, তারা সবাই গাজা খায়। আম্মাকে আমি বিশ্বাসই করাতে পারলাম না—আমি যেখানে পড়ি, যেখানে শতকরা ৪০ জনের স্ট্যান্ড আছে, সেখানে এর চেয়ে বেশি গাজা খাওয়া হয়। আমার আম্মা কোনো দিন বিশ্বাস করেন না যে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদের অনেকে ছাত্রাবস্থায় বেহিসেবি গাজা খায়।

না, আমি খেতে পারি না, কারণ আমার শরীর নিতে পারে না। ট্রাই করেছি।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: গাজাতে কি অনেক মজা?

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৫

মুনতাসির বলেছেন: আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভাল না। তবে নিশ্বয়ই কিছু একটা আছে না হলে সারা দুনিয়াতে এটা এত জনপ্রিয় হবে কেন? অনেক দেশেই এটা সিগারেটের মতন লিগাল। যেখনে খুশি খান।

২| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার লেখার শিরোনাম দেখে আমি ভেবেছিলাম আপনি বোধহয় প্যালেস্টাইনের গাজা নিয়ে লিখেছেন। খুব আগ্রহ নিয়ে পোস্টটা পড়তে শুরু করে দেখি, তা নয়, আপনি "গান্জা" নিয়ে লিখেছেন ! হা হা :)

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬

মুনতাসির বলেছেন: ভিষন লজ্জিত। চন্ত্রবিন্দু দিতে হবে। দিতে পারছিলাম না।

৩| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩০

নতুন বলেছেন: বর্তমানের গান্জা অভিযান অনেকটাই সোঅফ।

পুলিশের উচিত মাদক ব্যবসায়ীদের ধরা। মাদকের চালান ধরা।

পুলিশের পাওয়ার প্যাক্টিস করার মন মানুষিকতা পাল্টাতে হবে।

একটা ভিডিওতে দেখলাম এক লোক দৌড় দিছিলো, তাকে ধরে পেটানোর পরে দেখে সে পানি বিক্রেতা এবং তার কাছে কিছু নাই, এক পুলিশ " ধুর বেডা " বলে চলে গেলো।

অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে পারে, আইন অনুযায়ী সাজা দিতে পারে, কিন্তু তার গায়ে হাত তোলার অধিকার পুলিশের নাই।

কিছু মানুষ দেখলাম এই পেটানোতে বেশ খুশি। যেদিন তারা এমন পেদানী খাবে আশা করি তারা বলবে না যে তারা নিরপরাধী ছিলো।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১০

মুনতাসির বলেছেন: আমারও তাই মনে হয়।

৪| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যে কয়জন কে পুলিশ পিটাইসে তার মধ্যে ঢাবির স্টুডেন্ট বাদে সব গুলোর সোশ্যাল মিডিয়া ঘাটাঘাটি করে দেখা গেছে তারা নেশাখোর। আবার জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দিলে পুলিশ বেশি মারে। এসবের সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৮

মুনতাসির বলেছেন: আপনি যদি নেশাও করে থাকেন তার জন্য যে বিধান সেটা দেয়া হোক। এখানে প্রশ্ন আসে পুলিশিং এর সময় ক্যামেরা চালায় কে? ক্যামেরা চালাতে পারে কি না? এর বিধান আছে কি না?
এই জন্যই যারা ঘুষ খায় তাদেও ঠিক একই ভাবে পেটানো যদি হয় তবে ব্যপার টা আবার খারাপের দিকে যাবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.