| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আহমেদের ব্লগ
I love to read and write blogs. It’s a super platform for any person who wants to share his / her view about his/ her thoughts and surroundings. So I write here and this is only one platform where I feel comfort to write. So pray for me. I pray to God > Please make our mind peaceful and give us a very beautiful Bangladesh every day.
আমি লিখছি ঢাকা হতে। (রাত ৮:৪০, তারিখ ৮/০৬/২০১৪)
মানুষকে মূল্যায়ন করা, মর্জাদা করা, চেনা, গনায় ধরা, সম্মান করা এগুলো খুবই অপ্রাসঙ্গিকে হয়ে যায় যদি আমি নিজেকে না চিনি বা নিজের মর্জাদা না জানি।
আমার এক শিক্ষক আমাকে বলে ছিলেন যদি নিজের বিশ্বাসের উপর তোমার ১০০ % বিশ্বাস না কর তাহলে ঐ বিশ্বাস বিশ্বাসই না। তিনি আরো বলেছিলেন আমরা সবাই সমান ব্রেনের ক্ষমতা নিয়েই এই ধরাতে আসি কিন্তু পারিপার্সিকতার কারনে আমরা হেড়ে যাই নিজেকে চিনতে পারি না, নিজেকে চেনার বদলে আমরা আমাদের মনোযোগ দিয়ে রাখি সবদিগে । আমরা যারা লিখি বা লিখার সাহস করি তারাও সবটা যে নিজের দিগে তাকাই তা না, অন্যের দিগে , অন্যের বিষয় নিয়ে আমাদের বেশ ভাল সময় চলে যায়।
তো বেশ কিছুদিন যাবত আমি ভাবছিলাম যে আমাদের কাছে - আশে পাসে যারা আছে তারাও তো অনেক যোগ্যতার হতে পারে আর আমার সাথে যাদের পরিচয় হয় তারা এমন অদ্ধুদ কিনা , কারন গত সপ্তাহে এক ছেলেকে আমি অন্য সবার মতো গনায় না ধরে ভাবছিলাম একে তো টিং টিংয়া এক শরির তার মধ্যে সে আবার ঠিক মতো দেখতেও পায় না (দুই চোখ দুই দিগে) এই ব্যাটা আর কি মর্জাদা পাবার যোগ্য কিন্তু গত কাল যখন তিনি সবার সাথে ইংলিশএ কথা বলছিল অনর্গল এবং সে যখন জানালো যে এই বয়সে ৫ বছরের মতো চাকুরির অভিগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ সরকারের একটি অর্থ বিষয়ক কোর্স করছে, আমি তো নিজেকে আর মাফ করতে পারলাম না , যে যাকে আমি মর্জাদা দেব কিনা ভাবছিলাম আজ দেখছি সে আমার চেয়ে এই সমাজের অনেক উচু স্তরে অবস্থান করছেন।
আজ এক ভাইয়ার সাথে কথা হচ্ছিল তিনি একটা কম্পিউটার সার্ভিস সেন্টারে জব করেন। তো আমি ভেবেছিলাম তিনি হয়তো নরমাল ডিপ্লোমা করা বা এমনি কাজ করতে করতে কাজ শিখে ফেলেছেন। কিন্তু তিনি তার চেয়েও একটু বেশি কিছু হয়েছেন । তিনি বিএসসি করেছেন, ডিপ্লোমা করেছেন একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করেন পার্টটাইম (সেখানে তিনি নেটওর্য়াক, সর্ফওয়ার, ও ছোট কোনো সমস্যা হলে তা সমাধান করেন।) আর ফুল টাইম কাজ করছেন এই সার্ভিস সেন্টারটিতে । তার পরিবার এর সবাই থাকেন আমেরিকাতে তিনিও চলে যাবেন। এ ছাড়াও তিনি আমেরিকার একটা কোম্পানিতে চাকরির অফার ও সমস্ত কাগজ পেয়েছিলেন তবে ঐ আমেরিকান কোম্পানির টেক্স এর সমস্যা থাকার জন্য তাকে এম্বেসি ভিসা দেয় নাই। আসল কথা হলো তার যোগ্যতা বা পারিবারিক ভাবে এই পৃথিবীতে আমার চেয়ে তো ঢের ভাল আছেন। তাই চেহাড়া বা ভাব দেথেই মানুষকে কোনো ভাবেই বিচার করা যাবে না।
©somewhere in net ltd.