নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আহমেদ শুভ্র

আমি বাঙ্গালী, মুসলিম।

আহমেদ শুভ্র › বিস্তারিত পোস্টঃ

তসলিমা নাসরিন আপনার জন্য || শুভ্র আহমেদ

২০ শে এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১১:৫১



তসলিমা নাসরিন আপনি তো বলেছেন,

নারী স্বাধীনতার কথা। আপনি বলেছেন,

মানুষের বিয়ে করার দরকার নেই,

বিয়ে একটি বাড়তি খরচ। পশু-

পাখিরা বিয়ে ছাড়াই উন্নত সন্তান জন্ম

দিচ্ছে। পশ্চিমারা এখন বিয়ে ছাড়াই

বাচ্চা উৎপাদন করছে, আরো উন্নত দেশেও

এমনটি হচ্ছে।

আমি আপনার এই কথার উত্তর

ইসলামে খুঁজে পেয়েছিলাম, এবং তার

উত্তরও কিছুদিন আগে দিয়েছিলাম। আবারও

দিচ্ছি,

হযরত আয়শা রা. থেকে বর্ণিত,

নবী কারীম সা. বলেছেন, “নিশ্চয়ই

সবচেয়ে বেশি বরকত ও কল্যাণময় বিবাহ

হচ্ছে সেটি, যেখানে খরচ কম হয় (অহেতুক

খরচ হয় না)।”

(বায়হাকী, ঈমান অধ্যায়)

আপনি আবার বললেন,ইসলাম

নারীকে স্বাধীনতা দেয়নি।

আরো বললেন,

নারীকে না দেওয়া হচ্ছে স্বাধীনতা না দে

য়া হচ্ছে অধিকার । নারীকে শুধু উপপত্নী,

রক্ষিতা, যৌন সঙ্গী হিসেবে ব্যবহার করছে,

পুরুষ। তাদের বিয়ে করছে না, স্ত্রীর

মর্যাদা দিচ্ছে না।

আপনি খেয়াল করেছেন, তসলিমা নাসরিন

যে আপনার এই দুটো বইয়ের দুই বক্তব্য

সাংঘর্ষিক?

এক জায়গায় বলা হচ্ছে, বিয়ে করা উচিত না।

উন্নত সভ্যতার দিকে আঙুল

তুলে দেখিয়ে দিলেন বিয়ে না করেও উন্নত

সন্তান আর আনন্দে বসবাস করা যায়।

আবার

বললেন,নারীকে বিয়ে না করে তাকে যৌন

নির্যাতন, রক্ষিণী করে রাখা হচ্ছে।

একই ভাবে বিয়ে করে পুরুষ জালেম হচ্ছে,

আবার না বিয়ে করেও হচ্ছে জালেম,

শয়তান।

আমি মনে করি দুটো সাংঘর্ষিক। (!!!)

আচ্ছা, তসলিমা ম্যাডাম।

আপনি কি রোমানদের ইতিহাস জানেন না?

তারা কিভাবে নারীদের ভোগ করতো?

আপনি কি জাহেলিয়াতের যুগের

কাহিনী জানেন না?

না জেনেই

বলে ফেল্লেন,ইসলামে নারী স্বাধীনতা দে

য়া হয়নি।

আপনি কি হিন্দু ধর্মের

নারী স্বাধীনতা দেখেন নি?

এই আধুনিক যুগেও তারা কোনো সম্পত্তি পায়

না। স্বামী মারা গেলে তাদের আর

বিয়ে করার অধিকার নেই। স্বামী খারাপ

হলেও তার প্রতিবাদ না করার মতো অজ্ঞ

অনুসারীদের দেখেন নি?

দেখেন নি, মেয়েদের ঈশ্বরের

নামে ছলনা করে পুরোহিতগনের প্রকাশ্য

গোপনীয় ধর্ষন কাহিনী ?

পোপদের নির্যাতন, যারা ঈশ্বরের নৈকট্য

লাভের আশায় নিরীহ

নারীকে বলি দিতো?

তাদের দেখেন নি, যে পুরোহিতগন ধর্মের

নামে কন্যাদের উৎসর্গ করতো?

আপনি কি জাহেলিয়াত এর যুগের

ঘটনা জানেন না?

যেখানে নারী কে অপমানকর

মনে করে জ্যান্ত পুঁতে ফেলা হত?

যেখানে যে যেভাবে পারতো নারীকে ভ

োগ করতো, পন্য হিসেবে বিক্রি করতো?

তাদের সিদ্ধান্ত শোনানোর অধিকার

ছিলো না।

ঠিক এমন যুগেই মহা নবী (সঃ) জন্ম গ্রহন

করলেন। হ্যা তসলিমা ঠিক এমন সময় অন্ধকার দূর

করে নারীকে শিক্ষা দান,

নারীকে সম্পত্তির মালকিন হবার অধিকার

দিলো।

যে কুরআনের আলোয় আলোকিত লোকজন

শান্তি গামী হল।

কোনো মানুষ অনাহারী ভুখা ছিলো না,

কারো ঈজ্জত হারাবার ভয় ছিলো না।

কিভাবে এই সকল অন্যায় কাজ দূর করে দিল।

বর্তমানের অবস্থা কি বিবেচনা করবেন না,

সম্মানীয় তসলিমা নাসরিন?

এখনের অবস্থা কি আপনার কাছে সেই যুগের

নারী স্বাধীনতার মতো মনে হয় না?

আমার কাছে তো অনেক প্রমান আছে মিস

তসলিমা....।

নারী কি প্রগতি শীল হচ্ছে নাকী সেই

আধি যুগেই পরে আছে?

নারীর স্বাধীনতা যদি হয় পুরুষকে আকর্ষিত

করা, তাহলে এতে খুবই বিপর্যয় লক্ষ করি।

“আমেরিকায় প্রতি ২৪

সেকেন্ডে একটি করে ভ্রুণ হত্যা করা হয়।”

১৯৭৩-২০০৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৪৭

কোটি ২৮ লক্ষ ৯ শত ২৩ টি ভ্রুণ

হত্যা করা হয়েছে।” (সূত্র:দ্য অ্যালান

গুটম্যাচার

ইন্সটিটিউট ২০০৫ সালে-‘র্পাসপেকটিভ অন

সেক্সুয়াল এন্ড রি-প্রোডাকটিভ হেলথ’ নামক

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়)

জাহেলিয়াত এর যুগেও এতো কন্যা মানুষ

মারা হয় নি। ইন্ডিয়ায় প্রতি বছর দশ'লক্ষ

কন্যা শিশু ভ্রূণ হত্যা করা হয়।

জাহেলিয়াত এর যুগের চাইতেই

জাহেলিয়াত যুগের

দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মানুষ, এটাই প্রগতি।

অথচ ইসলামেই এর সমাধান দেয়া আছে। ভ্রূণ

হত্যা নিষেদ শুধু কুরান নামের একটি বইয়েই

আছে, আর শ'কোটি মানুষ

সে বানী মেনে আধুনিক জীবন যাপন করছে।

আর কতিপয় নারী স্বাধকেরা জাহেলিয়ায়

বসবাসরত।

“বৃটেনে প্রতি ২০জনে এক জন ধর্ষিত হয়।

”(সূত্র:আমেরিকান এসাসিয়েশন অব

ইউনিভার্সিটি ওম্যান,১৯৯৩)

সেই যুগেও নারীকে এতো নির্যাতিত

হতে দেখা যায় না। আপনি গননা করে দেখুন,

প্রগতি শীল মূর্খ নারী।

“আমেরিকাতে প্রতি ৪৫ সেকেন্ডে এক জন

নারী ধর্ষিত হয়।” (সূত্র:দ্য আগলি ট্রুথ:মাইকেল

প্যারোন্টি,আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন

লেখক)

“প্রতি বছর ৪ কোটি মার্কিন নারী যাদের

বয়স

৯-১২ বছর,তারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়।

”(সূত্র:দ্য আগলি ট্রুথ:মাইকেল

প্যারোন্টি,আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন

লেখক)

এটা কিভাবে নারীর স্বাধীনতা হয়?

তাহলে তো জাহেলিয়াত এর যুগেই

নারী আরো স্বাধীন ছিলো।

এতো কঠিন তম যুগের মাঝে মহা নবী (সঃ)

নারীকে তার মর্যাদা দিলেন।

তসলিমা নাসরিন, আপনার উচিত একটা বই

লেখা যেখানে আপনি সবাইকে ইসলামের

নারীর অধিকারের

অনুসারিণী হতে লিখবেন । তাহলে এই

জাহেলিয়াতের যুগ আবার আলোয়

আলোকিত হয়ে উঠবে।

আপনার প্রতি আমার অনুরোধ, আপনি আবার

হেদায়াত প্রাপ্তি হন।

[শুভ্র আহমেদ]

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.