নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আহসান উল্লাহ টুটুল

আহসান উল্লাহ টুটুল

আহসান উল্লাহ টুটুল › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোন শ্রমিককে চাকুরী থেকে বের করে দিলে?

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:১১

বাংলাদেশে একটি বিদেশী মালিকের পোশাক রপ্তানী প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট অফিসে একজন বাঙ্গালী জয়েন করেন ২০শে ডিসেম্বর ২০১৫, তার এখানে জয়েন করার নাকি ইচ্ছা ছিলো না তাকে লোভ দেখিয়ে এই প্রতিষ্ঠানে জয়েন করান কোম্পানীর বিদেশী মালিক, সে জয়েন করেই ঠিক ভাবে কাজ করে আসছিলো, একদিন হঠাৎ করে ১৪ নভেম্বর তাকে ডেকে এনে বলেন কাজ আগের চেয়ে কমে যাওয়ায় তাকে টার্মিনেশন করা হচ্ছে, একটি কাগজ তার হাতে ধরিয়ে ধরে স্বাক্ষর করান, সেই কাগজে লিখা ছিলো আগামী ১৫ই নভেম্বর থেকে তাকে টার্মিনেশন এফেক্ট এবং তাকে আগামী ৯০ দিন মানে ১৫ই ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত কাজ করতে হবে, সেই ছেলে বলে না আমাকে যেহেতু বিনা কারনে টার্মিনেশন করেছেন আমি আর চাকুরী করবো না, মালিকের এইচ আর ডিপার্টমেন্ট বলে যদি এই ৯০ দিন চাকুরী না করো তবে তুমি কোন টাকা পাবে না, আর এই ৯০ দিন সে অফিসের কোন ছুটি, সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবে না, এই অবস্থায় ছেলেটি সকলের কাছে উপদেশ চাচ্ছে সে এখন কি করবে? দয়া করে জানাবেন কী/

১. কোন শ্রমিককে চাকুরী থেকে বের করে দিলে?
২. নিজে চাকুরী ছেড়ে দিলে?
কত দিন কাজ করতে হবে , টাকা পাবে কিনা আইনের ধারা কি কি ?

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৭

প্রামানিক বলেছেন: টার্মিনেশন করার পর কাউকে একদিনও কাজ করতে দেখি নাই, এখানে আবার তিন মাস রাখে কেন?

২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯

কামাল - বলেছেন: After termination your duty will depend on your company policy.

৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২৫

জিয়াউল ইসলাম মামুন বলেছেন: এটি এক ধরনের আইনগত সমস্যা। আমি ধরে নিলাম বাঙ্গালী লোকটি শ্রমিক (অন্তত তার কাজ যদি মালিক বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সমগোত্রীয় নয়). সুতরাং সে শ্রমিক এবং তাকে টারমিনেট (কোন প্রকার সুনির্দিষ্ঠ অভিযোগ সঠিক পদ্ধেতিতে প্রমান ব্যাতিত চাকুরী হতে বরখাস্ত হওয়াকে টার্মিনেট বলা হয়) এর ক্ষেত্রে তাকে বর্তমান আইন অনুযায়ী ১২০ দিনের নোটিশ দিতে হবে (৯০ দিন বলে শ্রম আইনে কিছু নাই) অর্থাৎ ১২০ দিন পূর্ন বেতনে সহ কাজ করবে বা নিয়োগকারী তাকে ১২০ দিনের সমপনিমান বেতন / ভাতাদি পরিশোধ করতঃ এক দিনের নোটিশে চাকুরী হতে বরখাস্ত করবেন। কিন্তু কর্মীকে জোড় করে কাজ করানো যায় না। অফিস নিজে যে পলিসিই তৈরী করুক না কেন তা প্রচলিত আইনকে অনুসরন করে করতে হবে। সুতরাং সে ১২০ দিন সমম্মানে কাজ করতে পারে অন্যথা উকিলের মাধ্যমে ৯০ দিনের দেওয়া নোটিশটিকে চেলেঞ্জ করতে পারে। একটা কথা মনে রাখতে হবে যে একটি অফিসের ডেস্কে বসে ম্যানেজার/ একজিকিউটিভ বা অন্য কোন উচ্চ নামধারী হলেই সে মালিক হয়ে যায় না। শ্রমিক নির্ধারিত হয় কর্মীর কাজের বৈশিষ্ঠ (Work Nature) বিবেচনায়। আর আইনের বাইরে গিয়ে শ্রম দিতে বাধ্য করা কখনই আইনানুগ হবে না।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:২২

আহসান উল্লাহ টুটুল বলেছেন: ধন্যবাদ, এই ব্যাপারে বিস্তারিত কোন লিংক বা ডিটেলস কোথায় পাওয়া যাবে, কিংবা কোন আইনজীবির সাথে আলাপ করা যাবে?

৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫

জিয়াউল ইসলাম মামুন বলেছেন: আর যদি চাকুরী নিজ হতেই ছেড়ে দিতে চায় তবে নিযোগকারী বরাবরে (প্রমান সহ) ০১ মাসের নোটিশ দিতে হবে এবং এক মাস কাজ করার পর কাজ ছেড়ে দিবেন এবং নিয়োগকর্তা বিগত দিনে সকল বকেয়া বেতন ভাতাদি পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। যদি নিয়োগকারী প্রাপ্য টাকা না প্রদান করে তবে প্রাথমিক ভাবে নিয়োগকারীকে উকিল নোটশি প্রদান করা যায় বা শ্রম অধিদপ্তরের সাহায্য নেয়া যেতে পারে।

৫| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:৩৪

জিয়াউল ইসলাম মামুন বলেছেন: You can visit the following link-
http://www.safetyandrights.org/wwd/legalsupport-.html

৬| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:৩৩

আহসান উল্লাহ টুটুল বলেছেন: ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.