| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অবশ্যই আমার আত্মা পরিভ্রমণ করিয়াছে
প্রথম আকাশের নিকটবর্তী ত্বোয়া উপত্যকায়
এবং সশরীরে পরিভ্রমণ করিয়াছি
প্রথম আসমানের উপর জ্বোয়া উপত্যকায়
অবশ্যই এমন পরিভ্রমণ করেন
প্রত্যেক সিদ্দিকগণ ।
লক্ষ্য করো , হে মানুষ
আমার দিকে
এবং আমার বর্ণনার দিকে,
আমি কি বলি ?
অবশ্যই
আমি
জ্ঞান বর্ণনায়
অনন্য ।
তুমি কি লক্ষ্য করোনি
২০ বছর পূর্বে
মানুষ ও জ্বিন ছিলো
সর্বোচ্চ সন্দিহান ,
মহান আল্লাহর বিষয়ে ।
২০ বছর পূর্বে
আমাকে দেওয়া হলো আলো ,
ধীরে ধীরে পৃথিবীতে আসতে থাকলো
বিশ্বাস ,
প্রবলভাবে আসতে থাকলো বিশ্বাস
এবং সমস্ত জমিনে ছড়িয়ে পড়লো
বিশ্বাস ।
আজ নাস্তিকরা
ভীত এবং জেদি
যেরকম ভীত এবং জেদি , আহলে হাদিসরা
সালাফি এবং ওহাবিরা
সকল কাফির মুশরিকরা
এবং মুনাফিকরা ।
নাস্তিক ও প্রায় সকল অমুসলিমদের
একমাত্র শত্রু ইসলাম
এবং প্রায় সকল মুসলমানদের
একমাত্র শত্রু
হক সুফিগণ ।
এভাবে
এখন
প্রায় সব মানুষের শত্রু হলাম ,
একমাত্র আমি ।
প্রিয় মানুষ এবং জ্বিন
২০ বছর পূর্বে
আমি ইসলামকে
চাক্ষুষ দেখেছি ,
পূর্ণ উন্মাদ ,
যেভাবে হযরত আঃ কাদের জিলানী রঃ
ইসলামকে দেখেছিলেন ,
জীর্ণ শীর্ণ ।
আল্লাহর কসম
প্রত্যেক মানুষ চায় , তার দলকে ভারী করতে
যেনো তার বিশ্বাস শক্তিশালী হয় ।
অথচ নবী রাসুলগণ
এবং হক সুফিগণ
চান
নীরবে ও একাকী
মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে
থাকতে ।
কিন্তু মহান আল্লাহর নির্দেশে
তারা সঠিক ইসলাম প্রচার করেন ।
তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ক্ষমতাধর
তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পীর
তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আলিম
তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী
তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক
আল্লাহর কসম তুমি ধ্বংস ,
যতক্ষণ না তুমি
একমাত্র সিদ্দিকের সোহবত
গ্রহণ করো ।
অবশ্যই মহান আল্লাহ
একমাত্র সিদ্দিকের অছিলায়
মৃত জমিনকে
উর্বর করেছেন ,
এখন সেই জমিতে
তুমি আলেম সেজেছো
পীর সেজেছো
জ্ঞানী সেজেছো ,
অবশ্যই তুমি , পরাজিত
হবে ,
আর জয়ী হবেন
শুধুমাত্র মহান আল্লাহ
এবং তাঁর বন্ধু ,
ইনশাআল্লাহ ।
( মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আকন্দ ) ।
২|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮
রাজীব নুর বলেছেন: মূলত ''মানুষ'' খারাপ।
হোক সে নাস্তিক, আস্তিক ধার্মিক।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৪৫
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: মানুষের ভিতরকার কাফের এবং মুনাফিক নফসকে অনুগত করার জন্য নিয়মিত আমলের কোনো বিকল্প নেই।
মানুষের ভিতরকার নফস মূলত কাফের মুনাফিক।কিন্তু রুহ হলো ইমানদার।অথবা ইমাম ইবনূল জাওজি রহ.এর মতে নফস এবং রুহ একই জিনিস।যদি তার কথা ধরে নেই,তাহলে নফসই একসময় ইমানদার হয়ে যায় ঘষামাজা করতে করতে।কুরআন মাজিদে এই ঘষামাজা করা নফসকেই নফসুল মুতমাইন্না বলা হয়েছে বলে মনে হয়।
কিন্তু সুফিদের কিতাবাদিতে পাওয়া যায় নফস এবং রুহ সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।ভিন্ন ভিন্ন লতিফা যা শরীরের দুই স্থানে অবস্থিত রয়েছে।সুফি দরবেশরা নফসকে নাভীর নিচে এবং রুহকে বুকের ডান পাশে বলে উল্লেখ করেছেন।এবং কলবকে বলেছেন বুকের বামপাশে হৃদপিন্ডের মধ্যে।আর খফিকে বলেছেন কপালে,এবং আখফাকে খুঁজে পেয়েছেন মস্তিস্কে।
যাগগে, এগুলো আমাদের মতো সাধারন মানুষের আলোচনার বিষয় না,এবং তার কোনো দরকারও নেই।
আমাদের এখন যা দরকার তা হলো এই কাফের এবং মুনাফিক নফসকে কিভাবে মুমিন বা অনুগত বানানো যায়।
এক বুযুর্গ বলে সমস্ত লতিফার গোড়া হলো কলব।গাছের গোড়ায় পানি দিলে যেমন ডালপালা পত্র পল্লব সবুজ সতেজ হয়,অনুরুপ কলবে যিকিরের এবং ইবাদতের পানি ঢাললে রুহ ও সবুজ এবং সতেজ হয়,আমরা বুজি আর না বুঝি,অনুভব করতে পারি আর না পারি রুহ সতেজ হতে থাকে।
নফস খুবই দূরাচার এবং শক্তিশালী।নফসকে সদা ইবাদতের এবং যিকিরের মুগুর দিয়ে আঘাত করতে হয়,তবে সাধ্যের মধ্যে এবং সতঃস্ফুর্তভাবে যতটুকু সম্ভব ততটুকু আমলই যথেষ্ট।
নফসের ক্ষতি
নফস মানুষকে যন্ত্রনার মধ্যে ফেলে দেয়।ইবাদত বন্দেগী তার ভাল্লাগেনা,সে স্বাধীন আকাশে পাখীর মতো উড়তে চায়।নফস একটা গরু অথবা পশু।কুরআন মাজিদের প্রথম সূরা বাকারা অর্থাৎ গরু দিয়ে শুরু হয়েছে এবং শেষ সূরা হলো সূরাতুন নাস।
এখান থেকে আমরা সুক্ষ্ম একটি বিষয় বের করতে পারি।তা হলো মানুষের প্রাথমিক আদত হলো গরু অথবা হাম্বা।তারপর কুরআন মাজিদের উপর আমল করতে করেত সে নাছ,তথা মানুষে পরিনত হয়।অর্থাৎ প্রাথমিক পর্যায়ে এক্টা গরুর সাথে এবং মানুষের সাথে কোনো পার্থক্য থাকেনা।
ইনশাআল্লাহ আগামি পর্বে আলোচনা করবো,নফস এবং রুহ কি আলাদা নাকি একই।