নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আল্লাহর নামে

ডাঃ আকন্দ

একজন চিকিৎসক ।

ডাঃ আকন্দ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রামিসা হত্যা এবং বাংলাদেশ

০৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:২৬

শুধু রামিসা না, গত কিছুদিন ধরে বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ এবং পরে হত্যা অথবা অন্যান্য নৃশংস হত্যা বেড়ে গেছে। এর প্রধান কারণ বিচারহীনতা এবং প্রলম্বিত বিচার। একটা বিচার করতে এবং কার্যকর করতে কয়েক বছর লেগে যাওয়াই মূলত এসব অন্যায়ের মূল কারণ। বিচারের দীর্ঘসূত্রতা কমাতে হবে, ৬ মাসের মধ্যে বিচার কার্যকর করতে হবে এবং মৃত্যুদন্ডের বিধান রাখতে হবে, তবেই আশা করা যায় বাংলাদেশে অপরাধ কমে আসবে ইনশাআল্লাহ।



উপরের কারণটা হলো প্রধান কারণ, আরও গভীরে এবং মূল কারণ হলো - মানুষের মনে বিকৃত যৌনাচার বাসা বেধেছে এবং মানুষের মনে জিদ হিংসা অহংকার এবং লোভ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যদিও সব মানুষের মন থেকে সম্পূর্ণ খারাপ গুণগুলি মানুষ ভেদে ৮০ ভাগ পর্যন্ত কমানো সম্ভব, কিন্তু শতভাগ কমানো সম্ভব না। আর এটা কমাতে পারেন একমাত্র সিদ্দিক সমপর্যায়ের আধ্যাত্মিক ব্যাক্তি। বর্তমান পৃথিবীতে একজন মাত্র মানুষ ঐ পর্যায়ের আছেন এবং তিনি মানুষের মন থেকে ঐ খারাপ গুণগুলি দূর করার কাজ করছেন। যদিও কাজটা অনেক চ্যালেঞ্জের। কারণ খারাপ গুণ থেকে পবিত্র থাকেন একমাত্র নবী রাসুলগণ। অলী মুজাদ্দিদের মনেও ঐ খারাপ গুণগুলি সামান্যভাবে সক্রিয় থাকে।



এখন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান কাজ হলো বিদ্যুৎ গতিতে বিচার শেষ করা, প্রচুর পরিমাণে বিচারক নিয়োগ দিয়ে মামলা জট একেবারে কমিয়ে ফেলা। এজন্য কিছু আইনের পরিবর্তন করতে হবে, দ্রুত সেই আইন করা। বাংলাদেশে এত বেশি মামলাজট, যে এটা না কমাতে পারলে, সরকার চরমভাবে ব্যার্থ হবে।



প্রিয় বাংলাদেশী, তারেক রহমান হলেন বাংলাদেশের গনতন্ত্রের শেষ ভরসা। সে না থাকলে বাংলাদেশে গনতন্ত্র থাকবে না, কমপক্ষে বিরোধী দলে থাকতে হবে। তারেক রহমানের হয়তো তেমন যোগ্যতা নেই, কিন্তু তার প্রধান যোগ্যতা হলো, তিনি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছেলে, আর জিয়া ছিলেন সৎ ও বিবেকবান মানুষ, ন্যায়পরাণ এবং পরিপূর্ণ মুসলিম। জিয়াউর রহমানকে আল্লাহ ইসলামের যে জ্ঞান দিয়েছিলেন, সেই পরিমাণ জ্ঞান স্বাধীন বাংলাদেশে পরিচিত কাউকে দেয়া হয় নাই। জিয়াউর রহমানের সেই আলোর কিছুটা তারেক রহমানের বর্তমান জীবনে আলো ছড়াচ্ছে।



তারেক রহমানের এই আলোকিত হওয়ার পিছনে লন্ডনের প্রবাস জীবন অনেকাংশেই প্রেরণামূলক। ইংল্যান্ড একটি সভ্য দেশ, সেখানে গেলে তো মানুষ সভ্যতা শিখবেই। সাথে ছিলো কোরান হাদিস এবং আল্লাহর অলীদের প্রতি ভালবাসা। কিন্তু বর্তমান ইংল্যান্ডের রাজনীতিতে খরা চলতেছে। সেখানে একজন প্রধানমন্ত্রীও মেয়াদ শেষ করতে পারছে না, এটা বাচ্চাদের রাজনীতি। এতে একটি দেশ দুর্বল পরিচিতি দেয় এবং এতে করে বিরোধী দেশ রাজনীতির সুযোগ পায়। এখান থেকে ইংল্যান্ডকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং এমপি মন্ত্রীগণের পদত্যাগ কমাতে হবে এবং প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে না বলে বরং ভালো পরামর্শ দিতে হবে, তবেই ইংল্যান্ড তথা পুরো ইউকে বিশ্ব ব্যবস্থায় অনেক বেশি অবদান রাখতে পরবে ইনশাআল্লাহ।



( মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আকন্দ ) ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.