| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফিতনাতুন নিসা,পর্ব —০১
পৃথিবীতে একজন পুরুষের জন্য সবচেয়ে বড় ফিতনা এবং পরিক্ষার জায়গা হলো নারী।নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম নিজেও নারীদের ফিতনা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাইতেন,এবং বলেছেন,"আমি নারীদের ফিতনার চেয়ে বড় কোনো ফিতনা উম্মতের জন্য রেখে যাচ্ছিনা।"
অর্থাৎ নবীজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের)তিরোধানের পর পৃথিবীতে নারীদের ফিতনার থেকে বড় কোনো ফিতনা নেই।এই ফিতনা থেকে যেই পুরুষ বেঁচে গেলো সে বড়ই সৌভাগ্যবান।সঠিক সময়ে বিয়ে না করলে কেউ এই ফিতনা থেকে বাচতে পারেনা,এবং বাঁচা সহজও না।
কুদৃষ্টি
নারীদের ফিতনার একটি বড় শাখা হলো কুদৃষ্টি।কুদৃষ্টি শয়তানের বিষাক্ত তীর।দৃষ্টি থেকেই যাবতীয় অনিষ্টের সূচনা হয়,এবং দৃষ্টির হেফাজতের দ্বারা অন্তর পবিত্র হয়।অপাত্রে দৃষ্টি নিক্ষেপের দ্বারা অন্তর নোংরা হয়ে থাকে।এবং নোংরা অন্তরে আল্লাহর নূর অথবা মারিফাতের আলো প্রবেশ করতে পারেনা।
এক আরিফ বলেন,যে ব্যাক্তি দৃষ্টির হেফাজত করবে, আল্লাহ তাকে বিশেষ বেলায়েতের নূর দান করবেন (যা সকলের ভাগ্যে জুটেনা।)
উক্ত আরিফের কথাটা প্রত্যেক সালিকের জন্য গভীর অর্থপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ।
কুদৃষ্টি থেকে বাঁচার উপায়
কুদৃষ্টি থেকে বাঁচা খুব সহজ ব্যাপার নয়,আবার অসম্ভব ব্যাপারও নয়।একটু হিম্মত এবং সাহস করলেই এই গুনাহ থেকে বাঁচা যায়।
উপায় —০১
কুদৃষ্টির ক্ষতি এবং কুদৃষ্টি না দেওয়ার উপকার চিন্তা করবে।
হাদিসে পাকের এই বানী মনে করবে যেখানে বলা হয়েছে, "যে ব্যাক্তি আল্লাহর ভয়ে দৃষ্টিকে নামিয়ে নিবে,সে এমন ইমান লাভ করবে যার পরিতৃপ্তি বা স্বাদ সে অন্তরে লাভ করবে।"(মুস্তাদরাক আল হাকিম)
অপরদিকে কুদৃষ্টি দিলে এই মহা নেয়ামত থেকে বঞ্চিত হতে হবে,বিপরিতে কিছু ক্ষতি এবং গুনাহ আমলনামায় জমা হবে।এবং আজাব গজবের উপযোগী হতে হবে।
উপায় —০২
চিন্তা করবে এখানে দৃষ্টি দিলে কামনার আগুন অবশ্যই জ্বলে উঠতে পারে,অথচ তাকে আমি পাবোনা, হুদাই জ্বলে পুরে অন্তর ক্ষতির মধ্যে পড়ার আশংকা রয়েছে,তাছাড়া আল্লাহর অসন্তুুষ্টিও এর মধ্যে নিহিত রয়েছে,সামান্য একটু হিম্মত করলেই আমি এই অসন্তোষ থেকে বেঁচে যেতে পারি,এতে আমার তেমন কোনো ক্ষতি হবেনা কিন্তু বড় ধরনের লাভ হবে।সুতরাং এখানে আমি দৃষ্টি দিবোনা।
এমন অনেক মুর্খ আছে,যারা মেয়েদের দিকে তাকায় এবং বলে আমাদের মন পবিত্র থাকে,এদের ব্যপারটা কেমন?
তারা মূলত সালিক নয়,অথবা নামাজি নয়।হতে পারে মেয়েেদের দিকে তাকাকে তাকাতে তাদের অনুভূতি লোপ পেয়েছে,এবং কামনা জাগ্রত হয়না।সাধারনত সালিক এবং নামাজিদের পেছনে শয়তান হানা দেয়,এবং এদের কামনা অত্যাধিক প্রবল এবং শক্তিশালী থাকে।
তাহলে উক্ত মুর্খদের কথা একেবারে ফেলে দেওয়া যায়না।তারা আংশিক সত্য বলেছে।তারা মূলত মেয়েদের দিকে তাকানোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে কিছু মনে করেনা।তারা মনে করেনা যে এতে আমাদের শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
প্রিয় পাঠক আমার আলোচনা থেকে এটা ভাববেননা যে তাদের জন্য মেয়েদের দিকে তাকানো জায়েজ।কামনা জাগ্রত হোক বা না হোক সর্বাবস্তাই একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের জন্য পরনারীর দিকে দৃষ্টি দেওয়া হারাম এবং নাজায়েজ।কুরআন মাজিদে যেহেতু কোনো শর্ত দেওয়া হয়নি।অর্থাৎ এটা বলা হয়নি যে আপনার কামনা জাগ্রত না হলে তাকাতে পারবেন।
আল্লাহ তায়ালার থেকে নফস সম্পর্কে জ্ঞানী অন্য কেউ হতে পারেনা।তিনিই নারীদেরকে পরপুরুষের সাথে কোমল কন্ঠে কথা বলতে নিষেদ করেছেন।
নফস সম্পর্কে জ্ঞানী আরিফ যারা তারা জানে নফস কতবেশি শক্তিশালী এবং বেপরোয়া।একে যদি লাগামহীন ছেড়ে দেওয়া হয়,তাহলে এই নফস রুহ অথবা কল্বের যে পরিমান ক্ষতি করবে,একটি ক্ষুদার্থ বাঘকে বকরিপালের মধ্যে ছেড়ে দিলে উক্ত বাঘ সেই পরিমান ক্ষতি করতে পারবেনা।সুতরাং নফসকে লাগাম পরানো প্রত্যেক বুদ্ধিমানের ই মৌলিক কাজ।
সাবধান! এই নফস এবং শয়তান মানুষকে জাহান্নামে না নেওয়া পর্যন্ত পিছু ছাড়ে না।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২৯
Akasher tara বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।
প্রিয় ব্লগার,
আপনি নফস সম্পর্কে মৌলিক গুরুত্বপূর্ন সবকিছুই বলে দিয়েছেন।একজন মানুষের এতটুকু জানাই সাধনার জন্য যথেষ্ট।
আমি খুবই মনোযোগ দিয়ে আপনার মুল্যবান কমেন্টটি পড়লাম।একপ্রকার তৃপ্তিও লাভ করেছি।কারন আমি এগুলো নিয়ে চিন্তা করেত এবং আমল করতে ভালোবাসি।কোথাও এই বিষয়ের কোনো লেখা পেলে মনোযোগ দিয়ে পড়ি,এবং কোথাও আত্মশুদ্ধির কোনো আলোচনা হলে সেখানে মনোযোগ সহকারে বসি।
আপনার মূল্যবান আলোচনার সাথে আমি অল্প একটু অ্যাড করতে চাই।তা হলো,নফসের পবিত্রতা ব্যতীত নামাজের খুশু-খজু এবং হুজুরে কলব পুরোপুরি অর্জন হতে পারেনা।আল্লাহর ধ্যান এবং যিকির অন্তরে বসেনা,অনুরুপভাবে অধিকাংশ মানুষ যেখানে গাফেল উদাসিন,সেখানে যিকির কষ্ট,এবং গাফিল উদাসিনদের মধ্যে যিকির করার সওয়াব বেশি।কারন এমন জায়গায় যিকির কষ্টের।অনুরুপভাবে মুসলিম প্রধান দেশ না হলেও,সেখানে আমল,যিকির এবং আত্মশুদ্ধি, নফস নিয়ন্ত্রন,মোরাকাবা কঠিন হয়ে থাকে।এমন পরিস্থিতিতে সওয়াবও বেশি পাওয়া যেতে পারে।যেমন বাজার একটি উদাসিনতার জায়গা,অথবা খারাপ জায়গা।এমন জায়গায় যিকির করলে সওয়াব বেশি পাওয়া যায়।হাদিসেও সুক্ষ্ম ইঙ্গিত পাওয়া যায়,যেমন বাজারে যে ব্যাক্তি নিন্মোক্ত দোয়াটি পাঠ করবে, লক্ষ লক্ষ নেকি পাওয়ার কথা কিছু বর্ণনায় পাওয়া যায়, দোয়াটি হল—
লা— ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা— শারীকালাহু লাহুল মুলকু,ওয়া লাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদির।
শুভেচ্ছা রইলো
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বেশ মুল্যবান একটি লেখা । লেখাটির উপরে কিছু বলার আগে আপনাকে একটি বিষয়ে বলতে চাই যে ব্লগ হল
একটি পারস্পরিক মিথক্রিয়ার জায়গা । এখানে নীজের ভাবনা চিন্তা লেখে প্রকাশ করা হয় নীজের ভাবনা চিন্তার
সাথে ব্লগ কমিউনিটিতে তা সকলের সাথে শেয়ার করা যাতে এর সুফল লেখক পাঠক সকলেই পেতে পারেন।
মুল্যবান লেখাটি প্রায় ২ মাস ধরে শুন্য মন্তব্য ও মাত্র ৮/৯ বার পাঠ হয়েছে । এর মুল কারণ লেখার কোয়ালিটি
বা কম আকর্ষনীয় তা কিন্তু নয় , মুল কারণ হল পারস্পরিক মিথক্রিয়ার অভাব । সামু ব্লগে প্রায় ২ লক্ষাধিক
ব্লগার আছেন। কেও লগ হিন করে পাঠ করে কেও লগ ইন না করে পাঠ করেন । মোবাইলে প্রতিদিন প্রায়
৫০০ ব্লগার বা পাঠক সামুতে বিচরণ করেন । যাহোক ব্লগে পোস্টে পাঠক সংখ্যা বাড়াতে হলে পারস্পরিক
মিথক্রিয়াটি খুবই জরুরী । এই যে দেখেন আপনি যদি আমার ব্লগ বাড়ীতে গিয়ে আপনার উপস্থিতি জানান
না দিতেন তাহলে আমি জানতামই না যে আপনি নামে কোন একজন ব্লগার আছেন । যাহোক বিষয়টি
একান্তই আপনার ।
এখন আসি আপনার পোস্টের লেখার কথায় । আমার দুস্টি আকর্ষন করেছে আপনার পোস্টের শেষাংশে
থাকা নপ্স সংক্রান্ত কথা মালায় । এই মুল্যবান পোস্টে নফসকে নিয়ন্ত্রনের জন্য কিছু পন্থা প্রাসঙ্গিকভাবে
বলে দিলে ভাল হত। আমার ধারনা এ বিষয়ে আপনি আমার থেকে ভনেক বেশী জানেন । তারপরে এ
বিষয়ে এখানে প্রাসঙ্গিকক্রমে কিছু কথা বলে যাব, যদি অন্য কোন পাঠক দেখেন তখন তার কিছু উপকার
হতে পারে , কিংবা মুল্যবান মন্তব্যদিয়ে আমার ভাবনাকে আরো উন্নত করার পরামর্শ দিতে পারেন ।
যাহোক এবার মুল কথায় যাওয়া যাক ।
ইসলামী শরিয়াহ ও তাসাউফ (সুফীবাদ) উভয় ধারাতেই নফ্স (আত্মপ্রবৃত্তি বা ) নিয়ন্ত্রণকে মানুষের আত্মিক
উন্নতির মূল শর্ত বলা হয়েছে। কুরআন ও হাদীসের শিক্ষা অনুযায়ী নফ্সকে ধ্বংস করা নয়, বরং শুদ্ধ, নিয়ন্ত্রিত
ও আল্লাহমুখী করাই লক্ষ্য।
নিচে শরিয়াহ ও সুফী তরিকাহ দুই দৃষ্টিকোণ থেকে কিঞ্চিত আলোচনা করা হলো।
আরবি “নফ্স” অর্থ মানুষের ভেতরের প্রবৃত্তি, কামনা, অহং, আবেগ ও আত্মসত্তা।
কুরআনে নফ্সের তিনটি প্রধান স্তর বলা হয়েছে নফ্সে আম্মারা (নফ্স আল-আম্মারা)
মন্দের দিকে প্রবৃত্ত করে (সূরা ইউসুফ ১২:৫৩)
নফ্সে লাওয়ামা ভুল করলে নিজেকে তিরস্কার করে (সূরা কিয়ামাহ ৭৫:২)
নফ্সে মুতমাইন্না শান্ত, আল্লাহর সন্তুষ্টিতে স্থির (সূরা ফজর ৮৯:২৭–৩০)
সুফীগণ বলেন মানুষের জীবন হলো নফ্সে আম্মারা থেকে নফ্সে মুতমাইন্নায় পৌঁছানোর সফর।
ইসলামী শরিয়াহ মতে নফ্স নিয়ন্ত্রণের জন্য বাস্তব ও বাধ্যতামূলক আমল নির্ধারণ করেছে।
কুরআন বলে নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।কীভাবে নফ্স নিয়ন্ত্রিত হয় সে কথাও বলা হয়েছে
দিনে ৫ বার নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আত্মস্মরণ,অহংকার ভাঙে (সিজদায়),আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পণ
নিয়মিত খুশু সহ নামাজ করলে নফ্স দুর্বল হয়।
সিয়াম (রোজা),রাসূল (স.) বলেছেন “রোজা ঢালস্বরূপ। রোজার প্রভাবে
ক্ষুধা তথা কামনা নিয়ন্ত্রণ, ধৈর্য বৃদ্ধি ও প্রবৃত্তির উপর নিয়ন্ত্রণ হয় ।
সুফীরা বলেন পেট ভরা থাকলে নফ্স শক্তিশালী হয়।
হালাল-হারাম মেনে চলা ;নফ্স স্বাধীনতা চায়, শরিয়াহ সীমা দেয়।
বিশেষ নিয়ন্ত্রণ হল দৃষ্টি সংযম,জিহ্বা সংযম,অর্থ উপার্জনে সততা আর সম্পর্কের পবিত্রতা
যিকির ও কুরআন তিলাওয়াত আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়।
যিকির হৃদয় নরম করে, অহং কমায়, শয়তানের প্রভাব কমায়
তওবা ও আত্মসমালোচনা (মুহাসাবা) প্রতিদিন নিজেকে প্রশ্ন, আজ কী ভুল করেছি?
বির আর আদলে কার অধিকার নষ্ট করেছি কোথায় কী ভাবে কী অন্যায় করেছি ,
এটি নফ্সে লাওয়ামা তৈরি করে।
সুফী বিধান (তাসাউফ) মতে নফ্স নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সুফীগণ শরিয়াহর উপর ভিত্তি করেই গভীর
আত্মিক পদ্ধতি তৈরি করেছেন।
মুজাহাদা (আত্মসংগ্রাম) নফসের বিরুদ্ধে সচেতন সংগ্রাম।উদাহরণ হল রাগ উঠলে চুপ থাকা,প্রতিশোধ
না নেওয়া,অহংকার দমন এটিকে বলা হয় জিহাদুন নফ্স (নিজের বিরুদ্ধে জিহাদ)
মুরাকাবা (আল্লাহর উপস্থিতি অনুভব)নীরবে বসে হৃদয়কে আল্লাহমুখী করা।ভাবনা আল্লাহ আমাকে দেখছেন,
ফল হল গোপন গুনাহ কমে,অন্তর সচেতন হয়।
যিকিরে কাসির (অধিক যিকির), সুফী তরিকায়,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইসমে জাত যিকির,দরুদ শরীফ।
যিকির হৃদয় পরিষ্কার করে নফ্স দুর্বল হয়।
সোহবতে সালেহীন (নেক সঙ্গ)মানুষ পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত।সুফী নীতি হল যার সাথে থাকবে, তার মতো হবে।
কম খাওয়া, কম কথা, কম ঘুম এ হল সুফী ত্রয়ী নীতি: কম খাওয়া নফ্স দুর্বল। কম কথা গুনাহ কম,
কম ঘুম হৃদয় সচেতন।
খলওয়াত (নির্জন সাধনা)কিছু সময় একাকী ইবাদত, তাহাজ্জুদ,ধ্যান,যিকির এতে অন্তরের আওয়াজ শোনা যায়।
পীর/মুরশিদের তত্ত্বাবধান,সুফী মতে আত্মিক রোগ নিজে ধরা কঠিন।মুরশিদ অহংকার শনাক্ত করেন,আমল
সংশোধন করে।
শরিয়াহ ও সুফীবাদের সমন্বিত মূলনীতির মধ্যে সুফীগণের বিখ্যাত নীতি হল শরিয়াহ ছাড়া তাসাউফ ভ্রান্ত
আর তাসাউফ ছাড়া শরিয়াহ শুষ্ক। অর্থাৎ শরিয়াহ দেয় বাহ্যিক শুদ্ধতা,তাসাউফ দেয় অন্তরের শুদ্ধতা ।
বাস্তব দৈনিক নফ্স নিয়ন্ত্রণ রুটিন (প্রয়োগযোগ্য), প্রতিদিনের জন্য সকালে ফজর নামাজ,১০ মিনিট যিকির।
দিনে দৃষ্টি সংযম, কম কথা। সন্ধ্যায় কুরআন তিলাওয়াত, আত্মসমালোচনা ।রাত ইশা + ২ রাকাত নফল +
তাহাজ্জুদ + বিতির শেষে তওবা।
নফ্স নিয়ন্ত্রণ কোনো একদিনের কাজ নয়; এটি আজীবন সাধনা।ইসলামের লক্ষ্য নফ্সকে হত্যা নয়, বরং
আল্লাহর আনুগত্যে প্রশিক্ষিত করা। যখন নফ্স শান্ত হয়, তখন মানুষ পৌঁছে যায় নফসে মুতমাইন্না অবস্থায়,
যেখানে হৃদয় আল্লাহর স্মরণে প্রশান্ত হয়।
শুভেচ্ছা রইল