| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জঙ্গিবাদ,এবং ইসলামিক যিহাদের মধ্যে পার্থক্য।
অনেকেই জঙ্গিবাদ এবং ইসলামিক যিহাদের মধ্যে গুলিয়ে ফেলেন।দুটো কি একই নাকি ভিন্ন।
জঙ্গিবাদ এবং ইসলামিক যিহাদের মধ্যে আকাশ পাতালের ব্যাবধান রয়েছে। ইসলাম কখোনো প্রচলিত জঙ্গিবাদকে সমর্থন করেনা।বরং প্রচলিত জঙ্গিবাদকে সন্ত্রাসবাদ হিসেবে চিন্হিত করে।আমি দুটোর মধ্যে পার্থক্য নিচে আলোচনা করবো,যাতে সন্দেহ দূর হয়।
ইসলামিক যিহাদ
ইসলামিক যিহাদে একজন সেনাপতি বা আমীর থাকেন,যিনি পুরো যিহাদের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন,এবং এই যিহাদ গুপ্ত হামলা,অথবা গোপনে নয়,বরং প্রকাশ্যে যিহাদের ঘোষনা দেওয়া হয়ে থাকে।অপর পক্ষ যদি যুদ্ধে রাজী থাকে,তাহলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়ে থাকে।প্রথমে সমোঝোতা বা শান্তি চুক্তির চেষ্টা করা হয়,সমোঝোতা বিফল হলে যুদ্ধ অবধারিত হয়ে যায়।চোরা গুপ্ত,অথবা না বলে কয়ে হামলা এই যিহাদের অন্তরভুক্ত নয়।তবে হ্যা!যুদ্ধ একবার শুরু হয়ে গেলে,সেনাপতি যুদ্ধকৌশল হিসেবে চোরাগুপ্ত হামলার পথ বেছে নিতে পারে,সেটা যুদ্ধকৌশলের অন্তর্ভুক্ত,এবং এটা সেনাপতির বিচক্ষনতার প্রমান।
২।ইসলামিক যিহাদ নারী এবং শিশুদেরকে হত্যার অনুমতি দেয়না।
জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদ
বিপরিতে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণ উল্টো তত্ব অনুসরন করে,ইসলামিক যিহাদের সাথে যার কোনো সম্পর্ক নেই।
২|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ইসলামী জিহাদ ও জঙ্গীর মধ্যে পার্থক্যের ব্যাখা ভাল হয়েছে।
আমার মনে হয় নারী প্রার্থী না দেয়াতে জামাত নির্বাচনে
দেশের মহিলা ভোটার টানতে পারিনি । জামাত নির্বাচনে
নারি প্রার্থী না দিলে সামনের নির্বাচনে আরো খারাপ করতে
পারে ।
শুভেচ্ছা রইল
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৭
Akasher tara বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই,মন্তব্য করার জন্য।আমারও তাই মনে হয়।বর্তমান কার্ল চার অনুযায়ী নারী প্রার্থী দেওয়া জরুরি।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইসলামিক যিহাদ নারী এবং শিশুদেরকে হত্যার অনুমতি দেয়না।
.....................................................................................
আপনি কি বলতে পারেন কেন এই নির্বাচনে জামাত
কোন নারী প্রার্থী দেয় নাই ???