নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পুরাতন নতুন রূপে আসাই সভ্যতা

এ কে সুমন

এ কে সুমন › বিস্তারিত পোস্টঃ

গোলাম মওলা রনি সমাচার

২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:৪৫

আমি আগে গোলাম মওলা রনি এম পি কে চিনতাম না । একবার কোন এক টকশোতে তিনি আবুল হোসেন এম পি র মন্ত্রিত্র সর্ম্পকে রসালো গল্প বলার পর সারা দেশে হই ছই পরে যায় । তখন থেকে আমি গোলাম মওলা রনি এম পি এক রকম ভক্ত । তার বিভিন্ন লেখার আমি নিয়মিত পাঠক ।কিছুদিন আগে বাংলাদেশ প্রতিদিন সংবাদ পত্রে গোলাম মওলা রনি এম পি র একটি কলামে ন্যাম প্লাটে বিভিন্ন দুর্নিতি নিয়ে লেখা হয়। এমনকি এম পি সাহেব নিজ পছন্দ মত প্লট বরাদ্ধ না পেয়ে মনের দুঃখ প্রকাশ করেন । আমিও এম পি দুঃখে বাথিত হলাম। মনে মনে ভাবতাম এমনকি অনেক বন্ধুকে বলেছি এদের মত নেতা আমাদের দেশে খুব প্রয়োজন । যে প্রয়োজনে দেশের পক্ষে হয়ে দলের বিপক্ষে কথা বলবে । দল মত নির্বিশেশে কথা বলবে। সবাই তাকে সম্মান করবে । আমাদের মত তরুণরা তাদের কাছে শিখতে পারবে।



কিন্তু আজ অফিস থাকে বাসায় ফিরে অন লাইন এ প্রথম আলো পত্রিকার অন লাইন ভার্শন এ ওপেন করে , যখন গোলাম মওলা রনি এম পি কে নিয়ে হেড লাইন "সাংবাদিক দেখে তেড়ে এসে মারধর করলেন সাংসদ রনি (ভিডিও)" । তখন আমার কাছে মিথ্যা মনে হয়েছিল হেড লাইনটি , আমি বিশ্বাস করতে পারিনি গোলাম মওলা রনি এ কাজ করতে পারে। কিন্তু সম্পন্ন নিউজ পরে। বাস্তবতাই ফিরে আসি। আমার ভুল ভাঙ্গে । আমি মিথ্যা নায়ক তৈরি করেছি আমার মাঝে। আমাদের সত্যিকারের আর্দশ মানুষ নাই। আমরা শুদু মানুষের মুখ দেখে যাব মুখোশ দেখতে পাব না।





পাঠকের জন্য "প্রথম আলো " অন লাইন ভার্সন এর কিছু অংশ দেয়া হল।



রাজধানীর তোপখানা রোডের মেহেরবা প্লাজায় আওয়ামী লীগের সাংসদ গোলাম মাওলা রনির কার্যালয়। সেখানে অপেক্ষা করছিলেন বেসরকারি টেলিভিশন ইনডিপেন্ডেন্টের দুই সাংবাদিক। তাঁদের হাতে ছিল ক্যামেরা। এ সময় কার্যালয় থেকে বের হয়ে আসেন সাংসদ গোলাম মাওলা। এসেই তিনি সাংবাদিকদের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘এখানে কেন?’ উত্তরে সাংবাদিকেরা জানান, ‘বসে আছি।’ সাংসদ পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কেন?’ সাংবাদিকেরা আবার বলেন, ‘কেন, বসে থাকা যাবে না?’ এ সময় সাংসদ বলেন, ‘এটা একটা প্রাইভেট অফিস।’ বলতে বলতেই তিনি সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। শুরু করেন লাথি, কিল, ঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধর। একপর্যায়ে সাংসদ গোলাম মাওলার সঙ্গে যোগ দেন তাঁর সহযোগীরাও। ভেঙে ফেলা হয় সাংবাদিকদের ক্যামেরা।

আজ শনিবার দুপুর পৌনে একটার দিকে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে ঘটে এ ঘটনা। পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের অপরাধবিষয়ক অনুষ্ঠান ‘তালাশ’-এর প্রতিবেদক ইমতিয়াজ মমিন ও ক্যামেরাম্যান মোহসিন মুকুলকে বেধড়ক পেটান সাংসদ গোলাম মাওলা।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:৫৫

আদার ব্যাপারি বলেছেন: same here.

মনের মধ্যে একটা ভুল মানুয কে সমিহ ক্করতাম হাজারো খারাপ রাজনিতিক দের ভিরে।

২| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:৫৬

ফুরব বলেছেন: সরকার ও আওয়ামী লীগের গঠনমূলক কঠোর সমালোচনার মূল্য দিতে হচ্ছে এখন তাদের নিজ দলের লোককেই। আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি শেয়ার বাজার ধ্বংসের জন্য সালমান এফ. রহমান ও তার দোসরদের সমালোচনা করেছেন বলে তিনি এখন হুমকি ধামকি পেতে শুরু করেছেন। তার নির্বাচনী এলাকা, তার কর্মস্থল, তার বাড়ি, সর্বত্র সালমান এফ. রহমানের মালিকানাধীন চ্যানেল ও পত্রিকার সাংবাদিকরা তাকে অনুসরণ ও অনুসন্ধান করছে। উদ্দেশ্য যে কোন ফাঁক পাওয়া মাত্র তারা রনির নামে "বিশ্লেষণী" ও "অনুসন্ধানমূলক" রিপোর্ট করবে!

এ সম্পর্কে রনি লিখেছেন, "১০ টার দিকে বের হয়ে দেখি দরবেশ বাহিনী দাঁড়ানো। আমি আবার ছুটলাম আরটিভিতে। তারাও পিছু নিলো। রাত সোয়া একটায় সেখান থেকে বের হ্যে দেখি তারা দাঁড়িয়ে আছে। বাসা পর্যন্ত এগিয়ে ছিলো। এই ধারা এখনো অব্যাহত আছে। এই লিখা যখন লিখছি তখন দরবেশের গুন্ডা বাহিনী আমার অফিসের সামনে ক্যামেরা তার করে বসে আছে। আমার প্রস্তাব এসবের কি দরকার। আমি তো সম্পূর্ণ একা বসে আছি। যে কাউকে পাঠিয়ে একটি গুলি করে দিলেইতো খেল খতম।" (পুরোটা পড়ুনঃ http://j.mp/132cnuv)


আওয়ামী লীগ যে একটা আগা গোড়া ফ্যাসিবাদী দল, সেটা এখন এমন কি তাদের পোষ্য গণমাধ্যমের আচরণেও প্রকাশ পাচ্ছে। আওয়ামী লীগার একজন শ্রমিকই হোক, একজন ছাত্রই হোক, একজন সুশীলই হোক, একজন সাংবাদিকই হোক, একজন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক অথবা একজন শীর্ষ ব্যবসায়ীই হোক, তাদের কাছে ভিন্নমতের কখনওই গ্রহণযোগ্যতা নেই। প্রথমে তারা চাইবে চিৎকার করে সেই ভিন্নমতের কন্ঠকে নামাতে। এটা না পারলে চেষ্টা করবে তার মুখ বন্ধ করতে। ওটাও না পারলে করবে নোংরা ছিদ্রান্বেষণ। একটি দলের সমর্থকরা শিক্ষা, দীক্ষা, সামর্থ নির্বিশেষে আগা গোড়া পাশ তলা কীভাবে একই মানসিকতার হয়, তা একটি গবেষণার বিষয় হতে পারে।

৩| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:০০

মুইজামাল বলেছেন: আওয়ামীলীগের সকল এমপি, মন্ত্রীরা খুব মার মুখি....ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করেছে এরা....আফসোস....জনগণকে শেখ হাসিনা গাধা বলে তার দলের ভালো (!) লোককে ভোট না দেয়ার জন্য....এই ভালো মানুষের নমুনা..

৪| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:২৯

সাকিব শাহরিয়ার বলেছেন: আমারো ভুল ভাঙ্গছে।

৫| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:৪৩

হরিসূধন বলেছেন: রনি ঠিক ই করেছে! বেটা সাংবাদিক হইচোছ মাগার তোদের দরবেশ বাবার "শেয়ারের" তালাশ করতে পারোছ নাই! ঘরের ডাকাত চিনোনা কিন্তু তার নির্দেশে অন্যের পাছার শোকনো ময়লার গন্ধ নেয়ার জন্য পিছে পিছে ঘুরো??? তোম্রা কত বড় সাংঘাতিক !!

৬| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:৪৭

অ্যামাটার বলেছেন: বাংলাদেশের সবচেয়ে ইতর প্রজাতির প্রাণী হল সাংবাদিকেরা।
আর রনির সাথে গন্ডগোল যারা করেছে, এদের একটা নতুন নামকরন করা যেতে পারে, এরা স্রেফ ভাড়া খাটা 'জার্নালিস্টিটিউট'

দানব দরবেশের সাথে এই অসম লড়াইয়ে সাধারণ মানুষ অবশ্যই গোলাম মাওলা রনি'র পাশে থাকবে।

৭| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৩:০৪

ননদালীনাজ বলেছেন: আওয়ামী লীগার একজন শ্রমিকই হোক, একজন ছাত্রই হোক, একজন সুশীলই হোক, একজন সাংবাদিকই হোক, একজন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক অথবা একজন শীর্ষ ব্যবসায়ীই হোক, তাদের কাছে ভিন্নমতের কখনওই গ্রহণযোগ্যতা নেই। প্রথমে তারা চাইবে চিৎকার করে সেই ভিন্নমতের কন্ঠকে নামাতে। এটা না পারলে চেষ্টা করবে তার মুখ বন্ধ করতে। ওটাও না পারলে করবে নোংরা ছিদ্রান্বেষণ। একটি দলের সমর্থকরা শিক্ষা, দীক্ষা, সামর্থ নির্বিশেষে আগা গোড়া পাশ তলা কীভাবে একই মানসিকতার হয়, তা একটি গবেষণার বিষয় হতে পারে।

৮| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৩:৪৯

আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
তৃতীয় মাত্রা দেখে যা মনে হলো, বেচারা রনি কে ফাসানো হচ্ছে।
রাজনীতির উল্টো দিক টা সে এখনি দেখতে পাচ্ছে।।

৯| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ ভোর ৪:০০

জগ বলেছেন: হারামজাদা ভাড়া খাটা সাংবাদিকদের আরো পিটানো দরকার, হারামজাদারা কামের কাম কিছু করবে না কিন্তু বাল ফালানোর কাজে এক পায়ে খাড়া থাকবে। এই হারামিদের জন্যই আজকে দেশের এই অবস্থা।

রনি ভাই উচিৎ কাম করছে, হালারপুতেগো পিটাইয়া হাড্ডি গুড়া করা লাগছিল।

১০| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ ভোর ৪:২৪

মাসরুর প্রধান বলেছেন: তালাশ অনুষ্ঠানটা পছন্দ করি, দেখি ওরা কি বলে। ঘটনার আগে পরে জেনে তার পর বুঝতে হবে। হুট করে কাউকে খারাপ বলাটা সমর্থন করিনা।

১১| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ ভোর ৫:০২

নয়ামুখ বলেছেন: আমার কেন যেনো মনে হচ্ছে গোলাম মৌলা রনীর মামলায় সালমান এফ রহমানকে গ্রেফতার করা হবে । তাকে আটকে রাখা হবে, কিন্তু রাজার হালে ।তাকে আর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মামলায় সাফাই সাক্ষী দিতে হবেনা । নির্ধারিত সময় পার হলেই দরবেশ বাবা সসম্মানে মুক্তি পাবেন । পরিকল্পনা অনুযায়ী সব কিছু চললে সাপও মরবে,লাঠিও ভাঙ্গবেনা । তাই এটিকে বলা যেতে পারে একটি অসামান্য পরিকল্পনা ।

১২| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ ভোর ৫:৪৭

স্টেনটোরিয়ান বলেছেন: সহজ ২টা কারন বলি, প্রাইভেট প্রপার্টিতে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা যায়না এবং সেই স্হান ত্যাগ করতে বললে সেটা করতে বাধ্য। ভিডিও ক্লিপটিতে যতটুকু দেখলাম রনি তাদের সেখানে বসে থাকার কারন জানতে চাইছে। তারমানে তারা সেখানে বিনা অনুমতিতে অবস্হান করছিল এবং তাদের আচরনটা ছিল এমন যেন এটা তোমার বাপের জায়গা হতে পারে কিন্তু আমার ইচ্ছা হইছে তাই আমি এখানে বসে থাকব। এমন অবস্হায় আপনারা কি করতেন জানিনা, আমি হলে ঠ্যাঙ্গ ভেঙ্গে রাস্তায় ফেলে দিতাম।

১৩| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ ভোর ৬:৫৭

ভিটামিন সি বলেছেন: @ আমি কি আপনার বাসায় বিনা অনুমুতিতে প্রবেশ করে বসে থাকতে পারবো? তারপর আবার উপরোক্ত কথোপকথন?? রনির জায়গায় আমি হলে তো প্রথম কথার পরই মাইর শুরু করতাম। রনি তো তাও ২ লাইন পরে শুরু করছে।
তারপর যা পড়লাম কমেন্টে পাটের রশি দরবেশ সাদা বাবার গুন্ডারা উনার পিছনে লেগেছে। এমন হলে তো কোন কথা বলার আগেই চপেটাঘাত শুরু করতাম।
রনি যা করছে একটু দেরি করে ফেলেছে। আরও আগেই মাইর শুরু করা উচিত ছিল। রনির পাশে থাকবো সবসময়।।।

১৪| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৮:১২

শয়ন কুমার বলেছেন: রথম আলো - কালের কন্ঠ’র মত প্রথম সারির পত্রিকা যেখানে মালিকের পক্ষে কলম ধরে, সেখানে ইন্ডিপেন্ডেন্ট করতে কতক্ষণ? খারাপ দু ধরনের আছে, একটি হল শুধু খারাপ আরেকটি হল খুব খারাপ । সন্দেহ করে থাকি, গোলাম মাওলা রনি খারাপের দলের (??) কিন্তু ত সালমান এফ রহমান অপরদিকে খুব খারাপেরও এক্সট্রিম লেভেলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
রনি খুব অসময়ে এসব নিয়ে টানা হেঁচড়া শুরু করেছেন, এর ফল উনার জীবন দিয়ে কিনা দেয়া লাগে সেটা সময়ই বলে দিবে। ক্ষমতার জোর হোক আর যাই হোক,রনি জলে থেকে কুমিরকে ভালই একটা থাপ্পর দিতে পেরেছে।রনির ঘটনার মূল উৎস টি আগে বিবেচনায় নিতে হবে ।সর্বশান্ত হাজার হাজার মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে মহাশক্তিধরদের বিরুদ্ধে রনি যে অসম লড়াই শুরু করেছিল সেটাই ছিল এই ঘটনার তৈরির মূল প্রক্ষাপট ।আজ যারা রনির বিরদ্ধে নীতিকথা বলতাছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলি এই জন্যই তো বার বার সালমান এফ রহমানেরা আপনাদের(বাঙ্গালী জাতিকে) বার বার চোদার পরও বহাল তবিয়তে পার পেয়ে যায় ।উল্টো অপদস্ত হয় যারা নিসঙ্ক চিত্তে মহালুটেরাদের বিরুদ্ধে অসম লড়াই শুরু করে তারা ।এ লড়াই আওয়ামী লীগ-বিএনপির লড়াই নয় ।এ লড়াই মহাশক্তিধর লুটেরাদের সাথে সততার লড়াই ।ঐ সাংবাদিক নামধারী পশুরা হল লুটেরা সালমান এফ রহমানদের টাকায় পোষা পাহারাদাড় ।ওরা সাংবাদিক নয়। শেয়ার বাজারের দরবেশ সালমান এফ রহমানদের পাহারাদার । লুটেরাদের দল নাই। লুটেরা আর তাদের শাঙ্গোপাঙ্গোরা মুখোশধারী সাংবাদিক, রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী অথবা যা কিছুই হোক না- প্রকৃতপক্ষে তাদের আসল পরিচয় তারা লুম্পেন লুটেরাদের পাহাড়াদার । ।রনি ভাইয়ের জয়গায় আমি হলে ঐটারে আরও পিটাতাম অন্তত শেয়ার বাজারের সর্বশান্ত হাজার হাজার মানুষের পক্ষ থেকে অন্তত ছোট্র প্রতিশোধ হিসেবে ।

১৫| ২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৮:৩৪

মুদ্‌দাকির বলেছেন: রাজনৈতিক নেতারা সবাই হয়ত খারাপ না, কিন্তু বাংলাদেশের সাংবাদিকরা সবাই ভাড়া করা কুকুর ছাড়া আর কিছু না!!! ভালো মানুষ হইতে গেলে ক্যারিয়ার টিকবেনা বা সাগর-রুনি হইতে হবে, কি দরকার ভাজালের ব্লাকমেইল করাই ভালো!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

১৬| ২২ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৯

এ কে সুমন বলেছেন: আপনাদের মতামতের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.