| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও ২০২৫ অর্থবছরের অক্টোবর মাসে আফগানিস্তানের রপ্তানি সেপ্টেম্বরের তুলনায় ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাণিজ্যিক প্রবাহ পুনর্গঠন এবং বিকল্প দেশে রপ্তানি বৃদ্ধির ফলে এ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সীমান্ত বন্ধের পর আফগান রপ্তানিকারকরা ভারত ও উজবেকিস্তানে সফলভাবে তাদের পণ্যের নতুন বাজার গড়ে তুলেছেন। প্রতিবেশী দেশগুলোতে আফগানিস্তানের কৃষিপণ্যের বাড়িতি চাহিদা রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে আফগানিস্তানের খাদ্যপণ্য রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ২৩৮.৪ মিলিয়ন ডলারে, যা বছরে ৮.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। ২০২৫ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে খাদ্যপণ্য রপ্তানি ২২ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ২০২৫ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে আফগানিস্তানের মোট রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ১.১ বিলিয়ন ডলার, যা বছরে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করা হয় ভারতে। অক্টোবর মাসে মোট রপ্তানির ৫০ শতাংশই গেছে ভারতীয় বাজারে।
রপ্তানির পাশাপাশি আমদানির ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। বিশ্বব্যাংক জানায়, অক্টোবর মাসে আফগানিস্তানের আমদানি সেপ্টেম্বরের তুলনায় ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১.১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে মোট আমদানি পৌঁছেছে ৭.৬ বিলিয়ন ডলারে, যা ২১ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। এ সময়ে কাঁচামালের আমদানি ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্পকারখানার সক্রিয়তার প্রমাণ বহন করে।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন স্পষ্টভাবে দেখায় যে সীমান্ত সমস্যাসহ নানান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও আফগানিস্তান রপ্তানি ও শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারলে এই প্রবৃদ্ধি আরো সামনে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।
©somewhere in net ltd.