| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সম্প্রতি কাশ্মীরে ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনী তথাকথিত ‘হোয়াইট-কলার স'ন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক’ দমনের নামে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে, যার ফলে অঞ্চলজুড়ে আ'তংকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ২৩ নভেম্বর শ্রীনগরে তুফায়েল নিয়াজ বাট নামে এক সাধারণ বাসিন্দাকে গ্রে'প্তার করা হয়। দখলদার বাহিনীর দাবি, গত অক্টোবরে নওগামের বুনপোরায় পোস্টার লাগানোর ঘটনার চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে আটক করা হয়েছে। তবে স্থানীয়রা বলছেন, এই ঘটনার অজুহাতে বহু মানুষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে, যা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এর আগে একই ঘটনার মামলায় তিন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের গ্রেফতার পর ভারতীয় বাহিনী ইরফান আহমেদ নামে একজন মৌলভীকে গ্রেপ্তার করে, যিনি প্রাক্তন প্যারামেডিক থেকে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পুলিশের দাবি, তিনি পোস্টার সরবরাহ এবং কয়েকজন চিকিৎসককে উগ্র মতাদর্শে প্রভাবিত করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই অভিযোগ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এছাড়াও এ ঘটনায় ভারতের ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও দুই কাশ্মীরি চিকিৎসকে আটক করা হয়, যা শিক্ষাগত ও পেশাগত সমাজে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
অধিকার সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন বিক্ষোভ, সমালোচনা বা পেশাগত স্বাধীনতার মতো স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, এবং ডাক্তার, ছাত্র, শিক্ষাবিদ থেকে ধর্মীয় ব্যক্তিদেরও সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়দের জানিয়েছেন, তল্লাশি ও গ্রেপ্তার এখন প্রায় দৈনন্দিন ঘটনায় পরিণত হয়েছে- কখনও পোস্টার, কখনও মতপ্রকাশ, কখনও ব্যক্তিগত যোগাযোগের অজুহাতে মুসলিমদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
©somewhere in net ltd.