নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

"সবাই আল্লাহওয়ালা, আল্লাহওয়ালী হয়ে যাও"

আমার ঘুম পায় না

আমার ঘুম পায় না › বিস্তারিত পোস্টঃ

শরীয়তের দৃষ্টিতে মা দিবস, বাবা দিবস সহ কুফরী সম্বলিত বিধর্মীদের প্রবর্তিত সমস্ত দিবসগুলি যা ইসলামী কোনো আদর্শ নয়; বরং সম্পূর্ণরূপে বেদ্বীনী ও বিজাতীয় আদর্শ-এগুলি পালন করা সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কাট্টা কুফরী।

১৩ ই মে, ২০১২ ভোর ৪:০৪

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি যা নাযিল বা আদেশ করেছেন তা পালন করো।’আশ্চর্যের বিষয়, মহান আল্লাহ পাক তিনি আদেশ করার পরও মুসলমানগণ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বর্ণিত দিবসসমূহ পালন না করে কাফির মুশরিক তথা বিধর্মীদের কর্তৃক প্রবর্তিত দিবসসমূহ যেমন মা দিবস, বাবা দিবস ইত্যাদি কুফরী সম্বলিত দিবসসমূহ পালন করার জন্য ব্যাকুল হচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ!

অতএব, মুসলমানগণকে মনে রাখতে হবে-শরীয়তের দৃষ্টিতে ‘মা দিবস’সহ বিধর্মীদের প্রবর্তিত সমস্ত দিবসগুলি পালন করা সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কাট্টা কুফরী।

কেননা এ সমস্ত দিবসগুলি ইসলামী কোনো আদর্শ নয়; বরং সম্পূর্ণরূপে বেদ্বীনী ও বিজাতীয় আদর্শ

প্রকৃতপক্ষে ইহুদী-খ্রিস্টান তথা সকল বিধর্মীরা তথাকথিত ‘মা দিবস’-এর মাধ্যমে মুসলমানদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের থেকে গাফিল করে কাফির-মুশরিকদের দিকে রুজু করতে চায়।

কাজেই, আগামীকাল যারা ‘মা দিবস’ পালন করবে তারা কবীরাহ গুনাহ ও কুফরী করবে।

তাই ‘মা দিবস’ পালন করা থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলার জন্য ফরয-ওয়াজিব।

যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মা দিবসের উৎপত্তি, আদর্শ ও সংস্কৃতি কোনোটাই মুসলমান বা ইসলামের তরফ থেকে নয়। বরং ‘মা দিবসের’ উৎপত্তিকারক হচ্ছে- ইহুদী-নাছারা, বেদ্বীন-বদদ্বীন তথা কাফির মুশরিকরা। আর ইসলামের দৃষ্টিতে এমন কোনো কাজ করা যাবে না যা কাফির-মুশরিকদের সাথে সাদৃশ্য রাখে। এজন্য আশূরার রোযা একদিন রাখা নিষেধ বা মাকরূহ। কারণ সেদিন ইহুদীরাও রোযা রাখে।



কথিত ‘মা দিবস’ সম্পর্কে শরীয়তের ফায়ছালা তুলে ধরতে গিয়ে এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কোনো মুসলমানদের জন্যই কোনো অবস্থাতেই বিজাতীয় ও বিধর্মীদের নিয়ম-নীতি ও তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ-অনুকরণ করা জায়িয নেই; বরং সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কাট্টা কুফরী। যারা জায়িয বলবে তাদের উপর কুফরীর ফতওয়া বর্তাবে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা আলে ইমরান’-এর ৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ-এ বলেন, “যে ব্যক্তি দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্ম (বিধর্মী ও বিজাতীয়দের নিয়ম-নীতি ও তর্জ-তরীক্বা) তলব বা অনুসরণ ও অনুকরণ করে, তার থেকে তা কখনই গ্রহণ করা হবে না এবং সে পরকালে (অবশ্যই) ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।”



মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে সে তাদের দলভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।”



মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ফিলাডেলফিয়ার অ্যানা জারভিস ১৮৬৮ সালে গৃহযুদ্ধ আক্রান্ত পরিবারগুলোকে একত্রিত করেছিল। তাদেরকে মায়ের মমতা দিয়ে যুদ্ধের শোক ভোলানোর চেষ্টা করেছিল সে। তখন সে সবার কাছে পরিচিত হয়েছিল মা হিসেবে। ১৯০৭ সালে মে মাসে দ্বিতীয় রোববার মারা যায় অ্যানা জারভিস। ১৯১৪ সালে প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন অ্যানার সম্মানার্থে প্রতি মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘জাতীয় মা দিবস’ হিসেবে চিহ্নিত করে।



মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মা দিবস পালন মূলত পাশ্চাত্য হতে আমদানিকৃত অন্যান্য ফ্যাশনের মতো একটি বিজাতীয় ফ্যাশন। থার্টি ফার্স্ট নাইট, ভ্যালেন্টাইন ডে’র মতো এটাও একটি পাশ্চাত্য বিজাতীয় সংস্কৃতি। মুসলিম দেশসমূহে কোনো মতেই এ সংস্কৃতি লালন ও পালন করা জায়িয নেই।



মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তথাকথিত মা দিবসের প্রচারণা মূলত এটাই প্রমাণ করে যে, আসলে মা দিবস পালনকারী কাফির-মুশরিকরা মাতৃভক্তি ও ভালোবাসার চেতনায় উজ্জীবিত নয়। তারা মাতৃ ভালোবাসার বন্ধনহীনতায় ভুগছে। অশান্তিতে ভুগছে। যন্ত্রণায় দগ্ধ হচ্ছে। তার থেকে উত্তরণ লাভের জন্য তারা তথাকথিত মা দিবসে ক্ষণিকের জন্য মাতৃভক্তির চেতনায় উজ্জীবিত হবে। অথচ ইসলাম প্রতিটি দিনে প্রতিটি মুহূর্তেই মায়ের প্রতি অগাধ মুহব্বতের প্রেরণা ও শক্ত নির্দেশ দেয়।



মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “তোমাদের রব তায়ালা তিনি আদেশ করেন যে, উনার ব্যতীত অন্য কারো ইবাদত কর না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার কর। উনাদের মধ্যে একজন অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে উনাদেরকে ‘উহ্’ শব্দটিও বলো না এবং উনাদেরকে ধমক দিয়ো না এবং বল উনাদেরকে শিষ্টাচারপূর্ণ কথা। উনাদের সামনে মুহব্বতের সাথে দয়ার হাত বিছিয়ে দাও এবং বল; হে আমার রব তায়ালা! উনাদের উভয়ের প্রতি রহম করুন। যেমন উনারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।” (সূরা বনী ইসরাঈল : আয়াত শরীফ ২৩-২৪)



মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে রেহেম শরীফ-এ ধারণ করেছেন। তার দুধ ছাড়ানো হয় দু’বছরে। নির্দেশ দিয়েছি যে, আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও।” (সূরা লোকমান : আয়াত শরীফ ১৪)

আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত” বা “পিতা ও মাতার সন্তুষ্টিতে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি।”



মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এই আয়াত শরীফ ও হাদীছ শরীফ মুসলিম সন্তানের হৃদয়ে বাবা-মার প্রতি যে অভূতপূর্ব মুহব্বত, খিদমত ও আদব-লেহাজের অনুভূতি তৈরি করে; ক্বিয়ামত পর্যন্ত অপর কোনো বাণী, চেতনা বা মূল্যবোধ তার ধারে-কাছের অনুভূতিও তৈরি করতে পারবে না। কারণ এ হচ্ছে ওহী। এ ওহীর তাছির বেমেছাল হৃদয়গ্রাহী। যে কারণে এখনও বিশ্বের মুসলমানগণ বাবা-মা কেন্দ্রিক পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ। আর এ বন্ধনই পশ্চিমা সভ্যতার বল্গাহীন জীবন থেকে মুসলমানদের রক্ষা করছে।



মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কাজেই পশ্চিমা তথা ইহুদী-খ্রিস্টানদের নজর এই রক্ষা কবচ তথা মুসলমানদের পারিবারিক বন্ধন ও মূল্যবোধ বিনষ্টকরণের দিকে। সেক্ষেত্রে বাবা-মা’র প্রতি ইসলামী চেতনা অবলুপ্ত করে বছরে একদিন একটি কার্ড আর কিছু ফল পাঠিয়ে বাবা-মা দিবস সংস্কৃতি প্রচলনের মাধ্যমেই ওরা অনেকাংশে সফল হবে বলে মনে করছে। কাজেই সচেতন মুসলমানকে এখনই এ বিষয়ে সঠিক ভূমিকা নিতে হবে।



মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- শরীয়তের দৃষ্টিতে খাছ করে ‘মা দিবস’ আর আম বা সাধারণভাবে সমস্ত দিবস যেগুলি বিধর্মীদের দ্বারা প্রবর্তিত তা পালন করা সম্পূর্ণ হারাম ও কাট্টা কুফরী। কারণ তথাকথিত ‘মা দিবস’ ইসলামী কোনো আদর্শ নয়; বরং সম্পূর্ণরূপে বেদ্বীনী ও বিজাতীয় আদর্শ। ইহুদী-খ্রিস্টানরা তথাকথিত ‘মা দিবস’-এর মাধ্যমে মুসলমানদেরকে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ থেকে গাফিল করার গভীর ষড়যন্ত্র করছে। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের থেকে সরিয়ে বা গাফিল করে দিয়ে কাফির মুশরিকদের দিকে রুজু করতে চায়। যা থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই মে, ২০১২ ভোর ৪:২৬

বায়েজিদ আলম বলেছেন: জরুরী পোষ্ট+++

Click This Link

২| ১৩ ই মে, ২০১২ ভোর ৬:২৪

অনন্ত আসলাম বলেছেন: এই সব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট গুলা জীবনেও স্টিকি করা হবে না। :(
ভাই ধন্যবাদ আপনার পোস্ট এর জন্য।

১৩ ই মে, ২০১২ ভোর ৬:২৯

আমার ঘুম পায় না বলেছেন: উপলিব্ধ করার জন্যে ধন্যবাদ আপনাকেও।।

৩| ১৩ ই মে, ২০১২ দুপুর ১২:৩৯

অপলক বলেছেন: সত্যের মুখোমুখি হওয়া শিখতে হবে। ইসলাম ন্যায় ও সত্যের ব্যপারে আপোসহীন। লেখকেরও তাই হওয়া উচিত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.