| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাষ্ট্রয়াত্ত্ব কোনো ব্যাংক-এ কি প্রাইভেট ব্যাংক-এর মত অনলাইন ব্যাংকিং চালু আছে?
জানালে বাধিত হব ![]()
এডিটেড !
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৯
আমি আহমাদ বলেছেন: ত্থাঙ্কস ভাই।
২|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৮
আঁধার রাত বলেছেন: অগ্রনী ব্যাংকে অনলাইন ব্রাঞ্চের সংখ্যা ১০০ এর উপরে,
সোনালী ব্যাংকে অনলাইন ব্রাঞ্চের সংখ্যা ২০০ এর উপরে
জনতা ব্যাংকে অনলাইন ব্রাঞ্চের সংখ্যা ৪২
রুপালী ব্যাংকে সম্ভবত কোন অনলাইন ব্রাঞ্চ নাই।
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১১
আমি আহমাদ বলেছেন: আসলে অনলাইন ব্যাংকিং বলতে প্রাইভেট ব্যাংকগুলুতে যেমন পিসিতে বসেই লেনদেন করা যায়, এরকম আছে কি কোনো সরকারি ব্যাংক-এ ?
৩|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৫
ভোরের সূর্য বলেছেন: ভাই আসলে আপনি কি জানতে চাচ্ছেন? অনলাইন ব্যাংকিং নাকি ইন্টারনেট ব্যাংকিং?
যদি অনলাইন ব্যাংকিং হয় তাহলে আঁধার রাত আপনাকে উত্তর দিয়েছেন। আর যদি ইন্টারনেট ব্যাংকিং বলতে চান তাহলে আসলে বাংলাদেশে কোন প্রাইভেট ব্যাংকেই পুরাপুরি ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু হয় নি তবে প্রাইম ব্যাংকে প্রায় কাছাকাছি ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু আছে আর কয়েকদিন হল সিটি ব্যাংক সিটি টাচ নামে ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু করেছে যদিও সব সুবিধা নাই।
অনলাইন ব্যাংকিং বলতে আপনি আপনার ব্যাংকের যে কোন ব্রাঞ্চ থেকে টাকা তোলা,জমা দেয়া,ব্যাংক স্টেটমেন্ট,চেক নিতে পারবেন।যেমন ঢাকায় আপনার ব্যাংক হলেও কুমিল্লা ব্রাঞ্চ থেকে আপনি উপরের ব্যাংকিং করতে পারবেন।
আর ইন্টারনেট ব্যাংকিং মানে আপনি আপনার ঘরে বসেই আপনার পিসি থেকে আপনার একাউন্ট চেক করতে পারবেন,নিজ ব্যাংক বা অন্য যে কোন ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন,ইউটিলিটি বিল দিতে পারবেন,ক্রেডিট কার্ডে টাকা জমা দিতে পারবেন এরকম আরও অনেক সুবিধা।
এ বিষয়ে আমার একটি লেখা আছে।পড়ে দেখতে পারেন।
দেখুন
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৫৮
আমি আহমাদ বলেছেন: দুঃখিত আমি ক্লিয়ার করে বলতে পারিনি। হ্যা সেটা ইন্টারনেট ব্যংকিং-ই হবে।তার মানে প্রাইভেট ব্যাংকেও এখনো ভালো মত ইন্টারন্যাট ব্যাংকং চালু হয়নি।ধন্যবাদ ভাই। আপনার পোস্টটি পড়লাম। ভালো লাগলো।
৪|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:০৯
আঁধার রাত বলেছেন: যেকোন দুইটি অনলাইন ব্রাঞ্চের মধ্যে লেনদেন করতে পারবেন। যেমন জনতা ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখা এবং কুষ্টিয়া কপোরেট শাখা দুইটিই অনলাইন শাখা, আপনি কাওরানবাজার শাখা থেকে কুষ্টিয়া কপোরেট শাখায় যেকোন একাউন্টে টাকা জমা দিতে পারবেন। আবার কুষ্টিয়া কপোরেট শাখার গ্রাহক জনতা ব্যাংকের যে কোন অনলাইন শাখায় তার চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ও জমা দিতে পারবে। কাওরান বাজার শাখা থেকে টাকা জমা দিলেন কুষ্টিয়ায় আপনার ভাই আপনার স্বাক্ষর করা একটা চেক জমা দিল, ভেরিফিকেশনে সমস্যা না থাকলে টাকা দিয়ে দেবে। মোবাইল ব্যাংকিং, বিকাশ, কুরিয়ার, পোষ্ট অফিসের ইমানি অর্ডার এ গুলোর দরকার হবে না। জমা ও উত্তোলনে কোন টাকা দিতে হবে না শুধু বছরে একটা চার্জ দিতে হবে। সকল সরকারী ব্যানিজ্যিক ব্যাংকের জন্যই প্রযোজ্য আর ইন্টারনেট ব্যাংকের সকল কথা বড়ভাই ভোরের সূর্য বলে দিয়েছেন। সরকারী ব্যানিজ্যিক ব্যাংক গুলো এখনও ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর জন্য প্রস্তুত নয়। প্রধান কারন ব্রাঞ্চ সংখ্যা। চারটি সরকারী ব্যানিজ্যিক ব্যাংকের চার হাজারের বেশী শাখার রয়েছে। তা থাকার কারন সরকার জনগনের সাথে আর্থিক লেনদেন করে থাকে এ গুলোর মাধ্যমে। তাদের সেবা ব্যবসা দুইটিই করতে হয়।
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৫৫
আমি আহমাদ বলেছেন: দুঃখিত আমি ক্লিয়ার করে বলতে পারিনি। হ্যা সেটা ইন্টারনেট ব্যংকিং-ই হবে। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:১২
আমি হনুমান বলেছেন: aguni bank e ache dekchi, magar gali khawar moto.. ja na thklei valo.