| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আদি মানুষ নিজেদের ধর্মজ্ঞান ও ধারণাকে সংকলিত করেছেন আজ থেকে অনেক হাজার বছর পুর্বে; তাদের ভাবনায় DIGITAL SIGNAL. COMPUTING কিংবা AI'এর মত বিষয় আসেনি; কোন ধর্মীয় পুস্তকে এই বিষয়গুলোর উপর কোন আলাপ করা হয়নি, কোন প্রকার ধারণা নেই; কারণ, মানুষ ইলেকট্রিসিটি নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে ১৬০০ সালের পর; কিন্তু শক্তিশালী ধর্মগুলোর পত্তন ঘটেছে আজ থেকে ৭০০০ বছর আগে।
সৃষ্টিকর্তাই যদি মানুষকে জ্ঞান দিতেন, এইসব দরকারী বিষয় তাতে থাকতো; যেহেতু ধর্মীয় পুস্তকগুলোতে মানব সভ্যতার উৎকর্ষের এইসব
দরকারী বিষয়গুলো আলোচিত হয়নি, ধর্মীয় সংকলনগুলো মানুষ নিজের সর্বাধিক জ্ঞানের আলোকে নিজেরাই করেছেন।
ফলে, ধর্মীয় জ্ঞানও এক ধাণের জ্ঞান, যা সভ্যতার এক সময়ে প্রয়োজ্য ছিলো; আজকের মানুষ ধর্মীয় জ্ঞানের লেভেল থেকে অনেক বেশী জ্ঞানী।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৫৫
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আনুমানিক ৬২১ সালের আবদ্ধ আরবে কি রাজনীতিই বা ছিলো?
পুরো মরুভুমিটা লাখেরাজ পড়েছিলো; বেদুইন গোত্রগুলোর করার কিইবা ছিলো; নবীকে সব নবীর ( আব্রাহাকিক ধর্মের ) সেরা নবী করার জন্য হয়তো এহার দরকার ছিলো। তখন কে কি জানতে চেয়েছিলো: কে ছিলো, কে নেই, কার কি মাথা ব্যথা ছিলো?
২|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৫৪
নতুন নকিব বলেছেন:
প্রথমত, আপনার পোস্টের বক্তব্যের মূল ভুলটি হলো ধর্মগ্রন্থের উদ্দেশ্যকে ভুলভাবে বোঝা। ধর্মগ্রন্থ কখনোই প্রযুক্তি, গণিত বা ভবিষ্যৎ যন্ত্রপাতির পাঠ্যবই হিসেবে নাজিল হয়নি। ধর্মের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের অস্তিত্বের অর্থ, নৈতিকতা, দায়িত্ব, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য এবং সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক নির্ধারণ করা। ডিজিটাল সিগন্যাল, কম্পিউটিং বা এআই মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী বিকশিত কারিগরি জ্ঞান, যা সময়ের সঙ্গে অভিজ্ঞতা ও গবেষণার মাধ্যমে অর্জিত হয়। এগুলো ধর্মীয় গ্রন্থে না থাকাই স্বাভাবিক।
দ্বিতীয়ত, কোনো গ্রন্থে ডিজিটাল সিগনাল বা এআই নেই বলেই সৃষ্টিকর্তা তা জানতেন না এমন সিদ্ধান্ত যুক্তিগতভাবে ভুল। এটি anachronism অর্থাৎ আধুনিক ধারণা দিয়ে প্রাচীন উদ্দেশ্যকে বিচার করা। যেমন, নিউটনের বইয়ে কোয়ান্টাম ফিজিক্স নেই বলে নিউটন অজ্ঞ ছিলেন বলা যায় না।
তৃতীয়ত, ধর্মীয় গ্রন্থগুলোতে প্রকৃতির নিয়ম, চিন্তা করার আহ্বান, জ্ঞান অর্জনের উৎসাহ এবং কারণ-কার্য সম্পর্কের প্রতি ইঙ্গিত আছে। এসবের ওপর ভর করেই মানুষ বিজ্ঞান চর্চায় এগিয়েছে। বিজ্ঞান ধর্মের বিকল্প নয়, বরং ধর্ম মানুষকে যে বুদ্ধি ও অনুসন্ধিৎসা দিয়েছে তারই ফল।
চতুর্থত, আজকের মানুষ প্রযুক্তিতে অগ্রসর হলেও নৈতিকতায় শ্রেষ্ঠ হয়েছে এমন প্রমাণ নেই। যুদ্ধ, বৈষম্য, লোভ ও ধ্বংস আজও বিদ্যমান। এখানেই ধর্মের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়নি। ধর্ম সময়ের ঊর্ধ্বে নৈতিক কাঠামো দেয়, আর বিজ্ঞান সময়সাপেক্ষ উপকরণ দেয়।
সুতরাং ধর্মকে সেকেলে জ্ঞান বলে খারিজ করা বা ধর্মীয় গ্রন্থে আধুনিক প্রযুক্তি না থাকাকে সৃষ্টিকর্তার অজ্ঞতার প্রমাণ বলা যুক্তি নয়। এটি ধর্মের উদ্দেশ্য ও জ্ঞানের প্রকৃতি সম্পর্কে মৌলিক বিভ্রান্তির ফল।
ব্লগার সৈয়দ কুতুব এর অনুরোধ রক্ষা করে ধর্ম নিয়ে নিদারুন(!) পোস্ট দিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মানব সভ্যতার সর্বোচ্চ ৫ জন জ্ঞানীর মাঝে নিউটন হচ্ছেন ১ জন; নিউটন বিজ্ঞান ও অংকের নতুন শাখার আবিস্কারক; কিন্তু সময়ের সাথে মানুষ নতুন হাজার হাজার গুরুত্বপুর্ণ বিষয় যোগ করেছেন।
নিউটনের পক্ষে সবকিছু জানা সম্ভব ছিলো না; কিন্তু ধর্মীয় পুস্তকগুলোতে সৃষ্টিকর্তাকে "সবজান্তা" হিসেবে দাঁড়া করানো হয়েছে ও বলা হচ্ছে, যা মোটেই সঠিক নয়।
৩|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩০
রাজীব নুর বলেছেন: ডারউইন সাহেবকে সত্য বলে ধরে নিবো?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ডারুইন বিশ্বের বিবর্তন পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুধাবন করেছিলেন।
৪|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩৩
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনি কি মনে করেন যে, সৃষ্টিকর্তাকে সবজান্তা না বলে আপনাকে সবজান্তা বলার দরকার ছিল? ধর্মগ্রন্থগুলো কেন এটা করলো না, ইহাই আপনার কাছে আশ্চর্যের বিষয়?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
১ জন মানুষ কোনভাবে সব বিষয়ে বুঝার সম্ভাবনা মোটেই নেই; জ্ঞানী মানুষ সভ্যতাকে বুঝতে চেষ্টা করেন।
৫|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৫৩
নূর আলম হিরণ বলেছেন: নতুন নকিব, ভবিষ্যতে অনেক প্রযুক্তি নাই বললো কিন্তু এই গ্রহের সবচেয়ে বড় ইভেন্ট ডাইনোসর যুগ ও এর বিলিপ্ত সম্পর্কে কিছুই বলা নেই কেনো? যেখানে অনেক ছোট ছোট ইভেন্ট সম্পর্কে বেশ পরিস্কার করেই বলা হয়েছে!
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৮
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
কোরানের সেসব বিসয়গুলো সংযুক্ত হয়েছে, সেসব বিষয় মধ্য প্রাচ্যেের মানুষ্বের জন্য প্রয়োজনীয় ছিলো। তবে, তখনকার মানুষ প্রগের বিবর্তণ বুঝতো না।
৬|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০৫
নতুন নকিব বলেছেন:
@নূর আলম হিরণ,
আধুনিক ভূতত্ত্ব ও প্যালিওনটোলজির সর্বসম্মত বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী ডাইনোসররা পৃথিবীতে বসবাস করেছিল প্রায় ২৩ কোটি বছর আগে থেকে ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে পর্যন্ত। তারা মানব সৃষ্টির বহু পূর্বেই বিলুপ্ত হয়ে যায়। ইসলামী ইতিহাস অনুযায়ী আদম আলাইহিস সালামের আগমন আনুমানিক ছয় থেকে সাত হাজার বছর আগে। ফলে ডাইনোসরদের বিলুপ্তি ও মানব সৃষ্টির সূচনার মধ্যে সময়গত ব্যবধান প্রায় ৬৬ মিলিয়ন বছর।
কুরআন যেহেতু মানব হিদায়াতের গ্রন্থ, তাই প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীদের বিস্তারিত বিবরণ সেখানে নেই। এতে ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মধ্যে কোনো মৌলিক সংঘর্ষ সৃষ্টি হয় না।
ধন্যবাদ।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী মানব সভ্যতার বয়স যদি ৬/৭ হাজার বছর হয়', এই তথয় কি সঠিক?
৭|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৪০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আজকের মানুষ ধর্মীয় জ্ঞানের লেভেল থেকে অনেক বেশী জ্ঞানী।
..............................................................................................
ধর্মর সাথে বিজ্ঞান এক করা ঠিক নয় ।
বিজ্ঞান প্রতিদিন র্চচ্চা হয়, নূতন নূতন বিষয় সন্নিবেশ ঘটে
আর ধর্মর বানী ঐ সময়ের প্রচলিত কর্মকান্ডের নিরিখে নাজেল হয়েছিলো
এর কোন আপডেট করার কেউ নেই, অনেকে আধুনিক মতবাদে বিশ্লেষন করতে উৎসাহী
তাহা কতটা সঠিক তা নিয়ে সংশয় আছে ।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:১৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আপনি আজকে প্রায় সব পোষ্টে "পজিটিভ" কমেন্ট করছেন; সমালোচনা আমি দেখছি না।
আপনি কি নতুন কোন বিষয়ে লেখাপড়া করছেন, যা বলছে যে, বিবিধ সাবজেক্টের লেখাপড়াকে আলাদা রাখতে হবে?
অংক, ফিজিক্স, অর্থনীতি, বাইও, ফিলোসফি, ভাষা শিক্ষাকে আলাদা আলাদা রাখতে হবে?
মানুষের সকল শিক্ষা এক যায়গায় গিয়ে কম্পাইলড হয়ে "প্রজ্ঞা"র সৃষ্টি করে।
৮|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:০১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত খবর-
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির ভাই ওমর বিন হাদিকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে নিয়োগ দেওয়া হয় তাকে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ওমর বিন হাদিকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।
ওমর বিন হাদিকে যোগদানের তারিখ থেকে তিন বছর মেয়াদে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় প্রজ্ঞাপনে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ট্রাম্প এসব মশা মাছিদের খবর রাখার কথা নয়, টের পেলে লালঘরে আটকায়ে রাখবে।
৯|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:০২
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সৃষ্টিকর্তা কোন কোন বিষয়ে জানতেন না, প্রশ্নটি সত্যিই ধর্মতত্ত্ব ও দর্শনের একটি বিতর্কের বিষয়, যেখানে
বিভিন্ন ধর্ম ও মতাদর্শের ধারণা ভিন্ন ভিন্ন । কিছু ধর্মে সৃস্টি কর্তাকে সর্বজ্ঞ মনে করা হয়, যাঁর জ্ঞানের কোনো
সীমা নেই, আবার কিছু ধর্মে (যেমন Deism) সৃষ্টিকর্তা জগৎ সৃষ্টির পর প্রাকৃতিক নিয়মের মাধ্যমে তা চলতে
দেন ও নিজে দূরে থাকেন, ফলে তাঁর হস্তক্ষেপে বা জ্ঞান সীমিত হতে পারে, আবার বৌদ্ধধর্মের মতো কিছু
ধর্মে কোনো সৃষ্টিকর্তার ধারণাই নেই।
ইব্রাহামিক ধর্ম ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম, ইহুদি ধর্মগুলোতে সৃষ্টিকর্তাকে আল্লাহ বা "ঈশ্বর" বলা হয় এবং তিনি সর্বজ্ঞ,
অর্থাৎ তাঁর জ্ঞানের কোনো সীমা নেই; তিনি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সব কিছুই জানেন। তাই এই ধারণা
অনুযায়ী, সৃষ্টিকর্তা কোনো বিষয়েই অজ্ঞ নন।
ডিইজম (Deism) এই মতবাদ অনুযায়ী, সৃষ্টিকর্তা জগৎ তৈরি করে প্রাকৃতিক নিয়ম প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছেন,
কিন্তু এরপর তিনি তাতে হস্তক্ষেপ করেন না বা তাঁর জ্ঞান সীমিত ,তিনি জগতের ভেতরের ঘটনা সম্পর্কে অবগত ।
হিন্দুধর্ম যা বর্তমানে প্রায় ১২০ কোটি মানুষের ধর্ম, যেখানে ব্রহ্ম বা পরমাত্মাকে সৃষ্টিকর্তা বলা হয়, যিনি সবকিছু
সৃষ্টি করেছেন এবং সৃষ্টির মাঝে বিরাজমান; তিনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন, তবে তাঁর জ্ঞান ও ক্ষমতা নিয়ে নানা
মতবাদ রয়েছে।
বিশ্বের প্রায় ৬ কোটি মানুষ বৌদ্ধধর্ম ও জৈনধর্ম বিশ্বাসী ।এই ধর্মগুলো কোনো সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বরের অস্তিত্বে
বিশ্বাস করে না, তাই সৃষ্টিকর্তার জ্ঞান বা অজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অপ্রাসঙ্গিক।
প্রাচীন ধর্ম (গ্রিক, ইনকা) এই ধর্মগুলোতে বহু দেব-দেবীর ধারণা ছিল, যেখানে নির্দিষ্ট দেবতা নির্দিষ্ট বিষয়ে
ক্ষমতার অধিকারী হলেও সর্বজ্ঞ ছিল না।
বিশ্বে প্রায় ২০০ কোটি মানুষ ধর্মহীন তথা নাস্তিকের পর্যায়ভুক্ত যারা সৃস্টি কর্তার বিজ্ঞতা বা অজ্ঞতা কোন
টাতেই বিশ্বাসি নয় ।
দেখা গেছে পোস্টে করা প্রশ্নটি কোন বিশেষ ধর্মের প্রতি নয় বরং সকল ধর্মের প্রতি । তাই আশা করি উপরে
বলা কথাগুলি হতে আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন ।
এখন বলুন আপনি কোন দলে পড়েন ? তার পরে আলোচনা সঠিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমি কোন দলে আছি? আমি মনে করি:
আব্রাহামিক ধর্মের ১ম থ্রেড, জুডাইজম মেসোপটেমিয়া থেকে পুর্ব আফ্রিকার আদি মানুষ ( সমান্তযুগে ) বিশ্ব, মানুব জাতি, ও তাদের আচরণকে ধর্মীয় ভাবনার রুপ দিতে গিয়ে "একক ১ শক্তি ও ব্যক্তিত্বের সৃষ্টি করেছে" যার কোন তুলনা নেই। এই একেশ্বরকে সকল ক্ষমতার মালিক করেছেন প্রাছীন মানুষ।
এতে তারা নিজেদের অমরত্ব যোগ করেছিলো ( মৃত্যুর পর বেঁচে থাকা ) ও একই সাথে সামন্ত রাজাদের থেকে সাময়িকভাবে হলেও নিজেদেরকে সর্ব শক্তিশালীর সৃষ্ট ইন্টেলিজেন্ট রিপ্রেজেন্টিটিভ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে। জুডাইজম মানুষকে শিক্ষিত করেছে।
জুডাইজম বেদুইনদের হাতে পড়ে ভিন্নরুপ নিয়েছে, ইহাতে আরবদের এক সীমিত অন্ছলের রভাব পড়েছে, ইহাই আব্রাহামিক গ্রুপের শেষ থ্রেড।
১০|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪২
এ পথের পথিক বলেছেন:
গাধা ট্রাক্টর গাজী, জেনারেশ ৭৫ অথবা তার যত শাগরেদ আছে সবার দাওয়াত ইসলামকে ভুল প্রমান করার, কুরআনের মত সুরা তৈরি করে নিয়ে আসার, কুরআনের ভুল ধরার । যুক্ত হয়ে কথা বলার অনুরোধঃ
প্রতিশনিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে DawahWise Bangla তে ।
শনিবার বাদে অন্যান্য দিনে ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা হয়, নিজের স্ট্যান্ডকে সত্য প্রমানের অনুরোধঃ Insight Zone
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩০
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ইসলাম মিথ্যা নয়; ইহা সত্য যে, ইসলাম সত্যই বিশ্বের ৪৭ টি দেশে আছে ও কাজ করছে; এই ধর্মের ১৮০ কোটীর বেশী মানুষ বিশ্বকে ভীত করে রেখেছে: এরা কম কাজ করে, ভুল পড়ালেখা করে; এদের একাংশ সন্ত্রাসী, তারা তাদের ৪৭টি দেশকে ক্রমেই দোযখে পরিণত করছে,
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
"এআই'কে বললে" কোরানের সকল সুরার সম-অর্থের সুরা তৈরি করে দিবে ২/৩ মিনিটের মাঝে।
১১|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪০
এ পথের পথিক বলেছেন: কত দম আছে আলোচনার টেবিলে আসুন, এআই প্রিমিয়াম দিয়েই সুরা বানিয়ে নিয়ে আসুন দেখা হচ্ছে যুক্ত হোনঃ
লাইভ ইসলাম সত্য Only Islam is True- Ep 3
যুক্ত হওয়ার স্ট্রিমইয়ার্ড লিঙ্কঃ https://streamyard.com/2v4g5h8ma8' target='_blank' >স্ট্রিম ইয়ার্ড
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৩৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: রসকস হীন লেখা । ভেবেছিলা রাসুল সা এর মেরাজের ঘটনাটি পলিটিকাল এংগেল থেকে লিখবেন । যা লিখেছেন সেটা আপনি কমেনটসই করেন ।
।
।
মেরাজের ঘটনা মোটেই সাধারণ বিষয় নয় ; ইহার একটা পলিটিক্স আছে ।