নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

শেখ ও তাজউদ্দিনের অভাব আপনি অনুভব করছেন কিনা?

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২



"৩৬শে জুলাই'র স্বাধীনতার" পর দেশ কিভাবে চলছে ও কোন পথে রওয়ানা দিয়েছে তা আপনার কাছে পরিস্কার? আজকে জাতির যেই অবস্হা, আপনি দেশ ও জাতি নিয়ে চিন্তিত, নাকি উৎসাহিত? জুলাই সনদের পক্ষে যারা মানুষকে টানার চেষ্টা করছে, এরা কারা? এরা কি দেশের সাধারণ নাগরিক, নাকি এদের বিশেষ পরিচয় আছে!

শেখ সাহেব ও তাজউদ্দিনকে ১৯৭১ সালে যারা অপছন্দ করতো, তারা কি বাংলাদেশ চেয়েছিলো? আজকে যারা শেখ ও তাজউদ্দিনের হত্যাকে "গণতন্ত্রের ফিরায়ে আনার জন্য হত্যা হিসেবে ব্যাখ্যা করছে", তাদের পুর্বসুরীরা কি বাংলাদেশ চেয়েছিলো, তারা যেই ধরণের বাংলার ( জুলাই সনদের বাংলাদেশ ) দিকে যাচ্ছে, উহা আমাদেরকে কোথায় নিচ্ছে?

এসব তারেক মারেক, জামাত-শিবিরের জল্লাদেরা কি স্ভাবাবিক মানুষ? আজকে যারা দেশ দখল করেছে, তাদের পুর্বসুরীরা কি ১৯৭১ সালে দেশ দখলের চেষ্টা করেনি? করেছে, আপনাকে বুঝতে হবে, ভাবতে হবে।

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:১১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আও্য়ামী লীগ ভোট বয়কটের গান বানাইসে ; আমার মায়ের সামনে পড়সে এই গান । তিনি বলছেন এত পুরান দল এরকম অশালীন গান কিভাবে বানায় ? গান টার লিরিক্স দেখেন :

লীগ ছাড়া বালের ভোট/ রিলেক্স মুডে চু/দি X(
যে ballot এ নৌকা নাই/ সে ballot এ মুতি
কিসের হা ,কিসের না ? ভোট দিতে যাবো না ।
বালের হা ,বালের না /ভোট দিতে যাবো না ।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২৮

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



আওয়ামী লীগের ফিরে আসা কঠিন হবে; কারণ, শিক্ষিত রাজনীতিবিদ ও নেতা নেই।

এই কথাগুলো মনে হয়, আওয়ামী কোন সাপোর্টারের নয়, ইহার পেছনে যড়যন্ত্র থাকার সম্ভাবনা আছে।

২| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আসামে হেমনতো শরমা না এক পলিটিহসিয়ান বলছেন নাগরিক পরিচয় যাচাইয়ের সময় মুসলিম দের চাপে রাখতে । তাদের কেউ রিকশা/কার চালাইলে ভাড়া কম দিতে । এটা কি মানবিক আচরণ কিনা ? আপনি সারভিস নিবেন পয়সা দিবেন । এটা কি সমাজ কে বিভাজন করে কিনা ? ইলিগাল নাগরিক থাকতে পারে কিনতু ভারতে কি মুসলিম রা ভেসে আসছে ?

এদিকে বাংলাদেশের এক জামাতি নেতা বলেছেন : কোনো এক চাকুরির এক্সামে ৩০০ জনের মাঝে ২৫০ জন সনাতনি দেখে উনার মাথা খারাপ । মানে এতো মিল মৌলবাদিদের মাঝে । :-B

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



বিজেপি ও জামাতের ইতিহাস একই লেভেলে।

সাধারণ ধর্মীয় থেকে ধর্মগুরুরা অন্য ধর্মের মানুষকে হত্যা করা ও অন্যান্য অন্যায়ের পক্ষে ধমর্মীয় যুক্তি দেয়।
আমাদের ব্লগারদের মাঝে ৪০ ভাগ আছে, যারা সনাতনীদের উপর অত্যাচার করার পক্ষে।

৩| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭

dupur১২৩ বলেছেন: অরে রে রে এই টা দেখি , আমাদের ছাগল মামু , কেমন আছেন। কিছু বলা যাবে না , বোরো ভাই এর নিষেধ আছে :(

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



আমি ভালো, আপনার কি অবস্হা?

বড়ভাই হচ্ছে ক্রিমিনাল মানুষ; নিজের ক্রিমিনাল আচরণকে ঢাকার জন্য "সাহিত্যকে" বেচে নিয়েছেন; কিন্তু সাহিত্য কঠিন জিনিষ, ইহা ইডিয়টদের জন্য নয়। উনি ১ লাইনও লিখতে জানেন না।

৪| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৮

dupur১২৩ বলেছেন: তোর বাপের থেকেও ভালো লেখে। মা.. চো.. . তোর নাতির সাথে একটু মজা নিচ্ছিলাম। . সেই মজা রে হাহাহা =p~

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



আপনি বলেছিলেন যে, আপনি ডাক্তার হবেন; এখন আপনি খারাপ গালি দিচ্ছেন, কিভাবে ডাক্তার হবেন? আপনি নিজের সম্পর্কে মিথ্যা বলেছেন, আপনি হয়তো কাবাব তৈরির সাথে যুক্ত।

৫| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

dupur১২৩ বলেছেন: ইহা শতভাগ সত্য , আমি ছাগলদের ডাক্তার নই। আমি তোমার মত ছাগলদের দের কাবাব বানাই।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১১

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



আমার মনে হয়, আপনার আচরণের জন্য আপনাকে অন্যেরা ১দিন কাবাব বানানোর সম্ভাবনা আছে।

৬| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২১

dupur১২৩ বলেছেন: হাহাহাঃ ............ অপেক্ষায় থাকলাম। =p~

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২৬

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




ক্রিমিনালরা ১দিন ধরা খায়।

৭| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩৬

dupur১২৩ বলেছেন: হাঃহাঃহাঃ .. শালা চু.. পু.. =p~ =p~ =p~ তুই এখনও আমার কাছে লেদা বাচ্চা ... .. তোর বাপের লগে গেম খেল কাজে দিবে। চো ..

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২৫

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




উপন্যাসের কি অবস্হা?

৮| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:২৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ আমাদের দোহার হয়ে ভারতে গিয়েছিলেন ।
৭ই মার্চের ভাষণের মূল কপি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দোহারের চরকুশাই গ্রামে লুকায়িত ছিল।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৫

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ইন্টারেষ্টিং ব্যাপাের

৯| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের ভিডিও ধারণ যেমন চ্যালেঞ্জিং ছিল, তেমনি পাকিস্তানি জান্তা সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ভাষণটির ফিল্ম ডেভেলপ ও সংরক্ষণ করা ছিল আরও কঠিন। সেদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই কাজটি করেছিলেন ৮ জনের একটি দল। তাদেরই একজন ফিল্মস ডিভিশনের ক্যামেরাম্যান আমজাদ আলী খন্দকার।

তিনি জানান, থার্টি ফাইভ মিলিমিটারের সেই ভাষণের ফিল্ম লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ধানের গোলায়।

বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বয়ে নেওয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল পাকিস্তান সরকারের ক্যামেরায়। অনেকের চোখ ফাঁকি দিয়ে তা ডেভেলপ করার পর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রক্ষা করা হয় পাকিস্তানি হানাদের থাবা থেকে।

তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে কর্মরত কয়েকজন মুক্তিকামী বাঙালির বীরত্বে রক্ষা পেয়েছিল বাঙালির ইতিহাসের এই অমূল্য সম্পদ। ভাষণের মাস খানেকের মাথায় সেটা সচিবালয় থেকে লুকিয়ে নেওয়া হয়েছিল ঢাকার দোহারের একটি বাড়িতে। সেখানে ধানের গোলায় লুকিয়ে রাখার পর নিয়ে যাওয়া হয় ভারতে। নয় মাসের যুদ্ধ জয়ের পর ভিডিও টেপটিও ফিরে আসে নতুন বাংলাদেশে।

পাকিস্তানিদের সেনাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সচিবালয় থেকে ঢাকার দোহারে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের টেপগুলো নিয়েছিলেন আমজাদ আলী খন্দকার, যিনি সে সময় ছিলেন চলচ্চিত্র বিভাগের ক্যামেরা সহকারী। সেই ভাষণের ভিডিও ধারণ এবং সংরক্ষণ করতে গিয়ে জীবনবাজির গল্প শুনিয়েছেন তিনি।

ডিএফপির ক্যামেরা সহকারী থেকে ক্যামেরাম্যান হয়ে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে যোগ দেন আমজাদ আলী। ২০০৪ সালে বিটিভির কন্ট্রোলার-চিফ ক্যামেরাম্যান হিসাবে অবসরে যান তিনি। কর্মজীবনে বেশ কয়েকবার আহত হওয়া আমজাদের শরীরের বাঁ দিকের অংশ এখন পক্ষাঘাতগ্রস্ত।

আমজাদ আলী খন্দকার জানান, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকা ছিল মিছিলের শহর। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মানুষ পায়ে হেঁটে, বাস-লঞ্চে কিংবা ট্রেনে চেপে রেসকোর্স ময়দানে সমবেত হয়েছিলেন। ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে লাখ লাখ মানুষে ভরে উঠেছিল বিশাল ময়দান।

দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে এই জনসমুদ্রের ভিডিও চিত্র ধারণের কাজ করেন চলচ্চিত্র বিভাগের কর্মীরা। এক ভাগের দায়িত্ব মূল ভাষণ আর অন্য ভাগ ধারণ করে সেখানকার সার্বিক পরিবেশ। এই দুই দলে ছিলেন ক্যামেরাম্যান জেড এম এ মবিন, ক্যামেরাম্যান এম এ রউফ, ক্যামেরা সহকারী আমজাদ আলী খন্দকার, ক্যামেরা সহকারী এস এম তৌহিদ, ক্যামেরা সহকারী সৈয়দ মইনুল আহসান, ক্যামেরা সহকারী জোনায়েদ আলী ও এমএলএসএস খলিলুর রহমান।

সেদিনের স্মৃতিচারণ করে খন্দকার আমজাদ বলেন, “পাকিস্তানিদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে ফিল্ম ডেভেলপ করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হচ্ছিল। ধরা পড়তে পারেন সেই শঙ্কায় ট্যাগ লাইনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সংশ্লিষ্ট কিছু না লিখে কৌশল লেখা হল ‘সাইক্লোন’। যাতে অন্যরা মনে করে ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড় সংশ্লিষ্ট ফিল্ম এগুলো।”

“তখন বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ফিল্ম ডেভেলপ করে নিয়ে আসব, সে ব্যবস্থা আমাদের ছিল না। এটা করা হতো এফডিসি ল্যাবে। বঙ্গবন্ধুর নাম দেখলে এটা নষ্ট করে ফেলবে সেজন্য আমরা কৌশল করে ‘সাইক্লোন’ চিহ্ন দিয়ে এফডিসি থেকে ডেভেলপ করে নিয়ে আসলাম,” বলেন আমজাদ।

২৫ মার্চের পর বিভিন্ন অফিস-আদালতের দায়িত্ব নেওয়া শুরু করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। চলচ্চিত্র বিভাগের মুক্তিকামী কর্মীরা ধারণা করলেন পাকিস্তানি সেনারা যদি হানা দেয় তাহলে এসব ধ্বংস করে দেবে। সে কারণে কীভাবে এগুলো সচিবালয়ের আর্কাইভ থেকে সরানো যায় সেই পরিকল্পনা করলেন বিভাগের প্রধান মহিবুর রহমান। তিনি আমাকে বললেন, ‘আমজাদ তোমাকে একটা দায়িত্ব দেব। এই মুহূর্তে ফিল্মগুলো নিয়ে ঢাকার বাইরে যেতে হবে তোমাকে।’

সেই কথার পর সদরঘাট থেকে ৪২ ইঞ্চি মাপের ট্রাঙ্ক কিনে আনা হয়।

আমজাদ আলী খন্দকার বলেন, “ট্রাঙ্ক আনার পর মহিবুর রহমান নিজে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, কাজী নজরুল ইসলামের উপর করা ডকুমেন্টারি ফিল্ম ও বঙ্গবন্ধুর আরও ছবি ফিল্ম ঢুকিয়ে দেন। সেই সাথে রেকর্ড নিয়ে পালানোর পরিকল্পনা বুঝিয়ে দেন। সচিবালয় থেকে বের হতে হবে কিন্তু বাইরে বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানি সেনাদের সতর্ক পাহারা ও টহল। সচিবালয়ে ঢোকার সেকেন্ড গেইট দিয়ে বেরোনোর পরিকল্পনা নেয়া হয়। ওই ফটকের দায়িত্বে থাকা বাঙালি পুলিশ সার্জেন্ট ফরিদও ছিলেন সেই পরিকল্পনায়। বেবি ট্যাক্সিতে করে বড় আকারের ট্রাঙ্ক নিয়ে রওনা হলাম। সংকেত পেয়ে ফটক খুলে দেন ফরিদ।”

“দিনটি ছিল ১৯৭১ সালের ৯ এপ্রিল। সচিবালয়ের টিনশেড থেকে ট্রাঙ্ক নিয়ে বের হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সেনাবাহিনীর সতর্ক প্রহরায় কিছুটা ভীত হলেও লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে থাকলাম। আর্মির জিপ পেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের পাশ ধরে চাঁনখারপুল থেকে চকবাজার হয়ে সোয়ারিঘাটে পৌঁছলাম। এরপর নৌকায় জিনজিরায় গেলাম। ট্রাঙ্ক নিয়ে বাসের ছাদে চড়ে নবাবগঞ্জের বক্সনগরে গেলাম।”

“ঘোড়ার পিঠে ট্রাঙ্ক উঠিয়ে দিয়ে ঘোড়াওয়ালা একদিকে ধরল, আমি একদিকে। এভাবে চার-পাঁচ কিলোমিটার যাওয়ার পর আমরা পায়ে হেঁটে চলে গেলাম জয়পাড়ায় মজিদ দারোগার বাড়িতে। তাদের বাড়িতে ওটা রাখলাম। ওই সময়ে মহিবুর রহমানও পৌঁছে যান সেই এলাকায়। কিন্তু দারোগা বাড়ির অবস্থান থানার কাছাকাছি হওয়ায় সেখান থেকে ট্রাঙ্কটি সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চরকুশাই গ্রামের উমেদ খাঁর ধানের গোলার ভেতরে লুকায় রাখলাম।”

ধানের গোলায় মাস খানেক রাখার পর মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তায় ট্রাঙ্কটি ভারতে নিয়ে যান মহিবুর রহমান। বিজয়ের পরপরই দেশে ফিরিয়ে আনা হয় সেই ভিডিও ফুটেজগুলো। সাদাকালো ওই ভিডিও ভাষণ ২০১৬ সালে রঙিন সংস্করণে রূপান্তরিত করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.