| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
উপরের ছবিটা দেখেন, ছোট মেয়েটা কোন কোন ভাষায় লিখতে জানে, কোন কর্পোরেশনে কাজ করে?
১৯৪৮ সালে জিন্নাহ পুর্ব পাকিস্তানে এসেছিলেন; ২১ শে মার্চ তারিখে জিন্নাহ ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে বক্তৃতা করার সময়, ইংরেজীতে নীচের বাক্যটি বলেন:
"Urdu, and only Urdu, shall be the state language of Pakistan."
জিন্নাহ উর্দুতে না বলে ইংরেজী বললো কেন?
যাক, উপস্হিত ছাত্ররা বক্তব্যের মাঝখানেই বাধা দেয়; বক্তব্যের মাঝখানে বাধা দেয়ায় জিন্নাহ রাগান্বিত হয়েছিলেন। তখন বাংগালীদের মাঝে শতে ৫/৬ জন কিছু লেখাপড়া জানতেন, এবং বড় অংশ ছিলো সনাতনী, এদের একাংশ তখন ভীত ও শংকিত, ভারত যাওয়ার ব্যাপার নিয়ে ভয়ে মুহ্যমান।
১৯৪৮ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে কারা বেশী ছিলো, সনাতনী নাকি মুসলমানেরা? এরা ততকালীন সময়ের সমাজের দরিদ্র শ্রেণীর লোকজনদের ছেলেমেয়ে? এরা কি আজকের বানরদের মত প্রশ্নফাঁস ছিলো, নাকি খাঁটি ছাত্র ছিলো; এরা সবাই বাংলা, উর্দু ও ইংরেজীতে ভালো ছিলো; তা'হলে তাদের সমস্যা কি ছিলো?
জিন্নাহ কি বলেছিলো যে, বাংগাীরা আর বাংলায় কথা বলতে পারবে না, কথা বলতে হবে উর্দুতে? তা'হলে ঘোষণার ৪ বছর পরে, ১৯৫২ সালে কেন আন্দোলন শুরু হলো? তখন জিন্নাহ কোথায়?
জিন্নাহ ১৯৪৮ সালের সেপ্টম্বরে মারা গিয়েছিলেন; উনার সাথে উর্দু সমস্যা কবরে চলে গেলো ১৯৪৮ সালে; ১৯৫২ সালে উহা কোথা থেকে আবার পুনরায় বেরিয়ে এলো?
উর্দু সমস্যা কবরে গেলেও বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা বানানোর প্রচেষ্টা থামেনি; বিশেষ করে সামনের ভোটের (১৯৫৪ সাল ) জন্যও ইহার দরকার ছিলো। প্রাণহানী ঘটেছিলো উর্দুকে থামাতে নয়, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করতে গিয়ে; ততকালীন সময়ে চলমান ইংরেজীই সঠিক ভাষা ছিলো।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
বৃটিশ থেকে বের হয়ে মানুষ কিভাবে "আরো সুন্দর জীবন যাপন করবে" উহা বললার ও পথ দেখানোর মত নেতৃত্ব ছিলো না; পশ্চিমে রাজধানী হওয়ায় কিছু মানুষ চাকুরী পাচ্ছিলো; পুর্ব পাকিস্তানের মানুষজন ভয়ে ছিলো যে, বৃটিশ চলে যাবার পর, দেশ গড়ার মতো নেতৃত্ব নেই; ইহাতে হতাশা ছড়ায়ে পড়ে।
২য় বিশ্বযুদ্ধের পর, কোন দেশের অবস্হায়ই ভালো ছিলো না; পাট ও চা থেকে যা সামান্য আয় হতো, উহা ধনীদের পকেটে চলে যাচ্ছিলো। এর মাঝে ভাষা নিয়ে সমস্যা করা ঠিক হয়নি সরকারের ও ছাত্রদের।
২|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেরে বাংলা কি আপনার মতে সব চেয়ে মেধাবি বাঙালি পলিটিশিয়ান ? west উনাকে কোন চোখে দেখতো ?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
উনি শিক্ষিত, মেধাবী ও সবচেয়ে জ্ঞানী রাজনীতিবিদ ছিলেন।
ইংরজরা উনাকে খুবই পছন্দ করতো। তখন ওয়েষ্টা বলতে ইংরেজদের বুঝাতো।
৩|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি কমবেশি সবাই কে নিয়ে লিখেন কিনতু ইমরান খান কে নিয়ে লিখেন না । মেরে লোকটাকে কানা করে ফেলেছে প্রায় ; ভারতের খেলোয়াড় রা এর প্রতিবাদ জানালেও নিজ দেশের গুলা চুপ। এমন ভাবে মেরেছে যে চোখ মেলতে পারছে না । তাকে লাইম লাইটে আনলো মিলিটারি আবার জেলেও ঢোকালো মিলিটারি । তিনি কি আমেরিকা এবং পাকি জেনারেলদের পাকা ধানে মই দিয়েছেন ?
একক প্রচেষ্টায় তিনটি ক্যান্সার হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন ইমরান খান ; এত বড় কাজের পরও কেন পাকিস্তানের সব মানুষ তাঁর পক্ষে রাস্তায় নামে না ?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
সে ছিলো "প্লেবয়"; সে মিলিটারীর চয়েস হয়ে ক্ষমতায় গিয়ে আমেরিকা ও মিলিটারীর বিপক্ষে কথা বলছে কেন? ক্ষমতায় না'গিয়ে বললে সঠিক হতো।
পাকীদের কি চাকুরীর দরকার নাকি হাসপাতালের দরকার?
আমাদের খাম্বাও কি হাসপাতাল আর মাদ্রাসা করবে?
৪|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হাসপাতাল ও দরকার চাকুরিও দরকার ; এবার বিনিয়োগ কেমন আসে সেটাই দেখার বিষয় । মিরজা ফখরুল এলজিআরডি পেয়েছেন ।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১৮
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মির্জা কিছুই জানার কথা নয়, ব্যুরোক্রেটরা চালাবে।
বাংলাদেশে কারা নতুন করে কিসে বিনিয়োগ করবে? ট্রাম্পের ভয়ে, কোন দেশ কোথায়ও বিনিয়োগ করবে না; আমেরিকান কিছু ম্যানুফেকচারিং আসবে চীন, ভিয়েতনাম থেকে ভারতে।
কাতারে খাম্বা ও মাটি দরকার।
৫|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩১
বঙ্গদুলাল বলেছেন: বাঙালি, বাংলাদেশ নিয়ে আশাবাদী চিন্তা করলে... কী কী পদক্ষেপ নিলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে? যদিও আমাদের চিন্তার দুই পয়সার মূল্য নেই এই বঙ্গে।
১.আওয়ামী লীগ বদমায়েশদের হাতে বন্দী থাকবে আজীবন?
২.দেশ চালাবে বিলিয়নিয়ারা, ব্যুরোক্র্যাটরা এলিটরা (তারা আরও টাকা বাড়বে)?
৩.৫ বছর পর তারেক রহমান কী রকম দেশ উপহার দিবে?
৪.সিঙ্গাপুর যেভাবে ওঠে এসেছিলো,বর্তমানে আমেরিকা কাউকে এতো সহজে উঠতে দিবে?
৫.আমাদের জাতির ভবিষ্যৎ কী? মিলন বকবক করছে।সে কিছু করতে পারবে? (বলল শিক্ষায় জিডিপির ৫% বরাদ্দ দিবে)।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
১) আওয়ামী লীগে রাজনীতিবিদ নেই, আবারো লাঠিয়ালে পরিণত হতে পারে।
২) ১৯৭৫ সাল থেকে দেশের মালিক ব্যুরোক্রটরা ও সেনাবাহিনী।
৩) এখন একা বিএনপি'র ৬০ লাখ নেতাকর্মী আপেক্ষা করছে কখন চুরি আরদ্ভ করবে। তারেক ডাকাতী ছাড়া অন্য কিছু জানে না; ব্যুরোক্রেটরা তাকে খারাপ কোন ছদ্মনাম দিবে।
৪) সিংগাপুরের লোকজন গড়ে এখনো ১০ ঘন্টা কাজ করে, ওদের জীবনটা রবোটিকের মতো; তবে, দক্ষ ও জ্ঞানী।
৫) মিলন যদি মাষ্টার্স ও পিএইডি কোর্সে ছাত্রদের ট্রাক ড্রাইভিং শিখার ব্যবস্হা করে, এরা বিদেশে চাকুরী পাবে।
৬|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: প্রাণহানী ঘটেছিলো উর্দুকে থামাতে নয়, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করতে গিয়ে;
ততকালীন সময়ে চলমান ইংরেজীই সঠিক ভাষা ছিলো।
................................................................................................
সেই সময় বাঙাল কিছু পাকিস্হানের মোসাহেবী করছিল,
তাদের কথা আসা উচিৎ এবং তাদের পরিবার সদস্যরা এখন কোথায় কি
করছে জানা আবশ্যক ।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০০
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
এখন তো আপনার অঢেল সময় আছে, জানার চেষ্টা করেন; দেখেন উহা জাতির কি কাজে লাগে।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
জিন্নাহ মারা যাওয়ার পর, উর্দু নিয়ে আর কেহ কোন কথা বলেনি; ইডিয়ট ঢাকা ইউভার্সিটির বানরেরা বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা করার চেষ্টা করছিলো ৪ বছর পর।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ততকালীন সময়ের ঢাকা ইউনির বানরেরা ভালো ইংরেজী জানতো; কিন্ত উর্দু ও বাংলা রাষ্ট্রভাষা হওয়ার পর, বাংগালী বানরেরা ইংরেজী আর শিখেনি।
৭|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪০
বঙ্গদুলাল বলেছেন: অমি পিয়ালদের রাজনীতি হলো -সারাদিন ওদের অপোন্যান্ট রাজনীতি করা মেয়েদের বডির দৈর্ঘ্য,প্রস্থ মাপা।(ওর নিজেরই একটা কিশোরী মেয়ে আছে),শেখ হাসিনার পতনের পর এই বদমায়েশ ঘোষণা দেয়,কোনো দিন বাংলায় ফিরলে পৃথিবীর শীর্ষ খুনীর তালিকায় নিজের নাম লিখাবে।ঐদিনে সে ধান্দাবাজির জন্য ATEAM নামে পেইজ খুলে।শেখ হাসিনাও দেখি দেশের মানুষের সাথে যোগাযোগ করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ঐ পেইজের লাইভের আসে এই বদমায়েশদের সাথে।লীগের সব গুণ্ডারা তারে গুরু মানে।এভাবে রাজনীতি হয়? লীগ পঁচে যাওয়ার পেছনে এই নেশাখোর বদমায়েশগুলো দায়ী।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫০
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
সে মুক্তিযুদ্ধের কিছু ঐতিহাসিক ছবি দিয়ে "জন্মযুদ্ধ" নাম দিয়ে ১টি বই বের করে; বইটা ছাপানোর জন্য আমার কাছেও সাহায্য চেয়েছিলো, আমি দিয়েছিলাম। পরে খবর নিয়ে দেখি, এই বই ছাপানোর জন্য টাকা নেয় নাই, এই রকম কোন লোক নেই; এরপর আমার সাথে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়; ড্রাগ ছিলো তার ১ নং গুরু।
৮|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৩
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বাংলাদেশের পাঠ্যসূচিতে গণিত এবং বিজ্ঞান বিষয়টির সম্পূর্ণরূপে ইংরেজিতে পড়ানো উচিত।
২০১৮ সালে শেষবারের মতো ক্ষমতায় এসে মালয়েশিয়ার মাহাথির মোহাম্মদ ও এ কথাই বলেছিলেন।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মাহাথিরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, আজকের মালয়েশিয়ার পেছনে তার অনেক শ্রম আছে।
৯|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৯
বঙ্গদুলাল বলেছেন: আমাকে মনে হতে পারে কোনো দলের সাপোর্টার। আমি একজন সাধারণ স্কুল শিক্ষক (আরও বেটার কিছুর প্রতীক্ষায় আছি স্রষ্টার কৃপায়)। আপনি আওয়ামী লীগের প্রতি রাজনৈতিকভাবে সহানুভূতিশীল, স্বাধীনতার নেতৃত্ব দেওয়া দল হিসেবে।কিন্তু এদের গুন্ডামী দেখলে আপনার নিজেরই মনে হবে এগুলো কর্মী ছাড়া কারও ভোট পাবে না।দেশের সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারা শেষ করে দেওয়া জাতির বড় ক্ষতি! শেখ হাসিনা নির্বাচনের ধারাটা ঠিক রাখলে কী এমন হতো। সংবিধান নিয়ে মকারি করলো।এখন জাতি পুরো বিভ্রান্ত। কেউ সাহস করছে না শাসনতন্ত্র সাজাতে নতুন করে!
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
শেখ হাসিনার কোন রাজনৈতিক জ্ঞান ছিলো না; ব্যুরোক্রেটদের দেয়া কৌশল অবলম্বন করে ইডিয়ট বিএনপি'কে ক্ষমতা থেকে দুরে রেখেছিলো; মানুষের জন্য কিছুই করেনি।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জিন্নাহ মারা গেছেন, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার আরও চাপ বাড়াচ্ছে, এবং সাধারণ মানুষও বুঝতে পারছে যে শুধু ভাষা না, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যও বাড়ছে।
এটাই কি মুল কারন ? দারুণ বিষয় নিয়ে লিখেছেন ।