নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

১৫ আগষ্ট যখন তাজউদ্দিন জানলেন যে, মিলিটারী শেখকে হত্যা করেছে ...

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫৬



**** উনি কিছুই না'করে, বেকুবের মতো বাড়ীতে বসে রইলেন।
শেখ হত্যার সংবাদ পাওয়ার ৫ মিনিটের মাঝে উনার নিজ বাড়ী ত্যাগ করার দরকার ছিলো ও প্রতিরোধের ডাক দেয়ার দরকার ছিলো; কিংবা দ্রুত বর্ডার ক্রস করার দরকার ছিলো। ****

ধরলাম, খুব দেরীতে হলও সকাল ৭/৮টার দিকে তাজউদ্দিন জেনে গেছেন যে, মিলিটারী শেখকে হত্যা করেছে। জানার পর, উনার ভাবনায় কি এলো না যে, শেখ হত্যার পর, মিলিটারীর হত্যার লিষ্টে এখন ১নং'এ কোন আওয়ামী লীগারের নাম লেখা আছে? ১ মিনিটের মাঝেই উনার বুঝার দরকার ছিলো যে, এখন ১ নং'এ উনার নাম।

তাজউদ্দিন যখনই শেখের মৃত্যু-খবর পেয়েচিলেন, তখন কোটী কোটী বাংগালী জানতেন না যে, তাজউদ্দিন জীবিত আছেন কিনা! ১৫ই আগষ্টে তাজউদ্দিন নিজের বাসায় ছিলেন।

আমি তখন বিদেশে, আমি শেখ হত্যার খবর পেলাম বাংলাদেশ সময় ১১টার দিকে ( ১৫ই আগষ্ট '৭৫ সাল ); আমার ধারণা, তাজউদ্দিন জীবিত নেই; বাংলাদেেশের টেলিফোন লাইন বন্ধ। তাজউদ্দিনের ঘনিষ্ট বন্ধু কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ সাহেবকে ফোন করলাম, তিনি তখন মস্কোতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে চাকূরীরত। আমার ফোন পেয়ে তিনি অনেকটা ভয় পেয়ে গেলেন; আমি জানতে চাইলাম তাজউদ্দিন জীবিত আছেন কিনা? তিনি কিছই জানতেন না; ক্যু সম্পর্কে কিছু জানতেন না, জানতেন শেখ জীবিত নেই।

আমি উনাকে বললাম, যদি তাজউদ্দিন সাহেব জীবিত থাকেন ও আপনি যোগাযোগ করতে পারেন, উনাকে বলবেন, উনি যেন পালিয়ে ভারত চলে যান। উনি ভয়ে আর কিছু আলাপ না'করে টেলিফোন ছেড়ে দিলেন।

বিবিধ খবর থেকে বুঝতে পারলাম, তাজউদ্দিনকে হত্যা করা হয়নি; তবে, কোথায় আছে জানতে পারলম না। ১৭ই আগষ্ট আবার কবিকে ফোন করলাম, তিনি বললেন যে, তাজউদ্দিন জীবিত আছেন; তবে, যোগাযোগ করার উপায় নেই। আমি আশা করছিলাম যে, তাজউদ্দিন নিজের বাড়ী থেকে পালিয়ে গেছে ও আও্য়ামীদেরকে ডাক দিবেন প্রতিরোধ করতে।

এরপর বারবার চেষ্টা করেও আলাউদ্দিন আল আজাদকে পেলাম না; ২৪ শে আগষ্ট বিবিসির ও ভয়েস অব আমেরিকার সংবাদে জানলাম তাজউদ্দিনকে বাড়ী থেকে মিলিটারী ধরে নিয়ে গেছে। ভয়ংকর দু:খ পেলম।

এর আগেও উনাকে নিয়ে আমার সন্দেহ ছিলো যে, উনি কোন বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। ৯ মাসের যুদ্ধে তিনি কলকাতা থেকে এসে ১ নং সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাাদের দেখে গেলেন না। ইহার মতো বেকুবী কাজ তিনি কি করে করলেন, সেটা আমার মাথায় আজও ঢুকে না। এর থেকে আরো মগজহীন কাজ করেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের চাকুরী না'দিয়ে।

মুক্তিযোদ্ধাদের চাকুরী দিলে, সবাই উনার কাছাকাছি থাকতো; উনাকে জেল ভেংগে বের করে আনতেন মুক্তিযোদ্ধারাই। লোকটা বুদ্ধিমান ছিলেন না।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৩৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লিগে সবচেয়ে চালাক মানুষ কে ছিলেন ?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪১

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



রাজনীতিবিদ ছিলেন ৩ জনই: শেখ, মওলানা ও তাজউদ্দিন।

২| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৫৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



আপনি আলাউদ্দিন সাহেবকে ফোন না করে ডাইরেক্ট তাজ সাহেবকে কল করলেন না কেন!!!

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৩৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



বাংলাদেশের সাথে ফোন যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছিলো মিলিটারী।

৩| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:০০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



এটা হতে পারে যে, আপনার চেয়ে আলাউদ্দিন সাহেব তাজ সাহেবের বেশি ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
কিন্তু, আপনি এখনকার মনোযাতনা থেকে রক্ষা পেতেন। এই জন্যে যে, আপনি চেষ্টা করেছিলেন।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৩৬

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




উনারা ঘবিষ্ট বন্ধু ছিলেন; আমাকে তাজউদ্দিন সাহেব চিনতেন না। আমার ধারণা ছিলো, তাজউদ্দিন আোয়ামী লীগের লোকদের ঢাকা আসতে পুরো সৈন্যবাহিনী পালিয়ে যেতো।

৪| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:২১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: লোকটা বুদ্ধিমান ছিলেন না।
............................................................
অথচ উনার আত্নীয় স্বজনরা ঐসব চিন্তা না করে
হাসিনা সরকার থেকে যার যার মতো সুবিধা
নিয়েছিলো এবং ইউনুস সরকার থেকেও নেবার
চেষ্টা করেছে ।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪০

ওমর খাইয়াম বলেছেন: প্রাইম



উনার ২ মেয়েকে ও ছেলেকে আমি ঘনিষ্টভাবে জানতাম, সবগুলো ইডিয়ট।

উনি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারী অবধি প্রাইম মিনিষ্টার ছিলেন; তিনি সব সিভিলিয়ান মুক্তিযোদ্ধাদের চাকুরী দিতে পারতেন একটা অর্ডারেই। বেকুবী করেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে না'রেখে।

৫| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৫

বঙ্গদুলাল বলেছেন: ট্যাংক শেখ পরিবারে গেছিল।তাজ ভাবসে শেখ পরিবারের (মুজিব,মনি,সেরনিয়াবাত) প্রতি ক্ষোভ থেকে আক্রমণ। তাই হয়তো পালায়নি।(ধারণা)
(যদিও রেডিও ডালিমরা ঘোষণা দিসে-শেখ মুজিব ও তাঁর খুনী, দুর্নীতিবাজ সরকার উৎখাত করা হইয়াছে,আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনাদের কোনো অসুবিধা হইবে না)। তাজ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল মনে হয়।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




শেখের মৃত্যু-খবর উনার জন্য এটম বোমা পড়ার মতো ছিলো; কিন্তু উনার ভাবার দরকার ছিলো, যারা শেখকে হত্যা করেছে তারা টিকে থাকার জন্য কি কি করতে পারে? ইহাতে কারা জড়িত? তারা উনাকে ও আওয়ামী লীগকে কি করবে?

উানকে ৮ দিন পরে ধরে নিয়েছে, এই ৮ দিনে উনি কি কি আলামত দেখেছিলেন?

৬| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: শেখ যখন মারা যান, শেখের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুরো বাংলাদেশ থমকে গিয়েছিলো।
তাজউদ্দীন যখন শেখের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন, তখন উনি পালিয়ে যাবেন, না বাসাতেই থাকবেন- সেটা সেই মুর্হুতে মাথা কাজ করে না। তাজউদ্দীনের জায়গায় আপনি থাকলেও থমকে যেতেন। মাথায় হাত দিয়ে মাটিতে বসে পড়তেন। আপনার মাথা কাজ করতো না। পালিয়ে যাবার চিন্তা আসতো না।

শেখ ছিলেন বাংলাদেশের আত্মা।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



উনি ছিলেন স্বাধীনতার সময়ের প্রাইম মিনিষ্টার; উনি সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি বলেই আজকে ৫৫ বছর পর আমরা ৩য় আমেরিকান ক্যু'তে, ১ চোরকে প্রাইম মিনিষ্টার বানায়েছে ডাকাতেরা মিলে ও উনি নেই।

৭| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধে পিস্তল হাতে নিয়ে তাজউদ্দীন যুদ্ধ করেন নাই। কিন্তু যুদ্ধে তাজউদ্দীনের অবদান অনেক। যুদ্ধের সময় তাজ উদ্দীন সবচেয়ে বুদ্ধিমানের মতো কাজ করে গেছেন। তাজউদ্দীন এক মুহুর্তের জন্যও ইন্দিরা গান্ধীর পিছু ছাড়েননি। সমস্ত দাবী দাওয়া আদায় করে নিয়েছেন। ইন্দিরা গান্ধীও নিজের সন্তানের মতো করে যুদ্ধের সময় পুরো জাতিকে সাপোর্ট করে গেছেন। এক কোটি শরনার্থীকে আশ্রয় ও খাবার দিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং দিয়েছেন। এসব কাজ করেছেন ইন্দিরা। কিন্তু এসব কাজের অবদা তাজউদ্দীনের।

তাজউদ্দীন মানুষ ভালো ছিলো।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, শেখ মুজিব মোস্তাককে কাছে টেনে নেন এবং তাজউদ্দিনকে দূরে সরিয়ে দেন।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৫

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




আপনি যা যা বলেছেন, সবই ঠিক আছে!

উনাকে তো ধরে নিয়ে হত্যা করেছে, এটা যদি উনি ১৫ আগষ্টের পরপরই বুঝতেন ও পালিয়ে যেতেন, উনার ডাকে দেশের মিলিটারী লুংগী ফেলে পালিয়ে যেতো।

৮| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: তাজউদ্দীনের ছেলে সোহেল তাজ।
সোহেল তাজ ইউনুসের সাথে দেখা করতে গেছেন। গিয়ে ইউনুস সাহেবকে পায়ের ব্যয়াম কি করে করতে হয়, সেটা শিখিয়ে দিয়েছেন। তার শেখানো ব্যয়াম প্রতিদিন দশ মিনিট করলে, পা ব্যথা করবে না।

সোহেল তাজ বুদ্ধিমান নন। কিন্তু তাজউদ্দীনের মেয়ে বুদ্ধিমতি।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




তাজউদ্দিনের মেয়েদের সাথে আমার কথা হয়েছে, ২টাই ইডিয়ট; ছেলেটাকে আমি দেখেছি ১ বার বাংলাদেশ সন্মেলনে ( আমেরিকায় ); যেখানে সবাই স্যুট-কোট কিংবা ভালো বাংগালী পোশাকে, সেখানে সে হাফপ্যান্ট ও শার্ট গায়ে দিয়ে এসেছিলো, সার্কাসের ভাঁড়।

৯| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

আমার মনে হয়তো অন্য কোন ভাবনাও থাকতে পারতো ।
সে কারণে উনি পালিয়ে যাননি।
তবে বাস্তবতা হচ্ছে ওনার পালিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



উনি সঠিক মতো কোন কিছুই করেননি; এভাবে মুরগীর মতো উনাকে খোড়ার থেকে ধরে নিয়ে গেলো ৮ দিন পর; ইহা ছিলো ডোডো পাখীর আচরণ।

১০| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যাক ভালোই কমেনটস পেয়েছেন ; আমরা সবাই হাদি সেনা ,ভয় করিনা বুলেট বোমা । =p~.

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



হাদি, মাদী, গাধীদের জন্ম দিয়ে বাংলার মায়েরা দেশকে হায়েনার চারণ ভুমিতে পরিণত করছে!

১১| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইনকিলাব জিনদাবাদ , আজাদি জিনদাবাদ নাকি জয় বাংলা ? কোনটা বেশি ভালো লাগে আপনার কাছে ?

ভালো ভালো লেখক লিখছেন । পড়েন না কেন ?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৫

ওমর খাইয়াম বলেছেন:





আপনার লেখা পড়ি, উহাতে দেশের সংবাদ থাকে, রাজিবের লেখা পড়ি, উহাতে মানুষের কথা থাকে, কলাবাগানের লেখা পড়ি, উহাতে সায়েন্স থাকে; বাকীরা গার্বেজ লেখে।

১২| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঢাবির এক ছেলেম ভোর রাতে এক মেয়েকে লাঠি দিয়ে পিটিয়েছে । মেয়েটি কেন ঢাবি ঘুরতে এসেছে তাই। ঢাবিয়ান দের একি হাল ?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ইহা সম্পর্কে ফতোয়া দিতে পারবে ব্লগার মেঠোপথ ও ডাকসুর জল্লাদেরা।

পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে এখন শিবিরের জল্লাদরা ব্যতিত অন্য কোন ষাঁড় নেই।

১৩| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: জাতীয় চার নেতারই উচিত ছিল আত্মগোপনে চলে যাওয়া যেহেতু তারা মোশতাকের মন্ত্রীসভায় যোগ দেবেন না। উনারা জীবিত থাকলে আবারও জাতিকে সংগঠিত করার সম্ভাবনা ছিল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.