নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশ কম দামে তেল পেতো আরবদেশগুলো ও ইরান থেকে।

০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:২৫



বাংলাদেশ ও ৩য় বিশ্ব্বের দেশগুলোতে আমেরিকান সরকারের ১টা মাত্র স্বার্থ: ৩য় বিশ্বের দেশগুলোর সরকারগুলো কোন কোন রাজনৈতিক দল যেন সোস্যলিষ্ট অর্থনীতির পক্ষে ওকালতি না'করে। এসব দেশে আমেরকান "দুতাবাসগুলো" সেটা দেখে ও আমেরিকান ব্যবসায়ীদের ব্যবসা যেন ঠিক থাকে সেটার উপর কাজ করে; এর থেকে বেশী কিছু নয়।

বাংলাদেশ আরবদেশগুলো ও ইরান থেকে কমদামে তেল পেতো; ইউনুস ও তার এনজিও বন্ধুরা মিলে যেই বাণিজ্য চুক্তি করে গেছে, বাংলাদেশকে তেল কিনতে হবে আমেরিকান ব্যবসায়ীদের থেকে, এখন বিশ্ব তেলের বাজার পুরোপুরিভাবে আমেরিকানদের হাতে চলে গেছে।

এই যুদ্ধের পর, ইরানী তেল ও আরব তেলের ফিউচার, ভেনেজুয়েলার তেল থাকবে আমেরিকান কর্পোরেশনগুলোর হাতে; এখন থেকে আমাদের দেশের আয় অনেককমে যাবে; হয়তো তেল কেনার জন্য টাকা নিতে হবে ইউনুস ও খাম্বা মিয়া থেকে, কিংবা পাকিদের থেকে ডলার বানানোর মেশিন কিনতে হবে।





মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



আমাদের দেশের অর্ধেক জনগণ পেট্রোলিয়াম ব্যবহার করে না।
যারা করে, তারা যদি দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়, তাদের জন্যে সরকার আছে।
সরকার না পারলে মিলিটারি আছে।

আর, মিলিটারি না পারলে পরের ভোটে আওয়ামী লীগের ফেরত আসার সম্ভাবনা আছে।

০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১০

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



আপনার পঁচা আইডিয়া ও নিজের সম্পর্কে মিথ্যা তথ্যগুলো আপনার সম্পর্কে খারাপ ধারণা দিচ্ছে সব সময়।

২| ০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩২

আমি নই বলেছেন: হাসিনা থাকলে কি অবস্থার পরিবর্তন হত?

০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৭

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



না, তেলের অবস্হা একই রকম হতো, বেশী দামে কিনতে হতো; তবে, সরকারের আয় থাকতো ও বাংলাদেশের ইমেজটা ও প্রোফাইলটা অনেক ভালো থাকতো

একামত্র তারেকের কারণে লাখ লাখ ব্যবসা্যী কর দিতে চাইবে না; ভাববে কর দিলে তারেক ও তার বর্গীকে উহা লুকায়ে ফেলবে।

৩| ০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:








সূরা আল-ফীল (১০৫) মক্কায় অবতীর্ণ ৫ আয়াতের একটি সূরাযা 'তাফসীরে জালালাইন' অনুসারে ইয়েমেনের বাদশা আবরাহার কাবা ধ্বংসের ব্যর্থ প্রচেষ্টার কাহিনী বর্ণনা করে। এতে আল্লাহ নগণ্য পাখির মাধ্যমে হস্তীবাহিনী ধ্বংস করে তাদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেন এবং তাদের চিবানো ঘাসের মতো পিষে ফেলেন। এই ঘটনাটি রাসূল (সা.)-এর জন্মের বছর ঘটেছিল [১৪৫]।
তাফসীরে জালালাইন অনুসারে সূরা ফিলের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:
১-২ নং আয়াত: আল্লাহ নবী করীম (সা.)-কে প্রশ্ন করছেনতিনি কি হস্তীবাহিনীর (আবরাহা ও তার দলবল) সাথে কী আচরণ করেছিলেন তা দেখেননি? এই প্রশ্নের মূল অর্থ হচ্ছে আশ্চর্য প্রকাশ করা [৪]। আল্লাহ তাদের কাবা ধ্বংসের চক্রান্তকে (কাইদাহুম) পুরোপুরি ব্যর্থ (তাদলিল) করে দিয়েছিলেন।
৩ নং আয়াত: আল্লাহ তাদের উপর 'আবাবীল' অর্থাৎ ঝাঁকে ঝাঁকে বা একের পর এক আগত পাখি প্রেরণ করেন {Link: Hati Senang [४]}।
৪ নং আয়াত: সেই পাখিগুলো তাদের উপর 'সিলজীল' বা পোড়ামাটির পাথর নিক্ষেপ করছিলযা ছিল জাহান্নামের পাথর {Link: Hati Senang [৪]}।
৫ নং আয়াত: পরিণামে আল্লাহ তাদের চিবানো শুকনো ঘাস বা ভূষির (কা'আস্ফিন মা'কূল) মতো চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেন {Link: Hati Senang [৪]}।
সারসংক্ষেপ: এই সূরায় ক্ষমতার দাপট দেখালে আল্লাহর আযাব থেকে কেউ বাঁচতে পারে না এবং আল্লাহ যেভাবে তাঁর পবিত্র ঘর (কাবা) রক্ষা করেছেনতার অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে।

০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



এসব কপিপেষ্ট কমেন্ট আমি পড়ি না।

৪| ০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:






ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু ঘটনা আছে, যা মানুষের বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করে। সূরা ফীল ঠিক সেই ধরনের একটি সূরা। মাত্র পাঁচ আয়াতের হলেও এতে আছে আল্লাহর কুদরতের জীবন্ত প্রমাণ, অহংকারের কঠিন পরিণতি এবং দুর্বলের প্রতি আল্লাহর বিশেষ সুরক্ষা।

এই গাইডে আমরা সূরা ফীল বাংলা উচ্চারণ, আরবি, অর্থ, তাফসীর, ইতিহাস, শিক্ষা ও ফজিলত-সবকিছু বিস্তারিতভাবে জানব।

সূরা ফীল পরিচিতি
সূরা ফীল কুরআনের ১০৫ নম্বর সূরা। এটি মক্কায় নাজিল হয়। এই সূরার প্রধান বিষয় হলো-ইয়েমেনের শাসক আব্রাহা যখন হাতি বাহিনী নিয়ে কাবায় হামলা করতে আসে, তখন আল্লাহ কীভাবে তাকে ধ্বংস করেন।

সূরাটির মূল বার্তা-
আল্লাহ সব সময় সত্য ও ন্যায়ের রক্ষা করেন
অহংকার ও অবিচারের পরিণতি কখনো ভালো হয় না
দুর্বল হলেও আল্লাহর সাহায্য পেলে কেউ পরাজিত হয় না
সূরার গুরুত্ব
কুরআনের অন্যতম ঐতিহাসিক সূরা
আল্লাহর শক্তির এক অনন্য চিত্র
ছোট শক্তি দিয়ে বড় শক্তিকে পরাস্ত করার শিক্ষা
আল্লাহর রহমত ও ক্ষমতার প্রতীক
সূরা ফীলের ইতিহাস ও নাজিলের প্রেক্ষাপট
সূরা ফীল কেন নাজিল হয়েছিল
এ সূরাটি মূলত আব্রাহার কাহিনিকে স্মরণ করানোর জন্য নাজিল হয়। আরবরা এই ঘটনা ভুলে যাক-আল্লাহ তা চাননি। কারণ এতে ছিল ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।

মুহাম্মদ (সা.) এর সময়ের গুরুত্ব
রাসূল (সা.)–এর জন্ম হয়েছিল সেই বছরেই-যার নাম হাতির বছর (عام الفيل)।
এ ঘটনা মক্কার ইতিহাসে এত বড় প্রভাব ফেলেছিল যে আরবরা বছর গণনা করত এই ঘটনার ভিত্তিতে।

সূরা ফীলের ভাষাগত বিশ্লেষণ
‘ফীল’ শব্দের আরবি ব্যাকরণিক দিক
ফীল (فيل) = হাতি
একবচন
আরবিতে সাধারণত বড় প্রাণী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়
সূরার শব্দচয়ন ও ভাষাগত সৌন্দর্য
এই সূরার শব্দগুলি ছোট, তীক্ষ্ণ ও শক্তিশালী। প্রতিটি শব্দের মাঝে আছে ভয়, উত্তেজনা ও বিস্ময়ের অনুভূতি। আয়াতগুলো যেন চোখের সামনে ঘটনার ছবি আঁকে।

সূরা ফীলের কাহিনি অন্যান্য ইসলামী গ্রন্থে
ইসলামিক ইতিহাসবিদদের বর্ণনা
আক্রমণ: ইয়েমেনের শাসক আব্রাহা, মক্কার বাইতুল্লাহ (কাবা শরীফ) ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে এক বিশাল বাহিনী নিয়ে কাবা অভিমুখে যাত্রা করেন। তার বাহিনীর সাথে ছিল বিশাল সংখ্যক হাতি।
পবিত্র কাবা: এই আক্রমণ পবিত্র বাইতুল্লাহর প্রতি এক চরম অবমাননাকর প্রচেষ্টা ছিল।
পাখির আক্রমণ: যখন আব্রাহার বাহিনী কাবার কাছে পৌঁছে, তখন দলবদ্ধভাবে উড়ে আসা এক ঝাঁক পাখি তাদের ওপর কঙ্কর বর্ষণ করে।
সেনাবাহিনীর পরিণতি: পাখির ছোঁড়া কঙ্কর বা ছোট নুড়িগুলো আব্রাহার বাহিনীর ওপর আঘাত হানে, যার ফলে হাতীসহ অন্যান্য প্রাণীরা দ্রুত মারা যায় এবং সৈন্যরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়। ইয়েমেনে পালিয়ে যাওয়ার সময় আব্রাহা গুরুতর আহত অবস্থায় মারা যায়।
ইবনে ইসহাক, ইবনে হিশামসহ বহু ইতিহাসবিদ এই ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।

তাফসীর ইবনে কাসীর
ইবনে কাসির উল্লেখ করেছেন যে, হস্তীবাহিনীকে কাবা গৃহ ধ্বংসের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু আল্লাহ নগণ্য পক্ষীকূলের মাধ্যমে তাদের প্রতি এমন শাস্তি পাঠান যে তারা সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

তাবারী ও কুরতুবীর বর্ণনা
তাবারী -এটি আল্লাহর এক অলৌকিক শাস্তির উদাহরণ।
কুরতুবী -এই সূরা প্রমাণ করে আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কোনো শক্তি কাজ করে না।

আব্রাহার হাতি বাহিনী ও কাবা আক্রমণ
আব্রাহার উদ্দেশ্য
আব্রাহা চেয়েছিল সবাই তার গির্জায় ইবাদত করুক। মক্কা ছিল ব্যবসা ও ধর্মের কেন্দ্র। এটি ধ্বংস করলে আরবের ধর্মীয় গুরুত্ব বদলে যেত।

হাতির বছর (عام الفيل)
এই বছর এতই গুরুত্বপূর্ণ যে রাসূল (সা.)–এর জন্মও এ বছরের ঘটে। আরবদের স্মৃতিতে এটি অমর হয়ে আছে।

ঘটনাস্থল ও ঐতিহাসিক প্রমাণ
হাতি মক্কার বাইরে থেমে যায় এবং বসে পরে
আল্লাহ তাদের উপর পাঠান পাখির বাহিনী
ইতিহাসে বহু লেখক এই স্থানের বর্ণনা দিয়েছেন
আবাবিল পাখির প্রকৃত পরিচয়
আবাবিল কি বাস্তব পাখি ছিল?
বেশিরভাগ আলেম বলেন-হ্যাঁ, এটি ছিল বাস্তব পাখি।
তারা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে পাথর নিক্ষেপ করেছিল।

মতপার্থক্য
কিছু আলেম বলেন-এ ছিল আল্লাহর বিশেষ বাহিনী।
আর কেউ বলেন-এটি হতে পারে প্রতীকী বর্ণনা।

আল্লাহর কুদরতের প্রকাশ
ছোট পাখি দিয়েই আল্লাহ বড় বাহিনীকে ধ্বংস করেন।
এটাই সূরার মূল শিক্ষা।

০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২১

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



এসব গার্বেজ দিয়ে আমি কি করবো?

৫| ০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:






সংক্ষিপ্ত আকারে আবরাহার হস্তী বাহিনীর ঘটনা

হাবশার বাদশাহর পক্ষ থেকে ইয়েমেন দেশে আবরাহা গভর্নর ছিল। সে ‘সানআ’তে একটি খুব বড় গির্জা নির্মাণ করিয়েছিল। আর চেষ্টা করল, যাতে লোকেরা কাবাঘর ছেড়ে দেয় এবং ইবাদত ও হজ-উমরাহর জন্য এখানে আসে। এ কাজ মক্কাবাসী তথা অন্যান্য আরব গোত্রের জন্য অপছন্দনীয় ছিল। অতএব তাদের মধ্যে একজন আবরাহার নির্মাণকৃত উপাসনালয়ে মলমূত্র ত্যাগ করে নোংরা করে দেয়।

আবরাহার কাছে খবর পৌঁছাল যে, গির্জাকে কেউ নোংরা ও অপবিত্র করে দিয়েছে। যার প্রতিক্রিয়ায় সে কাবা ঘরকে ধ্বংস করার দৃঢ়সংকল্প করে নেয়। সে বহু সংখ্যক সৈন্যসহ মক্কায় হামলা করার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বেশ কিছু হাতীও তাদের বড় অস্ত্র হিসেবে ছিল। মক্কার কাছে পৌঁছে সৈন্যরা (মক্কার সর্দার) নবী (সা.)-এর দাদার উটগুলি দখল করে নেয়।

এ ব্যাপারে আবদুল মুত্তালিব আবরাহাকে বললেন, আমার উটসগুলো ফিরিয়ে দাও; যা তোমার সৈন্যরা ধরে নিয়েছে। (আবরাহা বলল, এখন আমরা তোমাদের কাবা ধ্বংস করতে এসেছি, আর তুমি কেবল উট ছেড়ে দেওয়ার দাবি করছ? তিনি বললেন, উটগুলো আমার। তাই আমি সেগুলোর হিফাজত চাই।) বাকি থাকল কাবাঘরের ব্যাপার— যেটা তুমি ধ্বংস করতে এসেছ। সেটা হলো- তোমার ব্যাপার আল্লাহর সাথে। কাবা হলো আল্লাহর ঘর। তিনিই হলেন তার হিফাজতকারী। তুমি জানো আর বায়তুল্লাহর মালিক আল্লাহ জানেন।

অতঃপর যখন এই সৈন্যদল (মিনার কাছে) ‘মুহাসসার’ উপত্যকার নিকট পৌঁছল, তখন আল্লাহ তাআলা একটি পাখীর দল প্রেরণ করলেন— যাদের ঠোঁটে এবং পায়ে পোড়া মাটির কাঁকর ছিল; যা ছোলা অথবা মসুরীর দানা সমপরিমাণ ছিল। পাখীরা উপর থেকে সেই কাঁকর বর্ষণ করতে লাগল। যে সৈন্যের গায়ে এই কাঁকর লাগল, সে গলে গেল; তার শরীর হতে গোশত খসে পড়ল এবং পরিশেষে সে মারা গেল। ‘সানআ’ পৌঁছাতে পৌঁছাতে খোদ আবরাহারও একই পরিণাম হল। এইভাবে আল্লাহ তাআলা নিজ ঘরের রক্ষা করলেন। (আয়সারুত তাফাসির থেকে সংক্ষেপিত)

০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




আপনি নতুন নবী হয়ে গেছেন। নবী শ্যাইয়াান (রা:)

৬| ০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৫১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বাংলাদেশে বলার মতো তেমন কোন খনিজ সম্পদ নেই।
দেশে মানুষের কাজও নেই।

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৪২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



শিক্ষিত মানুষই সম্পদ; শেখ, তাজউদ্দিন ও হাসিনার মগজ না'থাকা্তে বুঝতে পারেনি।

৭| ০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১:২৭

আঁধারের যুবরাজ বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভেনেজুয়েলার তেল থাকবে আমেরিকান কর্পোরেশনগুলোর হাতে


- ও দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে অপহরণের পর ট্রাম্প হাসি মুখে বলেছে যে , পৃথিবীর ৫৫% ( প্রায় ) তেল এখন আমেরিকার হাতে। ইরানে পুতুল সরকার বসানোর পরে শতাংশ আরো বাড়বে।

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৪৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ইসলাম ধর্ম যত দেশে আছে, সব দেশে রাজকার আছে; ভেনেজুয়েলার তেল বেশীদিন রাখতে পারবে বলে মনে হয় না; ঐ দেশের মানুষ লেগে যাবে।

৮| ০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১:২৭

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: @সত্যপথিক শাইয়্যান - আপনি মাঝে মাঝে পাগলামি করেন, কি সব হাবিজাবি কমেন্টস করেছেন!! আপনার হাবিজাবি কমেন্টে দেখে গাজী সাহেব ক্ষুব্ধ হয়ে আপনার প্রতি সেংশন আরোপ করিয়া থাকিতে পারে।

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৪৫

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




জাতির অপদার্থ সন্তানদের মাঝে সত্য পথিক ১ম ১০%'এর মাঝে আছে।

৯| ০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৪৮

আঁধারের যুবরাজ বলেছেন: লেখক বলেছেন: ইসলাম ধর্ম যত দেশে আছে, সব দেশে রাজকার আছে;

- সঠিক বলেছেন , শুরু থেকেই রয়েছে।

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ২:২৫

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ব্লগে যারা ধর্ম নিয়ে লিখে, একজনেরও লেখার মতো দরকারী মিনিমাম জ্ঞানও নেই।

১০| ০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫১

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: Crude oil এর প্রাইস বর্তমানে ৭০ ডলার আছে, এটা কি ১০০ তে হিট করতে পারে?

তেলের দাম যদি বাড়ে তাহলে গ্যাসের দামাও তো বাড়ার কথা, বর্তমানে Natural Gas ৩ ডলারের আশেপাশে আছে এটা কি ৫ ডলারে যেতে পারে?

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ২:২৮

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



তেলের দাম ১০০ ডলারে হয়তো যাবে না শীঘ্রই; কিন্তু ব্যবসায় আমেরিকান কোম্পানীদের মনোপলি প্রতিষ্ঠা হবে। আমেরকান কোম্পানীগুলো চীনকে দরকারী পরিমাণ তেল দিবে না, মনে হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.