| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমেরিকার অভ্যন্তরে মানুষের অসন্তোষ ও ইউরোপ থেকে কোন ধরণের সাপোর্ট না'পেয়ে ট্রাম্প সাহস হারায়ে ফেলেছে; তেলের দাম ও মধ্যবর্তী ভোট তাকে ভীত করে তুলেছে।
আজকে ভোরে তেলের দাম ১১৯ ডলারে পৌঁছে; এতে করে ভোর রাতে ষ্টক-মার্কেট ফিউচার (ডাও ) ১০০০ পয়েন্ট পড়ে যায়; দিনের বেলায় ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে তার হায়েনাদের নিয়ে বসে; বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঘোষণা দেয়, দরকার হলে ইউএস তেল রিজার্ভ ছাড়বে। এবং মিটিং'এ বলে যে, যুদ্ধ শেষের দিকে, সে যা চেয়েছিলো সবই করা হয়েছে, ইরান বদলে গেছে।
এই খবর বাইরে আসার সাথে সাথে তেলের দাম ৮৫ ডলারে নেমে আসে ও মার্কেট ৩০০ পয়েন্ট গ্রীন হয়ে যায়। মনে হচ্ছে, ডামী বুঝতে পেরেছে যে, নির্বাচনে কংগ্রেস ও সিনেট হারালে, তাকে ইমপিচ করা হবে।
নাকি পুরোটাই ব্লাফ, সে ব্যতিত অন্য কেহ জানার কথা নয়।
১০ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মনে হয়, ট্রাপের টার্ম শেষ হলে, তার বিচার হবে।
সাদারাও বলছে যে, নেতানিয়াহু তাকে যুদ্ধে নিয়ে গেছে। ইরানের তেলের ডিপোতে আগুন লাগানোর পর, আমেরিকান ব্যবসায়ীরাও ক্ষেপে গেছে।
১০ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:২৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
দিনের সাড়ে ৩টায় বলেছিলো, যুদ্ধে যা যা চেয়েছিলো, সবই সম্পন্ন হয়েছে; এখন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বলছে, ইউরেনিয়াম উদ্ধার করতে সৈন্য পাঠাবে।
২|
১০ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:৪৪
বঙ্গদুলাল বলেছেন: মনের মতো হয়নি, তার প্ল্যান ঠিক কাজ করেনি।
১০ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৪১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ভোটে জয়ী হওয়ার জন্য করেছে; তবে, হিতে বিপরিত হয়েছে।
৩|
১০ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:০৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমেরিকা নিপাত যাক ।
১০ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:২১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমেরিকা নিপাত গেলে, মানব সভ্যতা থেমে যাবে।
৪|
১০ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের দেশে তেল নিয়ে হাহাকার পড়ে গেছে!
লোকজন পাগলের মতো আচরন করছে। লম্বা লাইন। লোকজন লাইনে দাঁড়িয়ে মারামারি করছে।
১০ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
পশ্চিমে গাড়ীতে ও ছোটখাট যন্ত্রপাতিতে তেলের ব্যবহার কমছে; ফলে, পশ্চিম আগের মতো তেলের জন্য ভীত নয়।
আমাদের তেল/জ্বালানী কেনার হার্ড কারেন্সী কমে আসবে আগামীতে।
৫|
১০ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৪৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার কৌশল ও বার্তাগুলোর মধ্যে চরম অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কখনও তিনি ইরানের আইআরজিসি (IRGC) কর্মকর্তাদের অস্ত্র সমর্পণের বিনিময়ে দায়মুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছেন,
আবার কখনও সামাজিক মাধ্যমে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ (Unconditional Surrender) দাবি করছেন।
আর আইআরজিসি বলছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ‘এক লিটার তেলও’ রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।
ট্রাম্প সরাসরি ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কথা না বললেও খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে তার
ছেলে মোজতবা খামেনির ক্ষমতায় আসাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে ঘোষণা করেছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন,
ওয়াশিংটন চেয়েছিল খামেনির মৃত্যুর পর ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে ফাটল ধরবে, কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে
মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে আইআরজিসি ও সরকার আরও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এটি ট্রাম্পের রাজনৈতিক
হিসাব-নিকাশের জন্য একটি বড় ধাক্কা।
সংবাদ মাধ্যম সমুহে দেখি বিশ্লেষকগন বলছেন ‘যুক্তরাষ্ট্র আকাশপথে ইরানের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করতে
পারে, কিন্তু সেখান থেকে নতুন কোনো রাজনৈতিক বিকল্প তৈরি করা সম্ভব নয়।’ এদিকে ইরানও সাফ
জানিয়ে দিয়েছে, বোমাবর্ষণ চলাকালীন কোনো আলোচনা বা আত্মসমর্পণ সম্ভব নয়।
ট্রাম্প যেহেতু যুদ্ধবিরোধী প্ল্যাটফর্মে নির্বাচন করে ক্ষমতায় এসেছেন, তাই দীর্ঘমেয়াদী স্থল অভিযান বা ‘গ্রাউন্ড
ইনভেশন’ এর ঝুঁকি তিনি নিতে চাইবেন না। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত একটি ‘বাস্তববাদী চুক্তি’
(Pragmatic Deal) করার চেষ্টা করবেন যেখানে তিনি খামেনির মৃত্যু এবং ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসকে
নিজের বিজয় হিসেবে ঘোষণা করে যুদ্ধ শেষ করতে পারেন।
১০ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
কোন বিশেষজ্ঞ বলার দরকার নেই, আমি নিজে এগুলো দেখছি। আপনি যুদ্ধের পরিস্হিতি থেকে নিজে কিছু বুঝেন, নাকি বিশেষজ্ঞ বললে বুঝেন?
৬|
১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
নীজের চোখে যুদ্ধ দেখছিনা । যুদ্ধের সংবাদ সমুহের অনেকটাই
অনেক ক্ষেত্রে ধামা চাপা দেয়া আমিরিকা ইজরাইল মিডিয়া
চক্রের কারণে, আবার তাদেরই মতে তাদেরই মিডিয়ার
কারণে অনেক ক্ষেত্রেই অতিরঞ্জিত ফুলানো ফাপানো।
সি এন এন , বিবিসি , আলজারিরা ছাড়া অন্য কারো
কাছ থেকে যুদ্ধ বিষয়ক সংবাদ পাওয়া দুস্কর ।
আর এগুলি কার নিয়ন্ত্রনে তা কি আপনার জানা নেই।
তাই বিশেষজ্ঞ মিশেষজ্ঞ জাতীয় বেকুবী কথা না
বলাই ভাল । দুর হতে যুদ্ধের পরিস্থিতির ভুল বাল
কথা শুনে কোন পরিনতির কথা শুধু বেকুবরাই
ভাবতে পারে।
তাই খোলা চোখে দুরে বসে যুদ্ধের গতিবিধি নিয়ে
নীজের মতামত তুলে দেয়া বেকুবী ছাড়া কিছুই না।
দুনিয়ার সকল জায়গায় সবক্ষেত্রে যুদ্ধ বিষয়ে
কথামালা সুত্র আর যথোপযুক্ত বিশ্লেষকদের
বরাতেই কথা বলতে হয় ।
৭|
১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:২০
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ট্রাম্পের কথাবার্তা, আচার আচারণ খেপাটে মনে হতে পারে- কিন্তু আমার কখনোই মনে হয়নি শিশুর মত ললিপপের লোভ দেখিয়ে ইসরাইল আমেরিকাকে হুট করেই এ যুদ্ধে টেনে এনেছে। এই যুদ্ধের পিছনে দুদেশেরই রয়েছে দীর্ঘ দিনের প্ল্যান এবং পরিকল্পনা। ইরান বিষয়ে পুরো পশ্চিমা বিশ্ব একজোট, ঠিক ইউক্রেনের মতোই। তবে তাদের অভ্যন্তরীন রাজনীতিতে না না মতোভেদ থাকতে পারে কিন্তু দিনশেষে দেখবেন তারা ইরানের দফারফা করেই ছাড়বে।
৮|
১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৪১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আচ্ছা, ইরানের নাকি আনলিমিটেড সুপ্রিম লিডারস আছে? 
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:৩২
আঁধারের যুবরাজ বলেছেন: বিশেষজ্ঞরা তাকে ৪টি পরামর্শ দিয়েছিলো মিডিয়াতে ,তার মধ্যে এটি একটি ছিল। তার শুভ বুদ্ধির উদয় হোক ,এই আশা করছি। তবে সে ফেঁসে গিয়েছে এপস্টেইনের ফাইলের চিপায়। নাটাই ইসরাইলের হাতে !