| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
খাম্বামিয়া, তার ক্যাবিনেট, ৩০০ জন এমপি, ব্যুরোক্রেট, মিলিটারী, আমেরিকান দুতাবাস ও পাকিস্তান মিলে আমাদের বর্তমান সরকার; ইহাকে হায়েনা সরকার বললে হয়তো সঠিক হবে। এরা যখন দেশের শাসনকার্যে নিয়োজিত হয়েছে, তখন বিশ্বে ২টি বড় ধরণের যুদ্ধ চলছে। একই সময়ে বিশ্ব ৮ জন হায়েনার দখলে: ট্রাম্প, পুটিন, শি জিনপিং, নেতানিয়াহু, মোদী, কিম, মোদী ও এরদেগান।
এর সাথে যোগ করেন আমাদের জাতির বিশাল জনসংখ্যা, এদের শিক্ষা, জ্ঞান, দক্ষতা, সততা, প্রতারণা ও জালিয়াতির প্রবনতা, দেশ-প্রেম।
এসবকে কম্পাইল করে দেখেন, দেশ আগামী ৫ বছর কিসের মধ্য দিয়ে যাবে! এই অবস্হায় আপনি কোনভাবে, কোন কিছুতে কি কোন ধাণের অবদান রাখতে সমর্থ হবেন, যা জাতিকে কোন না কোনভাবে সাহায্য করতে পারে?
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৩৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
১ম প্রশ্ন: সে সংসদে গেলো কি করে?
২য় প্রশ্ন: এগুলো কি তার ভাবনা?
৩য় প্রশ্ন: ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে "ওভারক্রাউডেডে স্কুলগুলোতে, যেখান পড়ালেখা হয় না, সেখানে "মেধা" এলো কোথা থেকে"?
মেডিক্যাল, ইন্জিনিয়ারিং, ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে "শিবির" ব্যতিত অন্য কেহ ঢুকতে পারবে কিনা?
৪র্থ প্রশ্ন: গত ক্যু'তে তার লোকদের হাতে অস্ত্র ছিলো কিনা? এখন তার কাছে অস্ত্র আছে কিনা?
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৪০
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
দেশের বর্তমান অবস্হায় আপনার করার কিছু আছে?
২|
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:৩৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ধনীদের জন্য ইংরেজি মাধ্যম, মধ্যবিত্তের জন্য বাংলা মাধ্যম,
আর দরিদ্র মানুষের শেষ ভরসা মাদ্রাসা শিক্ষা।
..................................................................................
এই বক্তব্য বাস্তবতা থেকে নেয়া
সুতরাং এর সুষ্ঠু ও সমতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া দরকার ।
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৩৮
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
নিউইয়র্ক শহরে লিমোজিন চালাতো মিলন; সে যদি শিকামন্ত্রী হয়, আপনি কি আশা করেন?
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৩৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
দেশের বর্তমান অবস্হায় আপনার করার কিছু আছে?
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৪৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মিলন হলো হাওয়া ভবনের ডাকাতদের ১ জন।
৩|
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:১৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লটারি হওয়াটাই ভালো । এতো ছোটো বয়সে কোচিং করে কমপিটিশন করার কোনো দরকার নেই । এডুকেশনে আবার কিসের কমপিটিশন ?
সবার আগে নজর দেয়া দরকার প্রাইমারী তে ; সরকার হিউজ টাকা খরচ করেও তেমন আউটপুট নেই । টিচারদের বছরের শেষ দিকে student কালেকশন করতে বাড়ি বাড়ি পাঠানো উচিত । আম জনতার মতি গতিও বুঝি না । ইশকুল বাদ দিয়ে মাদরাসায় পড়ানো শুরু করেছে । এটারই বা কি আউটপুট আছে ?
আমাদের এখন প্রতিটি investment result oriented হওয়া দরকার । আউটপুট না পেলে বাদ ।
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:৩৫
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
এই সরকারের আমলে, গ্রামের ১০০ ভাগ প্রাইমারীতে ছাত্র অর্ধকের চেয়ে কমে যাবে; অনেক স্কুলে ছাত্র থাকবে না; কাহারা ইহা করবে? হায়েনা আবদুল্লারা।
আমার সময়ে ১ প্রাইমারী থেকে অণ্য প্রাইমারী ছিলো গড়ে ৪ মাইল দুরে; ১ম শ্রেণীতে ৩৪ জন ছাত্র ছিলো; এদের মাঝে থেকে ৭ জন ও পরে আসা ৪ জন মিলে ৫ম শ্রেনী শেষ করেছি ১১ জন।
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:৩৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মিলন ৯০০০ পায়খানর মোল্লাদের স্কুলে চাকুরী দিবে; গড়ে প্রতিজন থেকে কত লাখ নিবে ঘুষ?
৪|
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:০৪
কলাবাগান১ বলেছেন: মিলন ৯০০০ ধর্ম শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছেন যেখানে ১০,০০০ বিজ্ঞান এর শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া উচিত...। প্রায়োরিটি কোথায়????
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:৪৮
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মিলন ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে বাস ড্রাইবার ও জংগী ম্যানিফেকচারিং করবে।
পুরো বাংলাদেশে সঠিকভাবে বিজ্ঞান বুঝে, সেই রকম ২০০ গ্রেজুয়েট পাওয়া যাবে না।
৫|
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মিলন সাহেবের উপর এতো রেগে আছেন কেনো ?
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:২৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মিলন হাওয়াভবনের ডাকাতদের ১ জন, সে শিক্ষা নিয়ে এটুকু জানে যে, মিনিষ্ট্রি অব এডুকেশনে সবচেয়ে বেশী ডাকাতী করে ও মিনিষটার বিরা ট ভাগ পায়।
সে বাংলাদেশে উবার কিংবা বাস ড্রাইবের হওয়ার যোগ্যতা রাখে!
৬|
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ২০১৭ এর দিকে একটা পিএইচডি করেছে তো । এখন কি বদলাবে না ?
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
সামুর ৪ পিএইচডি দেখলাম, যারা জেনুইন পিএইচডি করেছে পশ্চিমে। তবে, ড: এম এ আলী'র পিএইচডি নিয়ে আমার সন্ডেহ আছে। যারা মালয়েশিয়া ও লন্ডনে পেিএিচডি করেছে, তাদের চেয়ে আমেরিকা কিংবা কোরিয়ার ৮ম শ্রেনীর ছাত্র বেশী জ্ঞান রাখে।
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০০
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ইনিভার্সিটির কয়েক'শ শিক্ষককে আমেরিকা থেকে পিএইচডি করে দেশে ফিরতে দেখেছি, কয়েকশত;কে আমেরিকায় ঠেকে যেতে দেখেছি; ৯০ ভাগ বাংগালী সঠিক মতো পিএইচডি করে না, কিংবা ইহার গুরুত্ব বুঝে না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৪১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আজ সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ বর্তমানের ‘লটারি’ ভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন।
আগে যেখানে ছোট শিক্ষার্থীরা মেধা ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেত, এখন সেখানে ভাগ্যের ওপরই সবকিছু নির্ভর করছে। এমন একটি পদ্ধতি কি আমাদের ভবিষ্যৎ মেধাবীদের পথের শুরুতেই থামিয়ে দিচ্ছে না—এই প্রশ্নই তিনি তুলেছেন।
তিনি বলেন, প্রাথমিক স্তরে এই পদ্ধতির কারণে শিক্ষার মান ধীরে ধীরে নিচে নেমে যাচ্ছে। এর প্রভাব পরে উচ্চশিক্ষাতেও দেখা দিচ্ছে; বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যোগ্য ও প্রস্তুত শিক্ষার্থী খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে।
মেধাকে পাশ কাটিয়ে শুধুমাত্র লটারির ওপর নির্ভর করা কি জাতির ভবিষ্যৎ দুর্বল করে দিচ্ছে না—এ কথাও তিনি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।
শিক্ষা ব্যবস্থার বৈষম্যের বিষয়েও তিনি কঠোর অবস্থান নেন। তার মতে, বর্তমানে শিক্ষা যেন তিনটি আলাদা পথে বিভক্ত—ধনীদের জন্য ইংরেজি মাধ্যম, মধ্যবিত্তের জন্য বাংলা মাধ্যম, আর দরিদ্র মানুষের শেষ ভরসা মাদ্রাসা শিক্ষা। যদি শিক্ষা সত্যিই সবার মৌলিক অধিকার হয়, তবে এই বিশাল বৈষম্য কেন থাকবে—এ প্রশ্নও তিনি রাখেন।
এই তিন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রেখেই কীভাবে একটি “সবার জন্য সমান শিক্ষা” নিশ্চিত করা সম্ভব—এই প্রশ্ন তুলেই তিনি দেশের নীতিনির্ধারকদের ভাবতে বাধ্য করেছেন। তার বক্তব্য যেন আজ দেশের শিক্ষা বাস্তবতাকে নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে। শিক্ষা কি সত্যিই সবার অধিকার, নাকি ধীরে ধীরে তা কেবল সামর্থ্যবানদের সুযোগে পরিণত হচ্ছে—এই বিতর্ক এখন আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।
সংসদে দেখি এসব নিয়ে আলোচনা হইতেসে