| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমেরিকা অনেক বড় বড় যুদ্ধ করেছে, সব যুদ্ধ অন্যদের ভুমিতে; ফলে, আমেরিকানরা যুদ্ধ নিয়ে বেশী চিন্তিত হয় না; ইরান নিয়েও আমেরিকানরা চিন্তিত নয়; তবে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে আমেরিকা চিন্তিত ও ভীত; ভয়ের কারণ হচ্ছে ট্রাম্প, সে কোনদিনও কোন ব্যাপারে সঠিক তথ্য জাতিকে দেয় না।
আমি টেলিভিশন খুললে শুরুতে ফাইন্যান্সিয়াল চ্যানেলে যাই, তাতে আমি আমেরিকার অবস্হা সহজে বুঝতে পারি। আজকে রাতের ৩টায় ঘুম ভেংগে গেছে, ১ মিনিটের জন্য ফাইন্যান্সিয়াল চ্যানেলে গেলম, সব ইনডেক্সগুলো অনেক উপরে ( ডাও হচ্ছে ৪০০+ ); বুঝলাম ট্রাম্প কিছু একটা করেছে।
নিউজ চ্যানেলে গিয়ে দেখি, ট্রাম্প বলেছে যে, সে হরমুজ না'নিয়েও যুদ্ধ বন্ধ করে দিবে; মিথ্যুকের এই প্রতারণাও ষ্টক মার্কটকে উপরে নিয়ে যাচ্ছে?
যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কোন জেনারেল দরকারী তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করে না; ট্রাম্প সবকিছু বলে কেন? কারণ, সে মিথ্যা বলে সবাইকে কনফিউজ করে রাখে। আমেরিকানরা মিথ্যায় অভ্যস্ত নয়; তাই তারা ইরানকে নিয়ে ভীত নয়, তারা ট্রাম্পকে নিয়ে ভীত।
হরমুজ না'নিয়ে ট্রাম্প ( হয় যুদ্ধ করে, কিংবা ইরানীদের সাথে কথা বলে ) এই যুদ্ধ শেষ করতে পারে না।
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:২৮
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমেরিকানরা চরম অশান্তিতে আছে ট্রাম্পের আচরণে।
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
বাংলাদেশে সরকারী কোন সংস্হাকে পার্টনার করে সমবায় করা যায়?
২|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আর কতদিন চলবে ইরান-আমেরিকা ওয়ার ?
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আগামী ৩/৪ সপ্তাহের মাঝে হরমুজ ও খার্গ দখল করলে, ইরান সরকারের বোধ উদয় হবে। তখন আক্রমণ থামবে, সব মিলিয়ে আগামী দেড় মাসের ভেতর যুদ্ধ বিরতি আসতে পারে।
৩|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ৪০ দিনের ছুটি শেষে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলেছে মাত্র ৪ দিন হয়েছে। আজকে শিক্ষা মন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩ দিন ক্লাস হবে সরাসরি, ৩ দিন অনলাইনে। তিনি নাকি জরিপে দেখেছে ৫৫% মানুষ অনলাইনে ক্লাস করতে চায়। গ্রামের দিকে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সেখানে কোনো অনলাইন ক্লাস হবে না বলাই বাহুল্য। এমনিতেও গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে তেমন ছাত্রছাত্রী নেই, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসায় চলে গেছে। যে অভিভাবকরা সরকারি স্কুলে দিয়েছিলো তারাও ঘনঘন বন্ধ দেখলে সন্তানদের সরকারি স্কুল থেকে মাদ্রাসায় নিয়ে যাবে। করোনার সময় যেমন মাদ্রাসা খোলা ছিলো কিন্তু স্কুল বন্ধ ছিলো। সেই সময় প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী স্কুল থেকে মাদ্রাসায় চলে গেছে। এভাবে সিস্টেম করে জাতিকে একটা মাদ্রাসা শিক্ষিত জনগোষ্ঠী উপহার দিবে আমাদের সরকারেরা - জনৈক বাম নেতা ।
আমি আরো আগেই বলেছিলাম আপনাকে; রোজার মাসে ৪০ দিন ফাও ছুটি দিয়েছে । গনিত-সায়েনস-ইংরেজি তিনটা বিষয় ক্লাস নেয়াই যেত । অভিভাবকরাও এখন নাদুস নুদুস ; আপনারা কত প্রতিকুলতার মাঝে পড়াশোনা করেছেন । আমরাও ২০ রোজা অবধি ক্লাস করেছি।
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩০
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মিলন ট্যাক্সী চালাতো; তারপর, বাংলাদেশে গিয়ে ডাকাতী করেছে
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ইডিয়ট মিলনের বাচ্চারা বিদেশে পড়ে।
৪|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৭
নূর আলম হিরণ বলেছেন: ট্রাম্পকে ইম্পিচ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না কেনো? মনে হচ্ছে তার সমর্থক এখনো কমেনি তেমন।
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আগামী নভেম্বর/ডিসেম্বরে চেষ্টা করা হবে।
৫|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২১
আঁধারের যুবরাজ বলেছেন: লেখক বলেছেন: ইরান সরকারের বোধ উদয় হবে। তখন আক্রমণ থামবে
- বোধোদয় ইরানিদের হওয়া উচিত ? যুদ্ধ কি ইরান শুরু করেছিল ?এই আক্রমণের পূর্বে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন ইরান আমেরিকার শর্ত মেনে নিয়েছিল। ইউরেনিয়াম এনরিচমেন্ট করবে না আর ,অন্যান্য বেশিরভাগ শর্তই মেনে নিয়েছিল। তবু অন্যায় ভাবে ওদের উপরে আক্রমণ করলো। গত ৪০ বছর যাবৎ ইরানিদের উপরে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে ,১২০ বিলিয়ন এর মতো ডলার ফ্রীজ করে রেখেছে। ইরানের কি গণতন্ত্র ছিল না ? মোসাদ্দেক সরকারকে করা সরিয়েছিলো ?
ট্রাম্প এখন আসল কথা বলতেছে যে ,ইরানের তেল কব্জা করবে আমেরিকা। এই সবই ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর আলাদা আলাদা উদ্দেশ্য চক্রান্ত। আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিবের সাথে সংশ্লিষ্ট শেয়ার ব্রোকারের বিনিয়োগের খবর বের হচ্ছে এখন যে তারা বিপুল টাকা যুদ্ধের পূর্বেই বিনিয়োগ করেছিল অস্ত্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানে। ট্রাম্পের ছেলের প্রতি মানুষ আঙ্গুল উঠাচ্ছে যে, গোপন খবর জেনে টাকা বিনিয়োগের কারসাজির কথা। বোধোদয় কাদের হওয়া উচিত সাধারণ আমেরিকানদের ,ইসরাইলিদের,সামুর তথাকথিত কিছু ব্লগার নামের মানসিক বৃহন্নলাদের ? নাকি ইরানিদের ,যারা এই যুদ্ধ কখনো চাইনি !
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৪৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
গত জুনের আক্রমণটা ছিলো একই ধরণের; সেটা ছিলো ইরানকে পরীক্ষা করার জন্য, তাদের ক্ষমতা কি ধরণের! তখনো আলোচনা চলাকালীন সময়ে আক্রমণ করেছিলো।
জুনের পরপরই ইরানের দরকার ছিলো জাতী সংঘে গিয়ে, এটম বোমা বানানোর প্ল্যান বাদ দিয়ে শুরু মাত্র পাওয়ার জেনারেশনের জন্য প্ল্যান রাখা।
যেদিন আহমেদিনেজাদ "টেষ্ট টিুব দেখায়ে বলেছিলো যে, ইসরায়েল ম্যাপ থেকে মুছে যাবে, সেদিনই বোমা বানানোর প্ল্যান কবরে চলে গেছে আহমেদিনেজাদের গর্দভফিরির কারণে।
৬|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৩৭
আঁধারের যুবরাজ বলেছেন: ইরান যুদ্ধ থামাতে রাজি ,তবে তারা চাচ্ছে অন্তর্কজাতিক ভাবে তাদেরকে নিশ্চয়তা দিতে হবে যে আমেরিকা এবং ইসরাইল পুনরায় আক্রমণ করবে না। আমেরিকা /ইসরাইল আলোচনার নাম সময় ক্ষেপন করে আবারো আক্রমণ করে। ধ্বংসপ্রাপ্ত ইরান কোনোরকম নিশ্চয়তা ছাড়াই যুদ্ধ থামালে ,আবারো যদি দুই দানব আক্রমণ করে আর দাঁড়াতে পারবে না। ইরাকের তেল বিক্রির টাকা ক্রেতা দেশগুলি আমেরিকাকে দিয়ে থাকে ,ইরাকের সরকারকে হাতজোড় করে দেশ চালানোর জন্য তাদের থেকে টাকা নিতে হয় প্রতি বছর। লিবিয়া থেকে শুরু করে বাকিদেরকেও ভিন্ন উপায় করায়ত্ত করে রেখেছে।
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ট্রাম্প ব্লাফ দিয়ে সময় নিয়ে বড় ধরণের আক্রম, ইরানকে নের জন্য এগুচ্ছে; সে খার্গ দখল করে অবরোধ করে রাখবে।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:২০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইরান যুদ্ধে ভয়ের কারণ হচ্ছে ট্রাম্প।
..................................................................
সে এখন পাগলা কুকুরের মতো আচরন করছে,
এরটা ওরটা কেড়ে নিয়ে খেতে চাচ্ছে,
তার যথাযথ ব্যবস্হা নেয়া উচিৎ ।
( অফ দ্য রের্কড : ছোটবেলায় দেখেছি, সরকারী লোক এসে গলায় দড়ি পড়ায়
অথবা গুলি করে মারে )