নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

আওয়ামী লীগ ছিলো পশ্চিম পাকিস্তনের সাধারণ মানুষেরও শত্রু।

০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৯



পাকিস্তানী আমলে, পশ্চিম পাকিস্তানের সাধারণ মানুষও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করণের পক্ষে ছিলো।

বাংগালীরা পশ্চিম পাকিস্তানীদের সন্মান করতো, আইয়ুব-ফাতিমা জিন্নাহ ভোটে বাংগালীরা মনপ্রাণ দিয়ে খেটেছে ফাতিমা জিন্নাহের পক্ষে। ফাতিমা জিন্নাহ অভিভুত হয়েছিলেন। পুর্ব পাকিস্তান থেকে ফাতেমা জিন্নাহর সমর্থকদের নেতৃত্বে ছিলো আওয়ামী লীগ।

পাশ্চিম পাকিস্তানের মানুষের রাজনৈতিক জ্ঞান সব সময় খুবই নীচু মানের ছিলো, তারা আইয়ুবের পক্ষ নে্য। ফলে, আওয়ামী লীগ পশ্চিম পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষে পরিণত হয়।

এরপর, আরো ভয়ংকর ঘটনা ঘটে, ১৯৬৯ সালের বাংগালীদের গণবিস্ফোরণে আইয়ুবের পতন। ইহাতে পুর্ব পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি দল অংশ নিলেও, আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলো আওয়ামী লীগ। আইয়ুবের পতনের পর, পশ্চিমের লোকজন রাস্তায় দাঁড়ি্যে কাঁদে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লেখ করার দরকার আছে? মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আওয়ামী লীগকে পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষরা মনে করতো, ইহা আসলে হিন্দুদের দল।

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি আসলে কি বুঝাতে চান ?

১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



পাকিস্তানীরা ও তাদের সন্তানেরা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে ছিলো ১৯৬৪ -১৯৬৫ সালের ভোট থেকেই; কখনো পারেনি।

১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ট্যাক্সি ড্রাইবার মিলনকে নিয়ে লেখা পোষ্ট কি আপনার নিজের নাকি সংগৃতিত?

২| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৩২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নিজের , ইহা লিখেছি কারণ জনগণের দোষ আছে । বিএনপির ১৮০ দিনের plan নিয়ে নানামুখী আলোচনা করা যায়; জনতা যদি বিএনপির ডিসিশন গুলা বুঝে এবং সমালোচনা করে ইহাই সঠিক সমালোচনা । কারণে এখানেই আসল ভুত লুকিয়ে আছে । নেপাল কি করছে সেটা দিয়ে বাংলাদেশের সমাধান হবে না ।

১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:২৪

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



নেপাল্বের লোকজনে "আইকিউ" বাংলাদেশের মানুষের চেয়ে নীচু।

বিএনপি'র ১৮০ দিনের প্ল্যান হচ্ছে, এই সময়ের মাঝে ১ লাখ ৬০ হাজার নেতাকর্মীর চুরি/চাঁদাবাজীর নিশ্চয়তা দেয়া।

৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৫৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশে জনগণ মুখী সরকার কে আছে ? নেপালের মতো বালেনদ্র শাহ আমরা কবে খুজে পাবো ? সোশাল মিডিয়া পুরো চলে ভুল মানুষদের লজিকে । মিডিয়াও সেটাকে পুজি করে কোটি টাকার বিজনেস করছে । বৃটিশ আমলে নবজাগরণের প্রতীক হিসাবে কত পেপার চালু হয়েছিলো। কত কবিতা , গান মানুষকে সঠিক পথে নিয়েছিলো। এখন এসবের কোনো বালাই নেই । ভুয়া মিডিয়ার কারনে মানুষ কোনো ঘটনার সঠিক দিকটি বুঝতে পারছে না ; ভুলটাকে সঠিক মনে করে মেনে নিতেসে।

১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:০৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



মিডিয়ায় না'হল তারকারীরা কাজ করছে বাংলাদেশে সব মসয়।

জনমুখী সরকার ছিলো শেখ সাহেবের সরকার।

৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:০৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শিক্ষামন্ত্রী মিলনের আলোচনার টপিক যদি খেয়াল করেন, সবক্ষেত্রেই একটা কমন শব্দ পাবেন - নকল।
'নকল আর হবে না, পড়তে বসো'। 'নকল রোধে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করবো'। 'ডিজিটাল নকল রোধে নতুন আইন করবো'।
শিক্ষাখাতে নানাবিধ সমস্যা আছে। সবকিছুকে পাশ কাটিয়ে এই লোক "নকল ঠেকাবো"কে লাইফের একমাত্র পণ বানিয়েছে। মিডিয়ার সামনে মুখটা খুললেই নকল নিয়ে বলে। ২৬ সালে এসে দুনিয়াটা ৩০ বছর আগের লেন্সে দেখলে তো মুশকিল। উনার কাছে মনে হচ্ছে, পড়াশোনা মানে শুধু বোর্ড পরীক্ষা আর বোর্ড পরীক্ষা মানে নকল। শুরুর দিকে ২-১ বার মানা যেতো। এখন রীতিমতো বিরক্ত লাগে - একজন বিএনপির সাপোরটার এই কথা লিখেছে ।

সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২ লাখ স্কুল ড্রেস দেওয়ার কথা বলছে, কিন্তু দেশে মোট শিক্ষার্থী কত, এতে কতজন উপকৃত হবে, এটি প্রতিবছর দেওয়া হবে নাকি একবার—এসব কিছুই পরিষ্কার নয়। বরং এখানে ক্রয়-বাজেট নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়—কম দামে কিনে বেশি দামে দেখানোর আশঙ্কা আছে। বাস্তবে প্রয়োজন কেরালার মতো এআই-ভিত্তিক শিক্ষা সহায়তা ব্যবস্থা, যা বিশেষ করে গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য বেশি কার্যকর হতে পারে। কাগজের দাম কমাতে হবে ; বই কিনতে পারচে না দামের কারণে ।

১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৫৭

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



মিলন ইডিয়ট, সে মনে করেছে নকল ধরাই হলো মিনিষ্টারের কাজ। এটাই হলো বানরের ভাবনা।

প্রশ্নফাঁসের আগের তথাকথিত সমস্যা ছিলো নকল। সেটার জন্য সমাধান ছিলো, "ওপেন বুক" পরীক্ষা। মিলন হচ্ছে ভুয়া ও হাওয়া ভবনের ডাকাত।

যেসব স্কুলের যতজন ছাত্রকে ইউনিফরম দিবে, সেই টাকা স্কুলের হাতে দিলে সমস্যা শেষ। শুধুমাত্র ২৫/৩০ ভাগ ছাত্রের জন্য সাহায্য দরকার হতে পারে।

৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:০৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যেসব স্কুলের যতজন ছাত্রকে ইউনিফরম দিবে, সেই টাকা স্কুলের হাতে দিলে সমস্যা শেষ।

family card এ নগদ দিলেও ইউনিফরম কিনতে দিবে না । পারচেজিং বাজেট করবে , ভুয়া বিল বানাবে ।

১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



যেহেতু তারেক চোর, শিক্ষতাতে সব ডাকাত, চুরি হবেই হবে।

৬| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৩৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হুমায়ুন আজাদ: গত এক দশকের বাঙলাদেশি রাজনীতির প্রধান লক্ষণ কী ব'লে আপনার মনে হয়?

আব্দুর রাজ্জাক: প্রশ্নটা এতো নির্বিশেষ ভাষায় করা হয়েছে যে উত্তরটাও নির্বিশেষই হবে। এটা ঠিক যে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ-রিকশাওয়ালা, বস্তিবাসীরা শেখ মুজিবুর রহমানের সময় একটু বেশি সোজাভাবে দাঁড়াতো, একটু বেশি শক্তিশালী বোধ করতো। তাঁর পরে যে তারা খুব খারাপ আর্থিক অবস্থায় পড়ে গেছে, বা তাঁর সময়ে যে খুব ভালো আর্থিক অবস্থায় ছিলো, তা না। তবে এটা আমি খুব স্পষ্টভাবেই বুঝি যে এখন বিপুল সংখ্যক মানুষ অনেকটা অসহায় বোধ করে, আগে এমন অসহায় বোধ করতো না। সমাজের যতো বেশি সংখ্যক মানুষ বুঝতে পারে যে সমাজে তারাও গুরুত্বপূর্ণ, তারাও সমাজের জন্যে অপরিহার্য, ততোই ভালো। গান্ধি বা জিন্না জনগণের নেতা ছিলেন, জনগণের অংশ ছিলেন না, কিন্তু মুজিবের সময় জনগণ এমন বোধ করতে থাকে যে শেখ মুজিব তাদেরই অংশ। বর্তমানে এ-অবস্থাটা নাই।

এটা কি সঠিক কথা বলেছেন নাকি ভুল ? B:-)

১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




ইহা সঠিক

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.