| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজকের বাংগালীরা অসৎ, তাদের সন্তানেরা অসৎ; অসতেরা পড়ালেখা করে না; ফলে, পরীক্ষায় নকল হচ্ছে ও হবে। মিলন হাওয়া ভবনের ডাকাত, সে এই সমস্যার সমাধান করতে পারার কথা নয়। স্কুলগুলোতে ও কলেজে "ওপেন বুক" পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিলে নকল বন্ধ হয়ে যাবে।
বাংগালীরা স্বাধীন হওয়ার আগে বেশ সৎ ছিলো; স্বাধীনতা যুদ্ধের বছর আমি বাংগালীদের মাঝে সততা দেখেছি; স্বাধীনতা মানুষের জীবনে সুফল বয়ে আনেনি ততকালীন সরকার ও ব্যুরোক্রেটদের কারণে; সরকারের লোকেরা, বিশেষ করে ব্যুরোক্রেটরা আজকের মতোই অসৎ ছিলো; ফলে, অসততা মানুষের মাঝে স্হায়ী শিকড় গেড়ে বসে।
আমি আমার সব টেক্সট বই বছর শুরুর ৩ থেকে ৬ মাসের ভেতরে শেষ করেছি; আমি কখনো নকল করিনি; আর কোন কোন ব্লগার নকল করেননি?
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
তারেক, কোকো কখনো পড়ুটা ছিলো না; কারণ, বেগম জিয়া ছিলো ইডিয়ট ও লোভী; সে ছেলেদের পড়ালেখার প্রয়োজনীয়তা বুঝতো না; সে চোর ছিলো, তার ২ ছেলে ডাকাত। কোকো চোর ও ইডিয়ট ছিলো।
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমাদের হাই স্কুলে, কেহ মেট্রিক ফেল করার সম্ভাবনা থাকলে, তাকে পরিক্ষার জন্য এলাও করতো না; তাই ১০ম শ্রেনীর শুরুর দিকে সেসব ছাত্রকে জানিয়ে দেয়া হতো; তারা ১ বছর পরে পরীক্ষা দিতো, কিংবা অন্য স্কুলে চলে যেতো।
এর মাঝেও ২/১ জন ফেল করতো।
২|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইরানের মন খারাপ তারেক ভাইয়া তাদের ফোন করে সমবেদনা জানায় নি। জামায়াতের আমির জানিয়েছেন । ইরান নাকি মনে রাখবে এ কথা । আমরা পড়েছি মোগলের হাতে , এখন তো তার সাথেই তারেক ভাইয়া কে খেতে হবে । ইরানের সাথে খেলে ভাইয়ার বদহজম হবে ।
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
তারেক যদি ইরানের পক্ষে ১টা শব্দ বলে, মিলিটারী তারেকের অফিসে গিয়ে পিটানোর শুরু করবে।
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মন্ত্রীসভা গঠনের আগে আমি কোন ১ পোষ্টে কিংবা মন্তব্যে বলেছিলাম যে, তারেককে পিএম করলে দেশের "প্রোফাইল নষ্ট হবে"; আইএমএফ ঋণ দিবে না, মনে পড়ে?
৩|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মন্ত্রীসভা গঠনের আগে আমি কোন ১ পোষ্টে কিংবা মন্তব্যে বলেছিলাম যে, তারেককে পিএম করলে দেশের "প্রোফাইল নষ্ট হবে"; আইএমএফ ঋণ দিবে না, মনে পড়ে?
আমি পুরোপুরি একমত হতে পারছি না। শেখ হাসিনার আমলে ক্রেডিট রেটিং খারাপ হতে শুরু করায় আইএমএফ থেকে লোন নিতে হয়। মাঝে দিয়ে আমরা একটা অন্তর্বর্তীকালীন সময় পার করেছি। দেশের পরিস্থিতি আগে থেকেই খারাপ ছিল। আপনার কথা তখন পুরোপুরি সঠিক বলা যেত, যদি তারেক রহমান কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতা ছাড়ার পরপরই ক্ষমতায় আসতেন।
আইএমএফ এই ভাতার রাজনীতিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে না যা তারা সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে। এমনকি এই ইস্যু নিয়ে আমি নিজেও লিখেছি। এখন বাকি থাকে আপনার অভিজ্ঞতা, যা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে সেখানেও একটা কথা থাকে; আপনি পুরোপুরি নিরপেক্ষ নন। তা সত্ত্বেও, আপনি একজন জ্ঞানী মানুষ।
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আপনি যখন বুঝেন যে, সরকারের আয় না'থাকলে ইডিওটিক ফ্যামিলি কার্ড দেয়াকে আইএমএফ পছন্দ করবে না, তখন ডাকাত আমির খসরু ও ব্যুরোক্রেটরা কি করে ফ্যামিলি কার্ড দিচ্ছে।
আমি নিরপেক্ষ নই, শেরে বাংলা ও মওলানা নিরপেক্ষে ছিলেন না, তাঁরা সেই সব দলের পক্ষে ছিলেন, যারা বাংগালীদের পক্ষে কথা বলেছে; বিএনপি, জামাত ও জাপা বাংগালী জfির বিপক্ষে কাজ করেছে, আওয়ামীরা ও ডাকাতী করেছে' ড়বে, তাদের টৃণমুলের লোকজন সেই ডাকাতীর বিপক্ষে ছিলো।
৪|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে সরকার ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী ইশতেহারের এই অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাটি প্রশ্ন তোলায় দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে- the daily star .
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ভাতা, সাবসিডি দেয়ার আগে আয়ের পথ বের করতে হয়, কিংবা কমপক্ষে "বন্ড বিক্রয় করে ইন্টার্নাল লোন নিয়ে হয়; বানর আমীর খসরু ও ব্যুরোক্রেটরা তা কি জানে না?"
৫|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:১১
বক্সমেইল বলেছেন: ১৯৪৮ সালে কার্জন হলে এক ভাষণে জিন্নাহ বলেছেন - "উর্দু, একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।" সবাই "না, না" করে চিৎকার করে উঠেছিল।"
কাটপিস এতোটুকু প্রচার করা হয়। বক্তৃতার বাকি অংশ গোপন রাখা হয়। কারণ বাকি অংশে বলা হয়েছে-
Whether bengali shall be the official language is a matter of the elected representative of the people of this province to decide. I have no doubt that this question shall be decided solely in accordance with the wishes of the inhabitants of this province at the appropriate time.
অর্থাৎ, জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী, স্কুল কলেজে বাংলায় বই পুস্তক পড়া হবে, অফিস আদালতে অফিশিয়াল ভাষা হিসেবে বাংলা চলবে- এই কথাগুলো জিন্নাহ বলে গেছেন। এরপরে আর কোন "না, না" প্রতিবাদ নাই, শুধু হাত তালির আওয়াজ। ইউটিউবে সম্পূর্ণ বক্তৃতা আপলোড করা আছে। Jinnah speech in Dhaka লিখে সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন।
পাকিস্তানীরা নাকি জোর করে বাঙালীদের ওপর উর্দু চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। ওরা নাকি আমাদের মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়।
হাস্যকর অভিযোগ।
পশ্চিম পাকিস্তানে বাস করে পাঞ্জাবী, পশতুন, সিন্ধি, বেলুচি জাতিগোষ্ঠী। তাদের মাতৃভাষা যথাক্রমে পাঞ্জাবী, পশতুন, সিন্ধি, বেলুচি ভাষা। উর্দু তো পশ্চিমের কারও মাতৃভাষা নয়। এমনকি জিন্নাহর নিজের মাতৃভাষাও উর্দু নয়, গুজরাটি। তো যে ভাষা তাদের নিজেদের মাতৃভাষা নয়, সেটা কি করে অন্যের ওপর চাপাবে?
আর মুখের ভাষা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ তো আরও হাস্যকর। ভারতের অফিশিয়াল ভাষা হিন্দি + ইংলিশ। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীরা কি সবাই হিন্দিতে কথা বলতে বাধ্য হয়েছে? পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীদের মুখের ভাষা কি কেড়ে নেওয়া হয়েছে? না, তাদের কোন সমস্যা হয় নি। মধ্যযুগে ৭০০ বছর ধরে, মুসলিম শাসন আমলে, সম্পূর্ণ অখন্ড বাংলার দাপ্তরিক ভাষা ছিল ফারসি। তখন কি বাঙালিদের মুখের ভাষা কেড়ে নেয়া হয়েছিল? বাঙালীরা কি ফারসিতে কথা বলতে বাধ্য হয়েছিল? না, তেমন কিচ্ছু হয় নি। মুখের ভাষা কেউ কারোটা কেড়ে নিতে পারে না৷
তাহলে ভাষা আন্দোলনটা হয়েছিল কেন? সাধারণ ছাত্রদের আন্দোলনে উস্কে দিলো কারা? উত্তর খুজতে আরেকটু গভীরে জানুন। ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২ তারিখ,
ভারত-পাকিস্তান দুইটা দেশই জ্বলছে দাঙ্গার আগুনে, বিশেষ করে ভারতের মুসলমানদের কচুকাটা করা হচ্ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মুসলমান এক কাপড়ে চলে আসছে। ঢাকা, করাচী, রাজশাহী, পেশোয়ার, চট্রগ্রামসহ পাকিস্তানের সব বড় শহরের স্কুল, কলেজের মাঠে তাবু টানিয়ে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছিলো এইসব শরণার্থীদের। ঠিক সেই সময়ে, দেশ ভাগ হয়েছে মাত্র ১৮ দিন, কতিপয় কমিউনিস্ট বরাহ শাবক কংগ্রেস নেতাদের টাকা খেয়ে আন্দোলন শুরু করে "রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই"। তারা সংগঠনের নাম দেয় তমুদ্দুন মজলিস। ইসলামি গোছের নাম দেওয়া হয় সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে। ফারসি নাম, কিন্তু সংগঠনটি চালাতো মূলত হিন্দুরা। ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত, বসন্ত কুমার দাস, মনোরঞ্জন ধর, প্রভাস চন্দ্র লাহিড়ী; এরা ছিল ভাষা আন্দোলনের অর্থের মূল যোগানদাতা। তমুদ্দুনের পত্রিকা সৈনিক বিনা পয়সায় ছাপিয়ে দিতো তাদের প্রেস। এরা সবাই ছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতা। তারা সবাই উগ্রভাবে ভারত ভাগের বিরোধিতা করেছিলো।
বাঙ্গালীরা বাঙলার জন্য প্রাণ দেয় ভারতের আসামে ১৯৬১ সালে। অসমীয়া ভাষাকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রতিবাদে সেখানকার বাঙ্গালীরা ১৯ মে হরতালের ডাক দেয়। শান্তিপূর্ণ হরতাল পালনকালে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে পুলিশ ১১ জন আন্দোলনকারীকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। কিন্তু এই ঘটনা আর প্রচার হয় না। ২১ শে ফেব্রুয়ারীর মত এইদিনে প্রতিবছর শহিদ মিনারে ফুল দেয়া হয় না। সুকৌশলে "বাঙালী জাতীয়তাবাদ" চাপিয়ে দেয়া হয়েছে শুধু পূর্ব বঙ্গের মুসলমানদের ওপর।
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:২৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
১৯৪৮ সালে, জিন্নার সামনে ছিলো অফুরন্ত অর্থনৈতিক, ফাইন্যান্সিয়াল ও প্রশাসনিক সমস্যা; তিনি সেগুলো নিয়ে কথা বা'বলে ভাষা নিয়ে মাথা ঘামানো ছিলো বেকুবী কাজ।
উনি ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে বক্তব্যে যা বলেছিলেন, সেটা নিয়ে "বেকার ছাত্ররা" কিছু না'বললেও চলতো; কিন্তু নতুন দেশে ছাত্ররা সময় দিতে রাজী ছিলো না, এটাও ভুল।
যাক, পুরো ব্যাপারটা ছিলো অপ্রয়োজনীয়।
আপনি আমর পোষ্টে এই প্রসংগ কেন আনলেন?
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:২৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমি আপনার শেষ পোষ্ট পড়েছি; আমাকে সেমিব্যানে রেখেছে সামুটিম, আমি মন্তব্য করতে পারি না।
৬|
২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:১৯
নূর আলম হিরণ বলেছেন: আমি যে বছর এসএসসি দিয়েছি তার দুই বছর আগেই মিলন সাহেব নকলের উপর যুদ্ধ ঘোষণা করেন। আমাদের সময় নকল একেবারেই ছিল না। তবে এর চেয়ে ভয়াবহ বিষয় ছিল।
আমাদের শিক্ষকরা হলে এসে ব্ল্যাক বোর্ডে উত্তর লিখে দিয়ে গেছে ইংরেজি ও বিজ্ঞানের বিষয়গুলো! আমি বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলাম না তবে ইংরেজি বিষয়ে এমন করেছিল আমাদের শিক্ষকরা। আমার অবশ্য স্যারের লেখা অব্দি অপেক্ষা করতে হয়নি তার আগেই আমার ম্যাক্সিমাম উত্তর শেষ। শুধু মিলিয়ে নিয়েছিলাম। বেশিরভাগ স্টুডেন্ট অপেক্ষা করছিল কখন স্যার এসে বলে দিবে তাদের।
২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:৫২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ব্লগারদের ৯০ ভাগের লেখায় সততার ছোয়া ও জ্ঞান নেই।
মিলন নিউইয়র্কে ট্যাক্সী চালায়েছে হাও্যা ভবনে বসে ডাকাতী করেছে, এই তার অভিজ্ঞতা।
৭|
২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬
রাজীব নুর বলেছেন: আমি নকল করিনি।
কোনোদিন নকল করতে ইচ্ছাও হয়নি। এমনকি পরীক্ষার হলে, টিচার জানালার সামনে গেলে অথবা একটু দূরে গেলেও পাশের বেঞ্চে থাকা ছাত্রকে কিছু জিজ্ঞেস করিনি।
লেখাপড়ায় খারাপ ছিলাম না। এসএসসিতে টেস্ট পরীক্ষায় আমি স্কুলে সর্ব্বচ নাম্বর পেয়েছিলাম।
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৫৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
এখনকার ১৫/১৬ জন ব্লগারের মাজে ১০/১১ জনই অসৎ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার মতো পড়ুয়া ছিলাম না ; নকল করার দরকার পড়েনি । ড মিলন সাহেবের জায়গায় আপনার প্রয়োজন অনুভব করছে জাতি। নকল নিয়ে আর কিছুই লিখব না । তারেক ভাইয়া কখনো নকল করে পাশ করেনি ।