নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইরানী মোল্লারা অবজ্ঞা করে শান্তি পাচ্ছে, কিন্তু ফলাফল ভালো হবে না।

০১ লা মে, ২০২৬ রাত ১১:৫০



ট্রাম্প ১টি বড় ধরণের সেলিব্রেশনে গিয়ে শান্তিতে বসে খেতেও পারেনি; আততায়ীর ভয়ে টেবিলের নীচে পালায়েছে; ইরানে সামান্য "মরাল পুলিশের" ভয়ে দেশের সবচেয়ে নামকরা লেখকও কাঁপতে থাকে; এগুলোকে ইরানের বেকুব মোল্লারা গণনায় নিয়ে আমেরিকার যুদ্ধবিরতীকে অবজ্ঞা করে খুশী হচ্ছে, ডেকেও ইরানীদের মিটিং'এ আনা যাচ্ছে না।

আসলে, ইরানে এখনো ইসলামিক গার্ডের পাখী-মারা জেনারেলদের ক্ষমতা দেশের ফরেন-মিনিষ্টার থেকে বেশী; কিন্তু আমেরিকায় তুলনায়, ইহা শক্তি কিংবা বুদ্ধিমত্তার পরিচয় নয়; আমেরিকায় জোকার ট্রাম্প ব্যতিতও ১টি বিশাল সিস্টেম আছে, যা অক্টোপাসের মতো, একবার ধরলে, উহা থেকে ছাড়া পাওয়া অসম্ভব।



মন্তব্য ১০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১২:০১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এখন আসলে কি কি ঘটছে ? আমেরিকা কেন চুপচাপ ?

০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১:০৯

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



সামনে মিডটার্ম ইলেকশান, দেশের মানুষ যুদ্ধ চাচ্ছে না, ট্রাম্প সমস্যায়; যু্দ্ধ থামানোতে ইসলামিক গার্ড ভাবছে যে, আমেরিকা দুর্বল হয়ে গেছে।

২| ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১২:২১

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

নির্বাচনী প্রচারণায় আবার গতকাল ট্রাম্পের উপর চালানো গুলি আমেরিকার মতো একটি দেশের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে ভিন্ন কোন বার্তা বহন করে। ট্রাম্পকে চাপে থেকে একটি গোষ্ঠী যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করতে চাইছে খুব সম্ভবত.......

০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১:১২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ত্রাম্প করে করেছিলো যে, ভেনেজুয়েলার মতো ট্রাম্প করবে; কিন্তু তার জেনারেলদের ভুলে, ইসরায়েলকে সাথে নেয়াতে ও শুরুতে হরনুজ না দখল করায়, যুদ্ধ ট্রাম্পের ক্যাজুলে আগায়নি।

অস্ত্র প্রস্ততকারক ও যুদ্ধ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানীগুলো চায় যে, যু্ধ কমপক্ষে ২/১ বছর চলুক।

৩| ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১:০৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সায়েন্স ম্যাগাজিন (Science Magazine) একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে যেখানে সরাসরি হামের আউটব্রেকের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, সায়েন্স ম্যাগাজিন হলো আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অফ সায়েন্স এর একটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ পিয়ার রিভিউড জার্নাল। রিপোর্টের মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
​১) ১৭ কোটির বেশি মানুষের দেশ বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে তাদের হাই সাকসেসফুল ভ্যকসিনেশন রেট নিয়ে গর্ব করে আসলেও, ২০২৪ এর বিপ্লবের পর টিকা কেনার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ধসের কারণেই এই মহামারীর সৃষ্টি হয়েছে।
​২) ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মুহাম্মদ ইউনূস সরকার ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা কেনা বন্ধ করে দেয় এবং ওপেন টেন্ডার সিস্টেম চালু করে। এই সিস্টেমে সরকার সাপ্লায়ারদের ইনভাইট করে এবং প্রপোজাল যাচাই করে অর্ডার দেয়। ইউনিসেফ এই পরিবর্তনের তীব্র বিরোধিতা করেছিল, কারণ তাদের ভয় ছিল এতে ইমিউনাইজেশন সিস্টেমে ব্যাঘাত ঘটবে এবং বড় কোনো আউটব্রেক দেখা দেবে।
৩) বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, "পুরো ব্যাপারটা ছিল খুবই ফ্রাস্ট্রেটিং।" তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বারবার সতর্ক করেছিলেন। ফ্লাওয়ার্স অন্তর্বর্তীকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে অনুরোধ করেছিলেন, "দোহাই আপনাদের, এটা করবেন না।" যদিও নূরজাহান বেগম এই বিষয়ে সায়েন্স ম্যাগাজিনের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি।
​৪) সায়েন্স ম্যাগাজিনের সাথে আলাপকালে অনেক বিজ্ঞানীই এই ঘটনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দায়ী করেছেন। বিষয়টি এখন আইনি তদন্তের আওতায়ও এসেছে। ১২ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাস দুর্নীতি দমন কমিশনে একটি কমপ্লেইন ফাইল করেন, যেখানে টিকা কেনায় ব্যর্থতা আর দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। রানা ফ্লাওয়ার্সও মনে করেন যে, এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির পর এই প্রকিউরমেন্ট সিস্টেম পরিবর্তনের বিষয়টি ইনভেস্টিগেশন করা দরকার।
​৫) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সায়েদুর রহমান বলেন, পুরানো নিয়মটি ইমারজেন্সি ক্লজ বা জরুরি অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ছিল বলে তা পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল। তিনি সায়েন্স ম্যাগাজিনকে ইমেলে জানান যে, তারা সিস্টেমটিকে আরও স্বচ্ছ এবং রুল বেসড করতে চেয়েছিলেন যাতে কোনো বায়াসনেস না থাকে। তবে ঠিক কী কারণে এই ক্রাইসিস হলো, সেই প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে গেলেও প্রাণহানির বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
​মুহাম্মদ ইউনূস যখনই তার দীর্ঘদিনের অ্যাসিস্ট্যান্ট নূরজাহান বেগমকে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিলেন, তখনই আমরা বুঝেছিলাম খারাপ কিছু হতে যাচ্ছে। কিন্তু সেটা যে এতোটা মর্মান্তিক হবে তা ভাবিনি। আমরা দেখেছি জুলাই বিপ্লবের ভিকটিমদের চিকিৎসায় কেমন অবহেলা করা হয়েছে, অথচ এই মানুষগুলোর আত্মত্যাগের কারণেই তারা আজ ক্ষমতায়। শুরু থেকেই তার পারফরম্যান্স ছিল ডিসগ্রেসফুল, এমনকি তার এপিএস পর্যন্ত দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে গিয়েছিল। যখন তার ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠল, প্রেস সেক্রেটারি তাকে 'টপ কর্পোরেট লিডার' বলে ডিফেন্ড করলেন। এখন নূরজাহান বেগম, সায়েদুর রহমান আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে মানুষের রক্ত লেগে আছে। এই জঘন্য ইউনুস প্রশাসন আর কতভাবে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রের বারোটা বাজাবে? (সাংবাদিক জুলকার নায়ের সায়ের ভাইয়ের পোস্ট বাংলায় লেখা ) -বিষয়টা বিব্রতকর ।

০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১:১৭

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



সায়েন্স ম্যাগাজিন ১টি ছোট ভুল করেছে: ইহা বিপ্লব ছিলো না; ফলে, ক্যু'এর পর হাসিনার লোকদের চেয়েও কমদক্ষ বানরেরা সরকারে ঢুকে যায়; সাথে ৪ বানরের বাচ্চা। ওরা কি করে দরকারী বাজেট ও প্রয়োজনীয় ঔষধ, টিকা, পোর্ট ও যাতায়াত নিয়ে কাজ করবে?

৪| ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ২:০৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ১২ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন। আগামী ৪ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত সিভিল সার্ভিসেস একাডেমিতে এই 'এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম' অনুষ্ঠিত হবে। আপনার কথা মিলে গেল । :) । চোরা দেশে ট্রেনিং নিতে গিয়েছে চুরি শিখতে ।

০২ রা মে, ২০২৬ রাত ৩:৫১

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




বাংগালীরা পাকিস্তান যায় মুদ্রা ছাপানোর মেশিন আনতে।

৫| ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ২:২৮

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

ইরানী মোল্লাদের থেকে ক্ষতিটা আমেরিকার মনে হয় বেশি হচ্ছে। প্যাসিফিক মার্কিন আধিপত্য হুমকির মুখে। চীন যে কোন মুহূর্তে তাইওয়ান গিলে ফেলতে পারে। কোরিয়া-জাপান ও এখন আর মার্কিন সুরক্ষায় বলয়ে আস্থা রাখছে না। এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক না। ইরানে বোমা মেরে কনক্রিট ভাঙা ছাড়া আমেরিকা আর কিছু পাবে বলে হচ্ছে না.....

০২ রা মে, ২০২৬ রাত ৩:৫৮

ওমর খাইয়াম বলেছেন:





ইরান আর কখনো এটম বোমা বানানোর সুযোগ পাবে না।

২ কোরিয়া এক হয়ে গেলে, আমেরিকার কোন কাজ থাকবে না ঐ এলাকায়। চীন যদি তাইওয়ান দখলে নেয়, জাতিসংঘে আমেরিকান এম্বেসেডর একটি নিন্দা জানিয়ে সেই চ্যাপ্টার ক্লোজ করে দিবে।

এই যুদ্ধের ফলে, তেলের ব্যবসা আমেরিকান অলিগার্খের হাতে যাবে। তেলের দাম কমতে সময় লাগবে। ইরান, ভেনেজুয়েলা ও আরবেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, আমাদের মতো দেশগুলোর উন্নয়ন আরো কঠিন হয়ে যাবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.