নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাঠকের অভাবে অনেক ব্লগার লেখা বন্ধ করেছেন।

০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:০৯



আমি পোষ্ট করার পরের মিনিট থেকেই আমার পোষ্টে কেহ মন্তব্য করলো কিনা, বারবার গিয়ে দেখি! সময় ছিলো পাঠকেরা ৩০টি নীচে মন্তব্য করলে আমি লেখাকে ড্রাফট করে ফেলতাম; এখন মাত্র ২টি কমেন্ট পড়লেও আমি সন্তষ্ট। মন্তব্য পড়েনি ( শুন্য মন্তব্য ০) এমন ঘটনা আমার আমার পোষ্টের বেলায় ঘটেনি।

আমি ব্যানে থাকলে, সুদিনেও কিন্তু অনেকে শুন্য মন্তব্য পেতেন; অচেনা লেখকের পোষ্টে শুন্য মন্তব্য পড়লে, আমি পড়ে দেখতাম, কি নিয়ে কি বলতে চেয়েছেন।

সব লেখকেই আশা করেন যে, পোষ্ট নিয়ে কেহ কিছু বলবে; শুন্য অথবা কম মন্তব্য পেয়ে অনেকেই লেখা ছেড়েছেন; কলিকালে যারা কম মন্তব্য পেয়ে লেখা বন্ধ করেছেন, তাদের মাঝে আমাদের গল্পকার অপু অন্যতম; এরপরেই জুল ভার্ণ। এদের লেখা কোনকালেও ভালো ছিলো না, এরা পরিচিতির জন্য মন্তব্য পেতেন ও প্রায় সব মন্তব্যই অপ্রাসংগিক হতো।

আমি গড়ে দৈনিক ৫০টি'র বেশী মন্তব্য করতাম। মন্তব্য করে আমি সবচেয়ে বেশী কটু কথা শুনেছি। মন্তব্য করে দোয়া কামিয়েছেন পদাতিক চৌধুরী, নীল আকাশ, ড: আলী, হাসান মাহবুব।

আমার পোষ্টে বেকুবী মন্তব্য করলে, আমি মন্তব্যের জন্য কখনো ধন্যবাদ দিইনি।



মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:২৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এদিকে ৫০০ post লিখে শরমে পড়ে গেছি। আমিও লেখা শুরু করলাম বাকিরা চলে গেলো। :-B

০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:২২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




আপনার লেখা লোকজন পড়ছেন, সমস্যা তো নেই।

২| ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৩০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: একজন আমাকে কটু কথা বলেছিলেন : আমি নাকি কমেনটস করে আপনাকে প্রাসংগিক করে রেখেছিলেন । আমি শুধু আপনাকে নয় নতুন নকিব , শাইয়ান সাহেব , রাবণ৭১ , আজাদ সাহেব সবাইকে কমেনটস করে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছি। যিনি আমাকে কটু কথা বলেছেন এখন তিনি উধাও হয়ে গেছেন ।

০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:২৭

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



বেকুবেরা সব সময় কটু কথা বলে। শ্রাবনধারা, জুলভার্ণ, অপু কি আমাকে ভালো কথা বলবেন; বড় সাহিত্যিক সুমু ও বারীও কটু কথার ড্রাম।

আমার পরিচিত ব্লগারদের ৮০ ভাগই এখন ব্লগে নেই; সবাই জানে যে, আমি ব্যানে আছি। আমার মুল নিক ব্যানের পর, আমি আরো ১৮টি নিকে পেছনের পাতায় থেকে ব্লগিং করেছি; কেহই ব্লগে আসেন না, যাঁরা আসেন, তাঁরা জানেন না যে, আমি পেছনের পাতায় কোথায়ও আছি।

৩| ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সব লেখকেই আশা করেন যে, পোষ্ট নিয়ে কেহ কিছু বলবে;
শুন্য অথবা কম মন্তব্য পেয়ে অনেকেই লেখা ছেড়েছেন;

.................................................................................
গায়িকা যেমন গ্যালারী শুণ্য থাকলে গান গাইতে চায়না
তেমনি লেখার ক্ষেত্রে পাঠক না থাকলে
সে লেখা লিখবে কেন ?
.....................................................................
অত্যন্ত সহজ হিসাব ।

০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:২৯

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



বাংগালীরা টেক্সট বইও পড়ে না।

৪| ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমিও অনেক সময় অপ্রাসংগিক কমেনটস করি , হালকা কমেনটস করি । এক লাইনে কমেনটস করি । তবে ভালো লেখা পেলে বড়ো কমেনটস করতে জোশ পাই ।

০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৩১

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



এখন যারা লগিন করে বসে থাকেন, এরা মোটামুটি কিছু পড়ে না, কমেন্ট করে না, লিখেও না।

৫| ০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ১:০৩

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:


ব্লগ এখন মৃত। কিছু পুরাতন ব্লগারের অভ্যাসে পরিণত হওয়ায় কিছু দিন পরপর ঘুরে ফিরে আসে।

০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ২:২৮

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



যারা আসেন, তাদের বেশীরভাগেরই ব্লগিং ইতিহাস ভালো নয়; এবং তেম মন্তব্য করেন না; এরা আছেন ফেইসবুকে।

৬| ০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ৩:৩৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ব্যবসা বাণিজ্যের হিসেব আর
ধর্ম কর্মে মন রাখি নিবিষ্ট
সমাজ সেবার ডাকে ছুটি
নিজ সেবাতেও থাকি মগ্ন।

দিনের শেষে ক্লান্ত শরীর
রাত্রি নামে নিঃশব্দ পায়ে
ব্লগের খাতা খুলতে গিয়েও
সময় যেন বিশ্রাম চায়!

ভাবি যদি একটু অবসর পেতাম
শব্দের ঝুড়ি উজাড় করে
গার্বেজ দিয়ে ভরিয়ে দিতাম
ব্লগের শূন্য মাঠটা ভরে।

সে গার্বেজ কি শুধু আবর্জনা?
না, তারও আছে গোপন মান
পচে গলে একদিন সে হবে
উর্বর মাটির মহীয়ান প্রাণ।

সেই মাটিতে বীজ পড়ত
ভাবনারা মেলত সবুজ ডানা
সুজলা সুফলা লেখার শস্যে
ভরে উঠত ব্লগের আঙিনা।

অগোছালো যত কথামালা
এলোমেলো যত ভাবের ঢেউ
তাদের মাঝেই জন্ম নেয়
নতুন সকাল, নতুন কেউ।

তাই ব্যস্ততা যতই থাকুক
স্বপ্নগুলো নিভতে দিও না
আজকের গার্বেজ, কালকের সার
সেখানেই সোনার ফসল বোনা।

কলম শুধু একটুখানি
সময় চায় হৃদয় থেকে
দেখবে তখন আবর্জনাও
কবিতা হয়ে ফুটবে লিখে।

০৯ ই মে, ২০২৬ ভোর ৪:১৫

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



দেশে কিসের সাথে জড়িত ছিলেন?

৭| ০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আমি দেখেছি আপনি ব্লগে অনেকের শিক্ষাগত বিষয় ও কর্মপেশা নিয়ে অহেতুক কটাক্ষ করেন।
আপনি আমাকে নিয়েও বেশ কটাক্ষ করেছেন , সে আপনি করতেই পারেন , ব্যক্তিস্বাধিনতায়
আমি বিশ্বাসী । তবে আশা করি এ বিষয়টি পরিহার করে শুধু কারো লেখার উপরে বিষয়ভিত্তিক
মন্তব্য চালাচালি করলে ব্লগের পরিবেশ উন্নত হবে ।

আমার কর্মক্ষেত্র ও বিভিন্ন বিষয়ে দেশি বিদেশি ও আন্তর্জাতিক গবেষনা ও যোগ্যতার পরিচয় দিতে
গেলে মন্তব্যের ঘর কয়েক মিটার লম্বা হয়ে যাবে । যাহোক জানতে যখন চেয়েছেন তখন নীচে
একটু তুলে দিলাম ।

একজন চাকুরীজীবি হিসাবে দেশে কৃষি , শিল্প , বানিজ্য ও পরিকল্পনা খাতে বিভিধ ধরনের
উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সে সকল বাস্তবায়নের সাথে জড়িত ছিলাম।বিভিধ কারণে
উর্ধতন মহলের সাথে ( মন্ত্রী ও সচিব ) সততার নীতি ও আদর্শে তাল মিলাতে না পেরে চাকুরী
জীবনের প্রায় শেষ লগ্নে দেশের বাইরে চলে এসেছি। বিদেশে বসেও যতটুকু পারা যায় বিভিন্ন
বিষয়ে সহযোগীতার হাত প্রসারিত করে রেখেছি ।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে একটু বেশীই ধর্মকর্মে মনোনিবেশ করছি।পরকাল নামে যদি
কিছু থাকে তবে যেন সুফলটাই পাই , আর যদি সেকাল বলতে কিছু না থাকে তবে তো
আর কোন কথাই নাই । তাই আমি সকলকেই বলি রিক্স না নিয়ে দুনিয়াধারীর সাথে
পরকালের জন্য কিছুটা আমল করে নেয়া প্রতিটি বুদ্ধিমানের কাজ । সেখানে যদি
কিছু থাকে তাহলে যেন পস্তাতে না হয় । আর কিছু না থাকলেতো ল্যাঠা চুকেই গেল,
হাড্ডি মাংস মাটিতে মিশে যাবে , সেখানেই ইতি , তবে যদি কিছু থাকে তাহলেই
মহা ভীতি । তাই যার যার ধর্মের মৌলিক নীতি( যথা , এক সৃষ্টি কর্তা , তাঁর প্রতি
আনুগত্য ও সততা ) একটু মেনে চললে কারো জন্য কোন রিক্স থাকবেনা । এগুলি
কোরো দুনিয়াধারী কাজে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করবেনা , বরং নিয়ম কানুনের
ভিতরে থেকে একনিষ্ট মনে বৈজ্ঞানিক গবেষনায় আরো বেশী সুফল পাবে । তবে
কারো মনে যদি ধর্মের নামে কোন ভন্ডামী থাকে তাহলে ইহকাল পরকাল দুটোই
তার বরবাদ হবে এবং অনেকক্ষেত্রে হচ্ছেও ।

০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৭

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



জীবনের সৃষ্টি কি প্রকৃতির কারণে হয়েছে, নাকি কেহ ইহা সৃষ্টি করেছে?

৮| ১০ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



মুল্যবান একটি প্রশ্ন করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
জীবনের সৃষ্টি প্রকৃতির স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়ার ফল, নাকি কোনো সচেতন স্রষ্টার পরিকল্পিত সৃষ্টি এ প্রশ্ন মানবচিন্তার
অন্যতম প্রাচীন ও গভীর অনুসন্ধান।

জীবনের উদ্ভব কি নিছক প্রকৃতির অন্ধ কার্যকারণ-শৃঙ্খলার পরিণতি, নাকি এর অন্তরালে নিহিত আছে কোনো মহা
বুদ্ধিমত্তার সুদূরপ্রসারী অভিপ্রায় এ প্রশ্ন কেবল বিজ্ঞানের নয়, মানবচেতনার চিরন্তন দার্শনিক জিজ্ঞাসা। মহামতি
দার্শনিক এরিস্টটল প্রকৃতির প্রতিটি সত্তার মধ্যে উদ্দেশ্য ও পরিণতির এক অন্তর্নিহিত গতি দেখেছিলেন; তাঁর
দৃষ্টিতে অস্তিত্ব কেবল ঘটনাপুঞ্জ নয়, বরং তা এক সুশৃঙ্খল পরিণতির অভিযাত্রা। প্লেটো দৃশ্যমান জগতের বৈচিত্র্যের
পেছনে এক শাশ্বত বুদ্ধিবৃত্তিক রূপ বা আদর্শের অস্তিত্ব কল্পনা করেছিলেন, যেখানে জগতের শৃঙ্খলা নিছক দৈবতার
নয়, বরং গভীর কোনো জ্ঞানের প্রতিফলন। আর দার্শনিক রুশো( Rousseau) মানুষের অন্তঃকরণে যে সহজাত
নৈতিক অনুভব, প্রকৃতির সঙ্গে যে নিবিড় আত্মীয়তা তার মধ্যে তিনি এক মৌলিক সত্যের আহ্বান শুনেছিলেন।

নিরপেক্ষ চিন্তার প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে বলা যায় বিজ্ঞান আমাদের শেখায়, জীবন কীভাবে বিকশিত হয়; কিন্তু জীবন দর্শন
জিজ্ঞেস করে, কেন এই বিকাশ, কেন এই অনুপম সামঞ্জস্য, কেন চেতনার এই দীপ্তি। বীজের মধ্যে বৃক্ষের সম্ভাবনা,
নক্ষত্রের গতিতে গাণিতিক শৃঙ্খলা, আর মানবহৃদয়ে সৌন্দর্য, ন্যায় ও মঙ্গলের আকাঙ্ক্ষা এসব কি কেবল পদার্থের
আকস্মিক বিন্যাস, নাকি কোনো গভীরতর সত্যের সূক্ষ্ম ইঙ্গিত?

হয়তো এই প্রশ্নের উত্তর এক রৈখিক নয়; কারণ সত্য প্রায়ই দ্বন্দ্বের দুই প্রান্তে নয়, বরং তাদের মধ্যবর্তী এক নীরব
গভীরতায় অবস্থান করে। যেখানে জ্ঞান বিনয়কে আলিঙ্গন করে, আর অনুসন্ধান বিশ্বাসের সঙ্গে বিরোধে নয়, বরং
সংলাপে প্রবেশ করে, সেখানেই মানুষ উপলব্ধি করতে শিখে জীবন কেবল অস্তিত্বের নাম নয়; জীবন এক বিস্ময়,
এক রহস্য, এবং একই সঙ্গে এক অবিরাম অন্বেষণের নাম।

তাই আমাকে করা এমনতর মুল্যবান প্রশ্নের মত অনুসন্ধান কর্ম চালিয়ে যান সত্য উত্তর কিংবা
উপলব্দি একদিন নিশ্চয়ই পেয়ে যাবেন ।

নিরন্তর শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.