| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আপনি ছোটকালে পড়েছেন কিংবা শুনেছেন যে, ঈশা (আ: ) আল্লাহের ইচ্ছায় অবিবাহিত মিরিয়ামের ঔরসে জন্ম নিয়েছিলেন; মুসলমানদের নবীদের মাঝে তিনি ১ জন অন্যতম নবী; তিনি আল্লাহ থেকে আসমানী কিতাব পেয়েছিলেন, উহা ছিলো ইন্জিল। উনার অনুসারীরা ছিলেন খৃষ্টান; উনাকে রোমানরা হত্যার চেষ্টা করলে, আল্লাহ উনাকে তুলে নিয়েছেন পৃথিবী থেকে; কেয়ামতের আগে তিনি ফিরে আসবেন।
আপনি এখন ৫ম শ্রেনীর দীনিয়াত আর পড়েন না; এখন পড়েন নম চমস্কি, মার্ক্স, মওলানা মওদুদী, ব্লগার নতুন নকীব, মহাজাতক, খায়রুল আহসান, সত্যপথিক, ড: আলীর পোষ্ট; মেজর ডালিমের বই; আপনি এনসিপি'র বক্তব্য শোনেন পার্লামেন্টে।
এতসব কিছুর পর, ঈশা (আ: ) সম্পর্কে আগের জানা তথ্য আজকে কি মাথায় আগের মতো আছে, নাকি ইমান কিছুটা নড়েছে?
১১ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ঈশা নবীকে নিয়ে যেই ধারণা কিশোরে ছিলো, আজকে কি তা বদলায়েছে?
২|
১১ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
ঈসা নবী কি ছিলেন না ছিলেন তাতে আমার কি আসে যায়? সমগ্র বিশ্বে খারাপ আবহাওয়াতে এক নম্বরে আছে রাজধানী ঢাকা। এক নম্বর বলতে ১ নম্বর। ঢাকার বাতাসে নিকোটিন কয়লা চিনি লবন লোহা সিসা সোনা রুপা সব আছে।
আপনি ট্রাম্পকে বলুন ঢাকা আক্রমণ করে দিতে। ট্রাম্প ঢাকা আক্রমণ করে দিলে আমরা বর্মা গিয়ে আশ্রয় নিবো। কাজ কর্ম বাদ, আমরা রিলিফ খাবো।
১১ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ট্রাম্প ঢাকা আক্রমণ করবে না, ওখানে তেল নেই।
ঢাকা আক্রমণ করবে জামাত-শিবির ও তৈয়বে লস্কর।
ঈশা ও মুসা নবীর উম্মতেরা ভালো করেছে আজকের সভ্যতায়।
৩|
১১ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৮
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
ঈসা মুসা ইব্রাহিমের কোন স্ত্রীর বংশধর? সেই স্ত্রীর পরিচয় কি? - এইখানে সব উত্তর পেয়ে যাবেন।
১১ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:১৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ইব্রাহিম (আ: ) সম্পর্কে ইহুদীদের ইতিহাসই মেনে নিতে হবে, ওরাই তখন লিখতে জানতো।
সারার (১ম স্ত্রী ) ছেলে ইস হাক থেকে ইহুদীরা ও খৃষ্টানরা।
হাজেরার ছেলে ইসমাইল থেকে আরবের আরবরা।
৪|
১১ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:৫১
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ধর্ম খারাপ জিনিস নহে, সমাজে ধর্ম-কর্মের ও প্রয়োজন আছে। কোরিয়া-জাপানে ১৯-২০ হলে মানুষ আত্মহত্যা করে। ধর্ম আত্মহত্যা কে নিরুৎসাহিত করে.....
১১ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:০১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
জাপান, কোরিয়া, আমেরিকায় ধর্ম আছে; কারণ, ওদের পড়ালেখা আছে, জ্ঞান আছে; আমাদের দেশের মানুষের জ্ঞান নেই; তাই রূপকথাকে ধর্ম হিসেবে নেয়ায়, তাদের স্বাভাবিক জ্ঞান বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
৫|
১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৪৩
রাজীব নুর বলেছেন: ইশা নবী আসলে একজন ম্যাজিশিয়ান।
১২ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:১১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মনে হয়, তিনি জেরুসালেম থেকে রোমানদের তাড়ানোর জন্য মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন; যেসব রাবাইরা রোমানদের সাথে মিলে বশ্যতা স্বীকার করে সমাজ চালনা করছিলো, তাদেরকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করেছিলেন।
৬|
১২ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৪৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হুজুরদের নিয়ে কী করা যেতে পারে? আমি যে এলাকায় থাকি, সেখানে এক হুজুর দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। যে ঘরে উনাকে থাকতে দেওয়া হয়েছিল, সেখানেই তিনি নতুন স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। আজ প্রথম স্ত্রী এসে তুমুল অশান্তি সৃষ্টি করেছেন। জনগণ উনাকে গণপিটুনি দিয়েছে। যুবকরা বিয়ে করার জন্য মেয়ে খুঁজে পায় না, আর এরা গণহারে বিয়ে করে চলেছেন! আবার ঢাকার মোহাম্মদপুরে সাইকেল চুরির সাথে মুয়াজ্জিন-খাদেম জড়িত। মসজিদে নামায পড়তে আসলে সাইকেল চুরি হয়। গত মাসে হুজুরদের লালসার শিকার হয়েছে ২০ জন শিশু। এরা বিয়ে করছেন, তালাক দিচ্ছেন, আবার বিয়ে করছেন, ধর্ষণ করছেন, মেয়ে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন, অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। এত অধঃপতন কীভাবে রোধ করা যায়?
১২ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৫৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
এরা মাদ্রাসায় গিয়ে মানুষ থেকে পুরুষ গাধায় পরিণত হয়; করার তেম কিছু নেই; এদের ভাবনায় জীবনটা এই ধরণের, এরা দেশ, জাতি, সমাজ বুঝে না।
এদেরকে মানুষ করতে হলে, মাদ্রাসাগুলোকে সরকারের ১ মিনিষ্ট্রিতে নিয়ে স্পেশাল এডুকেশন চালু করতে হবে।
৭|
১২ ই মে, ২০২৬ ভোর ৪:৫১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এই একুশ শতকে ধর্ম যে কাদের উপরে ভর করে টিকে আছে কে জানে?
১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
সামন্তবাদের সময় ধর্ম যারা লিখেছে, তারা আজকের আদিযুগের মানুষ, কমজ্ঞানী মানুষ।
৮|
১২ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:৪৯
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনি সম্ভবত জানতে চাইছেন ঈসা (আ.) সম্পর্কে যা বলা হয়েছিল, সেগুলোর বর্তমান অবস্থা কী?সংক্ষেপে
বিষয়গুলো কয়েকভাবে বলা যায়:-
ঈসা (আ.)-কে হত্যা করা হয়নি কুরআনে বলা হয়েছে তারা তাকে হত্যা করেনি এবং ক্রুশবিদ্ধও করেনি; বরং তাদের
কাছে তা সাদৃশ্যপূর্ণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী ঈসা (আ.)-কে আল্লাহ আকাশে উঠিয়ে নিয়েছেন।
তিনি এখনো জীবিত আছেন, তবে দুনিয়াবি সাধারণ জীবনের মতো নয়।
এখানে ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মের একটি বড় পার্থক্য আছে। খ্রিস্টধর্মে যীশু খ্রিস্ট-এর ক্রুশবিদ্ধ হওয়া ও পুনরুত্থানকে
মূল বিশ্বাস ধরা হয়, আর ইসলাম বলে তিনি আল্লাহর মহান নবী, কিন্তু আল্লাহর পুত্র নন এবং তাকে হত্যা করা হয়নি।
তাঁর পুনরাগমনের ভবিষ্যদ্বাণী সন্পর্কে হাদিসে বলা হয়েছে, কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে ঈসা (আ.) পুনরায় পৃথিবীতে
আসবেন।তাঁর আগমনের সঙ্গে যেসব ঘটনা বলা হয়েছে তা হল দাজ্জালের আবির্ভাব, দাজ্জালকে পরাজিত করা, ন্যায়
বিচার প্রতিষ্ঠা, বিভ্রান্ত আকীদা সংশোধন ,শান্তি প্রতিষ্ঠা , পরে স্বাভাবিক মানবজীবনের মতো মৃত্যু ।ইসলামী দৃষ্টিতে এই ঘটনাগুলো এখনো ভবিষ্যতের বিষয়। অর্থাৎ এখন সেই তথ্য কী অবস্থায় আছে? সে বিষয়ে উত্তর হলো মুসলমানদের
বিশ্বাস অনুযায়ী এসব এখনো পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি; এগুলো কিয়ামতের পূর্বলক্ষণ হিসেবে অপেক্ষমাণ।
পূর্ববর্তী কিতাব ইঞ্জিল সম্পর্কে ইসলাম বলে ইঞ্জিল মূলত আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে
মানুষের সংযোজন বিয়োজন ও পরিবর্তনের কারণে মূল বার্তা পুরোপুরি অক্ষুণ্ণ নেই। তাই বর্তমানে যে বাইবেল
প্রচলিত আছে, ইসলামী দৃষ্টিতে তাতে কিছু সত্য অবশিষ্ট আছে, কিছু পরিবর্তিত হয়েছে, কিছু মানুষের ব্যাখ্যা
যুক্ত হয়েছে।
বর্তমানে মানুষ কীভাবে ঈশা (আ.) কে দেখছে মর্মে বলা যায় আজকের পৃথিবীতে ঈসা (আ.)-কে নিয়ে তিনটি
প্রধান দৃষ্টিভঙ্গি দেখা যায় । মুসলিম দৃষ্টিভঙ্গি হল তিনি আল্লাহর মহান নবী ও রাসূল, অলৌকিক জন্ম .কিয়ামতের
আগে পুনরাগমন করবেন । খ্রিস্টান দৃষ্টিভঙ্গি হল ঈশ্বরের পুত্র বা ত্রিত্ববাদের অংশ ,ক্রুশবিদ্ধ ও পুনরুত্থিত । তবে
ঐতিহাসিক/একাডেমিক দৃষ্টিভঙ্গি হল তিনি প্রথম শতাব্দীর একজন প্রভাবশালী ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ।
এখন সেইসব তথ্য কী অবস্থায় আছে? সে বিষয়ে বলা যায় ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী ঈসা (আ.) জীবিত আছেন।
তাঁর পুনরাগমন এখনো বাকি। তাঁর সম্পর্কে অনেক সত্য তথ্য মানুষের মাঝে আছে, তবে কিছু বিকৃতিও হয়েছে।
কুরআনকে মুসলমানরা তাঁর প্রকৃত অবস্থান বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস মনে করে।
বর্তমান বিশ্বে যারা ঈসা (আ.) সহ কোনো নবী বা ধর্মবিশ্বাস মানে না তাদের সাধারণভাবে নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী বা
ধর্মহীন বলা হয়।সাম্প্রতিক বৈশ্বিক গবেষণা অনুযায়ী পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৪% মানুষ কোনো ধর্মের সঙ্গে
নিজেদের যুক্ত করেন না। এই গোষ্ঠীর মধ্যে নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী এবং কোনো ধর্ম না মানা মানুষ অন্তর্ভুক্ত। তবে
এদের সবাই কঠোর অর্থে নাস্তিক নয়। নিশ্চিত নাস্তিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেন প্রায় ৭%-১০% মানুষ।
অর্থাৎ সহজভাবে বললে বলা যায় কোনো ধর্ম মানে না ২৪%, স্পষ্ট নাস্তিক ৭-১০% আর কোন না কোন ধর্মে
বিশ্বাসী ৭৫% এর বেশি মানুষ । তাই বিভিন্ন ধর্ম মতে ঈশা নবির বিষয়ে বিভিন্ন ধর্মে যে কথা বলা হয়েছে
তাই তানা এখনো বিশ্বাস করেন ।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অনেক ধর্মহীন মানুষও সম্পূর্ণ অবিশ্বাসী নন। গবেষণায় দেখা গেছে অনেকেই
ঈশ্বর, আত্মা, পরকাল বা আধ্যাত্মিক কিছুতে বিশ্বাস করেন, কিন্তু সংগঠিত ধর্ম বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত নন।
দেশভেদে পার্থক্য অনেক বেশি। ইউরোপের কিছু দেশ, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ইত্যাদিতে নাস্তিক বা ধর্মহীন
মানুষের হার বেশি। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে ধর্মবিশ্বাস এখনো খুব শক্তিশালী। তরুণদের মধ্যে
ধর্মহীনতার প্রবণতা অনেক দেশে বাড়ছে।
ইসলামী দৃষ্টিতে, নবীদের অস্বীকার করা নতুন বিষয় নয়। কুরআনেও বলা হয়েছে বিভিন্ন যুগে অনেক মানুষ
নবীদের মানেনি। তবে ইসলাম একইসঙ্গে মানুষকে জ্ঞান, চিন্তা ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে সত্য অনুসন্ধানের আহ্বান
জানায়।
তাই সুপারিশ রইল আপনার পোষ্টের শিরোনাম যথা “আপনি ঈশা নবী সম্পর্কে কি শুনেছিলেন, এখন সেইসব
তথ্য কি অবস্হায় আছে!” এমনতর মহান অনুসন্ধান কর্ম চালিয়ে যান সঠিক উত্তর পেয়ে যাবেন- ইনশাল্লাহ ।
ধর্মের বিষয় নিয়ে পজিটিভ নিগেটিভ সকল প্রকার চিন্তার মধ্যেও অনেক সুফল তথা পুণ্য আছে ।
শুভেচ্ছা রইল
৯|
১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
বাইবেল লিখেছিল যীশুর ঘনিষ্ট সাগরেদরা; আল্লাহ কাউকে কোথায় নেয় না, ততকালীন ইতিহাস লিখতো ইহুদীরা; মানুষ জন্মিলে মরে এক সময়, যীশুর মৃত্য হয়েছিল যথা সময়ে।
১০|
১৩ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫০
রাজীব নুর বলেছেন: ইশা মূলত দেখতে সুন্দর ছিলেন। কথা বলতেন গুছিয়ে। সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষন করতে পারতেন।
তার যাযাবর জীবন পছন্দ ছিলো। উনার সাথে আমাদের লালনের মিল আছে কিছুটা।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কি মন্তব্য করা উচিত, বুঝতে পারছি না।