নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

কারিনা কায়সারের নির্বুদ্ধিতা তার জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৪



কারিনা কায়সার এখন খুবই অসুস্হ; তার রোগমুক্তি কামনা করছি।

কারিনার জীবনে যা ঘটেছে তা তার পরিবার ও আমাদের সমাজের জন্য একটা মামুলী ব্যাপার, আমাদের দেশের পরিবেশে এই ধরণের ঘটনা লাখ লাখ ঘটার কথা। কারিনা এখন দরকারের চেয়েও বেশী সাহায্য পাচ্ছে; আশাকরি, ভালো হয়ে যাবে।

কারিনার বাবা মিলিটারীর অফিসার ও নামকরা ফুটবলার; প্রাচুর্য ও অনিয়মের মাঝে মানুষ হয়েছে, ছোটকাল থেকেই জ্ঞানের চেয়ে গলা বড়, মগজের চেয়ে সুনাম বেশী।

কুতুবের পোষ্ট ও সামুর শ্রেষ্ঠ গল্পকার অপু'র মন্তব্য থেকে বুঝলাম যে, কারিনার জীবনর মরণ সমস্যার সময়, আওয়ামী লীগের লোকজন সোস্যাল মিডিয়ায় কটু কথা বলছে!

আমার প্রশ্ন: আওয়ামী লীগের লোকজন তাকে চেনে কি কারণে? কারিনার বয়সী ২০/৩০ লাখ নারী আছে, আওয়ামী লীগ তো তাদের চেনে না। আওয়ামী লীগ তাকে চিনেছে তার জ্ঞানহীন কাজকর্মের জন্য। সে ২০২৪'এর আমেরিকান ক্যু'কে "ছাত্র জনতারবেপ্লব" মনে করে উহার অংশ হয়েছে ও নিজের পরিবারগত অবস্হানকে কাজে লাগিয়ে, তার বেকুবীকে "বেপ্লবী রূপ দিয়ে" তাকে চেনার সুযোগ করে দিয়েছে।

কুতুবের পোষ্টে, সামুর শ্রেষ্ঠ গল্পকার অপু'র মন্তব্য বরাবরের মতো গার্বেজ হয়েছে।


মন্তব্য ১০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কারিনা কাইসার আওয়ামী লীগের অপরিচিত কেউ না । শেখ হাসিনার সাথে ছবি আছে ।ক্ষমতা ধরে রাখতে সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার থেকে শুরু করে মোল্লা সবাইকে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু সুযোগ বুঝে সবাই ভোল পাল্টেছে। এই কারণেই আওয়ামী লীগের রাগ এত বেশি। তবে এটা সত্যি যে আওয়ামী লীগ এই সংস্কৃতির সূচনা করেনি; এটি শিবির এবং মোল্লাদের একটি যৌথ প্রযোজনা।


শেখ হাসিনার পাশেই কারিনা কাইসার

১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২০

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



শেখ হাসিনার সময় শেখ হাসিনার সাথে, খালাদার সময় খালেদার সাথে, ক্যু'এর সময় ক্যু'এর লোকজনের সাথে; ইহা কিসের লক্ষণ?
-জ্ঞানহীনতার লক্ষণ।

২| ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মাঝে মাঝে মনে হয় কারিনার মতো মানুষ সুবিধাভোগী আবার কখনো মনে হয় “পরিস্থিতির শিকার। শেখ হাসিনার সঙ্গে ইনফ্লুয়েন্সারদের মিটিং হলে, সেখানে যদি কেউ কারিনার নাম প্রস্তাব করে কিংবা অন্য সবাই যাচ্ছে কিন্তু সে আমন্ত্রণ না পায়, তাহলে তার ভেতরে একধরনের ‘আমি বাদ পড়ে গেলাম’ অনুভূতি কাজ করতেই পারে। এটাও বাস্তবতা।

আবার জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের সময় বিশেষ করে যেসব সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার নীরব ছিলেন, তাদের অনেককে এখন প্রশ্ন করে: “জুলাই মাসে কোথায় ছিলেন?” অনেক জায়গায় তারা এখন আর আগের মতো ডাকও পান না। কারণ ক্ষমতার সঙ্গে থাকলে সুযোগ-সুবিধা, পরিচিতি, অ্যাক্সেস - সব পাওয়া যায়; কিন্তু একবার isolated হয়ে গেলে ধীরে ধীরে অনেক কিছু হারিয়ে যায়। ইনফ্লুয়েন্সাররা আসলে অনেকটাই তাদের fan-follower-এর কাছে জিম্মি। Followers unfollow করা শুরু করলে sponsor কমে যায়, brand interest কমে যায়, relevance কমে যায়। ফলে অনেক সময় তারা নিজের বিশ্বাসের চেয়ে audience expectation আর ক্ষমতার বাতাস বুঝে চলতে বাধ্য হয়। গতকাল ব্লগার প্রগতি বিশ্বাস লিখেছিলেন: যারা চাকুরি করে বসের তোষামোদ করছে , এরা আসলে দাসত্ব করছে। সেই জায়গা থেকে দেখলে, কারিনার মতো মানুষদেরও ‘দাস’ বলেই মনে হয়। আপনি কি মনে করেন ?

১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:২৫

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




আমাদের কোন পরিচিত তরুণ মুখ কোনভাবে জাতির সঠিক কোন সমস্যা ও সমাধানের সাথে যুক্ত আছে? ইনফ্লুয়েন্সরা বেশীরভাগ দেশেই অসত।

৩| ১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:০৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ফরহাদ মজহার বলেন, শাপলা হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। হাসিনাহীন হাসিনা ব্যবস্থা টিকিয়ে রেখেছি আমরা। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে হাসিনাকে উৎখাত করেছি। কিন্তু আমরা গাঠনিক ক্ষমতা অর্জন করতে পারিনি। যুক্তরাষ্ট্র এখানে রেজিম চেঞ্জ করেছে, তারাই এখন ক্ষমতায় রয়েছে, ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই। সামনে অনেক বড় বিপদ। বাইরে হিন্দুত্ববাদী বিপদ। আমাদের বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের হাতে নেই মানে কি বলে পাগলুটা? এরা কি চেয়েছিলো ?

১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৫৪

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



সে গুম হয়ে যাবার পর, তার বানরের মগজে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

৪| ১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:০৬

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

শহুরে শিক্ষিত সিভিলাইজড, কিছুটা পরিচিত পাবলিক ফিগার হিসেবে এই মেয়ের ৫ তারিখে বঙ্গভবন থেকে ল্যাগেজ, দামি ব্যাগ নিয়ে আসাটা ছিলো দৃষ্টিকটু। এইসব নিয়ে কারিনা নামক এই মেয়ে তার বাবাকে নিয়ে হাসিতামাশা ছিলো আরো অসভ্যতার লক্ষন।

এই মেয়ে আগে থেকেই ওবেসিটি জনিত সমস্যায় ভুগছিলো সাথেই খাদ্যাভাস তো ছিলোই.....

১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৫৮

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




মেয়েটা বাবার মতো হয়েছে, বাবা মিলিটারী অফিসার ছিলো; মাথায় যা এসেছে সবই করেছে; মেয়েটা শিক্ষি্ত ও নতুন জেনারেশনের হয়েও নিজেই নিজেকে অপমান করেছে জনতার সামনে।

এখন আওয়ামী লীগের যারা কটু কথা বলছে, এরা ক্রিমিনাল ছাড়া অন্য কিছু নয়।

৫| ১৩ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০

মিরোরডডল বলেছেন:




কারিনাকে সেইভাবে চিনিনা, যতটুকু জানি একজন হাসিখুশি তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর।
সে যদি খারাপ কিছু করেও থাকে, but this is not the right time to criticize her.
She's fighting with death.

যারা কটু কথা বলছে, তারা সবাই যে আওয়ামী লীগ, তাও না।
জামাত শিবির অথবা যে কেউ হতে পারে, সোশ্যাল মিডিয়াতে কে যে কি বোঝা মুশকিল।

কিছু মানুষ আছেই যারা অলওয়েজ নেগেটিভ কথা বলে অনলাইনে, স্পেশালি মেয়েদেরকে।
এনিওয়ে, মেয়েটা ভালো হয়ে উঠুক, বেঁচে থাকুক।


৬| ১৩ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: কারিনা মেয়েটার আপাতত চিকিৎসা দরকার। আগে সে বেঁচে উঠুক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.