| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডেংগু ভাইরাস ৪ ধরণের সেরোটাইপে থাকে: DENV-1, DENV-2, DENV-3, DENV-4
এডিস মশা ডেংগু ভাইরাস বহন করে, এই মশাগুলো ভোরের দিকে ও সন্ধাার দিকে কামড় দেয়। ইহারা আবদ্ধ নালা, পানির ট্যাংকে, আশেপাশের জমে থাকা পানিতে ডিম দেয়।
**** ঢাকা শহরে এডিস মশা থেকে মানুষ বেশী হওয়ায়, সবাই একই সময়ে ডেংগু ভাইরাস পায় না; যারা ফ্যামেলী কার্ড পাবে, তারা ডেংগু ভাইরাস অন্যদের চেয়ে বেশী পাবে।
এশিয়ায়, পাকিস্তান থেকে শুরু করে পুর্বদিকে চীন, জাপান ও কোরিয়া ব্যতিত সবদেশে ডেংগু আছে; ইহা গরীব ও ময়লা দেশে বেশী হয়। আফ্রিকা ও দ: আমেরিকায় আছে।
পুর্ব এশিয়ার সবাই ও দ: আমেরিকার কেহ কেহ মিলে ঔষধ বের করার চেষ্টা করছে। সামু থেকে কে কে ইহাতে অংশ নিবেন, হাত তুলুন। তবে, বাংলাদেশে ছোট ১টি ফার্মা গ্রুপ করা সম্ভব, যারা অন্যদের রিসার্চকে বুঝে নিজেরা কিছু চেষ্টা করে দেখতে পারে।
এডিস মশার লাইফ সাইকেলে কি কি ভাবে বাধা দেয়া যায়, সেটা সকল ব্লগার জানেন নিশ্চয়।
১৪ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
থাকার রুম থেকে সবকিছু অন্য রুমে নিয়ে যান সম্ব হলে; একটা ইলেকট্রিক এয়ার-ব্লোয়ার কিনুন, সময় পেলে রুমগুলোর কোণায় কানায় ইহা দিয়ে বাতাস দেন।
২|
১৪ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩
রাজীব নুর বলেছেন:
আজকাল এটা ব্যবহার করছি।

১৪ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
এয়ার ব্লোয়ার দিয়ে বাতাস দেন, ঔষধগুলো ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর।
৩|
১৪ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঢাকার বস্তি বা শ্রমিক শ্রেণিতে যে সব গালাগালি শুনতাম এখন দেখি শিক্ষিত নারী পুরুষেরা এমন গালি হরহামেশা ইউজ করে । যে পরিমাণ গালি আমি শুনেছি সে তুলনায় মানুষকে গালি দিতে পারি না। এমন ভাষা শিক্ষিতরা শিখলো কিভাবে সেটা মাথায় ধরে না । মেয়েরা এখন যে সব গালি দেয় বা word ইউজ করে সেগুলো শুনতাম বস্তিতে । এমনকি বস্তির মানুষের যৌনজীবনের সাথে আমাদের শিক্ষিত মানুষের যৌনাচরণে মিল খুজে পাই । সমাজবিজ্ঞানী হলে গবেষণা করতাম। ![]()
১৪ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
হাদীর ও এনসিপি'র মেয়েদের গালির পর জাতি গালিতে আনন্দ পাচ্ছে। গালি শেখা সহজ, শুনে শুনে শেখা যায়।
সমাজ যখন কষ্টে ও অভাবে থাকে , মানুষ তখন যৌনতার মাঝে সুখ খুঁজে।
৪|
১৪ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা ছয়মাস পরে আসছেন । ডেইট শিউর না ।
১৪ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৪৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
উনাকে আসতে দিবে না আমেরিকা, পাকিস্তান ও ভারত।
উনি নিজে সাহস করে চলে এলে খারাপ হতো না।
৫|
১৪ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বাংলাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থা নয়,
প্রয়োজন বৈজ্ঞানিক সচেতনতা, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং নৈতিক দায়িত্ববোধ। কারণ এডিস মশা মূলত অপরিচ্ছন্ন
পরিবেশ, জমে থাকা পরিষ্কার পানি, ডাবের খোসা, ফুলের টব, টায়ার বা বিভিন্ন পাত্রে জন্ম নেয়। তাই ডেঙ্গু
প্রতিরোধে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
বৈজ্ঞানিকভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য যেসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বাসা-বাড়ি ও আশপাশ
পরিষ্কার রাখা , কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়া নিয়মিত মশানাশক ব্যবহার , মশারি ও ফুলহাতা
পোশাক ব্যবহার , জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ ।
তবে কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; মানুষের মানসিক ও নৈতিক সচেতনতা গড়ে তোলাও প্রয়োজন। এ
ক্ষেত্রে ধর্মীয় মূল্যবোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পৃথিবীর প্রায় সব ধর্মই পরিচ্ছন্নতা, পবিত্রতা ও মানব
কল্যাণের শিক্ষা দেয়। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে ধর্মীয় উপদেশ জনসচেতনতা সৃষ্টিতে কার্যকর সহায়ক হতে পারে।
পবিত্র আল কোরান ও হাদিসে পরিচ্ছন্নতার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামে বলা হয়েছে,
পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ।অর্থাৎ ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা ধর্মীয় দায়িত্বের অংশ।
পবিত্র ভগবত গীতা সহ হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলোতে শুচিতা, আত্মশুদ্ধি ও পরিবেশের পবিত্রতার কথা বলা হয়েছে।
পরিচ্ছন্ন জীবনযাপনকে মানবকল্যাণ ও আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য অপরিহার্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
পবিত্র বাইবেল এ পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা ও প্রতিবেশীর কল্যাণের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। সমাজ ও পরিবেশকে সুস্থ
ও নিরাপদ রাখা মানবিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত।
বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক এ শুচিতা, সংযম, পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং সকল প্রাণীর কল্যাণের শিক্ষা রয়েছে।
পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল জীবনকে মানসিক প্রশান্তি ও সামাজিক মঙ্গলের ভিত্তি হিসেবে দেখা হয়।
অতএব, ডেঙ্গু প্রতিরোধে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা
তৈরি করা সম্ভব। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা শুধু স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন নয়, এটি মানবিক ও নৈতিক দায়িত্বও। সরকার,
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষ একযোগে কাজ করলে ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
আরো একটি বিষয় হাছিনাকে জনগনই ফিরিয়ে আনবে যথা সময়ে এ ব্যপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন ।
বাংলাদেশ জোয়ার ভাটার দেশ , প্রকৃতির নিয়মেই ভাটার টান চলে গেলে জোয়ারের টান ধেয়ে আসে।
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৩৫
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
জাপান, চীন ও কোরোয়ানরা ধর্ম পালন না করার কারণে সেখানে ডেংগু নেই।
৬|
১৫ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:২২
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বাংলাদেশে ধর্ম না থাকলে মানুষের মাথা মানুষ চিবায়া খাইত
কপাল ভাল এখনো দেশের মানুষ ধর্মের বিধান মেনে চলে ।
আমার নীজের চোখে দেখা ৬০/৭০ বছর আগে দেশের
দরিদ্র কৃষক লেংগুট পরে গরু দিয়ে হাল চাষ করত ।
জাপান চীন কোরিয়ানদের সাথে বাংলাদেশের
তুলনা করতে হলে আরো দীর্ঘ সময় দরকার ।

৭|
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:২৩
tofazzul বলেছেন: আমি এখন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল আছি আমার মেজো ভাইয়ের ২৫দিন বয়স এখানে মশা খুব বিরক্ত করছে,কেউ কেউ মেজেতে শুয়ে আছে আর একটু পর পর হাত পা চুলকাচ্ছে।
আমি বসে এই খবর পড়ছি
হামে শিশুর মৃত্যু, টিকাবিরোধী প্রচারণা ও জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩২
রাজীব নুর বলেছেন: গতকাল রাতে ফারাজা ঘুম থেকে উঠে বলল, বাবা মশা আমাকে কামড়ায়।
অথচ ঘরে দামী মশার ওষুধ ব্যবহার করি।