| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভারত ১৯৬০ সালে ফারাক্কা বাঁধ করার সিদ্ধান্ত নেয়; তখন ভারতীয়রা অভুক্ত থেকে সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছে, আর পাকীরা আমেরিকান রিলিফ সংগ্রহের জন্য বাচ্চাদের লাইনে দাঁড় করায়ে নিজে বাড়ীতে বসে তামাক সেবন করছিলো। পাকী ব্যুরোক্রটরা মনে করেছিলো যে, ভারত ইহা করছে পানি আটকায়ে পাকিস্তানকে নাজেহাল করার জন্য। কিন্তু ভারত পানির দরকার অনুভব করছিলো, তারা পানির মউল্য বুঝতো।
তখন আইয়ুবের সরকার ঘোষণা দিলো যে, তারা ভাটিতে আরেকটি বাঁধ বেঁধে ভারতকে ডুবায়ে দিবে। কিন্তু আইয়ুবের কাছে সেই পরিমাণ টাকা ছিলো না।
আজকে ৬৬ বছর পর, টাকা-ওয়ালা ১ জন ব্লগার পাওয়া গেছে, ব্লগার জুল ভার্ণ; উনি ব্যারেজ করবেন: বাংগালীদেেশে বন্যা হবে না, পানিতে বরো হবে, মাছ হবে, আবার ষ্টিমার চলবে।
হাসিনা তিস্তায় রিজার্ভার করতে এগুচ্ছিলো চীনাদের নিয়ে; উনি এখন দিল্লীতে বসে মোরগ পোলাও রান্না করছে আর ব্লগার জুল ভার্নের পোষ্ট পড়ছেন। হাসিনাকে ১টি সামুর আইডি করে দিলে জুল ভার্নের পোষ্টে লাইক দিতে পারতো। আমার আইডি আছে; তবে, আমি জুল ভার্নের পোষ্টে লাইক দেবো না, এই ব্যারেজের কথা আমি আইয়ুবের মুখে শুনেছি। উনি উনার ঢাকার যায়গা বিক্রয় করে ব্যারেজ শুরু করলে ব্যারেজ দেখতে যাবো।
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:১৮
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
পদ্মা ব্যারেজ করার দরকার ছিলো ফারাক্কা চালুর আগেই; তিস্তা করার দরকার ছিলো ১৯৮০ সালের আগেই। তারেকের মতো ডাকাতেরা সব সময় ডাকাতী করায় জাতি সেগুলো করতে পারেনি।
এখন তারেক ও তার ডাকাতদের ঋণ দিবে কে? হয়তো ব্লগার জুল ভার্ণ দিবে।
২|
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:১৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
আপনি বলছেন আইয়ুব চেয়েছিলো পদ্মা-ব্যারেজ করতে, সেদিন শুনলাম "রুপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বানানোর উদ্যোগ ও আইয়ুব খানের সময় নেওয়া। পুর্ব বাংলা গড়ার রুপরেখা তো দেখছি সব তাহলে পাকিস্তান আমলে নেওয়া......
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:২৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আজকের ঢাকা, পার্লামেন্ট ভবন, খুলনা , ঘোড়াসাল ও চট্ট্রামের শিল্পগুলো আইয়ুবের যুগের; তা'ছাড়া আনবিক বিদ্যুৎও সে করতে চেয়েছিলো; পরে সে, ক্রমে্ই সবকইছু পশ্চিম পাকিস্তানে করেছে; কারণ, ব্যুরোক্রেটরা ও মিলিটারী বাংগালীদের ঘৃণা করতো।
পদ্মা ব্যারেজের টাকা ও ইন্জিনিয়ার আইয়ুবের কাছে ছিলো না; তখন ব্লগার জুল ভার্ণ ছিলো না ও তখনো গুম হয় নাই।
৩|
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৩০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: প্রজেক্টটি প্রায় ৪ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার খরচে নির্মাণ করা হবে । অবস্থান: রাজবাড়ী জেলার পাংশা পয়েন্টে পদ্মা নদীর উপর নির্মিত হবে । সময়কাল: জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে । উদ্দেশ্য: নদী ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার, লবণাক্ততা হ্রাস এবং সেচ ও পরিবেশগত টেকসইতা শক্তিশালী করা । অর্থায়ন: প্রজেক্টটি সম্পূর্ণভাবে সরকারের নিজস্ব তহবিল দ্বারা অর্থায়িত হবে । এটি ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজের প্রভাব মোকাবেলা করার জন্য দীর্ঘদিনের একটি পরিকল্পিত প্রজেক্ট ।
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৮
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
সরকার কি ডলার প্রিন্ট করে? নাকি পাকিস্তানীরা জাল ডলার ছাপানোর মেশিন দিচ্ছে?
৪|
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমেরিকা বাংলাদেশকে ACSA (Acquisition and Cross-Servicing Agreement) ও GSOMIA (General Security of Military Information Agreement) চুক্তি করতে বলেছে । বাংলাদেশ রাজি হয়ে যাবে যতটুকু ধারণা । চায়না থেকে সামনে লোন পাওয়া আরো কঠিন হবে ।
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৫০
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ট্রাম্প এখনো মরেনি, সে বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া, সুদান, এসব দেশকে ডলার দিবে না।
৫|
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৪১
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
জিয়া,এরশাদ আর হাসিনার শেষ ১৪ বছর দেশের অবকাঠামো আর অর্থনীতির কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। বাকী পুরোটা সময় মন্থর বোগাস আর সময় পার। আজকে ২৫ বছর আগে বনানী রেলওয়ে স্টেশন যেমন দেখেছি এখন প্রায় তেমন ই। সময়ের সাথে কোন রকম পরিবর্তন বা আধুনিকতার ছোঁয়া নেই....
আজকের বাংলাদেশের দিকে তাকালে আপনার মনে হয় না ভারতীয় সাত রাজ্যের মতো পুর্ব বাংলার ও স্বায়ত্তশাসন হয়ে পাকিস্তানের অধিনে থাকা ভালো ছিলো?
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
পাকিস্তান ভারতের তুলনায় টাউট ও ফেইড দেশ।
আইয়ুবের শেষ সময়টায় পাকিস্তানী মিলিটারী ও ব্যুরোক্রেটরা ক্রমেই বাংগালীদের সাথে রোহিংাদের মতো ব্যব হার করছিলো। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর, বাংলাদেশকে অভেলার শুরু করে আইয়ুব খান।
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর, ভারতের সাথে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়; মানুষ বুঝতে পারছিলো যে, মিলিটারী আসলে যুদ্ধ ছাড়া অন্য কইছু জানে না।
৬|
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৯
রাজীব নুর বলেছেন: তারেক জিয়া উন্নয়ন বুঝেন না। বিএনপির কেউই উন্নয়ন বুঝে না।
তবে তারেক সাহেবের গত ১৭ বছর তার কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। উনি বুঝতে পেরেছেন, জনগনকে রাগানো যাবে না। এজন্য উনি রাস্তায় জনগনকে দেখলে হাত নাড়েন। মেয়েকে নিয়ে মুভি দেখতে যান। বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন।
উনি খাল কাটাকে অনেক বড় কাজ মনে করছেন। এবং ফ্যামিলি কার্ড।
ইদের পর বেশ কয়েকটা অঞ্চলে যাবেন- খাল কাটতে।
একদিন উনি হয়তো জামাত শিবির, ইনকিলাব মঞ্চ এবং এনসিপিকে কুলাঙ্গার কার্ড দেবেন।
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
তারেকের মগজ বাজারের তরকারী বিক্রেতা থেকেও কম। ফ্যামিলী কার্ড করাচ্ছে বিএনপি ওদের চোরা-ডাকাত দলীয় কর্মীদের লালন পালন করার জন্য।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৬
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: কেমন আছেন আপনি? পদ্মা ব্যারেজ, তিস্তা ব্যারেজ এগুলো সরকারের আপকামিং প্রজেক্ট। এবিষয়ে আপনার মতামত কি জানতে চাই?