| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজকেে, আমেরিকান সরকারের কাছে ইসরায়েলের পর কোন দেশটি বেশী ঘনিষ্ট বলে আপনার কাছে মনে হচ্ছে? ইহা পাকিস্তান। এই পাকিস্তান কি খাম্বামিয়াকে ভালোবাসে? হ্যাঁ, ভালোবাসে; তবে, ১টি প্রয়োজনে, বাংলাদেশকে পুরোপুরিভাবে ধুলায় মিশিয়ে দিতে।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরাজিত হয়ে পাকিস্তান বাংলাদেশকে হিন্দুস্তান থেকেও বেশী ঘৃণা করার শুরু করে ও প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আমেরিকার সাহায্যে আমাদের সেনাবাহিনিকে কিনে নেয়; জিয়াকে দিয়ে আমাদের জাতীয় ২ নেতাকে হত্যা করায়। এরপর, এশাদ ও খালেদাকে দিয়ে পুরো জাতিকে চোরে পরিণত করে; এরশাদ ও খালেদার সময়ে খুবই সধারণ নাগরিকেরা ক্রিমিনাল চরিত্রে পরিণত হয়।
বাংলাদেশকে চোর-ডাকাতের দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিত করে দিতে পাকিস্তান তারেককে আমাদের জাতির মাথায় বসিয়ে দেয়; মনে হচ্ছে, ইহাতে ট্রাম্পের আশির্বাদ নিয়েছে পাকিস্তান খুব সহজেই।
১৭ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমেরিকানরা প্রশ্ন তুলেছে, বিন লাদেনকে নিয়ে যেই পাকিস্তান আমেরিকার চোখে ধুলো দিয়েছে, সেই পাকিস্তান কিভাবে ইরান-আমেিকার যুদ্ধ নিয়ে মধ্যস্হতা করছে।
কিন্তু তারেককে বসায়ে দিয়েছে অলরেডি?
তারেক জাতিকে কোথায় নিচ্ছে বলে আপনার ধারণা?
২|
১৭ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এখন কি করণীয় ? ![]()
১৭ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
সবাই মিলে টাকা রুপি, ডলার, দিনার ছাপিয়ে সেগুলো বাজার ছাড়া।
৩|
১৭ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমার মনে হয় তারেক ভাইয়ার লাগাম আমেরিকার হাতে । বাংলাদেশের সাথে রিলেশন বাড়ছে ।
১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:২৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মনে হচ্ছে, ইরান ও লেবাননে মধ্যস্হতা করার জন্য বাংলাদেশকে ডাকবে ট্রাম্প।
৪|
১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:১৭
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
এরপর, এশাদ ও খালেদাকে দিয়ে পুরো জাতিকে চোরে পরিণত করে; এরশাদ ও খালেদার সময়ে খুবই সধারণ নাগরিকেরা ক্রিমিনাল চরিত্রে পরিণত হয়। ইহা আপনার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, বাস্তবতা ভিন্ন। আইয়ুব খান থেকে শুরু করে দেশ স্বাধীনের পর ও অসৎ বাঙালির চাল চুরি, কম্বল চুরির ঘটনা পুরাতন ছবি, পত্রপত্রিকায়,বইগুলোতে উঠে এসেছে........
১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৩২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
স্বাধীনতার পরে, ২/৩ বছর কাহাদের হাতে পয়সা ছিলো? যারা পাকিস্তান আমলে কিছুটা ভালো ছিলো; তারা সেইসব পয়সা দিয়ে স্বাধীনতার পর সৃষ্ট সুযোগগুলো দখল করেছে; এরাই কিন্ত স্বাধীনতা চাহেনী। জিয়া ও এরশাদ সময় এরা সকল প্রকার ক্রাইমের সাথে যুক্ত ছিলো।
১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
জিয়া আসার ২/১ বছরের মাঝে মিলিটারী অফিসারেরা সকল ধরণের ব্যবসা দখল করেছে।
৫|
১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:২৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তারেক জাতিকে কোথায় নিচ্ছে বলে আপনার ধারণা?
...............................................................................
নিন্দুকেরা বলে ,
ট্রাম্প বলেছে বাংলাদেশ ৫২তম প্রদেশ হচ্ছে আমেরিকার ।
অনেকের খুশী হবার কথা ! অতপর মূল ভূখন্ডে ভ্রমনে ভিসা লাগবেনা ।
তাহলে তারেক জিয়া ৫২তম মূখ্যমন্ত্রী হবেন !!!
১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৫
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমেরিকায় মুখ্যমন্ত্রী নেই, আছে গভর্ণর। তারেক আমেরিকায় এলে, জেলে থাকার কথা।
৬|
১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৯
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
জিয়া আসার ২/১ বছরের মাঝে মিলিটারী অফিসারেরা সকল ধরণের ব্যবসা দখল করেছে। আপনার এই কথার সাথে দ্বিমত করার সুযোগ নেই। পাকিদের মতো এদেশের আর্মিরা ও জিডিপির একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যাংক, বীমা, শপিং মল, স্বাস্থ্য, ফার্নিচার এমনকি মিষ্টির কারখানা পাহাড়ি টুরিস্ট স্পট গুলো থেকে তারা অনেক আয় করে থাকে। তাঁদের পরিস্কার কোন মিলিটারি ডকট্রিন নেই......
তারা সরকারের ভিতরে আরো একটি সরকার। বাংলাদেশের সামরিক ব্যায়, তিন বাহিনীর আকার আরো সীমিত করে অনন্য মৌলিক বিষয় গুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত ছিলো।
৭|
১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:২৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জ্বালানী খাতে কোন ধরণের অভিজ্ঞতা না থাকলেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) স্বতন্ত্র পরিচালক হন সাবেক শিবির নেতা রাফে সালমান রিফাত। অভিযোগ এসেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে একটি সিন্ডিকেট তৈরী করেছিলেন রিফাত। তার সিন্ডিকেটের সাথে “সমঝোতা’ না করলে কোন প্রতিষ্ঠান টেন্ডারে যোগ্য হলেও কাজ পেত না। আবার সমঝোতা হলে অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে আদালতের আদেশ অমান্য করেও কাজ দেয়া হতো।
রিফাতের সঙ্গে সমঝোতা না করায় সিংগাপুর ভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের দরপত্র বাতিল করে দরপত্রে অযোগ্য এক প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টন কয়লা সরবরাহ করার কাজ পাইয়ে দিয়েছেন — এমন অভিযোগ করেছে ইয়ংতাই এনার্জি পিটিআই লিমিটেড, বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটির কোটি কোটি টাকা ক্ষতি করেও এক বছর কাজ বন্ধ রেখে নিম্নমানের কয়লা কেনা হয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান পিটি সাম্বার গ্লোবাল এনার্জি টিবি (এসজিইআর) থেকে।
গত মাসে এনসিপিতে যোগ দিয়ে যুগ্ম সদস্য সচিব পদে আসা রাফে সালমান রিফাতের বিরুদ্ধে গত বছর আগস্টে সিংগাপুর ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইয়ংতাই এনার্জি পিটিআই লিমিটেড প্রধান উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন কাজ হয়নি বলে জানা গেছে।
প্রমাণ হিসাবে লিখিত অভিযোগের সাথে হোয়াইটঅ্যাপে রাফে সালমান রিফাত যে "সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছেন" এ সংক্রান্ত ম্যাসেজ ও কল রেকর্ডও সংযুক্ত করা হয়।
উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে গত ফেব্রুয়ারী মাসে পিটি সাম্বার থেকে এক মিলিয়ন টন কয়লা ক্রয়ের চুক্তি করেছে পটুয়াখালীর আরএনপিএল (আরপিসিএল-নরিনকো) ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। এর পেছনে রয়েছেন সাবেক শিবির নেতা ও সিপিজিসিবিএল এর সদ্য সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক রিফাতের নেতৃত্বাধীন একটি চক্র।
রিফাত অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের সহযোগী এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।
ফাওজুল-ফারজানা-রিফাত সিন্ডিকেটের রোষানলে পড়ে কাজ পাওয়ার পরও বঞ্চিত হওয়ায় গত বছরের ২১ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অভিযোগ দেয় সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইয়ংতাই এনার্জি ।
অভিযোগে বলা হয়, “আরএনপিএলের এমডি সেলিম ভূইয়া আমাদের রাফে সালমান রিফাতের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে চাপ দেন। রিফাত—যিনি সিপিজিসিবিএলের স্বতন্ত্র পরিচালক ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক—টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো বৈধ ভূমিকা না থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। এটি স্পষ্ট স্বার্থের সংঘাত ও যোগসাজশের প্রমাণ।”
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব কার্যক্রম সরকারি ক্রয় আইনের ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও সমতা নীতির গুরুতর লঙ্ঘন এবং আরএনপিএল ও সংশ্লিষ্টদের অসৎ আচরণ, যোগসাজশ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।
প্রমাণ হিসাবে প্রতিষ্ঠানটি রাফে সালমান রিফাতের হোয়াইটঅ্যাপে "সমঝোতার প্রস্তাব" কল রেকর্ড সহ অভিযোগপত্রের সাথে সংযুক্ত করে। তবে এসব অভিযোগের পরও রিফাতের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।
উল্টো আদালতের রায় না মেনে গোপনে গত ফেব্রুয়ারী মাসে পিটি সাম্বারের সঙ্গে চুক্তি করা হয়, যে প্রতিষ্ঠানকে আগেই অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল এবং যার বিরুদ্ধে নিম্নমানের কয়লা সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ভিয়েতনাম সরকার পিটি সাম্বারের বিরুদ্ধে পূর্বনির্ধারিত মানে কয়লা সরবরাহ না করার মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রতারণার অভিযোগ এনে ইন্দোনেশিয়ার সরকার চিঠি দিয়েছিল।
রাফে সালমান রিফাতকে ঘিরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—তিনি কীভাবে এই খাতে এত প্রভাবশালী অবস্থানে এলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাবেক নেতা এবং পরে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ফার্মেসি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। তবে বিদ্যুৎ খাতে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও তাকে সিপিজিসিবিএলের পরিচালক করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবেই তাকে এই পদে বসানো হয়েছিল।
এসব বিষয়ে জানতে কিছুদিন আগে আমি সরাসরি রাফে সালমানের সাথে যোগাযোগ করি, তিনি দাবি করেন তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার প্রতিনিধি হিসেবেই তাকে সিপিজিসিবিএলের পরিচালক হিসেবে মনোনীত করেছিলো, কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে নয়। উপরোক্ত অভিযোগ সমূহের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এসব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন। তিনি আরো দাবি করেন বিশেষ মহলকে সুবিধা না দেয়ায় এ সকল অভিযোগ তোলা হয়েছে।
পরবর্তীতে সংযুক্ত WhatsApp কথোপকথনের সত্যতা ও সংযুক্ত সকল নথি যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় সকল তথ্য সঠিক এবং ইয়ংতাই এনার্জি পিটিআই লিমিটেড এর চিঠিটিও সেসময় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় গ্রহণ করে নথিভুক্ত করে, তবে এর প্রতিকারে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে — এমন কোন প্রমাণ মেলেনি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সময়ে সম্পাদিত সকল কয়লা আমদানির চুক্তির সব নথি তদন্ত করার পাশাপাশি চুক্তির আওতায় আসা কয়লার মান পরীক্ষা করা জরুরি। এ চুক্তির আওতায় নিয়মিত নিম্নমানের কয়লা আসছে বলে জানিয়েছে এ খাতের সাথে জড়িত বিশেষজ্ঞরা।
বি.দ্র. অভিযোগ ও অন্যান্য সকল ফাইল কমেন্টে প্রদত্ত লিংক ড্রাইভে প্রদান করা হয়েছে।
এভাবেই সৎ লোকের শাসন কায়েম করবে শিবির । ![]()
১৮ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:০৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
এদের পুর্বসুরীরা লাখ লাখ বাংগালীকে হত্যা করেছিলো; এরা মানুষ নামের হায়েনা
৮|
১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৪৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এভাবেই সৎ লোকের শাসন কায়েম করবে শিবির ।
...............................................................................
নিজেরা সৎ হতে না পারলে আরকি করবে ?
অসৎ লোকের শাসন কায়েম করবে আর বলবে, অভিজ্ঞতা অর্জন
করছি এরপর ঠিক হয়ে যাবে ।
৯|
১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১:০০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আওয়ামী লীগ ফেইসবুকে এসব লিখছে । আমি আবার সবার লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়ি ।
ফেইসবুক দু'দিন আগের এই লেখাটার রীচ অস্বাভাবিকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। কারণ কী? আমি কি ভুল কিছু লিখেছি?
আমার লেখায় কিছু যায় আসে না। কোনো তথ্যে ভুল থাকলেও যে কেউ তা জানাতে পারেন। শুধরে নেবো।
কিন্তু এই লেখার বিষয়বস্তু ভীষণ জরুরি। এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকদের এখনই কথা বলা জরুরি। সরকারের জবাবদিহি করা জরুরি। তাই আবার শেয়ার করলাম।
___________________________________
দেড় বছর আগে থেকে আমরা যা যা আশঙ্কা করছিলাম, সেগুলোই বাস্তবায়িত হয়ে যাচ্ছে।
বিগত আওয়ামী লীগের আমলে যুদ্ধ-বিগ্রহ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকা বাংলাদেশকে অবশেষে সত্যিই একটা প্রক্সি যুদ্ধের ময়দানে পরিণত করে ফেলা হচ্ছে। অথচ তাতে কোনো মাথাব্যথা নেই বুদ্ধিবৃত্তিক মায়োপিয়া রোগে ভোগা বাংলাদেশের কথিত শিক্ষিত নাগরিকদের।
বুদ্ধিজীবী নামের বলদরা এখনও শেখ হাসিনা পতনের আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুলছে, যখন তাদের সাথে সাথে পুরো দেশটার জন্যই কবর খোঁড়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ইউনুসের আমলে শুরু করে যাওয়া দেশের স্বার্থবিরোধী সব চুক্তি ও পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করছে বিএনপি। ইউনুস প্রশাসনের সাংবিধানিক বৈধতা ছিলো না বলে, বিএনপিকে নির্বাচনের মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে ইউনূসের অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে।
বিএনপি ঐতিহাসিকভাবেই পাকিস্তানপন্থী। তারা ঐতিহাসিকভাবেই ভারতবিদ্বেষী। অতীতের বিএনপি সরকারের আমলেও তারা বাংলাদেশের ভেতরে ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল উলফার জন্য দশ ট্রাক অস্ত্রপাচার করতে গিয়েই প্রথম বড় ধরা খেয়েছিলো তারেক রহমান আর লুৎফুজ্জামান বাবররা। তারই সূত্র ধরে আজ পর্যন্ত তারেক রহমান এফবিআই এর কালো তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত। তার এখনো আম্রিকায় প্রবেশের অনুমোদন নেই।
সেই বিএনপি আবার এখন ক্ষমতায়। ফলে ভারতের উদ্বেগ আবার বেড়েছে। বাংলাদেশের ভেতরে ভারত সীমান্তে জঙ্গি স্থাপনাগুলো নির্মূল করতে বিগত ইউনুস প্রশাসন কিংবা বর্তমান বিএনপি সরকারের যথেষ্ট উদ্যোগ না থাকা নিয়ে আগে থেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে ছিলো ভারত। তার উপরে সম্প্রতি যোগ হয়েছে পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের দহরম-মহরম, চুক্তি ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের সফর।
বহুগুণ শক্তিশালী প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ষড়যন্ত্রে অফিশিয়ালি যোগ দিয়েছে চিরকালের পাকিস্তানপন্থী বিএনপি সরকার।
কয়েকদিন আগেই নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলো পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের সাথে করেছে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের চুক্তি।
অথচ এই চুক্তি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে বা দেশের মধ্যে কোন পক্ষের সাথেই কোন আলোচনা হয়নি।
এরপরই এডুকেশন এক্সপো'র নামে এসেছে ২৬ পাকিস্তানী কর্মকর্তা, এসেছে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সদস্যরা।
সামনেই আবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ আর সেনাপ্রধান আসিম মুনির আসছে বাংলাদেশে।
ভারতের ইন্টেলিজেন্স আঁচ করতে পারছে যে এসবের পেছনে পাকিস্তান আর বাংলাদেশের বিএনপির বিরাট কোনো পরিকল্পনা অবশ্যই আছে।
গত সপ্তাহেই তারা ব্যালেস্টিক মিসাইল এর মহড়া করেছে। কোথায় করেছে? এতো বড় ভারত মহাসাগরের আর কোথাও নয়, আমাদের বঙ্গোপসাগরের কাছে!
ভারতের পক্ষ থেকে এটা একটা স্পষ্ট সতর্কবার্তা।
কিন্তু গত তিন মাসে যেটা বোঝা গেলো, বিএনপি ভারতের সাথে দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্ব আর আস্থার সম্পর্ক চায় না।
তারা চায় তাদের প্রিয় দেশ, তাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের দেশ পশ্চিম পাকিস্তানের আনুগত্য।
জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের অংশগ্রহণ ছাড়া, সংসদে কোন আলোচনা ছাড়া, বাংলাদেশ সরকার কাঠামোতে থাকা মার্কিন প্রতিনিধি অথচ মার্কিন জ্বালানী মন্ত্রীর সাথে স্বাক্ষর করে ফেললেন জ্বালানী সহায়তা চুক্তি!
অবশ্য বাংলাদেশের জ্বালানী মন্ত্রণালয়ে এই সংক্রান্ত কোন আলোচনা না হলেও গত কিছুদিনে খুব ব্যস্ত সময় পার করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত বেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি মিটিং করেছেন মার্কিন কোম্পানি শেভরন এবং এক্সেলারেট এনার্জির প্রেসিডেন্টের সাথে— যেখানে বাংলাদেশ সরকারের কোন প্রতিনিধি নেই, অথচ বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে সেখানে আলোচনা হচ্ছে!
এরই মাঝে তুরস্ক সফরে গিয়েছে টেকনো মন্ত্রী আমিনুল ইসলাম। মাত্র দুই ঘন্টায় তড়িঘড়ি বানানো এক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তুরস্কের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাথে। চুক্তিতে ক্রীড়া খাতের সহায়তার কথা বলা হলেও প্রথম পয়েন্টটা হচ্ছে, "Reciprocal visit of Senior officials and experts!" তুরস্ক থেকে কারা আসবে এই ভিজিটে? তাছাড়া তুরস্ক গিয়ে অন্য দেশের প্রতিনিধিদের সাথে কেন বৈঠক করতে হলো আমিনুলকে?
এছাড়া গত কিছুদিন আগে অনেকটা গোপনীয়তার সাথে থাইল্যান্ড সফরে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ— যে সফরের বিষয়বস্তু নিয়ে ধারণা নেই খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরই। কার সাথে মিটিং করছেন সালাউদ্দিন আহমেদ? কেন এতো কঠোর গোপনীয়তা?
আমেরিকা, ভারত বা অন্য কোন বড় দেশের আমন্ত্রণ না পাওয়া তারেক রহমান নাকি চীন সফরের আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং আগামী কিছুদিনের মধ্যেই তিনি চীনে যাবেন। তারপর গত কিছুদিন ধামাচাপা পড়ে থাকা ইস্যু—
আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ARSA, RSO ইত্যাদির মধ্যে একটি প্রক্সি ওয়ারের জন্য বাংলাদেশের কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলাগুলোকে আবার প্রস্তুত করা হবে কিনা, আমরা জানি না।
আরেকটা যে আলোচনা বহু বছর ধরে শুনছি, আম্রিকার উৎসাহে খাগড়াছড়ি কে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে মিজোরাম ও ত্রিপুরার একাংশের সাথে যুক্ত করে তাদের নিয়ন্ত্রণে নতুন খ্রিস্টান/ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার তৎপরতাও আবার শুরু হবে কিনা, আমরা জানি না।
আর সর্বশেষ জানা গেলো, আম্রিকার সাথে খুব শীঘ্রই একটা স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স এগরিমেন্ট করে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে আম্রিকার রণতরীর জন্য। অর্থাৎ বাংলাদেশে তাদের সমুদ্রঘাঁটি খোলার বন্দোবস্ত হতে যাচ্ছে।
উপরে উল্লেখ করা প্রত্যেকটা পদক্ষেপের চেষ্টা চলেছে গত
দুই দশক ধরে। এর প্রত্যেকটাই এতোকাল ঠেকিয়ে রেখেছিলেন শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশটা আসলে কারা চালাচ্ছে, বুঝতে পারছেন?
ওরা ইতিমধ্যে আমাদের দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
ওরা ইতিমধ্যে আমাদের অর্থনীতিকে পাকিস্তানের মতো একটা চির-পরনির্ভর ভিখারী অর্থনীতি বানিয়ে ফেলার ছক কষে ফেলেছে।
ওরা ইতিমধ্যে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতোই আরেকটা ভাড়াটে সন্ত্রাসী দেশ বানিয়ে ফেলছে।
ওরা আমাদের দেশকে একটা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধাবস্থায় মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে।
আমাদের দেশেরই কিছু দল-গোষ্ঠী, কিছু মানুষ মিলে দেশটাকে বেচে দিচ্ছে।
আপনি কিছু টের পাচ্ছেন না?
১৮ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:০৮
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
জামাত-শিবির ও বিএনপি জানে যে, আওয়ামীরা ফিরলে একটা সনঘর্ষ হবে; তারা ইহাকে মোকবেলা করার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। ভারতের কোন অংশে আমেরিকা হাত দিবে না।
১০|
১৯ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০
রাজীব নুর বলেছেন: আমার খালার জন্ম পাকিস্তানে।
খালার এখন অনেক বয়স। উনি পাকিস্তান যেতে চাচ্ছেন। খালা যে শহরে বড় হয়েছেন, সে শহরে আরেকবার তার যাওয়ার ইচ্ছা।
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ট্রাম্পের আশির্বাদ নিয়েছে পাকিস্তান খুব সহজেই।
............................................................................
ট্রাম্পের স্বার্থের কাছে কোন নির্দিষ্ট কিছু নাই ।
কিছু দিন পর যদি পাকিস্হানকে না চেনে
আমি অবাক হবোনা ।
কারন লেজ কাটা শেয়াল কোন আইন মানেনা
সে যা করে তাই আইন এবং এজন্য বিশ্ব তাকে
পুরস্কৃত করতে কেন দেরী করছে, তার জবাব দিন ।