| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সামুর ইসলামিক স্কলারদের মাঝে মহাজাতকের লেখায়, ভাবনায় ও চিন্তায় কিছুটা আধুনিকতা আছে, সাহিত্য ও পেশাগত অভিজ্ঞতা আছে; তিনি ওমর খাইয়াম বা রুমির অনুসারী নন; কিন্তু আজকের বাংলাদেশী ব্লগারদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারেন। উনাকে বাদ দিলে, সামু ইত্যাদিতে যারা ধর্মীয় কোণ থেকে লেখেন, তাদের লেখা এতই গার্বেজ যে, অন্য ইসলামিক স্কলারই উহা পড়তে চান না, ও তর্কে লিপ্ত হয়ে থাকেন।
মানুষ আজকের বাস্তবাতা জানতে চায়, ইরান-আমেরিাকা যুদ্ধের ফলে বাংলাদেশ তেল পাবে কিনা; তারেক ১ পয়সা আয় করতে জানে না, সে কি করে দেশ চালাবে? কোন ঋণ থেকে ফ্যামিলী কার্ডের টাকা দিবে? ইসরায়েল ও ইহুদীদের ভবিষ্যত কি? আমাদের ইউনিভার্সটিগুলো থেকে কি জংগী বের হচ্ছে?
মানুষ জানতে চায়, আওয়ামী লীগ কিভাবে বের হবে, ইহা কি গৃহযুদ্ধের সৃষ্টি করবে?
কোন বেকুব আজকে ওমবের গল্প শুনতে চায় যে, উনি আটার বস্তা কাঁধে করে মদীনার ঘরীব এলাকায় রাতে ঘুরছে! কার দরকার চুরিতে ধরা না'পড়ার জন্য কোন দোয়া পড়তে হবে! মানুষ ভাবছে,পুলিশ ধরলে রক্ষা পেতে ঘুষ দি্তে হবে। এখন বদরের যুদ্ধ কোন বিষয় নয়, বিষয় হচ্ছে ইরানের যুদ্ধ।
২০ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:২৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
সামুতে কেহ পাশ কাটাতে চাচ্ছে না, সামুর অনেক ডামী এসবের মাথামুন্ড বুঝে না; এরা অন্যের পোষ্ট পড়ে কিছুই বুঝে না।
২|
২০ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:২১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়েন ঠিকই তবে নিজেদের মাঝে মতবিরোধ রয়েছে যতদুর বুঝতে পেরেছি ।
২০ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ধর্ম নিয়ে প্রত্যেকে ভুল লেখে; ফলে তর্ক লেগেই থাকবে।
মহাজাতক "বিগ-ব্যাংগ" থিওরী ফলো করে, স্বয়ং আল্লাের সৃষ্টিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছিলেন; যদিও ব্যাখ্য টা ১০০ ভাগ ভুল ছিলো; কিন্তু অন্য পন্ডিতরা ইহা বুঝেনি ও চুপ করে পড়ে চলে গেছে, উনাকে চ্যালেন্জ করেনি।
৩|
২১ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:৪৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কোথাও ধর্ষণ হলেও এক পাল বলদ শরীয়া-শরীয়া শুরু করে। আর এদিকে তাদের মাদ্রাসার ভিতরে নিয়মিত পায়ু যুদ্ধ চলে। সেদিনও মহিলা মাদ্রাসার এক শিশু গর্ভবতী হয়ে পড়ে হুজুর এর ধর্ষণের কারণে। আরেক ছাত্রীকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করে। আহমদুল্লাহদের কীবোর্ড তখন গর্জন করে না। আইছে শরীয়া শুনাইতে। বেশি কিছু বললাম না-জনৈক একজন ।
তোকে এজন্যই অস্ট্রেলিয়া ভিসা দেয় নাই। ধর্ষণ করে দিয়ে বলতি, শরিয়া ছিল না তো, তাই একটু করে ধর্ষণ করে দিলাম আরকী!
তো হা*রামজাদা, কয়েকদিন পরপর মাদ্রাসায় যে ছোট ছেলেদের ধর্ষণ হয়, সেটা কী বলবি?
মাদ্রাসায় ধর্ষণ এত কমন যে আজকেও খোঁজ নিয়ে দেখি আব্দুল্লাহ নামে ১০ বছরের এক বাচ্চা মারা গেছে। তার পায়ুপথে আঘাতের চিহ্ন।
পৃথিবীর একমাত্র দেশ সৌদি আরব যেখানে ধর্ষণের চোটে শ্রীলঙ্কা, ফিলিপিনের মত দেশ নারী কর্মী পাঠানো বন্ধ করে দেয়। পরে বাংলাদেশকে বাধ্য করে নারী কর্মী পাঠানোর পর। এদের উপর ধর্ষণ, অত্যাচারের বর্ণনা শুনলে শিউরে উঠতে হয়। সেখানে শরিয়া থাকার পরেও সবচেয়ে বেশি ধর্ষণ কেন?
ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ায় যেসব নারীদের যেতে দেখি সবাই বলেন—
“রাতে একা হাঁটতেও ভয় লাগে না।”
আবার ইউরোপে সিরীয় শরণার্থীদের আগমনের পর আবার শরণার্থীদের হাতে প্রচুর নারী ধর্ষণ হচ্ছে। এই আহম্মকুল্লাহর মত ধর্ষকগুলো দোষটা নারীদের কাপড়ের উপর চাপায় দেয়। মূল সমস্যা কাপড় না, মূল সমস্যা আহমক্কুল্লাহর মত হারা*মজাদারা-জনৈক একজন ।
হুজুর আর সাধারণ মানুষের মাঝে সংঘাত বেড়ে চলেছে । বিষয়টা বিব্রতকর। সমাজের হারমনি বজায় থাকছে না ।
২১ শে মে, ২০২৬ রাত ৩:১১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মাদ্রাসায় পড়া লোকজন ও আরবী সংস্কৃতির লোকজন আধুনিক সমাজ/সংস্কৃতি বুঝে না; শরীয়া ইতয়াদি বেদুইনদের সংস্কৃতি। বেদুইনরা আধুনিক দুনিয়ার কিছুই বুঝে না।
৪|
২১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫
রাজীব নুর বলেছেন: ইসলাম বা ধর্মীয় গ্রন্থ নিয়ে দেশের বেশির ভাগ চিন্তিত নয়।
লোকজন যারা ইসলাম ভাব দেখাচ্ছে, সেটা আসলে অভিনয়।
২১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ইসলাম ধর্ম মানুষকে সামন্তবাদের জীবনের সংস্কৃতিতে আবদ্ধ করে রাখে; আজকে পৃথিবী হচ্ছে জ্ঞানভিত্তিক, মুসলমানেরা বেদুইন সংস্কৃতিভিত্তিক।
৫|
২১ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:২৭
মাথা পাগলা বলেছেন: সঠিকভাবে মূল্যায়ন করলে বাংলাদেশের জনগনের গড় আইকিউ বিলো ৫০ হবে। A.I. রেভ্যুলেশনের যুগে মধ্যযুগীয় চিন্তা-ভাবনা অবসোলিট। অন্য দিকে বাংলাদেশের মানুষ মসজিদ বা মাদ্রাসা কম কেন সেটা নিয়ে বেশি চিন্তিত। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষকেই হালাকা ব্রেইন ওয়াশ করে জঙ্গি বানানো যাবে। এতো প্রুফ থাকা সত্ত্বেও পড়াশোনা করা পাবলিকরাও রাজাকারদের বিপ্লবের ব্যাপারটা এখনো মানতে চায় না।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বিষয় হচ্ছে ইরানের যুদ্ধ।
.....................................................
সামুতে সম সাময়িক লেখার প্রয়োজনীয়তা অনেক
কিন্ত লক্ষ্য করছি , র্স্পশকাতর বিষয় গুলো সবাই
পাশ কাটাতে চায় ।