নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

আব্রাহাম তো নিজের মনের পশুকে কোরবাণী দিতে চাহেনি।

২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ১:৪৩



আব্রাহামের গল্প সব ব্লগারদের মতো আমিও পড়েছি; সেখানে মনের পশু, বনের পশু কিছুই নেই। আব্রাহাম বয়স্ক মানুষ ছিলেন; উনি স্বপ্ন দেখেছেন সবচেয়ে ভালোবাসার বস্তূকে কোরবানী দিতে।

ব্লগারেরা কি পড়ে কি বলছে? তারা মনের পশু কোথায় পেলো?

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে মে, ২০২৬ ভোর ৪:১২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে স্বপ্ন খুবই নিম্নমানের মাধ্যম।
নবী আব্রাহাম এটা বুঝেন নি।
তিনি তার পুত্রকে জবাই করতে গেছেন।
এটা একটা অপরাধ এবং তার মানসিক অসুস্থতার প্রমাণক হতে পারে।

২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:২৪

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




মনে হয়, উনি নরবলি দিতে চেয়েছিলেন; উনার স্ত্রী কৌশলে উহা বন্ধ করেছিলেন।

২| ২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:১৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সব বিষয় নিয়ে আপনার খোঁচাখুঁচি। যাই হোক ইদ মুবারক ।

২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:২৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ঈদের শুভেচ্ছা; ইহুদীদের নবী নিয়ে রূপকথা, সেটা আরবের বেদুইনদের জন্য ধর্ম হয়ে গেছে!

৩| ২৮ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:০৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাইবেলে উল্লেখ আছে যে, আব্রাহাম তাঁর পুত্র ইসহাককে কোরবানি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বিষয়টি সেই সময়কার সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেই মনে হতে পারে। কারণ সারা ছিলেন ইব্রাহিমের বৈধ স্ত্রী এবং মর্যাদার দিক থেকে অনেকটা রাণীর অবস্থানে ছিলেন। সে হিসেবে তৎকালীন সামাজিক প্রথা অনুযায়ী তাঁর গর্ভের সন্তানের মর্যাদা বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু সারার দীর্ঘদিন সন্তান হচ্ছিল না। তখন বংশধারা রক্ষার উদ্দেশ্যে দাসী হাজেরাকে ইব্রাহিমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে দেওয়া হয়। বুক অব জেনেসিসে আরও উল্লেখ আছে যে, হাজেরার গর্ভে সন্তান আসার পর সারা ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েন। পরে তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী ইব্রাহিম হাজেরা ও ইসমাইলকে দূরে পাঠিয়ে দেন, যা ইসলামি বর্ণনায় মক্কার সঙ্গে সম্পর্কিত হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্ণনা অনুযায়ী, ইসমাইলের বয়স যখন প্রায় ১৩ থেকে ১৪ বছর এবং আব্রাহামের বয়স প্রায় ১০০ বছর, তখন সারা ইসহাককে গর্ভে ধারণ করেন। এখানেই বাইবেল ও কোরআনের বর্ণনায় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য দেখা যায়। বাইবেল অনুযায়ী কোরবানির জন্য নির্ধারিত পুত্র ছিলেন ইসহাক, আর কোরআনের প্রচলিত ইসলামি ব্যাখ্যা অনুযায়ী তিনি ছিলেন ইসমাইল। এই পার্থক্যকে কেউ কেউ সামাজিক ও ধর্মীয় মর্যাদার প্রশ্নের সঙ্গেও যুক্ত করে দেখেন। কারণ রাণীসম মর্যাদাসম্পন্ন বৈধ স্ত্রীর সন্তান হিসেবে সারার পুত্র ইসহাকের অবস্থান দাসী হাজেরার পুত্র ইসমাইলের তুলনায় বেশি হওয়ার কথা ছিল । এখানেই বাইবেল ও কোরআনের বর্ণনা ভিন্ন পথে গেছে। একইভাবে দেখা যায়, বাইবেলীয় ঐতিহ্যে জেরুজালেম অধিক গুরুত্ব পেয়েছে, আর কোরআনিক ও ইসলামি ঐতিহ্যে মক্কা কেন্দ্রীয় গুরুত্ব লাভ করেছে। আমি এমনটাই পড়েছিলাম।

২৮ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৮

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




এসব মরুভুমির লোকদের লোক-কাহিনী।

কাহিনীটা হলো, স্রষ্টার প্রতি আব্রাহামের নিবেদিত মনের পরীক্ষা; ইডিয়ট ব্লগারেরা যে লেখে, কোরবানী হচ্ছে "মনের পশুকে বধ করা"; ইহা কোথা থেকে এলো?

৪| ২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:০৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: "আচ্ছা, চাঁদগাজী, ধর্ম আর রাজনীতি নিয়ে তো অনেক আলাপ হলো, এবার চলুন দর্শন নিয়ে কথা বলা যাক। 'জীবন' জিনিসটাকে আপনি কীভাবে ব্যাখ্যা করেন? আপনার কী মনে হয় আমাদের জীবনের উদ্দেশ্যটা আসলে কী? আমার এক শিক্ষক বলেছিলেন যে জীবনের উদ্দেশ্য হলো ভালো ভালো কাজ করা, কিন্তু এই উত্তরটা আমাকে ঠিক সন্তুষ্ট করতে পারেনি। আলবেয়ার কামু নামে একজন বিখ্যাত লেখক আছেন, যিনি 'দ্য প্লেগ' বইটি লিখে নোবেল পেয়েছিলেন; ওনার ফিলোসফিটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। তিনি বলেছেন: জীবনের কোনো মহাজাগতিক উদ্দেশ্য নেই। উদ্দেশ্য আগে থেকে ঠিক করা না থাকলেও মানুষ বেঁচে থাকা, স্বাধীনতা আর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নিজের অর্থ নিজেই সৃষ্টি করতে পারে। আমার মনে হয়: আমরা মূলত ইন্দ্রিয় বা কামনার তাড়নাতেই সব কাজ করি, এটাই আসলে জীবনের মূল চালিকাশক্তি। আর সেটা যখনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখনই সমস্যা তৈরি হয়। সত্যি বলতে, আমরা এই মহাবিশ্বের স্রেফ কামলা ছাড়া আর কিছুই নই। :-B

২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:০৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



প্রানের সৃষ্টি হয়েছে এই গ্রহের প্রাকৃতিক বিবর্তনের ফলে; মানুষের ভাবনাশক্তি মানুষকে সভ্যতা সৃষ্টি করতে সাহায্য করেছে। অশিক্ষিত মানুষ সভ্যতাকে বুঝতে পারে না; যারা সুশিক্ষিত তারা নিজেদের জ্ঞান ও শ্রম দ্বারা বাকীদের জন্য সভ্যতাকে এগিয়ে নিচ্ছে ও নিজেও তার অংশ হচ্ছে: ইহাতে সুখ, আনন্দ ও অর্জন আছে: ইহাই জীবন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.