| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এই মহুর্তে সামের পাতায় ১ম পোষ্ট টি সামিউল ইসলাম বাবুর: রাজনৈতিক পোষ্ট, পুরানো গার্বেজ। রাজনীতিতে উনার জ্ঞান যে কোন অপদার্থ থেকে অনেক কম। উনার এই গার্বেজ পড়ে কি হবে?
এরপর আছে সত্য পথিকের গার্বেজ: ইউনুস হচ্ছে বিশ্ব প্রতারক, সত্য পথিক উহার ক্ষুদ্র ভার্সন। ইহা বৃটেন গিয়েছিলো মিথ্যার কথা বলার কলাকৌশলের উপর মাষ্টার্স করতে।
এরপর আছে আমাদের প্রাক্তন সরকারী কর্মচারী, খায়রুল আহসান সাহেবের মহা গার্বেজ: পাকা ফল, পঁচা ফল। উনি ঝরে যাবার ভয়ে আছেন। এরা আমাদের জাতির বড় পদে চাকুরী করে, এখন নিজেদের অভিজ্ঞটা শেয়ার করছেন!
০৩ রা জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমি নই, কিন্তু আপনি হেলথি টমেটো নন। বৃটেনে মাষ্টার্স করেছেন, কোন জ্ঞান আহরণ করে থাকলে উহাকে প্রয়োগ করেন।
২|
০৩ রা জুন, ২০২৬ রাত ১০:৩৮
নূর আলম হিরণ বলেছেন: আপনি আগের পোষ্টে এক মন্তব্য বলেছেন তোফায়েল আহমেদ সম্পর্কে বলার মত তেমন কিছু নেই। তা হলে তিনি যদি ৬৯'র গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব না দিতেন তাহলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কেমন হতো?
০৩ রা জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
৬৯ সালের নেতৃত্ব কি দিয়েছেন, সেটা আমার চোখে পড়েনি; ১৯৬৮ সালে শেখ গ্রেফতার হওয়ার পর, প্রতিটি ইডিয়ট পালায়ে গিয়েচিল; শেখকে বের করে এনেছেন মওলানা।
১৯৭২ সাল থেকে সে সশেখের এডভাইজার ছিলো; ১৯৭৫ সালে সে রক্ষী বাহিনীর ডিরেক্টর ছিলো, শেখ মৃত্যুর আগে তোফায়েলের বাসায় কল করে তাকে পায়নি।
৩|
০৩ রা জুন, ২০২৬ রাত ১১:০৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এসে গেলুম আরেকটা গারবেজ ঢালতে; আপনাদের disturb করতেই সামু্তে আসি । ![]()
০৩ রা জুন, ২০২৬ রাত ১১:১৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
২০২৪ সালে যে ক্যু হয়েছে, তা আপনি সময় মতো বুঝতে পারেননি; এখন বুখার পরও, আপনি উহাকে ক্যু না'বলে, ইহা নিয়ে অনেক কথা বলছেন! ফলে, আপনার আলোচনায় কিছু সমস্যা থেকে যাচ্ছে।
৪|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১২:০০
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ইউনূসের পুরো সময় ধরে মব সন্ত্রাস, মাজার ভাংচুর আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গেল। কিন্তু ৫ তারিখ একদম শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আবার বিএনপি আসার পর এখন সব ঠান্ডা! ইহার কা্রন কি? কানাঘুষা এমন ও শুনেছি_ ইউনূসকে বিতর্কিত, জনমনে ক্ষোভ আরো বাড়িয়ে দিতে গোয়েন্দা এজেন্সি গুলো এর কিছু ঘটিয়েছে..........
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১২:০৭
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
সাধারণ মানুষ বুঝেছে যে, ইউনুস আমাদের জাতির ২ শত্রুকে ( পাকিস্তান, জামাত-শিবিরকে ) ক্ষমতা দিয়ে নিজে ক্ষমতা নিয়েছিলোে; সে আমেরিকান দুতাবাস ও মিলিটারীর সাহায্যে সবকিছু করেছে ও ছাত্র হত্যা তার ডিজাইনে ছিলো; মানুষ তাকে নাগালের মাঝে পেলে তাকে রেহাই দিবে না।
৫|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১২:০১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনার পতনকে আমি ক্যু বলতে রাজি। কিন্তু ক্যু সফল হয় তখনই, যখন সরকার নিজেই নিজের কবর খুঁড়ে রাখে। ..... স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল, শেখ মুজিব হত্যায় ভূমিকা ছিল - এগুলো সত্যি। কিন্তু এই সত্যটা দিয়ে ১৫ বছর ধরে যা হয়েছে সেটা সঠিক বলা যাবে না। অন্যরা খারাপ বলে নিজে যা খুশি করা যায় না ; এই যুক্তিটা ক্ষমতার মসনদে খাটে না। জিডিপি বেড়েছে, কিন্তু কাজ বাড়েনি। গ্রামের ছেলে ঢাকায় এসেছে, অটোরিকশা চালিয়েছে, আর ঢাকার রাস্তা অচল করে দিয়েছে। এটাকে নাম দেওয়া হয়েছে অর্থনৈতিক গতিশীলতা। বড়ো বড়ো অবকাঠামো বানানো হয়েছে ধারের টাকায়, আর সেটা টেলিভিশনে দেখানো হয়েছে নিজের কৃতিত্ব হিসেবে। ক্রেডিট কার্ডে বাজার করে বাড়িতে ভোজ দিলে সেটা সচ্ছলতার প্রমাণ হয় না। ১৮ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের টাকা গেছে নির্দিষ্ট কিছু পকেটে। সরকারি চাকরিজীবীরা দুর্নীতি করেছে, সেই টাকায় শপিং মল বানিয়েছে, আর সেটাকে বলা হয়েছে বেসরকারি বিনিয়োগ। কালো টাকা সাদা হয়েছে, আর অর্থনীতি এগিয়েছে এই ছিল মডেল। শেখ হাসিনার ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই গার্মেন্টসের মেয়েরা ঢাকায় আসত। আমাদের এলাকায় শ্রমিক পরিবারগুলো থাকত বলে বিষয়টা আমাদের কাছে পরিচিত ছিল। হাসিনার সময়ে ইন্টারনেট বিপ্লব হয়েছে, প্রবাসে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে সারাবিশ্বে। আর গার্মেন্টস শ্রমিকদের শ্রম শোষণ করে নতুন নতুন কারখানা বানিয়ে কর্মসংস্থান হয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপ আজকে কতটা বড় হয়েছে সেটা দেখলেই বোঝা যায়।
সময় সবসময় এক রকম থাকে না। করোনার পর মাত্র চার বছর টিকতে পেরেছিল আওয়ামী লীগ। ২০২৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর অর্থনীতি ভালো হওয়ার কোনো লক্ষণই ছিল না। কারণ ট্রাম্পের রিসিপ্রোকাল ট্যাক্সের মতো চ্যালেঞ্জ সামনে অপেক্ষা করছিল। ভুয়া তথ্য দেখিয়ে এলডিসি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়েছিল, আর সেই ভুয়া ডেটার ভিত্তিতেই বিদেশ থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে বারবার। তার উপর বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে ভর্তুকি দিতে দিতে এখন সেই খাত মহাসংকটে।
জুলাইয়ের ঘটনা তাই এতটা সরলও ছিল না। সরকার টিকে গেলে ৫৬ শতাংশ কোটা আবার চালু হতো। ২০১৮ সালে নিজেই কোটা বাতিল করে পরে আবার নতুন করে চালু করা প্রমাণ করে যে, এই সরকার তরুণ বা বেকারদের কথা সত্যিকার অর্থে ভাবেনি। ২০১৮ সালে ভয়ে বাতিল করেছিল, ২০২৪-এর পর আওয়ামী লীগ আরও কঠোর হয়ে উঠত। পুরো বিষয়টা এখন অনেক জটিল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি চিরকাল ক্ষমতায় থাকবে -এই যুক্তি দিয়ে নিজেকে বোঝানো কঠিন। আর এটাই হয়তো সবচেয়ে বড় সমস্যা, যেটা চলে আসছে শুরু থেকেই।
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১২:১২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আপনি আওয়ামী লীগ ও হাসিনার কুশাসনের জন্য ক্যু'কে ছাত্র-জনতার বিপ্লব বললে, আপনার লেখা ভুের উপর দাঁড়াচ্ছে; আমি এটাই বলতে চেয়েছি। রাজনৈতিক ঘটনায় যে দায়ী তাককে দায়ী করতে হবে; কিন্তু ঘটনাকে বদলালে লেখা ভুল হয়েছে যাবে।
৬|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১২:২০
মাথা পাগলা বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনার পতনকে আমি ক্যু বলতে রাজি।
আপনে তাইলে জুলাই যুদ্ধে এত্তগুলা মানুষ মারা গেসে সেই দোষ হাসিনারে দিতে পারবেন না। ইউনুস আর তার মব পার্টিরে দ্যান। ডলার পাচার থেকে মানুষ হত্যা বড় হইতে পারে না। হাসিনার দোষ অনেক, কিন্তু সময় সময়ে বয়ান পাল্টানো আর সব "দোষ হাসিনার" চালাইয়া ইউনুস আর তার চোর-বাটপারদের গুনগান ভালো কোন লক্ষন না।
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১:২৫
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমেরিকানরা জনাে যে, বনাগলাদেশের শিক্ষিতরা রাজনৈতিক ঘটানাগুলো সঠিকভাবে বুঝে উঠতে পারে না।
৭|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মাথা-পাগলা@ সংঘর্ষে মানুষ মারা গেছে সে যে পক্ষেরই হোক না কেন। কারণ, শেখ হাসিনার কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত ছিল ভুল যা এই সংঘর্ষ ঘটার সুযোগ তৈরি করেছে । তখন এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি যে শিক্ষার্থীদের বিরোধিতা করে কোটা পুনর্বহাল করতে হতো। তাই এই ঘটনার সামগ্রিক দায় আওয়ামী লীগ সরকারকেই নিতে হবে। আওয়ামী লীগ এই বিষয়টি কীভাবে মোকাবিলা করবে, সেটি তাদের নিজস্ব বিষয়। যা কিছু প্রমাণ আওয়ামী লীগ কেই করতে হবে ।
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১:২৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আপনি ভুল লজিকে কথা বলেন: কথা হচ্ছে ২০২৪ সালে যা ঘটেছে, উহা কি ছাত্র-জনতার আন্দোলন ছিলো, নাকি আমেরিকান ক্যু ছিলো! ইহা ইহার ডিজাইনে ছিলো, ছাত্র জনতাকে হত্যা করে ক্যু কার্যকর করে হাসিনাক তাড়ানো; সেটাই ঘটেছে।
কে কিভাবে ডায়ী সেটা আপনি আপনার চিন্তা থেকে বলুন।
৮|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১২:৫২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মাথা পাগলা@ ইউনুস সাহেবের আমলে ধারাবাহিক আকাম কুকাম নিয়ে সবচেয়ে বেশি লিখেছি আমি । এনসিপি নিয়ে লিখেছি, বিএনপিকে নিয়ে লিখেছি , জামাত কে নিয়ে লিখেছি। যদি সব দোষ শেখ হাসিনার হতো তাহলে লেখক মেহেদি আনোয়ারের মতো সারাদিন গুম আর খুন নিয়ে লিখতাম ।
।
৯|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা কোটা প্রথা পুনরায় চালু না করলে ঘটনা এভাবে ঘটতো না । আমি এনসিপির নেতাদের একটা মেসেজ পড়েছিলাম যেখানে তারা বলেছিলো সরকার ২৪ এ পড়বে না । ২৭ সালের শেষের দিকে পড়তে পারে। আপনাদের নিজেদের লোক এসবে জড়িত ছিলো সেটাও বলেন । চুপপু , ওয়াকার সবাই জড়িত । সজিবের মিতা আরাফাত ও জড়িত । আপনারা ভেতরের মেকানিজম নিয়ে কথা বলেন না ।
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১:৫৫
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
হাসিনার কোটা সমস্যা সমাধানের জন্য ইউনুস/পাকিস্তান/আমেরিকা ক্যু করেছে, নাকি ক্যু'তে উহাকে কাজে লাগায়েছিলো?
১০|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ২:০৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ক্যু'তে উহাকে কাজে লাগায়েছিল। সমস্যা সমাধানের জন্য কেউ ক্ষমতায় আসেনি ।
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৪৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমেরিকান ক্যু সব দেশে ক্রিমিনালদ্বের ক্ষমতায় নিয়ে আসে।
১১|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ৩:২০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হাসিনার কোটা সমস্যা সমাধানের জন্য ইউনুস/পাকিস্তান/আমেরিকা ক্যু করেছে, নাকি ক্যু'তে উহাকে কাজে লাগায়েছিলো?
আপনাদের মধ্যে যারা আওয়ামী লীগ-ঘরানার রাজনীতি সমর্থন করেন, তাদের একটি দুর্বলতা আমার চোখে বারবার ধরা পড়ে। আপনারা সাধারণত ছাত্র-জনতার ওপর সামগ্রিকভাবে দোষ চাপিয়ে দেন, কিন্তু ঘটনার সূচনা কোথায় এবং কীভাবে হয়েছিল, সেই প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর কার উৎসাহে রিট করা হয়েছিল, কেন করা হয়েছিল, কে করেছিল, আর সেই ব্যক্তি এখন কোথায় এসব বিষয় নিয়ে আপনাদের খুব একটা আলোচনা করতে দেখা যায় না। আমি বারবার কোটা ও চাকরির প্রসঙ্গ তোলায় এখন আপনারা অনিচ্ছাসত্ত্বেও কিছু বিষয় স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু সেই স্বীকারোক্তি যে অন্তর থেকে আসছে, তা মনে হয় না। বরং মনে হয়, শেখ হাসিনার নেওয়া প্রায় প্রতিটি সিদ্ধান্তকেই আপনারা সঠিক বলে ধরে নিয়েছিলেন, তাই সেসব সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রয়োজনও অনুভব করেননি।
রাশিয়া ও ইরান একাধিকবার শেখ হাসিনার সরকারকে সতর্ক করেছিল যে দেশে আরব বসন্ত বা কালার বিপ্লবের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ডোনাল্ড লুর ঢাকা সফরও পরিস্থিতির গুরুত্বের একটি ইঙ্গিত ছিল। এমন অবস্থায় যে কোনো আন্দোলন থেকেই সরকার পতনের সূত্রপাত হতে পারে-১৬ বছর রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকার পরও শেখ হাসিনার সরকার সেই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারেনি। অথচ আপনারা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে বারবার আমার কাছ থেকেই জানতে চান, ঘটনাটি coup ছিল, নাকি বিপ্লব। আমি যখন প্রথম এ বিষয়ে লেখা শুরু করি, তখন আমার প্রথম পোস্টেই এক ধরনের দ্বিধা ছিল। সেখানে লিখেছিলাম, যারা একসময় শেখ হাসিনার সরকারকে অপরিহার্য বলে মনে করত, তাদের অনেকেই সরকার পতনের পর ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে শুরু করেছে। যদি বিষয়টি আমাকে এতটাই স্বস্তি দিত, তাহলে আমিও হয়তো আনন্দের সঙ্গে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতাম। কিন্তু আমি মাঠপর্যায়ে গ গাজীর কারখানায় লুটপাটের ঘটনা দেখেছি। সেই ঘটনার ফলে একটি এলাকার মানুষের জীবন কীভাবে আমূল বদলে গেছে, তা নিয়েও লিখেছি। আমি অংশ না নিলেও যে ঘটনা ঘটার ছিল, সেটি শেষ পর্যন্ত ঘটেই যেত।
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৫৫
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
২০০৮ সালে, জিয়া গ্রুপের অফিসারদের আভ্যন্তরীণ ক্যু' শেখ হাসিনাকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে দেয়; সে যা যা করেছিলো, সেটা আগের কেহ করেনি; কিন্তু তার লোকেরা ডাকাতী করছিলো ও সে আমেরিকার স্যাংশান মানেনি; সেটাকে পুঁজি করেছে ইউনুস ও পাকিস্তান।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা জুন, ২০২৬ রাত ৯:১৯
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
রটেন টমেটো বলতে এমন কিছু মানুষকে বুঝানো হয়েছে যারা টক্সিক। এইসব মানুষ অন্য মানুষের ক্ষতি করে।
আপনি টক্সিক মানুষ নন।