নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

শেখ হাসিনা বলেছেন, "ভারতকে যা দিয়েছি, তা সারা জীবন মনে রাখবে"।

০৬ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৪



ইন্দিরা কোনদিন বলেননি, "বাংলাদেশকে যা দিয়েছি, তা সারা জীবন মনে রাখবে"; তিনি আমাদেরকে কি কি দিয়েছিলেন ১৯৭১ সালে? সামুর থিংক ট্যাংকদের ৯৯ ভাগ ইহা এই জীবনে কখনো সঠিকভাবে বলতে পারবে না। ইন্দিরা গান্ধী কিছুই বলেননি; তবে, ১৯৭১ সালের জেনারেশন ( পাক ভারতের ) উহা জানতো ; বাংলাদেশের বিশ্বাসঘাতকরা কি জানতো? ইন্দিরা যা দিয়েছিলেন, বিনিময়ে কিছু চাননি; তিনি উপকৃত হয়েছিলেন, ভারত পাকিস্তানী মিলিটারীর উৎপাত থেকে রক্ষা পেয়েছে, শান্তিতে দেশ গড়তে পারবেন।

ইন্দিরা ১৯৭১'এর পর থেমে থাকেননি; তিনি রাজনীতি জানতেন, ফলে, আই্য়ুব ও জিয়াদের ঘৃণা করতেন; ইহা জুল ভার্ণ কিংবা না'হল তরকারীদের ডামী মগজে ঢুকবে না; জুল ভার্ণ জিয়ার "নির্জোট পলিসির" উপর সেমিনার করে, আর ইন্দিরা শেখ হাসিনাকে ৫ বছর প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশে পাঠাছিলেন জিয়াকে শাস্তি দিতে।

হাসিনা জানতো যে, ইন্দিরা না'থাকলে ড: কামাল কিংবা তোফায়েল শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি বানাতো না; হাসিনা কোনদিনও বাংলাদেশের মা টিতে পা রাখতে পারতো না। তখন পাকিস্তান ঠিকই মাদাম জিয়াকে, কোকো জিয়াকেও বাংলাদেশের শাসনকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতো।

বাংগালীদের জন্য ইন্দিরা অনেক কিছু করেছেন; সেটা তিনি মুখে বলেননি; কারণ, তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন। শেখ হাসিনার জ্ঞান ৯৯ ভাগ বাংগালীর চেয়ে বেশী ছিলো, কিন্তু ইন্দিরার লেভেলে ছিলো না; হাজার হলেও বাংগালী মানুষ।


মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:০১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সাহস করে একটা মন্তব্য করেই ফেললাম। জানি আপনি রেগে আছেন। সকাল সকাল প্রথম পাতায় এই ধরনের লেখা দেখলে যে কারও মেজাজ খারাপ হতে বাধ্য।

০৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:২৬

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



১৯৯১ সালে, সেনাবাহিনীতে জিয়াগ্রুপ এরশাদ গ্রুপকে থামায়ে দিয়ে বিএনপি'কে ক্ষমতায় আনার জন্য ভোটের রেজাল্ট বদলায়ে খালেদা জিয়াকে বিজয়ী করেছে। কাজটা সহজ করে দিয়েছিলো শেখ হাসিনা; এরশাদ ক্ষমতা দখল করার পর থেকে শেখ হাসিনা ক্রমাগতভাবে বেফাঁস কথা বলে যাচ্ছিলো, এতে আওয়ামী লীগের ওজন কমে গিয়েছিলো।

২| ০৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৩৯

মাথা পাগলা বলেছেন: হাসিনার আমলে দেখেছি বিএনপি-জামাত বুদ্ধিজীবীরা যেনোতেনো প্রকারেই হোক ভারতের সাথে দেশবিরোধী চুক্তি নিয়ে প্রোপাগান্ড ছড়িয়েছে। এখন ক্ষমতায় আসার পর অন্যায় চুক্তি বাতিল করার কথা বলে না, বাতিল করার কথা বললে মন খারাপ করে। দুই বছরে কোন চুক্তি বাতিল করতে পারে নাই।

লীগে চোর বাটপার ছিলো বরং না থাকাটাই হবে অবাক করার মতো বিষয়, কিন্তু এরা লীগের চুরির টকার এতো বড় বড় লিস্ট দেয় যেগুলো না হলে হয়তো এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে কোটিপতি থাকতো।

০৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৯

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ভারত থেকে আমাদের সরকার ও কোম্পানীরা যা কিনতে পারে, অন্য দেশে কিনতে গেলে ২০/৩০ পার্সেন্ট বেশী পড়বে যে কোন দ্রব্যে ( সাথে পরিব হবহন ও ইনস্যুরেন্স )।

আওয়ামী লীগ সরাসরি টাকা বেশি ডাকাতী করতে পারেনি, তারা ও অন্য দলের লোকেরা অতি সহজে কলকারখানর নামে বেশী পরিমাণ ঋণ নিয়ে, সেখান থেকে টাকা লুকায়েছে।

এস আলমকে ব্যবহার করে সরাসরি টাকা নিয়েছে জয় ও শেখ পরিবারের অন্য লোকেরা।

৩| ০৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: গড়ে ৩ টা করে মাদরাসা যদি একজন এমপির থাকে তবে ৩০০ এমপির ৯০০ মাদরাসা রয়েছে । মহিলা সাংসদ দের একটা করে ধরেন । হাজার মাদরাসা কেবল এমপিদেরই রয়েছে । এরা চায় মানুষ গরিব থাকুক অভাবী থাক । জামাতের এক এমপি ৬৪ টি গোরু কুরবানী দিয়েছেন । :-B

০৭ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:২৬

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



শেখের সময় ( ১৯৭০, ১৯৭৩ সাল ) কম চোর কিছু লোকজন এমপি হয়েছিলো; জিয়ার সময় থেকে শুধু মাত্র ক্রিমিনালরা এমপি হয়েছিলো

৪| ০৭ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:৪১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: শেখ হাসিনার জ্ঞান ৯৯ ভাগ বাংগালীর চেয়ে বেশী ছিলো,
......................................................................................
তার চেয়ে বেশী তিনি অহংকারী হয়ে পড়েছিলেন
এবং দূর্ণীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছিলেন ।

০৭ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



শেখের বংশে, শেখ ও ঃাসিনা ব্যতিত সবাই ছিলো চোর-ডাকাত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.