| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমার মনে হয় না যে, কোন বিচারক রামিসা আক্তারের হত্যা-মামলায় আসামির স্ত্রী, স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার মতো ইডিয়ট হতে পারে। সরকারের লোকেরা দেশের মানুষের ইমোশানকে কাজে লাগিয়ে নিজেদেরকে পপুলার করার জন্য স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদন্ড দিতে বাধ্য করেছে।
আমার এই পোষ্ট সামনের পাতায় থাকলে, ব্লগার না'হল তরকারী ও জুল ভার্ণও আমার বক্তব্যের পক্ষে মতামত দিতেন।
ধর্মীয় ব্লগার নতুন নকিবও বুঝতে পারেন যে, বাংলাদেশের ১ জন হ্তভাগী স্ত্রী যদি দেখে যে, তার স্বামী ঘরের ভেতর একটা ৮ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে, তার কি কোন বক্তব্য থাকতে পারে, তার মাথা কাজ করবে?
ফলে, যেকোন ইডিয়টও আসামির স্ত্রীকে মৃত্যুদন্ড দিতে পারে না। এসব বালচাল বিচার মানবতার বিপক্ষে যাচ্ছে; রামিসা আক্তারকে হত্যা করেছে আসামী; তাকে তড়িঘড়ি করে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে মানুষের ইমোশানকে কাজে লাগানোর জন্য; তার স্ত্রীকে ছেড়ে দেয়াই সঠিক হবে; জাতিকে ইডিয়ট হতে সাহায্য করা অন্যায়।
০৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ১ জন জামাতীও নেই; বাংলাদেশে ৬৮ জন; আবদুল্লাহরা হলো এদের খেলনা।
ইডিয়ট বিচারক তো দেখছি আসলে বানর।
২|
০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আজকে টুপি পড়ে আমিও ইশকলার হয়ে গেলাম । ![]()
০৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৫:১৮
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
বাক্যের অর্থ পরিকার হয়নি আমার কাছে।
৩|
০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সরকারের লোকেরা দেশের মানুষের ইমোশানকে কাজে লাগিয়ে নিজেদেরকে
পপুলার করার জন্য স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদন্ড দিতে বাধ্য করেছে।
.......................................................................................................
আমরা যে হুজুগে জাতি আবার প্রমান হলো ।
একটি পত্রিকায় দেখেছি গত ৬০ দিনে আরও শিশু ধর্ষন হয়েছে ।
একটি প্রতি বে দন দে খুন :=
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ৬০ দিনে (২০২৬ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের শুরুর দিকে) বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণের সঠিক সংখ্যা একক কোনো প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন উৎস থেকে নিম্নলিখিত তথ্য পাওয়া গেছে:
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান:
২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত — চার মাসে অন্তত ১১৮ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে এবং ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে ১৭ জন 21।
এপ্রিল ২০২৬-এ— এক মাসে ৬৮ জন নারী, শিশু ও কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে 6।
মার্চ ২০২৬-এ — নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল ২৮৯টি, যা এপ্রিলে ২৯৪-এ দাঁড়িয়েছে 4।
তাহলে এদের কেন বিচার হলোনা ? ৪ দিনের স্হানে ১৪ দিনেও ???
০৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৫:২২
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
রাষ্ট্র সংকটে, সমাজ আশাহীন;এখন এমন সব অপকর্ম ঘটবে, যা সাধারণ মানুষের কন্ট্রোলের বাহিরে। বিএনপি থেকে আওয়ামী মনের মনাুষ, কেহই বিশ্বাস করে না যে, তারেকের সময় দেশ স্বাভাবিক অবস্হায় চলবে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার থেকে জানলাম । এটা নিয়ে কেউ কিছু লিখেছে সামনের পাতায় ? সোহেল তার বিবিকে মারধর করতো । রামিশা বিচার পেল কিনতু একই দিনে আবদুললাহ মারা গিয়েছিলো। কোনো খবর নেই ।