| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ব্লগার কচির পোষ্ট পড়েন? লেখা কি ধরণের, কোন ধরণের বু্ধিমত্তা আছে বলে মনে হয়? আমি এই ধরণের লোকজনকে পংগু মনোভাবের লোকজন মনে করি।
এই লোক কিন্তু আধা সরকারী কর্পোরেশনের খুবই বড় অফিসার ছিলেন; সর্বশেষ কাজ করেছিলেন বাড়বকুন্ড কেমিক্যাল কর্পোরেশনে; যেসব অফিসারের চুরি ও অদক্ষতার কারণে এই কর্পরেশনটা বন্ধ হয়েছে, তাদের মাঝে এই ব্লগার অন্যতম ১ জন ছিলেন। আমি বাড়বকুন্ডের ব্যবসায়ীদের মহলে বহুল পরিচিত এই অফিসারের অপকর্মের কথা শুনেছি।
আজকে পোষ্ট দিয়েছে বাচ্চাদের নাচ-গান-আর্ট শিক্ষার বিপক্ষে। এদের দলের পিতামাতা হচ্ছে পাকিস্তান; পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ১ টিও হায়েনা নেই; বাংলাদেশের পার্লামেন্টে তারা ৬৮ জন আছে।
১৩ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
বাংলাদেশের ৫০% পরিবারের বাচ্চারা পড়ালেখায় ১ম জেনারেশন। এরা পড়ালেখা করেও এখনো সুবিধা করতে পারছে না। বেকারত্ব ও দারিদ্রতা মানুষকে সুস্হ জীবনের সন্ধান দিতে পারছে না।
জামাতীরা নিজেরাই পংগু ভাবনার মানুষ, এরা পুরো সমাজকে পংগু করে রাখতে আগ্রহী।
২|
১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৯
রাজীব নুর বলেছেন: শিরোনামটা যথাযথ হয়েছে।
১৩ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
এদের শিক্ষিতরা বুঝতে পারে না, আমাদের দেশটাকে কিভাবে পাকিস্তান, জামাত-শিবির, মোল্লারা মিলে সভ্যতা থেকে বিচ্ছিন্ন করে, পেছনে টেনে নিচ্ছে প্রতিদিন।
৩|
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৪
মাথা পাগলা বলেছেন: সৈয়দ কুতুব@ এর সাথে জামায়াত-শিবির বা হেফাজতের সম্পর্ক ঠিক কোথায়?
আপনার যুক্তিটা বেশ মজার। আপনি প্রমান করতে চাইলেন যে এধরনে মানসিকতার সাথে জামাত-শিবিরের কোন সম্পর্ক নাই, কিন্তু যেগুলার তালিকা দিলেন সেগুলা শুনলে মানুষ প্রথমেই জামাত-শিবিরের চিন্তার কথাই মনে করবে। কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ পরিবারেও এই মানসিকতা আছে - সেটা সত্য। কিন্তু তাই বলে জামাত-শিবিরের মতাদর্শের সাথে মেলানো ঠিক হবে না, এমন যুক্তি আসলেন ক্যামনে?
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩০
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
শারীরিক ও মানসিকভাবে পংগুরাই বেদুইন সংস্কৃীর অনুসারী; এরা গোত্রের সদস্য, জংগী, হিংস্র ও মগজহীন; মানব সভ্যতা থেকে এরা অনেক পেছনে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশে এমন হাজার হাজার মানুষ আছেন, যাঁরা মানসিকভাবে 'কচি সাহেব' ঘরানার। এর সাথে জামায়াত-শিবির বা হেফাজতের সম্পর্ক ঠিক কোথায়? কচি সাহেবের দৃষ্টিভঙ্গি আসলে বাংলাদেশের বহু মানুষের চিন্তাভাবনার সাথে মিলে যায়। এ দেশের মা-বাবার কাছে একমাত্র আরাধ্য হলো 'পড়াশোনা'; ইংরেজি, গণিত আর বিজ্ঞান ছাড়া বাকি কোনো কিছুকেই তাঁরা ঠিক বিষয় বলে গণ্য করেন না। পাঠ্যপুস্তকে সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্তি তাঁদের একেবারেই পছন্দ নয়। মা-বাবারা এমনিতেই সার্বক্ষণিক দুশ্চিন্তায় থাকেন যে, ছেলেমেয়েরা টিকটক করে কিংবা গেম খেলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এসব সংস্কৃতি চর্চা করে যে জীবনে বড় হওয়া যায় এ কথা তাঁরা ভাবতেই পারেন না। জেমসের গান হাজার হাজার তরুণ পছন্দ করে, কিন্তু নিজের বাবা-মাকে কজন বুক ফুলিয়ে বলতে পারে, 'আমি জেমসের মতো হতে চাই'? নৃত্যের ক্ষেত্রেও সমস্যাটা একই। এটা মূলত বাংলাদেশের সেই সনাতন ব্যবস্থারই বহিঃপ্রকাশ। আমাদের দেশে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কথা বলা হয়, ক্যারিয়ার গড়ার জন্য নয়। বাস্তবতাটা মেনে নেওয়াই শ্রেয়।