| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
**** ১৪টি মুসলিম দেশ: সৌদী, ইরান, ইরাক, জর্ডান, মরক্কো, কাতার, আলজেরিয়া, তিউনেশিয়া, মিশর, তুরস্ক, বসনিয়া,উজবেকিস্তান,কেইপ ভেরদে ও সেনেগাল এবারের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে, খেলছে; দেখেন, কতগুলো আরব দেশ! নবীজীর দেশও আছে। *****
আজকেই মরক্কো খেলছে ব্রাজিলের সাথে। আরো ১৮টি মুসলিম দেশ চেষ্টা করেছিলো খেলায় অংশ নিতে; এবার সুযোগ পায়নি, ভবিষ্যতে পারে।
বাংগালী মোল্লা, মওলানা, ইসলামিক স্কলার সৌদী ও ইরানীদের চেয়ে ইসলাম বেশী বুঝার কথা নয়; বাংলী ইসলামিক স্কলারদের সাধারণ জ্ঞানের লেভেল রাখাল বালকদের সমান। একটি মানুষের বাচ্চাকে মাদ্ররাসায় পড়তে দিলে উহা গর্দভে পরিণত হয়।
১৪ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৫৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মক্তব করতো গ্রামের লোকজন মিলে; উহার স্হান দখল করেছে কওমী মাদ্রাসা, গর্দভ প্রোডাকশান সেন্টার।
২|
১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:০৬
মিরোরডডল বলেছেন:
একটি মানুষের বাচ্চাকে মাদ্ররাসায় পড়তে দিলে উহা গর্দভে পরিণত হয়।
শুধু কি তাই?
শিক্ষক নামের হুজুরদের দ্বারা সেক্সচুয়াল এবিউজের শিকার হয়।
যে ট্রমার মধ্যে দিয়ে ছোট বাচ্চাগুলো বেড়ে উঠে, পরবর্তীতে বড় হয়ে এরা লোকাল কমিউনিটির জন্য কি করবে, নিজেরাইতো পরিস্থিতির শিকার।
এগুলোর বিরুদ্ধে কোনো কঠিন আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয় না, তাই যুগ যুগ ধরে চলছে, কোনো প্রতিকার নেই।
১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
যৌনতা আছে বলেই পৃথিবী থেকে মানুষ এখনো নিশ্চিহ্ন হয়নি। এইসব অন্চলের মানুষ বুঝে যৌনতা জীবনের অংশ।
১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
মোল্লারা যৌনতার দিক থেকে পশু থেকে বেদুইনদের মতো ইডিয়ট
৩|
১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:১৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হুজুরদের একক ভাবে দোষ দিয়ে লাভ নেই ; বাংলাদেশের মিডিয়া নিউজ করেছে যে আমেরিকায়-মেক্সিকোতে এবার খেলা উপলক্ষে যৌন বিজনেস রমরমা । হুজুররা তাই এসব আল-বাল বকছে । মিডিয়া কিনতু এটা বলে না যে , ৩০ বিলিয়ন ডলারের মতো আয় হবে এবার খেলা থেকে । আমরা নিজেরাই নিজেদের বিপদ বাড়িয়ে চলেছি । বুঝতেও পারছি না ।
১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
যৌনতা আছে বলেই পৃথিবী থেকে মানুষ এখনো নিশ্চিহ্ন হয়নি। এইসব অন্চলের মানুষ বুঝে যৌনতা জীবনের অংশ।
৪|
১৫ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০
রাজীব নুর বলেছেন: আপনি কোণ দল সাপোর্ট করেন?
আর্জেন্টিনা?
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৫:২৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মানুষের বাচ্চাকে মাদ্ররাসায় পড়তে দিলে উহা গর্দভে পরিণত হয়।
.................................................................................................
চোখ ফুটে একটু জ্ঞান হবার পর দেখতাম,
খুব ভোরে মসজিদে যেতে হতো সিপারা পড়ার জন্য,
ঠিকমত পড়তে না পাড়লে হুজুরের মারও খেতে হতো ।
মক্তবের সেই পড়াটা ছিল নির্মল ও আনন্দের ।
কারন ১ ঘন্টা পর ছুটি আর বাসায় ফিরে সকালের নাস্তা খাওয়া ।
এরপর স্কুলের বই নিয়ে স্কুল যাওয়া ।
মক্তবের উক্ত পড়ার চলটি কিভাবে পরিবর্তন হয়ে গেল ?
এখনও গ্রামে কোথাও কোথাও মক্তব ভিত্তিক পড়াশুনা চালু আছে ।