নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারত ও বাংলাদেশের মাঝে সম্পর্কের ভয়ানক অবনতির কারণগুলো কি কি?

১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৪০



এখন সামুতে যেই ২০/২৫ জন ব্লগার লেখেন, তাঁদের মাঝে কমপক্ষে ২০ জন বলতেও পারবে না, কি কি কারণে এক সময় বাংলাদেশের সাথে ভরতের ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিলো; এরা বড় জোর বলতে পারবে ভারত কি কি ভাবে আমাদের সমুহ ক্ষতি করছে, কিভাবে আমাদের ক্ষতি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে! তবে, এটা সঠিক যে, এসব ডোডোর রাজনৈতিক জ্ঞান, কমনসেন্স, আন্ত্রর্জাতিক সম্পর্ক সম্পর্কে নলেজ বলতে কিছুই নেই; ওদের ১টা পোষ্টই ওদের জ্ঞানের বহর সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে সক্ষম।

আজকে আমাদের ব্লগার জুল ভার্ণ গংগার জল ও বুড়িগংগার পানি নাম দিয়ে ২ দেশ নিয়ে আলোচনা করেছেন; লেখাটা পড়ে দেখেন, পুরো লেখায় কোনকিছু আপনার কাছে সঠিক মনে হয় কিনা! উনার লেখায় মন্তব্য করবেন; লেখাটা আপাতত রাস্তার পাশে শুকনো বিষ্ঠার মতো পড়ে আছে।


মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখা পড়লাম । সময় পেলে মতামত জানাবো।

১৪ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৫

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



১ম পাতায় আপনার ভালো পো্ষ্টে এ পর্যন্ত কেহ মন্তব্য করেনি; অথচ ১৩ জন ডামী লগিন করে বসে আছে।

২| ১৪ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: প্রাথমিকে সঙ্গীত শিক্ষক: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রিপরিষদ অসম্মতি প্রদান করেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রবিবার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে জামায়াত এমপি মো. নূরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। মো. নূরুল ইসলাম শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে যে বিতর্কিত সহকারী শিক্ষক সংগীত পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে; তার বর্তমান অবস্থা কী? জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ের শিক্ষক পদ সৃজনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অসম্মতি প্রদান করা হয়েছে। এর আগে গত ৩১ মার্চ সাংস্কৃতিক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ দিতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সংগীত শিক্ষক নির্বাচিত করবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে। বেতন-ভাতা দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ।

কচি সাহেব ও তানভির জুমার সাহেবরাই এখন দেশ চালান । আমরা হলাম ভাড়াটিয়া ।

১৪ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




মিলন ছিলো নিউইয়র্কের ভালো ট্যাক্সি ড্রাইবার; এরপর, সে হলো হাওয়া ভবানের ডাকাত; সেখান থেকে শিক্ষামন্ত্রী।

সে বেগম জিয়ার মিনিষ্টার ছিলো, ম্যাট্রিক ফেল মহিলার মন্ত্রী, হাওয়া ভবানের ডাকাত। এখন সে নিজের সর্দারের অধীনে ডাকাত।

৩| ১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কি কি কারণে এক সময় বাংলাদেশের সাথে ভারতের ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিলো
...........................................................................................................
বাংলাদেশের সাথে ভারতের ঘনিষ্ট ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের মূলে রয়েছে
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের প্রত্যক্ষ সহায়তা, ভৌগোলিক নৈকট্য এবং ভাষা ও সংস্কৃতির গভীর মিল।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সুসম্পর্কের মূল কারণগুলো হলো:
মুক্তিযুদ্ধের অবদান: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারত প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল এবং কূটনৈতিক, নৈতিক ও সামরিক সমর্থন জুগিয়েছিল।
যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর আত্মত্যাগের বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কে একটি গভীর ঐতিহাসিক ও আবেগপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছিল।
ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশের তিন দিকেই ভারতের বিশাল সীমান্ত রয়েছে। নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং যাতায়াত ব্যবস্থার জন্য দুই দেশেরই একে অপরের ওপর নির্ভরশীলতা রয়েছে।
সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত মিল: দুই দেশের বাঙালি জাতির ভাষা, সাহিত্য, সংগীত এবং জীবনযাত্রার মধ্যে চমৎকার মিল রয়েছে। রবীন্দ্র-নজরুলের সাহিত্য ও সংস্কৃতির আদান-প্রদান উভয় দেশের মানুষকে মানসিকভাবে কাছাকাছি এনেছিল।অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থ: বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের অন্যতম বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার। অপরদিকে ভারতও বাংলাদেশের বৃহৎ আমদানির উৎস এবং ট্রানজিট সুবিধা দিয়ে দুই দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমন: উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দমন করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একসময় ভারতের নিরাপত্তা সহযোগিতায় বড় ভূমিকা পালন করে, যা দ্বিপাক্ষিক আস্থাকে বৃদ্ধি করেছিল।

১৫ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৪:৪১

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



যা লিখেছেন, অনেকটা ঠিক আছে।

একটা ভুল আছে, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দমন করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কোন ভুমিকা ছিলো না।

৪| ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দমন
........................................................................
হাসিনা সরকার ,বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর অনেক ঘাঁটি
ধংশ করেছে , র' এর সাথে যৌথ অভিযান করে অস্ত্র উদ্ধার করেছে
এবং তাদের অবৈধ অর্থ লেনদেন এর সোর্স বন্ধ করেছে ।

১৫ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৯

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ওগুলো ভারতে করেছে; হাসিনা উলফাকে ভয় করতো।

৫| ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দমন করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কোন ভুমিকা ছিলো না।
........................................................................................................................................
উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে (যেমন- উলফা, নাগা, বোডো) দমন করতে বাংলাদেশ সরকার
ভারতের সুরক্ষায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
প্রধান নিরাপত্তা সহযোগিতা ও পদক্ষেপগুলো ছিল নিম্নরূপ:
শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার ও হস্তান্তর: উলফা (ULFA) নেতা অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া, এবং
নেলফ (NLFT) ও এনডিএফবি (NDFB)-এর মতো শীর্ষস্থানীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের গ্রেপ্তার
করে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বিদ্রোহীদের ক্যাম্প ধ্বংস:
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের তৈরি করা গোপন প্রশিক্ষণ ঘাঁটি ও নিরাপদ আশ্রয়স্থলগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করা হয়।
অবৈধ অস্ত্র ও অর্থপাচার রোধ: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অস্ত্র ও অর্থ চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়।
যৌথ টহল ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ: সীমান্ত এলাকায় ভারতবিরোধী কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য সীমান্তে যৌথ টহল জোরদার করা হয়।

১৫ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




বাংলাদেশের পুলিশ ও সেনাবাহিনী বেগম জিয়ার সময়, তারেকের স হযোগীতায় উফফাকে বাংলাদেশে এনেছিলো; শেখ হাসিনার আসর পর (২০০৮ সালের পর ), উলফার তথ্য ভারতকে দেয়া হয়েছিলো। বাকী কাজ ভারত করেছে।

৬| ১৫ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: ঐ লোককে এয়ারপোর্টে আটকে দিয়েছে, কারণ উনি ভারতকে বন্ধু মনে করেন না।

১৫ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




আসলে, তারেককে লাঠি দেখানো হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.